ভবঘুরে কথা
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

দশম খণ্ড : আমেরিকান সংবাদপত্রের রিপোর্ট : ভারতের ধর্ম ও রীতিনীতিসমূহ

ভারতের ধর্ম ও রীতিনীতিসমূহ গতকল্য বিকালবেলা আবহাওয়া খুব গরম থাকা সত্ত্বেও ‘থট্ অ্যাণ্ড ওয়ার্ক ক্লাব’-(‘চিন্তা ও কাজ সমিতি ‘) বেশ কিছু সভ্য-সভ্যা তাহাদের অতিথিগণ-সহ হিন্দুসন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানোন্দের১ বক্তৃতা শুনিবার জন্য ওয়েসলি হলে জড় হইয়াছিলেন। এই ভদ্রলোক এখন এই দেশে ভ্রমন করিতেছেন। বক্তৃতাটি ছিল একটি ঘরোয়া ভাষণ । প্রধান আলোচ্য বিষয় : ‘হিন্দুগণের ধর্ম -তাহাদের ধর্ম […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : প্রশ্নোত্তর : শ্নোত্তর ১-৫

প্রশ্নোত্তর ১ [মঠের দৈনন্দিন লিপি হইতে সংগৃহীত] প্র॥ গুরু কাকে বলতে পারা যায়? উ॥ যিনি তোমার ভূত ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন, তিনিই তোমার গুরু। দেখ না, আমার গুরু আমার ভূত-ভবিষ্যৎ বলে দিয়েছিলেন। প্র॥ ভক্তিলাভ কিরূপে হবে? উ॥ ভক্তি তোমার ভিতরেই রয়েছে, কেবল তার উপর কাম-কাঞ্চনের একটা আবরণ পড়ে আছে। ঐ আবরণটা সরিয়ে দিলে সেই ভিতরকার […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : হিন্দুধর্মের সীমানা

হিন্দুধর্মের সীমানা [‘প্রবুদ্ধ ভারত’, এপ্রিল, ১৮৯৯]আমাদের প্রতিনিধি লিখিতেছেন, অন্যধর্মাবলম্বীকে হিন্দুধর্মে আনা সম্বন্ধে স্বামী বিবেকানন্দের মতামত জানিবার জন্য সম্পাদকের আদেশে স্বামীজীর সহিত সাক্ষাৎ করিতে যাই। তখন সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হইয়াছে। আমরা বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠের পোস্তার নিকট নৌকা লাগাইয়াছি। স্বামীজী মঠ হইতে নৌকায় আসিয়া আমার সহিত কথাবার্তা কহিতে আসিলেন। গঙ্গাবক্ষে নৌকার ছাদে বসিয়া তাঁহার সহিত কথোপকথনের সুযোগ মিলিল। […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : ভারতীয় নারী-তাহাদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ

ভারতীয় নারী-তাহাদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ [‘প্রবুদ্ধ ভারত’, ডিসেম্বর, ১৮৯৮] ভারতের নারীগণের অবস্থা ও অধিকার এবং তাহাদের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে স্বামী বিবেকানন্দের মতামত জানিবার জন্য হিমালয়ের একটি সুন্দর উপত্যকায় তাঁহার সহিত সাক্ষাৎ করিলাম। স্বামীজীর নিকট যখন আমার আগমনের উদ্দেশ্য বিবৃত করিলাম, তখন তিনি বলিলেন, ‘চলুন, একটু বেড়াইয়া আসা যাক।’ তখনই আমরা বেড়াইতে বাহির হইলাম। কিছুক্ষণ পরে […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : জাতীয় ভিত্তিতে হিন্দুধর্মের পুনর্বোধন

জাতীয় ভিত্তিতে হিন্দুধর্মের পুনর্বোধন [‘প্রবুদ্ধ ভারত’, সেপ্টেম্বর, ১৮৯৮] সম্প্রতি ‘প্রবুদ্ধ ভারতে’র জনৈক প্রতিনিধি কতকগুলি বিষয়ে স্বামী বিবেকানন্দের মতামত জানিবার জন্য তাঁহার সহিত সাক্ষাৎ করিয়াছিলেন। তিনি সেই আচার্যশ্রেষ্ঠকে জিজ্ঞাসা করেন-‘স্বামীজী, আপনার মতে আপনার ধর্মপ্রচারের বিশেষত্ব কি?’ স্বামীজী প্রশ্ন শুনিবামাত্র উত্তর করিলেন, ‘পরব্যূহভেদ (aggression); অবশ্য এই শব্দ কেবল আধ্যাত্মিক অর্থেই ব্যবহার করিতেছি। অন্যান্য সমাজ ও সম্প্রদায় ভারতের […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : পাশ্চাত্যে প্রথম হিন্দু সন্ন্যাসীর প্রচার

