ভবঘুরে কথা

পঞ্চম অধ্যায়

রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : দশম পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর সুরেন্দ্রের বাড়ি নরেন্দ্র প্রভৃতি সঙ্গেজাহাজ কয়লাঘাটে এইবার ফিরিয়া আসিল। সকলে নামিবার উদ্যোগ করিতে লাগিলেন। ঘরের বাহিরে আসিয়া দেখেন, কোজাগরের পূর্ণচন্দ্র হাসিতেছে, ভাগীরথী-বক্ষ কৌমুদীর লীলাভূমি হইয়াছে। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের জন্য গাড়ি আনিতে দেওয়া হইল। কিয়ৎক্ষণ পরে মাস্টার ও দু-একটি ভক্তের সহিত ঠাকুর গাড়িতে উঠিলেন। কেশবের ভ্রাতুষ্পুত্র নন্দলালও গাড়িতে উঠিলেন, ঠাকুরের সঙ্গে খানিকটা যাবেন। গাড়িতে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : নবম পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর তস্মাদসক্তঃ সততং কার্যং কর্ম সমাচর ৷ অসক্তো হ্যাচরন্‌ কর্ম পরমাপ্নোতি পুরুষঃ ৷৷ [গীতা – ৩।১৯] কেশবাদি ব্রাহ্মদিগকে কর্মযোগ সম্বন্ধে উপদেশ শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবাদি ভক্তের প্রতি) – তোমরা বল “জগতের উপকার করা।” জগৎ কি এতটুকু গা! আর তুমি কে, যে জগতের উপকার করবে? তাঁকে সাধনের দ্বারা সাক্ষাৎকার কর। তাঁকে লাভ কর। তিনি শক্তি দিলে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : অষ্টম পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর পিতাঽসি লোকস্য চরাচরস্য, ত্বমস্য পূজ্যশ্চ গুরুর্গরীয়ান্‌ ৷ ন ত্বৎসমোঽস্ত্যভ্যধিকঃ কুতোঽন্যো, লোকত্রয়েঽপ্যপ্রতিমপ্রভাব ৷৷ [গীতা – ১১।৪৩] কেশবকে শিক্ষা – গুরুগিরি ও ব্রাহ্মসমাজে – গুরু এক সচ্চিদানন্দ সকলে আনন্দ করিতেছেন। ঠাকুর কেশবকে বলিতেছেন, “তুমি প্রকৃতি দেখে শিষ্য কর না, তাই এইরূপ ভেঙে ভেঙে যায়। “মানুষগুলি দেখতে সব একরকম, কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতি। কারু ভিতর সত্ত্বগুণ […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : সপ্তম পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর সংনিয়ম্যেন্দ্রিনিদ্রয়গ্রামং সর্বত্র সমবুদ্ধয়ঃ ৷ তে প্রাপনুবন্তি মামেব সর্বভূতহিতে রতাঃ ৷৷ [গীতা – ১২।৪] শ্রীযুক্ত কেশব সেনের সহিত নৌকাবিহার – সর্বভূতহিতে রতাঃ ভাটা পড়িয়াছে। আগ্নেয়পোত কলিকাতাভিমুখে দ্রুতগতিতে চলিতেছে। তাই পোল পার হইয়া কোম্পানির বাগানের দিকে আরও খানিকটা বেড়াইয়া আসিতে কাপ্তেনকে হুকুম হইয়াছে। কতদূর জাহাজ গিয়াছিল, অনেকেরই জ্ঞান নাই – তাঁহারা মগ্ন হইয়া শ্রীরামকৃষ্ণের […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর সর্বধর্মান্‌ পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ ৷ অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ ৷৷ [গীতা – ১৮। ৬৬] ব্রাহ্মদিগকে উপদেশ – খ্রীষ্টধর্ম, ব্রাহ্মসমাজ ও পাপবাদ শ্রীরামকৃষ্ণ (ব্রাহ্মভক্তদের প্রতি) – মনেতেই বদ্ধ, মনেতেই মুক্ত। আমি মুক্ত পুরুষ; সংসারেই থাকি বা অরণ্যেই থাকি, আমার বন্ধন কি? আমি ঈশ্বরের সন্তান; রাজাধিরাজের ছেলে; আমায় আবার বাঁধে কে? […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : পঞ্চম পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর ত্রিভির্গুণয়ৈর্ভাবৈরেভিঃ সর্বমিদং জগৎ ৷ মোহিতং নাভিজানাতি মামেভ্যঃ পরমব্যয়ম্‌ ৷৷ [গীতা – ৭।