ভবঘুরে কথা

একবিংশ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব একবিংশ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ কথামৃত : একবিংশ অধ্যায় : ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

১৮৮৪, ৩০শে জুন ঠাকুর এইবার ফিরিতেছেন। বাবুরামকে বলিলেন, আরে আয়! মাস্টারও সঙ্গে আসিলেন। সন্ধ্যা হইয়াছে। ঘরের পশ্চিমের গোল বারান্দায় আসিয়া ঠাকুর বসিয়াছেন। ভাবস্থ, – অর্ধবাহ্য। কাছে বাবুরাম ও মাস্টার। আলকাল ঠাকুরের সেবার কষ্ট হইয়াছে। রাখাল আজকাল থাকেন না। কেহ কেহ আছেন, কিন্তু তাঁহারা ঠাকুরের সকল অবস্থাতে ছুঁতে পারেন না। ঠাকুর সঙ্কেত করে বাবুরামকে বলিতেছেন – […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব একবিংশ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ কথামৃত : একবিংশ অধ্যায় : পঞ্চম পরিচ্ছেদ

১৮৮৪, ৩০শে জুন কালীব্রহ্ম, ব্রহ্মশক্তি অভেদ – সর্বধর্ম-সমন্বয় শ্রীযুক্ত মণি মল্লিকের সঙ্গে পণ্ডিত কথা কহিতেছেন। মণি মল্লিক ব্রাহ্মসমাজের লোক। পণ্ডিত ব্রাহ্মসমাজের দোষগুন লইয়া ঘোর তর্ক করিতেছেন। ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়া দেখিতেছেন ও হাস্য করিতেছেন। মাঝে মাঝে বলিতেছেন, “এই সত্ত্বের তমঃ – বীরের ভাব। এ-সব চাই। অন্যায় অসত্য দেখলে চুপ করে থাকতে নাই। মনে কর, নষ্ট […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব একবিংশ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ কথামৃত : একবিংশ অধ্যায় : চতুর্থ পরিচ্ছেদ

১৮৮৪, ৩০শে জুন ঈশ্বরদর্শন জীবনের উদ্দেশ্য – তাহার উপায় [ঐশ্বর্য ও মাধুর্য – কেহ কেহ ঐশ্বর্যজ্ঞান চায় না ] ঠাকুর কিয়ৎক্ষণ চুপ করিয়া আছেন। আবার কথা কহিতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ – ঈশ্বর কল্পতরু। তাঁর কাছে থেকে চাইতে হয়। তযন যে যা চায় তাই পায়। “ঈশ্বর কত কি করেছেন। তাঁর অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড – তাঁর অনন্ত ঐশ্বর্যের জ্ঞান আমার […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব একবিংশ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ কথামৃত : একবিংশ অধ্যায় : দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

১৮৮৪, ৩০শে জুন শাস্ত্রপাঠ ও পাণ্ডিত্য মিথ্যা – তপস্যা চাই – বিজ্ঞানী পণ্ডিত বেদাদি শাস্ত্র পড়িয়াছেন ও জ্ঞানচর্চা করেন। ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়া তাঁহাকে দেখিতেছেন ও গল্পচ্ছলে নানা উপদেশ দিতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (পণ্ডিতের প্রতি) – বেদাদি অনেক শাস্ত্র আছে, কিন্তু সাধন না করলে, তপস্যা না করলে – ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না। “ষড় দর্শনে দর্শন মেলে না, […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব একবিংশ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ কথামৃত : একবিংশ অধ্যায় : প্রথম পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে পণ্ডিত শশধরাদি ভক্তসঙ্গে ১৮৮৪, ৩০শে জুন কালীব্রহ্ম – ব্রহ্ম ও শক্তি অভেদ শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে তাঁর সেই পূর্বপরিচিত ঘরে মেঝেতে বসিয়া আছেন, – কাছে পণ্ডিত শশধর। মেঝেতে মাদুর পাতা – তাহার উপর ঠাকুর, পণ্ডিত শশধর এবং কয়েকটি ভক্ত বসিয়াছেন। কতকগুলি ভক্ত মাটির উপরেই বসিয়া আছেন। সুরেন্দ্র, বাবুরাম, মাস্টার, হরিশ, লাটু, হাজরা, মণি মল্লিক প্রভৃতি […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!