ভবঘুরে কথা

চতুর্থ খণ্ড

স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : মাতৃভাবে উপাসনা

মাতৃভাবে উপাসনা [১৯০০, জুন মাসে নিউ ইয়র্কে প্রদত্ত ভাষণের সংক্ষিপ্ত লিপির অনুবাদ।]প্রত্যেক ধর্মেই মানুষ বিভিন্ন গোষ্ঠী-দেবতার ভাব হইতে তাহাদের সমষ্টি পরমেশ্বর-ভাবে উপনীত হইয়াছে; একমাত্র কন্‌ফিউসিয়াস চিরন্তন একটি নীতির কথা প্রকাশ করিয়া বলিয়াছেন। মনুদেবতা আহ্‌রিমানে রূপান্তরিত হইয়াছেন। ভারতে পুরাণের গল্প চাপা পড়িয়াছে, তাহার ভাব রহিয়া গিয়াছে। ঋগ্‌বেদেই একটি মন্ত্র২৭ পাওয়া যায়, ‘অহং রাষ্ট্রী সঙ্গমনী বসূনাম্-’। মাতৃ-উপাসনা […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : ভগবৎ-প্রেম

ভগবৎ-প্রেম [১৮৯৪, ১৫ ফেব্রুআরী আমেরিকার ডেট্রয়েট শহরের ইউনিটারিয়ান চার্চে প্রদত্ত ভাষণের সারাংশ।]ভগবানকে আমরা মানি, যথার্থই তাঁকে চাই বলে নয়-নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তাঁকে দরকার বলে। প্রেম হচ্ছে এমন কিছু, যা সম্পূর্ণ স্বার্থহীন; এ প্রেম যাঁকে অর্পিত হয়, শুধু তাঁরই মহিমা ও স্তুতি ছাড়া তাতে অন্য কোন চিন্তার স্থান নেই। প্রেমের স্বভাব হচ্ছে প্রণতি আর পূজা, প্রতিদানে […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : ঈশ্বরঃ ব্যক্ত ও অব্যক্ত

ঈশ্বরঃ ব্যক্ত ও অব্যক্ত যাঁকে তোমরা ব্যক্তিত্বভাবাপন্ন ঈশ্বর বল, আমার ধারণা তিনি এবং নৈর্ব্যক্তিক সত্তা একই-কালে সাকার ও নিরাকার। আমরাও ব্যক্তিত্ব-সম্পন্ন নৈর্ব্যক্তিক সত্তা। কথাটি নিরপেক্ষভাবে ব্যবহার করলে আমরা ‘অব্যক্ত’, আর আপেক্ষিকভাবে ব্যবহার করলে আমরা ‘ব্যক্তি’। তোমরা প্রত্যেকেই বিশ্ব-সত্তা, সকলেই সর্বব্যাপী। শুনলে প্রথমটা মাথা ঘুরে যায়, কিন্তু আমি তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি, এ কথা যতখানি সত্য, […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : ঈশ্বর সম্পর্কে ধারণা

ঈশ্বর সম্পর্কে ধারণা প্রকৃতির নিয়ম-বন্ধনের অতীত-সর্বপ্রকারে স্বাধীন স্বতন্ত্র কাহারও সন্ধান লাভ করাই মানুষের অন্তরের আকাঙ্ক্ষা। বেদান্তবাদীরা এরূপ নিত্য শাশ্বত পুরুষ ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। কিন্তু বৌদ্ধ ও সাংখ্যবাদীরা বিশ্বাস করেন ‘জন্য ঈশ্বর’-এ,-অর্থাৎ যিনি একদা মনুষ্য ছিলেন, তারপর আধ্যাত্মিক শক্তি অর্জন করে ঈশ্বরে পরিণত হয়েছেন। পুরাণসমূহে অবতারবাদের মাধ্যমে এই দুটি মতের সামঞ্জস্য সাধিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : মন্ত্র ও মন্ত্রচৈতন্য