১৩] এ সংসার কেন? শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবাদির প্রতি) – বন্ধন আর মুক্তি – দুয়ের কর্তাই তিনি। তাঁর মায়াতে সংসারী জীব কামিনী-কাঞ্চনে বদ্ধ, আবার তাঁর দয়া হলেই মুক্ত। তিনি “ভববন্ধনের বন্ধনহারিণী তারিণী”। এই বলিয়া গন্ধর্বনিন্দিতকন্ঠে রামপ্রসাদের গান গাহিতেছেন: শ্যামা মা উড়াচ্ছ ঘুড়ি (ভবসংসার […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : চতুর্থ পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর ত্বমেব সূক্ষ্মা ত্বং স্থূলা ব্যক্তাব্যক্তস্বরূপিণী ৷ নিরাকারাপি সাকারা কস্ত্বাং বেদিতুমর্হতি ৷৷ [মহানির্বাণতন্ত্র, চতুর্থোল্লাস, ১৫] বেদ ও তন্ত্রের সমন্বয় – আদ্যাশক্তির ঐশ্বর্য এদিকে আগ্নেয়পোত কলিকাতার অভিমুখে চলিতেছে। ঘরের মধ্যে শ্রীরামকৃষ্ণকে যাঁহারা দর্শন ও তাঁহার অমৃতময়ী কথা শ্রবণ করিতেছেন তাঁহারা জাহাজ চলিতেছে কিনা, এ-কথা জানিতেও পারিলেন না। ভ্রমর পুষ্পে বসিলে আর কি ভনভন করে! […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : তৃতীয় পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর যৎ সাংখ্যৈঃ প্রাপ্যতে স্থানং তদ্‌যোগৈরপি গম্যতে ৷ একং সাংখ্যঞ্চ যোগঞ্চ যঃ পশ্যতি স পশ্যতি ৷৷ [গীতা – ৫/৫] জ্ঞানযোগ, ভক্তিযোগ ও কর্মযোগের সমন্বয় “বালিশ ও তার খোলটা” – দেহী ও দেহ। ঠাকুর কি বলিতেছেন যে, দেহ বিনশ্বর, থাকিবে না? দেহের ভিতর যিনি দেহী তিনিই অবিনাশী, অতএব দেহের ফটোগ্রাফ লইয়া কি হইবে? দেহ […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর বাসাংসি জীর্ণানি যথা বিহায়, নবানি গৃহ্‌ণাতি নরোঽপরাণি ৷ তথা শরীরাণি বিহায় জীর্ণান্যান্যানি সংযাতি নবানি দেহী ৷৷ [গীতা – ২/২২] সমাধিমন্দিরে – আত্মা অবিনশ্বর – পওহারী বাবা নৌকা আসিয়া লাগিল। সকলেই ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে দেখিবার জন্য ব্যস্ত। ভিড় হইয়াছে। ঠাকুরকে নিরাপদে নামাইবার জন্য কেশব শশব্যস্ত হইলেন। অনেক কষ্টে হুঁশ করাইয়া ঘরের ভিতর লইয়া যাওয়া […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চম অধ্যায় : শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার

আনন্দ ও কথোপকথনপ্রথম পরিচ্ছেদ১৮৮২, ২৭শে অক্টোবর ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ – ‘সমাধিমন্দিরে’ আজ কোজাগর লক্ষ্মীপূজা। শুক্রবার ২৭শে অক্টোবর, ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দ। ঠাকুর দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির সেই পূর্বপরিচিত ঘরে বসিয়া আছেন। বিজয় (গোস্বামী) ও হরলালের সহিত কথাবার্তা কহিতেছেন। একজন আসিয়া বলিলেন, কেশব সেন জাহাজে করিয়া ঘাটে উপস্থিত। কেশবের শিষ্যেরা প্রণাম করিয়া বলিলেন, “মহাশয়, জাহাজ এসেছে, আপনাকে যেতে হবে, চলুন একটু […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!