ভবঘুরে কথা

অষ্টম খণ্ড

স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : পত্রাবলী (পূর্বানুবৃত্তি) : পত্রাবলী ৫১৪-৫৫২

পত্রাবলী (পূর্বানুবৃত্তি) ৫১৫* মঠ, বেলুড়, হাওড়া ১১ ডিসেম্বর, ১৯০০ প্রিয় জো, পরশু রাত্রে আমি এখানে পৌঁছেছি। কিন্তু হায়! এত তাড়াহুড়া করে এসেও কোন লাভ হল না। ক্যাপ্টেন সেভিয়ার বেচারা কয়েক দিন পূর্বেই দেহত্যাগ করেছেন। এভাবে দুজন মহাপ্রাণ ইংরেজ আমাদের জন্য-হিন্দুদের জন্য আত্মদান করলেন। শহীদ কোথাও থাকে তো-এঁরাই। মিসেস সেভিয়ারকে এইমাত্র পত্র লিখলাম-তাঁর ভাবী কার্যক্রম জানবার […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : পত্রাবলী (পূর্বানুবৃত্তি) : পত্রাবলী ৪৬৪-৫১৪

পত্রাবলী ৪৬৫ [স্বামী তুরীয়ানন্দকে লিখিত] সান ফ্রান্সিস্কো মার্চ, ১৯০০ হরিভাই, এই মিসেস বাঁড়ুয্যের কাছ থেকে একটা bill of lading (মাল চালানের বিল) এসেছে। সে মহিলাটি কি দাল-চাল পাঠিয়েছে—এটা তোমায় পাঠাচ্ছি। মিঃ ওয়াল্ডোকে দিও; সে সব আনিয়ে রাখবে—যখন আসবে। আমি আসছে সপ্তায় এ স্থান ছেড়ে চিকাগোয় যাব। তারপর নিউ ইয়র্কে আসছি। এক-রকম আছি। … তুমি এখন […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : পত্রাবলী (পূর্বানুবৃত্তি) : পত্রাবলী ৪১৪-৪৬৪

পত্রাবলী ৪১৫* [খেতড়ির মহারাজকে লিখিত] মঠ, বেলুড় ২৬ অক্টোবর, ১৮৯৮ মহামান্য মহারাজ, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য আমি খুবই উদ্বিগ্ন। আমার খুব ইচ্ছা ছিল নাবার পথে আপনাকে দেখে যাব, কিন্তু আমার স্বাস্থ্য এমনভাবে ভেঙে পড়ল যে, একটুও দেরী না করে আমাকে সমতলে ছুটে আসতে হল। ভয় হচ্ছে, আমার হৃদযন্ত্রে কিছু গোলযোগ হয়েছে। যা হোক, আপনার শারীরিক অবস্থা […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : গীতা-৩

গীতা-৩ [১৯০০ খ্রীঃ ২৯ মে সান ফ্রান্সিস্কোতে প্রদত্ত বক্তৃতার সংক্ষিপ্ত অনুলিপি]অর্জুন শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করিলেনঃ আপনি আমাকে কর্মের উপদেশ দিতেছেন, অথচ ব্রহ্মজ্ঞানকে জীবনের উচ্চতম অবস্থা বলিয়া প্রশংসা করিয়াছেন। হে কৃষ্ণ, যদি জ্ঞানকে কর্ম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ মনে করেন, তবে কর্মের উপদেশ দিতেছেন কেন?২২ শ্রীকৃষ্ণঃ অতি প্রাচীনকাল হইতে দুইটি সাধনপথ প্রচলিত আছে। জ্ঞানানুরাগী দার্শনিকগণ জ্ঞানযোগের এবং নিষ্কামকর্মিগণ কর্মযোগের […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : গীতা-২

গীতা-২ [১৯০০ খ্রীঃ ২৮ মে সান ফ্রান্সিস্কোতে প্রদত্ত বক্তৃতার সংক্ষিপ্ত অনুলিপি] গীতা সম্বন্ধে প্রথমেই কিছু ভূমিকার প্রয়োজন। দৃশ্য-কুরুক্ষেত্রের সমরাঙ্গণ। পাঁচ হাজার বৎসর পূর্বে ভারতবর্ষের আধিপত্য লাভের জন্য একই রাজবংশের দুইটি শাখা-কুরু ও পাণ্ডব যুদ্ধক্ষেত্রে সমবেত হইয়াছিল। পাণ্ডবদের ছিল রাজ্যে ন্যায়সঙ্গত অধিকার, কৌরবদের ছিল বাহুবল। পাণ্ডবদের পাঁচ ভ্রাতা এতদিন বনে বাস করিতেছিলেন; শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন তাঁহাদের সখা। […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : গীতা-১

