ভবঘুরে কথা

রাধারমণ :: মিলন পদ

রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

সুখের নিশিরে বিলয়

সুখের নিশিরে বিলয় করি প্রভাত হইও না তুমি নারী হইয়ে নারীর কোন বেদন জানি না। ও নিশি রে আমার একটা কথা রাখা আঁধার হইয়া থাক প্ৰভাত কালে যাবে ফেইলে কেনো নিশিরে। তুমি যদি হও রে প্রভাত আমার বুকে দিয়ে আঘাত তুমি নারী বধের পাতাকিনী হবে রে ও নিশি রে রাত্র প্রভাতকালে কোকিলায় পঞ্চম বলে বিনয় […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

সখী দেখো রঙ্গে কেলি

সখী দেখো রঙ্গে কেলি কদম্বতলায় নাচে রাধাবনমালী।। দুই তনু এক করি করে তারা কেলি বামেতে রাধিকা দেখো ডানে বনমালী। দুই রূপ এক হইয়া উঠিছে উজলি বিদ্যুৎ তরঙ্গ খেলে করে ঝলমলি। ব্ৰজাঙ্গনা মোহিত দেখি রাধা বনমালী আনন্দে মাতোয়ারা হইয়া হাতে দেয় তালি। ভাইবে রাধারমণ বলে কুলে দিয়া কালি নামেতে যোগিনী আইয়া না পাইলাম বনমালী।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

শ্যামের সনে রাই মিলিল গো

শ্যামের সনে রাই মিলিল গো মিলিয়া মিশিয়া তোরা দেখা গো আসিয়া নানা জাতি মালা গীখি যতন করিয়া শ্যাম গলে দিতাম মালা গো বুলাইয়া ঝুলাইয়া। চুয়াচন্দন রাখি কটরায় ভরিয়া শ্যাম অঙ্গে দিতাম চন্দন ছিটাইয়া ছিটাইয়া ভাইবে রাধারমণ বলে মনেতে ভাবিয়া আমারে নি করবায় দয়া শ্ৰীমতী জানিয়া।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

শুনগো সখী রাধার মন্দিরে

শুনগো সখী রাধার মন্দিরে বাজে বেণু আইজ বুঝি শ্ৰীরাধিকায় পাইয়াছে কানু।। রাধারে লইয়া হরি আছে কত রঙ্গ করি রঙ্গে রক্তিগলা শ্যামনু কুঞ্জের ফুলের বাসে ঝাঁকে ঝাঁকে ভ্ৰমর আসে সুগন্ধ মোহিত ফুলের রেণু। কুঞ্জশোভা মনোহর দেখা কত রং ধরে চক্ষে ভাসে যেমন রামধনু চল সখী শীঘ্ৰগতি দেখি রাধা কেমন সতী রতি করে কুঞ্জে লই কানু। কানু […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

শুনগো কিশোরী

শুনগো কিশোরী বাজে গো বাঁশরী নিকুঞ্জ কানন বনে শুক পিক সব করে কলরব মধুর মুরলী গানে। মনের বেদনা বিচ্ছেদ যাতনা এত যাহার কারণে আসিল সেজন করগো যতন মিলোগো তাহার সনে।। মেলিয়া নয়ন করিয়া দর্শন পুলক আনন্দ মনে করিয়া আদর পুস্পশয্যা পর বসিলেন দুইজনে।। শ্ৰীরূপ মঞ্জরী ..অধিকারী ললিতাদি সখীগণে যতেশ্বরীগণ আনন্দে মগন কহে শ্ৰীরাধারমণে।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

মিলিল মিলিল মিলিল রে

মিলিল মিলিল মিলিল রে আজ কুঞ্জে রাধা কানাই মিলিল রে। শ্ৰীরাধিকার প্ৰেমরসে বিচিত্র পালঙ্ক ভিজে কানাইর মাথার চূড়া হালিল রে। শ্যামকুঞ্জের জল অতীব সুশীতল মকর কুঞ্জে কানাই শোভিল রে ভাইবে রাধারমণ কয় রাধা কানাইর মিলন হয় মধুর বৃন্দাবন আজ প্ৰেমরসে ভাসিল রে।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

মধুর মধুর অতি সুমধুর

মধুর মধুর অতি সুমধুর মোহন মুরলী বাজে দেয় করতালি, ব্রজের নাগরী মঙ্গল আরতি মাঝে।। শঙ্খ ঝাঞ্জরী পাখোয়াজ খঞ্জরী কেহ কেহ বীন বাজে। তা ধৃক তা ধৃক তা — তা তা থৈয়া মধুর মৃদঙ্গ বাজে। ধূপ দীপ লইয়া মধুর আনন্দে ললিতা বিশাখা সাজে ময়ুরা ময়ুরী নাচে ঘুরি ঘুরি রাই কানু থইয়া মাঝে। কহে প্ৰেমানন্দে মনের আনন্দে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

মধু বৃন্দাবনেরে রাই

মধু বৃন্দাবনেরে রাই মিলিল গিরিধারী উচ্চ পুচ্চ তুলে নাচে ময়ুর ময়ুরী আমরা যেন নিতই নিতই শ্যামরূপ হেরি তরুয়া কদম্ব ডালে ডাকে শুকশারি প্ৰেমানন্দে সখীবৃন্দে দেয়ারে করতালি। রাধাশ্যাম মিলন হইল বলো হরি হরি। ভাইবে রাধারমণ বলে সদায় চিন্ডিয়া মারি– জন্মবধি কইলাম চিন্তা পাইলাম গো শ্ৰীহরি।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

বাঁশি কে বাজাইয়া যায়

বাঁশি কে বাজাইয়া যায়– এমন সুখের বাঁশিয়ে রাধারে জাগায়। আর রাস্তায় চলিয়ে কিষ্ণে বাঁশিয়ে দিলা টান। ওয়রে ঘরে থাকি শ্ৰীরাধিকার উড়াইলা পরান।। আর মন্দিরে সামাইয়া কিষ্ণে চারিপানে চায় : ওয়রে হাতের বাঁশি ভূমিত থইয়া রাধারে জাগায়।। আর ঘুম ঘুম করিয়া কিষ্ণে মুখে দিলা পান। ও রাধারমণ বলে, শ্ৰীরাধিকায় যৈবন কইলা দান।

বিস্তারিত পড়ুন
রাধারমণ দত্ত রাধারমণ :: মিলন পদ

বাজে গো চাইর আতে এক বাঁশি

বাজে গো চাইর আতে এক বাঁশি বৃন্দাবন চইলে যায় আনন্দেতে ভাসি। শ্যাম আমার চিকন কাল অমাবস্যার নিশি রাই আমার বিদ্যুমুখী পূর্ণিমার শশী। গাথিয়া ফুলের মালা যতেক রূপসী শ্যামের গলে দেয় মালা মৃদু মৃদু হাসি। ময়ুরায় নৃত্য করে তামালেতে বসি ভেইবে রাধারমণ বলে হাইতাম শ্যামের দাসী।

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!