ভবঘুরে কথা

পঞ্চাশৎ অধ্যায়

রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : দশম পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ ও অবতারবাদ একদিন দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বাবুরাম প্রভৃতি ভক্তদের সঙ্গে বসিয়া আছেন, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ, ৭ই মার্চ, বেলা ৩টা-৪টা হইবে। ভক্তেরা পদসেবা করিতেছেন, – শ্রীরামকৃষ্ণ একটু হাসিয়া ভক্তদের বলিতেছেন, “এর (অর্থাৎ পদসেবার) অনেক মানে আছে।” আবার নিজের হৃদয়ে হাত রাখিয়া বলিতেছেন, “এর ভিতর যদি কিছু থাকে (পদসেবা করলে) অজ্ঞান অবিদ্যা একেবারে চলে যাবে।” […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : নবম পরিচ্ছেদ

স্ত্রীলোক লইয়া সাধনা বা বামাচার সম্বন্ধে ঠাকুর শ্রীরামককৃষ্ণ ও স্বামীজীর উপদেশ স্বামী বিবেকানন্দ একদিন দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিতে গিয়াছিলেন। ভবনাথ ও বাবুরাম প্রভৃতি উপস্থিত ছিলেন। ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দ, ২৯শে সেপ্টেম্বর। ঘোষপাড়া ও পঞ্চনামী সম্বন্ধে নরেন্দ্র কথা তুলিলেন ও জিজ্ঞাসা করিলেন, স্ত্রীলোক লইয়া তারা কিরূপ সাধনা করে? ঠাকুর নরেন্দ্রকে বলিলেন, “তোর আর এ-সব কথা শুনে কাজ […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : অষ্টম পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ, কর্মযোগ, নরেন্দ্র ও দরিদ্রনারায়ণ সেবা (নিষ্কাম কর্ম) পরমহংসদেব বলিতেন, কর্ম সকলেরই করিতে হয়। জ্ঞান, ভক্তি ও কর্ম এই তিনটি ঈশ্বরের কাছে পৌঁছবার পথ। গীতায় আছে, – সাধু, গৃহস্থ, প্রথমে চিত্তশুদ্ধির জন্য গুরুর উপদেশ অনুসারে অনাসক্ত হয়ে কর্ম করিবে। ‘আমি কর্তা’ এটি অজ্ঞান, ধন-জন কার্যকলাপ আমার, এটিও অজ্ঞান। গীতায় আছে, আপনাকে অকর্তা জেনে ইশ্বরকে ফল […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : সপ্তম পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ, বিজয়, কেশব, নরেন্দ্র ও ‘কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ’ – সন্ন্যাস (Renunciation) একদিন শ্রীরামকৃষ্ণ ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী দক্ষিণেশ্বরে কালীবাড়িতে কথাবার্তা কহিতেছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (বিজয়ের প্রতি) – কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ না করলে লোকশিক্ষা দেওয়া যায় না। দেখ না, কেশব সেন ওইটি পারলে না বলে, কি হল শেষটা! তুমি নিজে ঐশ্বর্যের ভিতর, কামিনী-কাঞ্চনের ভিতর থেকে যদি বল ‘সংসার অনিত্য, ঈশ্বরই বস্তু’, অনেকে তোমার […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ, ব্রাহ্মসমাজ, নরেন্দ্র ও পাপবাদ [THE DOCTRINE OF SIN] স্বামীজীর গুরুদেব ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেন, “ঈশ্বরের নাম লইলে ও আন্তরিক তাঁহার চিন্তা করিলে পাপ পলাইয়া যায়। যেমন তুলার পাহাড় অগ্নিস্পর্শে একক্ষণে পুড়িয়া যায়; অথবা যেমন বৃক্ষে পাখি অনেক বসিয়াছে, হাততালি দিলে সব উড়িয়া যায়।” একদিন কেশববাবুর সহিত কথা হইতেছিল – শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবের প্রতি) – মনেতেই বদ্ধ, […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : পঞ্চম পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ, নরেন্দ্র, কেশব সেন ও সাকারপূজা [ঈশ্বর সাকার না নিরাকার ] একদিন কেশবচন্দ্র সেন শিষ্যবৃন্দ লইয়া দক্ষিণেশ্বর-কালীবাড়িতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিতে গিয়াছিলেন। কেশবের সঙ্গে নিরাকার সম্বন্ধে অনেক কথা হইত। পরমহংসদেব তাঁহাকে বলিতেন, ‘আমি মাটির বা পাথরের কালী মনে করি না। চিন্ময়ী কালী। যিনি ব্রহ্ম তিনি কালী। যখন নিষ্ক্রিয়, তখন ‘ব্রহ্ম’; যখন সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় করেন, তখন কালী, […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : চতুর্থ পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ, নরেন্দ্র, কর্মযোগ ও স্বদেশহিতৈষণা ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ সর্বদা বলিতেন, “আমি ও আমার” এইটি অজ্ঞান, “তুমি ও তোমার” এইটি জ্ঞান। একদিন শ্রীসুরেশ মিত্রের বাগানে মহোৎসব হইতেছিল, রবিবার, ১৫ই জুন ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দ। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও ভক্তেরা অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ব্রাহ্মসমাজের কয়েকজন ভক্তও আসিয়াছিলেন। ঠাকুর প্রতাপচন্দ্র মজুমদার ও অন্যান্য ভক্তদের বলিলেন, “দেখ, ‘আমি ও আমার’ এইটির নাম অজ্ঞান। […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : তৃতীয় পরিচ্ছেদ

