ভবঘুরে কথা

পাগলা কানাই

পাগলা কানাই গান

বাওহা এক কলের রথ

বাওহা এক কলের রথ গড়ে দিছে দীননাথ এশন রথ আর কভূ দেখি নাই। সে রথের গড়েছে আনন্দ খুঁটি, দেখতে বড় পরিপাটি-দেখতে চমৎকার, এই রকম রথ কভূ দেখি নাই।। এ রথ-গড়া কামিলকারের যদি নাগাল কেহ পা’তো, ভব তার মানব-জনম-বাঞ্ছা পূরণ হোত, তবে সে রথে চড়ে ছুতার বাড়ি যাইত। রথের চাকা চূড়োতে গাঁথা আছে এক সূতে না […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

শোন ভাই সকল

পাগল কানাই বলে, শোন ভাই সকল এক গাড়ি দেখে হলেম পাগল, আরও গাড়ির মধ্যে আছে বিষম গণ্ডগোল; এক গাড়িতে ছত্রিশ জাতি করতেছে সুমঙ্গল, কেউ কয় আল্লার ধ্বনি, কেউ কয় হরিবোল, আবার আল্লা-হরি কিছুই বলে না- ওরা আবার কোন্ দেশের পাগল। আবার গাড়ির মধ্যে ব্যক্তি কয়েকজন কত হয় সাধু মহন্ত, কতই চোরের লছ্ছন, তারা এক ঘাটেতে […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

শোন বয়াতি তত্ত্বকথা

শোন বয়াতি তত্ত্বকথা তোমায় জিজ্ঞাসি, সত্য বলিও, দিওনা ফাঁকি। অজুদ ভাণ্ড কর খণ্ড-দেখি মধ্যে আছে কি? কয় কোটি তারা আছে, তাই বলো দশের কাছে, কথা না বললে পড়বা প্যাঁচে, -তোমার জিজ্ঞাসি। আরো আছে মক্কা ম’জিদ ঘর আজান দেয় কোন্ পয়গাম্বর -বল বয়াতি তাহারই সন্ধান। আরও আছে সাত সমুদ্দর তের নদী, মধ্যে মধ্যে দেখি চর। কোন্ […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

আমার দেহ-জমি আবাদ হইল না

আমার দেহ-জমি আবাদ হইল না, গুরুর বীজ বুনতে পারলাম না- ও বীজ বুনতে পারলে হোত কামরাঙ্গা ফল, -পুষ্ট হ’ত দানা গুরুকে নিবাদের প্রসাদ, ভাই, তাই আমার ভাগ্যেতে হল না। চিরদিন ক্ষেতে মইলাম খেটে, বেজোতে লাঙ্গল জোঙ্গাল নিয়ে গেলাম স্বর্ণধামের মাঠে। পাগলা কানাই কাচি পাহাল ভাই, -বীজের দাম দিতে জীবন ফাটে। ও চাষার প্রেম ভাঙ্গলে না […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

মায়ের উদরে ছিলেন যখন

শোন্ বয়াতি, মায়ের উদরে ছিলেন যখন নামটি ছিল কি? কোন্ পালি তার আসন ছিল, নামটি তখন জপছ কি? আর কিসে হইল খোরস পয়দা, বাতের নামটি কি? শুনি চব্বিশ চাঁদ-আদি চন্দ্র কিসে হইল, -আলীর বাপের কি নাম? কোন চান্দে হয় চান্দের খেলা, কোন্ চান্দে হয়-কয় মোকাম? দেহে আরও চারটি খান্ দান্ আছে, -খান্ দানের কি নাম? […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

এই যে দেহ-মানুষ ঘুড্ডি

এই যে দেহ-মানুষ ঘুড্ডি, তিন শ’ ষাইট জোড়ার হাড্ডি সেই ঘুড্ডির কামানী। সেই দীর্ঘ-পাশে সাড়ে তিন হাত-পাখা দু’খানি, তিনশ’ ষাইট রগের বন্ধন, তাহা দেখে লাগে ধন্ধ, আরও চামড়ার ছাউনী; সেই সে ঘুড্ডি তৈয়ার করে, কামেলা তার ভিতরে, সে ঊর্ধ্ব ভাবে সূতা রাখে, নীচে উড়াইছে। উড়তেছে হাওয়ার জোরে, কামেলা তার ভিতরে, সেই জোরে ঘুড্ডি উড়তেছে। তাই […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

পাগল কানাই বলে ভাইরে ভাই

পাগল কানাই বলে ভাইরে ভাই ছোট কাইলা দিন আমার নাই, -এখন পইড়াছে ভাটী। রথের চাকা চূড়ো মুড়ো হইয়ে বাহির হইল রথের ঝাঁটি, খালি হস্তে এখন কি দিয়ে আটি।। ও ছুতোর দিছিল এক রথ গইড়ে, সুখ করলাম আমি চইড়ে, কোন মজা পাইলাম না; ভেন্না কাঠের তক্তা ছিল, মুগুর কেন দিল না, আমি নড়তাম চড়তাম থাকতাম বইসে, […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

ভবের পর এক জীর্ণ জাহাজ গড়ে

ভবের পর এক জীর্ণ জাহাজ গড়ে দিছে সাঁই দীননাথ, জাহাজ দেখে হায় কি করি গড়ছে অবিকল। দেখতে শোভা পরিষ্করী, সেই দমের জাহাজ, নিশ্চয় সারেঙ বইসা আছে যখন বলে তখন চলে- ও রং বেরংয়ের বাতি জ্বলে জাহাজের মাঝার। জাহাজের মধ্যে সিংহাসন, বসা আছে সাঁই মহাজন, ও বেপার করে আনবে যে-ধন, করিবে ওজন, বান্ধা আছে ‘কাঁটা দাঁড়ি’ […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

কলের রথ গইড়ে দিছে দীনবন্ধু

কলের রথ গইড়ে দিছে দীনবন্ধু করছে কোন কাম, রথের চূড়ার পর লেখা আছে দীনবন্ধুর নাম। গড়েছে রথের আঠারো মোকাম। যখন রথ ছিল রে নূতন ওো আরও চলেছে দ্বিগুণ -দেখতে পরিপাটি। আজ রথের খসেছে খিল কাটি, আরও নৈড়া গেছে দুই খুঁটি। তাই পাগল কানাই কয়, দিনে দিনে তৈল ফুরাইয়া ঘোর হইয়া আলো সেই সাধের রথ দিক-ভুলা […]

বিস্তারিত পড়ুন
পাগলা কানাই গান

আমার বুড়োকাল হলো

পাগল কানাই বলে, আমার বুড়োকাল হলো। ভবে কার লেগে করলাম এত, ভবে এসে প্রেমে মজে আমার পরকাল মুদ্রিত। আমি লোহা লয়ে ঘুরে বেড়াই কামারের কাছে; আমি শুনেছি লোকের মুখে- রথ খানি গড়ে কামার সে গিছে উপর তালাতে।। আর রথ-গড়া কামিলকার যদি নাগাল কেহ পাতো ভবে তার মানব-জনম বাঞ্ছাপূর্ণ হতো- ছুতোর বাড়ি যেতো। সে রথ দেখতে […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!