ভবঘুরে কথা

মতুয়া সংগীত

মতুয়া সংগীত গান

কবে শ্রীধাম ওড়াকান্দি

কবে শ্রীধাম ওড়াকান্দি যাবরে, আমার পরাণ কান্দে হরিচাঁদ বলে সে যে প্রেম জলদী দীন দরদী গো, দীন জনকে স্নেহেতে করে কোলে। ওড়াকান্দির মানুষ রতন, কর মন, সেই সেই মানুষের যতন, বন্ধু নাই কেউ তাহার মতন, তারে যতনে মিলিয়ে রতন গো, হরিচাঁদের মহাভাব সিন্ধু জলে। যে জন তারে দেখেছে একবার, ভুলে থাকে সাধ্য কার, সে নয় […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

জীবের আর ভয়

জীবের আর ভয় কিরে আছে কলিযুগে ওড়াকান্দি হরিচাঁদ উদয় হয়েছে তার প্রেম বন্যায় স্রোত বয়ে জগত মেতেছে তিনি ঘাটে পথে নিশান দিয়ে রথ চালাইছে। তার ভক্তবৃন্দ পারের জন্য তরী সাজাইছে স্বামী তারকচাঁদ কয়, ও তিনকড়ি ভয় কিরে আছে, তোর পারের কর্তা গুরুচাঁদ সেই ঘাটে বসেছে।

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

শচীপতি বসে আছে

শচীপতি বসে আছে সাধনের সন্ধান জেনে। ও সে ক্ষণেক হাসে ক্ষণেক কান্দে ক্ষণেক পদ্মাসনে।। হরিচাঁদের সঙ্গে খেলা করে বসে রোজ দু’বেলা, নয়নে মিলায় গো মেলা, ও ভাব লক্ষণে।। সেই যে মেলার দক্ষিণ ভাগে, আপনি শ্রীপতি জাগে, মাতা মঞ্জুলিকা তার বামভাগে, আছে যুগল মিলনে।। শচীপতির বাক্য নিলে, এই মেলা তোর যাবে মিলে, প্রেমচাঁদরে তুই রইলি ভুলে, […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

হরি বিনে আর

(তাল-গড়খেমটা) হরি বিনে আর কেহ নাই ভবে। কত অপরাধে অপরাধী, কতদিনে দয়া হবে। আমি অধম মুঢ়মতি, না জানি ভজন স্তুতি, আমি না জানি সাধন, না জানি পুজন, চরণ দিবে কি না দিবে। সত্যযুগে ছিলেন হরি, ত্রেতায় রাম ধনুকধারী, তুমি দ্বাপর যুগে করলে লীলে হরি গোপী মনোৎসবে। গৌর লীলা সাঙ্গ করি, ওড়াকান্দি এলেন হরি, লয়ে ভক্তবৃন্দ […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

প্রভুর অন্ত শয্যা হবে

বাংলা ১২৪৩ শে, ফাল্গুন মাসে, হল লীলার অভ্যুত্থান। হয়ে শ্রীপতিতে সমাবেশ, শ্রীগুরুচাঁদের আদেশ, কলির জীব করিতে কল্যাণ। প্রভুর অন্ত শয্যা হবে যখন, শ্রীপতিকে করে যতন, বলে ওরে ভাই। ভবে তোর মত আর কেহ নাই, ভবে তোর মত আর নাই, আমার দেহের শক্তি আছে যত, কিছু আছ তুমি অবগত, আর কিছু শুনা তত্ত্ব, তুমি যোগাবিস্ট হও […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

দেখ রে ভকত লোকে

(তাল- ভোগারতি) দেখ রে ভকত লোকে, মনের পুলকে, ভোজন মন্দিরে হরি যশোমন্তের নন্দন কাঞ্চন আসনে বসে রেশম বরণ রে। কর্পূরবাসিত বারি, পূর্ণিত সুবর্ণ ঝারি, তাহে প্রভু হরিচন্দ্র করলেন আচমন। দিল স্বর্ণথালে শান্তি দেবী, শালান্ন ব্যঞ্জন রে শাক সুক্তা ডাল বড়ি, ভাজা টক চড়চড়ি, দধি দুগ্ধ ঘৃত মধু খাদ্য অগণন। মাতা অন্নপূর্ণা দিল রাঁধি, করিলেন ভোজন […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

জয় যশোমন্তের তনয়

(তাল-সন্ধ্যা আরতি) জয় যশোমন্তের তনয়, জয় জগদীশ। জয় জয় জগদীশ হরি জয় জগদীশ। সাঁঝে বাতি দেও হে সবে গোরস তৈলে। আরতি করে হরিচাঁদের ভক্তে মিলে অনলে সুগন্ধি ধুপে ধূপতি জ্বালিয়ে চরণে তুলসী দাও চন্দনে মাখিয়ে। অমল কমল ফুলে সাজায়ে ডালা, কমলা সেবিত পদে সেবেন কমলা। ব্যজনে মরুর পুচ্ছ আর তালপত্র সুরমা রমণীগণে ব্যজনে শ্রীগাত্র। শঙ্খ […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

এস হে গুরুচাঁদ

(তাল-রাণেটি) এস হে গুরুচাঁদ, বস আমার হৃদয় খাটে। তুমি আসিলে আনন্দ হবে (আমার) নিরানন্দ যাবে ছুটে। হৃদয় খাটে বস আসি, আমার সুমতি যে প্রাণ বিলাসী, তোমার ঐ চরণে করব দাসী, দেহের প্রতিবাসী সবাই জুটে। সাধন ভজন দুই সহোদর, তোমার ঐ চরণে করব নফর, তব পদে হয়ে কিঙ্কর, সদায় থাকবে ঐ চরণ নিকটে। নিষ্ঠা নিস্কাম ভ্রাতা […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

আমায় শান্তি দে

(তাল- একতালা : আগমনী) আমায় শান্তি দে মা শান্তিময়ী ঠাকুরাণী। তুমি উৎকলবাসিনী, লক্ষ্মী স্বরূপিনী, লোচন নন্দিনী এদানী। জগবন্ধুর মানবলীলা হরিচাঁদের প্রেমের মেলা, ভক্তে দেয় করঙ্গের মালা, হরিচাঁদ গৃহিণী, যত হরিবোলা ম’তো মাতাল, জগত মধু ত্রিতাপ তাপিত জননী। কোন গুণে বর্ণিব মা তোর মহিমা অপার, আমি ত পাষণ্ড ভণ্ড দুরাচার। মা তোর ওড়াকান্দি পূর্ণ লীলা পূর্ণ […]

বিস্তারিত পড়ুন
মতুয়া সংগীত গান

মন ভ্রমর রে হরিচরণ

(তাল-একতালা : আগমনী কবিগান) মন ভ্রমর রে হরিচরণ পদ্মে পড় এবার প্রেমানন্দ ভরে, চরণপদ্মে পড়ে, নাম মধু পান কর। ছিল বিরাজার কুলে, বিরাজের ছলে, যমুনার জল এল তারপর। রাধার প্রেম বন্যায় ভেসে, নবদ্বীপ এসে, যুগল পদ্মে মিশে হন কি সুন্দর। পেয়ে সুগন্ধির মধু, পিয়ে ভক্ত সাধু, পূর্ববঙ্গ শুধু বাকী বল তার। লয়ে মৃত্যুঞ্জয় লোচন, গোলক […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!