মন্ত্র ও মন্ত্রচৈতন্য মন্ত্রবাদের সমর্থকদের বিশ্বাস-কতকগুলি শব্দ গুরু বা শিষ্যপরম্পরায় চলে এসেছে। এই-সকল শব্দের বার বার উচ্চারণে বা জপে একপ্রকার উপলব্ধি হয়। ‘মন্ত্রচৈতন্য’ শব্দের দু-রকম অর্ত করা হয়। এক মতে-মন্ত্র জপ করতে করতে জাপকের সামনে তার ইষ্টদেবতার আবির্ভাব হয়। ‘ইষ্ট’ হচ্ছেন মন্ত্রের বিষয় বা মন্ত্রের দেবতা। আর একটি মত এইঃ যে-গুরুর উপযুক্ত শক্তি নেই, তাঁর […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : গুরুর যোগ্যতা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর

গুরুর যোগ্যতা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর স্বামীজী বিশেষ জোরের সঙ্গে বললেনঃ ব্যবসায়িসুলভ হিসেবী মনোভাব ছাড়ো-সামান্য একটি জিনিষের প্রতি যে-আসক্তি আছে, তা ছাড়তে পারলে বুঝব, মুক্তির পথে পা বাড়িয়েছ। আমি তো কোন পতিতা, পাপী বা সাধু দেখিতে পাচ্ছিনে। যাকে পতিতা বলছ, সেও তো মহামায়াই। সন্ন্যাসীরা একবার বা দুবার তাকে ‘মা’ বলে আহ্বান করে, তারপর আবার তাদের ভ্রান্ত […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : শিষ্যের সাধনা

শিষ্যের সাধনা [১৯০০ খ্রীঃ ২৯ মার্চ সান ফ্রান্সিস্কো শহরে প্রদত্ত।]আমার বক্তব্য বিষয়-শিষ্যত্ব। জানি না, আমার বক্তব্য আপনারা কি ভাবে গ্রহণ করিবেন। আপনাদের পক্ষে এই ভাব গ্রহণ করা কিছু কঠিন হইবে-আমাদের দেশের গুরু-শিষ্যের আদর্শ ও এদেশের গুরু-শিষ্যের আদর্শের মধ্যে অনেক প্রভেদ। ভরতবর্ষের এক প্রাচীন প্রবাদবাক্য আমার মনে পড়িতেছেঃ গুরু মিলে লাখ লাখ, চেলা নাহি মিলে এক। […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : বাল-গোপালের কাহিনী

বাল-গোপালের কাহিনী একদিন শীতের অপরাহ্নে-পাঠশালায় যাবার জন্য প্রস্তুত হতে হতে গোপাল নামে একটি ব্রাহ্মণ-বালক তার মাকে ডেকে বলল, ‘মা, বনের পথ দিয়ে একা একা পাঠশালায় যেতে আমার বড় ভয় করে। অন্য সব ছেলেদের সঙ্গে হয় চাকর না-হয় আর কেউ আসে। পাঠশালায় পৌঁছে দেবার জন্যও আসে, আবার বাড়ী নিয়ে যেতেও আসে। আমায় কেন কেউ সঙ্গে করে […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : বিল্বমঙ্গল

বিল্বমঙ্গল ‘ভক্তমাল’ নামক একখানা ভারতীয় গ্রন্থ হইতে এই কাহিনীটি গৃহীত। এক গ্রামে জনৈক ব্রাহ্মণ যুবক বাস করিত। অন্য গ্রামের এক দুশ্চরিত্রা নারীর প্রতি সে প্রণয়াসক্ত হয়। গ্রাম দুইটির মধ্যে একটি বড় নদী ছিল। প্রত্যহ খেয়া-নৌকায় নদী পার হইয়া যুবক তাহার নিকট যাইত। একদিন যুবককে পিতৃশ্রাদ্ধাদির কার্যে নিযুক্ত থাকিতে হয়; এজন্য ঐকান্তিক ব্যাকুলতা সত্ত্বেও সেদিন সে […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

চতুর্থ খণ্ড : ভক্তিপ্রসঙ্গে : দিব্য প্রেম

দিব্য প্রেম [আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিস্কো অঞ্চলে ১০ এপ্রিল ১৯০০ খ্রীঃ প্রদত্ত](প্রেমকে একটি ত্রিকোণের প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা যাইতে পারে। প্রথম কোণটি এই যে,) প্রেম কোন প্রশ্ন করে না। ইহা ভিক্ষুক নয়। … ভিখারীর ভালবাসা ভালবাসাই নয়। প্রেমের প্রথম লক্ষণ হইতেছে ইহা কিছুই চায় না, (বরং ইহা) সবই বিলাইয়া দেয়। ইহাই হইল প্রকৃত আধ্যাত্মিক উপাসনা, […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!