গীতা-১ [১৯০০ খ্রীঃ ২৬ মে সান ফ্রান্সিস্কোতে প্রদত্ত বক্তৃতার সংক্ষিপ্ত অনুলিপি]গীতা বুঝিতে হইলে ইহার ঐতিহাসিক পটভূমি বোঝা প্রয়োজন। গীতা উপনিষদের ভাষ্য। উপনিষদ্‌ ভারতের একটি প্রধান ধর্মগ্রন্থ-খ্রীষ্টান জগতে নিউ টেষ্টামেণ্টের মত ভারতে ইহার স্থান। উপনিষদের সংখ্যা একশতেরও অধিক, কোনটি ছোট এবং কোনটি বড় হইলেও প্রত্যেকটিই স্বতন্ত্র গ্রন্থ। উপনিষদ্‌ কোন ঋষি বা আচার্যের জীবন-কাহিনী নয়, ইহার বিষয়বস্তু […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : শ্রীরামকৃষ্ণ ও তাঁহার মত

শ্রীরামকৃষ্ণ ও তাঁহার মত শ্রীরামকৃষ্ণ নিজেকে স্থূল অর্থেই অবতার বলে মনে করতেন, যদিও এর ঠিক কি অর্থ, তা আমি বুঝতে পারতাম না। আমি বলতাম, বৈদান্তিক অর্থে তিনি হচ্ছেন ব্রহ্ম। দেহত্যাগের ঠিক কয়েক দিন আগে তাঁর খুবই শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল; আমি যখন মনে মনে ভাবছি-দেখি, এই কষ্টের মধ্যেও তিনি নিজেকে অবতার বলতে পারেন কিনা-তখনই তিনি আমাকে বললেন, […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : মদীয় আচার্যদেব

মদীয় আচার্যদেব [১৮৯৬, ২৪ ফেব্রুআরী নিউ ইয়র্কে নবপ্রতিষ্ঠিত বেদান্ত সোসাইটির উদ্যোগে স্বামীজী বিখ্যাত My Master বক্তৃতাটি দেন; ঐ বৎসরের শেষদিকে লণ্ডন ত্যাগের পূর্বে উইম্বল‍্ডনে শ্রীরামকৃষ্ণ সম্বন্ধে আর একটি বক্তৃতা দেন। বর্তমান অনুবাদ উভয় বক্তৃতা হইতে সঙ্কলিত।] ভগবান্ শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভগবদগীতায় বলিয়াছিলেনঃ যখনই ধর্মের প্রভাব কমিয়া যায় ও অধর্মের প্রভাব বাড়িতে থাকে, তখনই আমি মানবজাতিকে সাহায্য করিবার […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : পাওহারী বাবা

পাওহারী বাবা [মান্দ্রাজ হইতে প্রকাশিত ইংরেজী ‘ব্রহ্মবাদিন’ পত্রিকার জন্য লিখিত-১৮৯৯] ১ভগবান্ বুদ্ধ ধর্মের অন্যান্য প্রায় সকল ভাবকে সেই সময়ের জন্য বাদ দিয়া ‘তাপিত জগৎকে সাহায্য করাই সর্বশ্রেষ্ঠ কর্ম’-এই ভাবটিকেই প্রাধান্য দিয়া গিয়াছেন, কিন্তু স্বার্থপূর্ণ আমিত্বে আসক্ত যে সম্পূর্ণ ভ্রমমাত্র, ইহা উপলব্ধি করিবার জন্য তাঁহাকেও অনেক বৎসর ধরিয়া আত্মানুসন্ধানে কাটাইতে হইয়াছিল। আমাদের উচ্চতম কল্পনাশক্তিও বুদ্ধদেব অপেক্ষা […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ অষ্টম খণ্ড

অষ্টম খণ্ড : মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : মহম্মদ

মহাপুরুষ-প্রসঙ্গ : মহম্মদ [সান ফ্রান্সিস্কোর বে-অঞ্চলে ১৯০০ খ্রীঃ ২৫ মার্চ প্রদত্ত বক্তৃতার সংক্ষিপ্ত অনুলিপির অনুবাদ] কৃষ্ণের প্রাচীন বাণী-বুদ্ধ, খ্রীষ্ট ও মহম্মদ-এই তিন মহাপুরুষের বাণীর সমন্বয়। এই তিন জনের প্রত্যকেই এক একটি মত প্রবর্তন করিয়া তাহা চূড়ান্তভাবে প্রচার করিয়াছেন। কৃষ্ণ এই মহাপুরুষগণের পূর্ববর্তী। তবুও আমরা বলিতে পারি, কৃষ্ণের পুরাতন ভাবসমূহ গ্রহণ করিয়া সেগুলির সমন্বয় সাধন করিয়াছেন, […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!