শ্রীরামকৃষ্ণ, নরেন্দ্র ও সর্বধর্ম-সমন্বয় (HARMONY OF ALL RELIGIONS) নরেন্দ্র ও অন্যান্য কৃতবিদ্য যুবকগণ, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সকল ধর্মের উপর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দেখিয়া বিস্ময়াপন্ন হইয়াছিলেন। সকল ধর্মে সত্য আছে, এ-কথা পরমহংসদেব মুক্তকণ্ঠে বলিতেন। কিন্তু তিনি আরও বলিতেন, সকল ধর্মই সত্য – অর্থাৎ প্রত্যেক ধর্ম দিয়া ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানো যাইতে পারে। একদিন, ২৭শে অক্টোবর (১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দে) কেশবচন্দ্র […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

নরেন্দ্র কর্তৃক শ্রীরামকৃষ্ণের প্রচারকার্য আজ আমরা একটু আলচনা করিব, পরমহংসদেবের সেই বিশ্বজনীন সনাতন হিন্দুধর্ম স্বামীজী কিরূপ প্রচার করিতে চেষ্টা করিয়াছিলেন। (REALISATION OF GOD) শ্রীরামকৃষ্ণের কথা – ঈশ্বরকে দর্শন করিতে হইবে। কতকগুলি মত মুখস্থ বা শ্লোক মুখস্থ করার নাম ধর্ম নহে। এই ঈশ্বরদর্শন হয়, যদি ভক্ত ব্যাকুল হইয়া তাঁহাকে ডাকে, এই জন্মেই হউক অথবা জন্মান্তরেই হউক। […]

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

রামকৃষ্ণ কথামৃত : পঞ্চাশৎ অধ্যায় : পরিশিষ্ট

শ্রীরামকৃষ্ণ ও নরেন্দ্র (স্বামী বিবেকানন্দ) [VIVEKANANDA IN AMERICA AND EUROPE] প্রথম পরিচ্ছেদ ৺রথযাত্রার পরদিন (১৫ই জুলাই) ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ, আষাঢ় – সংক্রান্তি শ্রীশ্রীভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে সকালবেলা ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। নরেন্দ্রের (স্বামী বিবেকানন্দের) মহত্ত্ব-কথা বলিতেছেন – [নরেন্দ্রের মহত্ত্ব – ‘A prince among men’ ] “নরেন্দ্রের খুব উঁচু ঘর – নিরাকারের ঘর। পুরুষের সত্তা। এত ভক্ত আসছে, ওর […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!