ভবঘুরে কথা

মতাদর্শ

ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

ব্রাহ্মসমাজ

১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের ২০শে আগস্ট, ১৭৫০ শকাব্দের, ১২৩৫ বঙ্গাব্দের ৬ই ভাদ্র, বুধবার ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা রামমোহন রায় কলিকাতায় চিৎপুর রোডের একটি গৃহে (বর্ত্তমানে ৪৮নং আপার চিৎপুর রোড) ব্রাহ্মসমাজ সংস্থাপিত করেন। সর্ব্বপ্রকার মূর্ত্তিপূজা পরিহার করিয়া এবং জাতি ও ধর্ম্ম নির্ব্বিশেষে সকল মানুষ একত্রে হইয়া একমাত্র নিরাকার পরমেশ্বরের উপাসনা করিবে, এই উদ্দেশ্য লইয়া ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দের ২৩শে […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : উনিশ

মথুরামোহন চক্রবর্ত্তী ছিলেন ঢাকা প্রসিদ্ধ শক্তি ঔষাধলয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি লোকনাথ বাবার অন্যতম প্রধান শিষ্য। বাল্যকালে এক দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। পরে তিনি লোকমুখে শুনে বারদীতে বাবার কাছে আসেন- এইভাবে রোগমুক্তির জন্য ভবরোগের বৈদ্যের নিকট এসে উপস্থিত হলেন। অবশেষে অবিলম্বে তিনি রোগমুক্ত হন। সেই সঙ্গে বাবা লোকনাথের চরণে সমস্ত মন সমর্পণ করলেন তিনি চিরদিনের মত। পরে […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : আঠার

রামকুমার চক্রবর্ত্তী বারদী গ্রামে অতি পরিচিত এক পুরোহিতের বাড়িতে বাস করতেন ; তিনি ছিলেন ধীর, স্থির ও শান্তস্বভাব। শাস্ত্রজ্ঞান ও সদাচারের মধ্য দিয়ে প্রকৃত ব্রাহ্মণের গুণাগুণ বিকশিত হয় তাঁর জীবনে। বাবা লোকনাথ যখন বারদী গ্রামে প্রথমে আসেন, তখন রামকুমার গৃহস্থ আশ্রমে থেকে সবেমাত্র মধ্যবয়স অতিক্রম করেছেন। কিন্তু তখনো তাঁর সদ্গুরু লাভ হয়নি। অথচ তিনি তখন […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : সতের

সেই সময় ঢাকায় প্রভুপাদ বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ঢাকার সর্বত্র বাবা লোকনাথের অলৌকিক যোগশক্তি ও মহিমার কথা প্রচার করতে থাকেন। তা শুনে হরিচরণ নামে এক ধর্মপরাায়ণ ব্যক্তি সদ্গুরু লাভের আশায় একদিন ছুটে আসেন বারদীর আশ্রমে। বাবা লোকনাথকে দর্শন করার সঙ্গে সঙ্গেই ভক্তিভাব জাগল হরিচরণের অন্তরে। তাঁর মনে অনুশোচনা হতে লাগল, এতদিন তিনি এই মহাযোগী মহাপুরষটিকে চিনতে পারেন […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : ষোল

বারদী গ্রামে রামরতন চক্রবর্তী নামে এক ব্রাহ্মণ বাস করতেন। তিনি কবিরাজি করতেন ; তবে লোকে তাকে ডাকনাম অনুসারে কানাই কবিরাজ বলত। নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ হিসাবে তাঁর খ্যাতি ছিল। তাঁর একমাত্র পুত্রসন্তানের নাম ছিল জানকীনাথ। এই জানকীনাথই পরবর্তী জীবনে জানকী ব্রাহ্মচারী নাম খ্যাত হন। জানকীনাথ যৌবনে পদার্পণ করার পর একবার কালাজ্বরে আক্রান্ত হন। দিনে দিনে রোগ বেড়ে […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : পনের

প্রভুস্পাদ বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর শিষ্য বিপিনবিহারী রায় যক্ষারোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসায় রোগ না সারায় তিনি তার গুরু বিজয়কৃষ্ণের গেণ্ডারিয়া আশ্রমে উপস্থিত হন রোগমুক্তির আশায়। কিন্তু বিজযকৃষ্ণ তাঁকে বারদীর আশ্রমে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর কাছে যেতে আদেশ করেন। বিপিনবাবু তখন শ্রীধর নামে এক গুরুভাই ও কয়েকজন লোক নিয়ে একটি নৌকা ভাড়া করে বারদী যাবার জন্য প্রস্তুত হলেন। বাবার সেবার […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : চৌদ্দ

একদিন কয়েকজন লোক নানারকমের পূজার সামগ্রী নিয়ে আশ্রমে লোকনাথ বাবাকে পূজো দিতে এল। তারা বলল- তারা বাবার কাছে মানত করেছিল, তাই মানসিক শোধ করতে এসেছে। তা না হলে রোগী রোগমুক্ত হবে না। তখন জানকীনাথ নামে আশ্রমের এক ভক্ত জিজ্ঞাসা করল- কার মানসিক শোধ করতে এসেছ? তাদের মধ্যে একজন তখন ব্যাপারটা খুলে বলল। সে বলল- বছরখানেক […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : তের

সেদিন সহসা ব্রহ্মচারী বাবা ঘর থেকে বাইরে এসে দাঁড়ালেন। কয়েকজন ভ্ক্ত ঘরের বারান্দায় বসেছিল, এমন সময় একজন স্ত্রীলোক এসে তারঁ সামনে দাঁড়ালেন। তাঁর পারণে ছিল ঘোর লাল শাড়ী। তিনি বাবাকে বললেন- আমি বসন্ত রোগের অধিষ্ঠাত্রী দেবী শীতলা ; আমি এখান দিয়ে যাব, আমার পথ ছাড়। লোকনাথবাবা আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন বলে ঠিক সময়ে ঘর থেকে […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : বারো

লোকনাথ বাবার অলৌকিক যোগশক্তির কথা লোকমুখে সর্বত্র প্রচারিত হতে থাকে। ফলে, তাঁর জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে। পূর্ববাংলার বিভিন্ন জেলা থেকে ত্রিতাপ-জ্বালাগ্রস্ত অসংখ্য নরনারী শান্তির আশায় বারদীর আশ্রমে লুটিয়ে পরতে থাকে বাবার চরণে। এদিকে লোকনাথ ব্রহ্মচারী প্রভাব ধর্মজগতে যতই বেড়ে যেতে থাকে, ততই ঢাকার ব্রাহ্মসমাজের প্রভাব কমতে থাকে। সাধারণ মানুষ ব্রাহ্মধর্মে আস্থা হারিয়ে ফেলে। […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী পরিচিতি

লোকনাথ বাবার লীলা : এগার

কলকাতার এক বিশিষ্ট ধনী সীতানাথ দাস মহাশয় দীর্ঘদিন যাবৎ বাত-রোগে কষ্ট ভোগ করছিলেন। তখনকার বহুবিশিষ্ট চিকিৎসা বিশারদকে দিয়ে চিকিৎসা করিয়েও কোনো ফল হয় না, বরং উত্তরোত্তর রোগ বৃদ্ধি পেতে থাকে। অবস্থা এমন চরমে ওঠে যে, প্রায় তিনি পঙ্গু হয়ে পরেন। এই সময় তিনি লোকমুখে শোনেন বারদীর লোকনাথ ব্রহ্মচারীর কথা, তাঁর অত্যাশ্চর্য যোগবিভূতির কথা। মনে জাগল […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!