পাশ্চাত্যে প্রথম হিন্দু সন্ন্যাসীর প্রচার [‘মান্দ্রাজ টাইমস্’, ফেব্রুআরী, ১৮৯৭]গত শনিবার আমাদের পত্রের জনৈক ভারতীয় প্রতিনিধি পাশ্চাত্য দেশে তাঁহার ধর্মপ্রচারের সফলতার বিবরণ জানিবার জন্য স্বামীজীর সহিত সাক্ষাৎ করিয়াছিলেন। তাঁহার শিষ্য সাঙ্কেতিক-লেখনবিৎ মিঃ গুডউইন মহাপুরুষের সহিত আমাদের প্রতিনিধির পরিচয় করাইয়া দিলেন। তিনি তখন একখানি সোফায় বসিয়া সাধারণ লোকের মত জলযোগ করিতেছিলেন। স্বামীজী আমাদের প্রতিনিধিকে অতি ভদ্রভাবে অভ্যর্থনা […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : ভারত ও অন্যান্য দেশের নানা সমস্যা

ভারত ও অন্যান্য দেশের নানা সমস্যা [‘হিন্দু’, মান্দ্রাজ; ফেব্রুআরী, ১৮৯৭] আমাদের জনৈক প্রতিনিধি চিঙলপুট ষ্টেশনে স্বামীজীর সহিত ট্রেনে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁহার সহিত মান্দ্রাজ পর্যন্ত আসেন। গাড়ীতে উভয়ের নিম্নলিখিত কথোপকথন হইয়াছিলঃ ‘স্বামীজী, আপনি আমেরিকায় কেন গেছলেন?’ ‘বড় শক্ত কথা। সংক্ষেপে এর উত্তর দেওয়া কঠিন। এখন আমি এর আংশিক উত্তর মাত্র দিতে পারি। ভারতের সব জায়গায় […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : স্বামীজীর সহিত মাদুরায় একঘণ্টা

স্বামীজীর সহিত মাদুরায় একঘণ্টা [‘হিন্দু’, মান্দ্রাজ; ফেব্রুআরী, ১৮৯৭] প্রশ্ন॥ আমার যতদূর জানা আছে, ‘জগৎ মিথ্যা’-এই মতবাদ এই কয়েক প্রকারে ব্যাখ্যাত হইয়া থাকেঃ (১) অনন্তের তুলনায় নশ্বর নামরূপের স্থায়িত্ব এত অল্প যে, তাহা বলিবার নয়। (২) দুইটি প্রলয়ের অন্তর্গত কাল অনন্তের তুলনায় ঐরূপ। (৩) যেমন শুক্তিতে রজতজ্ঞান বা রজ্জুতে সর্পজ্ঞান ভ্রমাবস্থায় সত্য, আর ঐ জ্ঞান মনের […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : ইংলণ্ডে ভারতীয় ধর্মপ্রচারক

ইংলণ্ডে ভারতীয় ধর্মপ্রচারক [লণ্ডন হইতে প্রকাশিত ‘একো নামক সংবাদপত্র, ১৮৯৬] … বোধ হয় নিজের দেশে হইলে স্বামীজী গাছতলায়, বড়জোর কোন মন্দিরের সন্নিকটে থাকিতেন, নিজের দেশের কাপড় পরিতেন ও তাঁহার মস্তক মুণ্ডিত থাকিত। কিন্তু লণ্ডনে তিনি ও-সব কিছুই করেন না। সুতরাং আমি যখন স্বামীজীর সহিত দেখা করিলাম, দেখিলাম-তিনি অপরাপর লোকের মতই বাস করিতেছেন। পোষাকও অন্যান্য লোকেরই […]

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

নবম খণ্ড : কথোপকথন : ভারত ও ইংলণ্ড

ভারত ও ইংলণ্ড [‘ইণ্ডিয়া’, লণ্ডন, ১৮৯৬] লণ্ডনের ইহা মরসুমের সময়। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁহার মত ও দর্শনে আকৃষ্ট অনেক ব্যক্তির সমক্ষে বক্তৃতা করিতেছেন ও তাহাদিগকে শিক্ষা দিতেছেন। স্বামীজীর সহিত সাক্ষাৎ করিতে তাঁহার সামরিক বাসস্থান দক্ষিণ বেলগ্রেভিয়াতে গেলাম। ভারতের আবার ইংলণ্ডকে বলিবার কি আছে, জানিবার জন্য আমার আগ্রহ হইল। স্বামীজী শান্তভাবে বলিলেন-ভারতের পক্ষে এখানে ধর্মপ্রচারক-প্রেরণ কিছু নূতন […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!