ভবঘুরে কথা

পঞ্চদশ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বরগৃহস্থাশ্রমে ঈশ্বরলাভ – উপায় শ্রীরামকৃষ্ণ – গান শুনলে? “কালীনামে দাওরে বেড়া, ফসলে তছরূপ হবে না।” ঈশ্বরের শরণাগত হও, সব পাবে। “সে যে মুক্তকেশীর শক্ত বেড়া, তার কাছেতে যম ঘেঁসে না।” শক্ত বেড়া। তাঁকে যদি লাভ করতে পার, সংসার অসার বলে বোধ হবে না। যে তাঁকে জেনেছে, সে দেখে যে জীবজগৎ সে তিনিই হয়েছেন। […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : একাদশ পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বর শ্রীযুক্ত জয়গোপাল সেনের বাড়িতে শুভাগমন ইংরেজী ২৮শে নভেম্বর, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ। আজ বেলা ৪টা-৫টার সময় শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের কমলকুটির নামক বাটীতে গিয়াছিলেন। কেশব পীড়িত, শীঘ্রই মর্ত্যধাম ত্যাগ করিয়া যাইবেন। কেশবকে দেখিয়া রাত্রি ৭টার পর মাথাঘষা গলিতে শ্রীযুক্ত জয়গোপালের বাটীতে কয়েকটি ভক্তসঙ্গে ঠাকুর আগমন করিয়াছেন। ভক্তেরা কত কি ভাবিতেছেন। ঠাকুর দেখিতেছি, নিশিদিন হরিপ্রেমে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : দশম পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বরব্রাহ্মসমাজ ও বেদোল্লিখিত দেবতা – গুরুগিরি নীচবুদ্ধি[অমৃত – কেশবের বড় ছেলে – দয়ানন্দ সরস্বতী ] ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কিছু মিষ্টমুখ করিয়া যাইবেন। কেশবের বড় ছেলেটি কাছে আসিয়া বসিয়াছেন। অমৃত বলিলেন, এইটি বড় ছেলে। আপনি অশির্বাদ করুন। ও কি! মাথায় হাত দিয়া আশির্বাদ করুন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলিলেন, “আমার আশীর্বাদ করতে নাই।” এই বলিয়া সহাস্যে ছেলেটির […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : নবম পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বরকেশবের সঙ্গে কথা – ঈশ্বরের হাসপাতালে আত্মার চিকিৎসা শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবের প্রতি, সহাস্যে) – তোমার অসুখ হয়েছে কেন তার মানে আছে। শরীরের ভিতর দিয়ে অনেক ভাব চলে গেছে, তাই ওইরকম হয়েছে। যখন ভাব হয় তখন কিছু বোঝা যায় না, অনেকদিন পরে শরীরে আঘাত লাগে। আমি দেখেছি, বড় জাহাজ গঙ্গা দিয়ে চলে গেল, তখন কিছু […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : অষ্টম পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বরব্রাহ্মসমাজ ও ঈশ্বরের ঐশ্বর্য বর্ণনা – পূর্বকথা শ্রীরামকৃষ্ণ কথা কহিতে কহিতে প্রকৃতিস্থ হইয়াছেন। কেশবের সহিত সহাস্যে কথা কহিতেছেন। একঘর লোক উৎকর্ণ হইয়া সমস্ত শুনিতেছেন ও দেখিতেছেন। সকলে অবাক্‌ যে, “তুমি কেমন আছ” ইত্যাদি কথা আদৌ হইতেছে না। কেবল ঈশ্বরের কথা! শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবের প্রতি) – ব্রহ্মজ্ঞানীরা অত মহিমা-বর্ণন করে কেন? “হে ঈশ্বর তুমি চন্দ্র […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : সপ্তম পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বর ব্রহ্ম ও শক্তি অভেদ – মানুষলীলা এইবার কেশব উচ্চৈঃস্বরে বলছেন, “আমি এসেছি”, “আমি এসেছি!” এই বলিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বাম হাত ধারণ করিলেন ও সেই হাতে হাত বুলাইতে লাগিলেন। ঠাকুর ভাবে গরগর মাতোয়ারা। আপনা-আপনি কত কথা বলিতেছেন। ভক্তেরা সকলে হাঁ করিয়া শুনিতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ – যতক্ষণ উপাধি, ততক্ষণ নানা বোধ। যেমন কেশব, প্রসন্ন, অমৃত […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বর শ্রীরামকৃষ্ণ সমাধিস্থ – ঈশ্বরাবেশে মার সঙ্গে কথা ঠাকুর অনেকক্ষণ বসিয়া আছেন। কেশবকে দেখিবার জন্য অধৈর্য হইয়াছেন। কেশবের শিষ্যেরা বিনীতভাবে বলিতেছেন, তিনি একটু এই বিশ্রাম করছেন, এইবার একটু পরে আসছেন। কেশবের সঙ্কটাপন্ন পীড়া। তাই শিষ্যেরা ও বাড়ির লোকেরা এত সাবধান। ঠাকুর কিন্তু কেশবকে দেখিতে উত্তরোত্তর ব্যস্ত হইতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবের শিষ্যদের প্রতি) – হ্যাঁগা! […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : পঞ্চম পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৮শে নভেম্বর কেশবের বাটীর সম্মুখে – “পশ্যতি তব পন্থানম্‌” [কেশব, প্রসন্ন, অমৃত, উমানাথ, কেশবের মা, রাখাল, মাস্টার ] কার্তিক কৃষ্ণা চর্তুদশী; ২৮শে নভেম্বর, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ, বুধবার। আজ একটি ভক্ত কমলকুটিরের (Lily Cottage) ফটকের পূর্বধারের ফুটপাথে পায়চারি করিতেছেন। কাহার জন্য ব্যাকুল হইয়া যেন অপেক্ষা করিতেছেন। কমলকুটিরের উত্তরে মঙ্গলবাড়ি, ব্রাহ্মভক্তেরা অনেকে বাস করেন। কমলকুটিরে কেশব থাকেন। […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : চতুর্থ পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৬শে নভেম্বর ভাব ও কুম্ভক – মহাবায়ু উঠিলে ভগবানদর্শন এইরূপ কথাবার্তা চলিতেছে, এমন সময় নিমন্ত্রিত আর কয়েকটি ব্রাহ্মভক্ত আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তন্মধ্যে কয়েকটি পণ্ডিত ও উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী। তাঁহাদের মধ্যে একজন শ্রীরজনীনাথ রায়। ঠাকুর বলিতেছেন, ভাব হইলে বায়ু স্থির হয়; আর বলিতেছেন, অর্জুন যখন লক্ষ্য বিঁধেছিল, কেবল মাছের চোখের দিকে দৃষ্টি ছিল – আর কোন […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চদশ অধ্যায় : তৃতীয় পরিচ্ছেদ

১৮৮৩, ২৬শে নভেম্বরশ্রীযুক্ত বিজয় গোস্বামীর নির্জনে সাধন শ্রীযুক্ত বিজয় গোস্বামী সবে গয়া হইতে ফিরিয়াছেন। সেখানে অনেকদিন নির্জনে বাস ও সাধুসঙ্গ হইয়াছিল। এক্ষণে তিনি গৈরিকবসন পরিধান করিয়াছেন। অবস্থা ভারী সুন্দর, যেন সর্বদা অন্তর্মুখ। পরমহংসদেবের নিকট হেঁটমুখ হইয়া রহিয়াছেন, যেন মগ্ন হইয়া কি ভাবিতেছেন। বিজয়কে দেখিতে দেখিতে পরমহংসদেব তাঁহাকে বলিলেন, “বিজয়! তুমি কি বাসা পাকড়েছ? “দেখ, দুজন […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!