ভবঘুরে কথা

রাধারমণ :: বিরহ পদ

রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

হইয়ে শ্যাম অনুরাগী

হইয়ে শ্যাম অনুরাগী লাগল কলঙ্কের দাগী পিরিতের কি ঐতই দুর্দশা পিরিত সুখের অনল জলেতে না হয় শীতল বাড়ে দ্বিগুণ চিত্তের লালসা।। পিরিত পরম রতন তুচ্ছ জাতি যৌবন ধন আঁখির পলকে তার বাসা শুইলে স্বপনেতে দেখি পাসরা না যায় গো সখী বাড়ে সদায় চিত্তের পিপাসা।। পিরিত পরম সুনিধি তাহে ভুলাইলেক বিধি কুলবতীর কুলধৰ্মনাশা মনোসাধে প্ৰেমজলধি ডুবিয়ে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

সোহাগের বন্ধুয়া তুমি

সোহাগের বন্ধুয়া তুমি রে বন্ধু তোমায় নিবেদন করি সোহাগে সোহাগে তোমায় নিবেদন করি।। তোমার সোহাগে বন্ধু রে সোহাগিনী বলে শ্যাম সোহাগী নামটি আমার গোকুল নগরে। তোমার সোহাগে বন্ধু সোহাগ মিশয় সোহাগের অনুরাগে একই অঙ্গ হয়। তোমার সোহাগে বন্ধু সোহাগিনী হইয়া— শ্বশড়ী ননদী দিল কুলটা বানাইয়া— ভাইবে রাধারমণ বলে সেদিন কি আর পাবো বনফুলে নয়ন জলে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

সোনা বন্ধে মোরে

সোনা বন্ধে মোরে ভিন্নবাসে কেরে সই গো জিজ্ঞাসিও লাগাল পাইলে তারে।। আমার বাড়ীর সামনা দিয়া-মোহনবাঁশি বাজাইয়া– নিতি নিতি আসা যাওয়া করে জিজ্ঞাসিালে কয় না কথা নয়াইয়া যায় মাথা আমার সঙ্গে রাও নাহি করে। যখন ছিল ভালবাসা প্ৰাণে প্ৰাণে মিলামিশা রাখিয়াছিল অতি যতন করে গেল সেই ভালবাসা আমারে কৈল নিরাশা তনু খিন সদায় আখি ঝুরে। ভাইবে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

কইও রাধারে

সুবল সখা পাইনা রে দেখা, কইও রাধারে। বহু দিনের পরে রে সুবল রাধা পড়ে মনে বিনা কষ্ঠে জ্বলছে অনল হিয়ার মাঝারে।। রাধা তন্ত্র রাধা মন্ত্র রাধা কর্ণধার রাধা বিনে এ সংসারে কে আছে আমার।। ভাইবে রাধারমণ বলে মনেতে ভাবিয়া অন্তিমকালে শ্ৰী রাধারে দেখাইও আনিয়া।।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

সুবল বল বল চাই

সুবল বল বল চাই, কেমন আছে কমলিনী রাই, রাই কারণে বৃন্দাবনের সুবল আমি সদায় কান্দিয়া বেড়াই।। গিয়াছিলাম মন সাধিতে, সাধলাম রাইয়ার চরণার্বিন্দে নয়ন তুলে চাইল না গো রাই; আমার ছিল আশা দিল দাগ রে সুবল আমার আর পিরীতের কাৰ্য নাই।। রমণের মন পিয়াসা–শুনরে সুবল সখা চল মোরা ব্ৰজপুরে যাই; আমার প্রাণ থাকিতে রাই আনিয়া দেরে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

আমি কি করি

সুবল বলনা রে আমি কি করি এখন শ্ৰী রাধার মাধুর্যগুণে হরিয়া নিল মন।। রাধা আমার প্রাণের প্রাণ জীবনের জীবন তিলে পলে না হেরিলে এ চন্দ্ৰবদন। শুইলে স্বপনে দেখি সদা উদ্দীপন– চিন্তামণি কমলিনী সাধনেরই ধন। শীঘ্ৰ যাইয়া করো ভাই রাধা অন্বেষণ রাধাকুণ্ডের তীরে যাইয়া ত্যেজিব জীবন। রাধাকুণ্ডের পারে গিয়া করো-পুষ্পাসন বাঁশির সুরে কমলিনী ডাকে ঘন ঘন। […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

বিরহের যাতনা

সহিতে পারি না বিরহের যাতনা আইল না। শ্যাম গুণমণি বুঝি পাইয়া তারে রাখিয়াছে কোন রমণী। আসবে বলে রসরাজ নিকুঞ্জ করিয়া দি সাজ বড় লাজ পাইলাম প্ৰাণ সজনী।। বাসি হইল শয্যাফুল ভ্রমরায় করে রোল আমি কৰ্ণে শুনি কোকিলার ধ্বনি।। তোমরা সব সখীগণ শীঘ্ৰ জ্বাল হুতাশন বিসর্জন দিব গো পরানী।। কৃষ্ণছাড়া বৃন্দাবন অবলা বঁচিবে কেমন আমায় বৃন্দাবনে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

সজনি সই বল গো

সজনি সই বল গো তোরা কই গেলে কোথায় পাই প্ৰাণ বন্ধু মনোচোরা।। না জানি সে লোকটি কেমন কেমন তার স্বভাব ধারা প্রেম শিখাইয়া কুলবধূঘর হইতে বাহির করা। বাঁশিটি বাজাইয়া বন্ধে করি পাগল পারা মজাইয়া কুলবধূ সরিয়া যাওয়া কেমন ধারা। নিয়ায় বিচারে অইবা দোষী কুল না জানি কেমন ধারা আঙ্খিাঠারে ভুলইয়া ঘরের বন্ধু বাইরে আনা। ভাবিয়া […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

সজনি প্ৰাণবন্ধুরে কইও

সজনি প্ৰাণবন্ধুরে কইও বুঝাইয়া আমি মাইলে ক্ষতি নাই কলঙ্কিনী হইয়া। মরণকালে প্ৰাণবন্ধুরে দেখাইও আনিয়া হাতে ধরলাম পায়ে ধরলাম প্ৰাণ দিলাম সপিয়া। তবু তার মন পাইলাম না সদায় জ্বলে হিয়া গোসাই রাধারমণ বলে মনেতে ভাবিয়া এগো ক্ষুধা তৃষ্ণা না লয় মনে প্ৰাণবন্ধের লাগিয়া।।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: বিরহ পদ

আমারে বন্ধুর মনে নাই

সজনী গো, আমারে বন্ধুর মনে নাই আমি সারা নিশি কান্দিয়া পোষাই।। বন্ধুর লাগিয়া যতই গো করলাম মনপ্ৰাণ কুলমান সবই গো দিলাম আমার এ জীবনের আর ত লক্ষ্য নাই।। ভাইবে রাধারমণ গো বল শ্যাম কমলিনী নামটি রহিল জগতে হায় আমার কলকী নাম কি দিয়া মুছাই।।

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!