মতাদর্শ

হরিচাঁদ গুরুচাঁদ পরিচিতি

মতুয়া ধর্ম দর্শনের সারমর্ম

মতুয়া ধর্ম-দর্শনে হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুর সমাজ ও জীবন দর্শনের যে প্রকৃত ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা সূক্ষ্মভাবে লুকিয়ে রয়েছে মতুয়া-আকর গ্রন্থ ‘শ্রীশ্রীহরিলীলামৃত’ ও ‘শ্রীশ্রীগুরুচাঁদ চরিত’-এ।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির শাহ সুলতান আহম্মদ জালালী জালালী মত

দ্বৈত-অদ্বৈত-বিশিষ্ট অদ্বৈত

হজরত শাহসুলতান জালালী বলেন যে, যখন তোমার গুরুর উপরে অখণ্ডভাবে বিশ্বাস জন্মে অর্থাৎ গুরু যখন সম্পূর্ণ ভাবে পরমাত্মায় বা ব্রহ্মে বিলীন হন তখন তিনিই ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর; বিশিষ্ট অদ্বৈতবাদী। আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যায় যে সকল ভক্তগণ অখণ্ড ভাবে তার উপাস্য প্রভুকে পরমব্রহ্ম জ্ঞানে বিশ্বাস ও ভজন-সাধন করেন ইহাদের অদ্বৈতবাদী বলা হয়।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির শাহ সুলতান আহম্মদ জালালী জালালী মত

নরক

মৃত্যুর পরেও মানব এই ব্রহ্মণ্ডেই শব্দময় শরীর নিয়ে অচেতনভাবে এই বায়ুময় সমুদ্রেই থাকে। আমরা যখন কথা বলি তৎক্ষণাৎ ইহা একটি আকৃতি নিয়ে কর্ণে প্রবেশ করে। শব্দের ধ্বংস নাই। সাধারণের মৃত্যুর পরে কেবল মাত্র একটি শব্দময় শরীর ধারণ করে শব্দময় ব্রহ্মাণ্ডই নির্জীব সূক্ষ্ম চেতনা রহিত হইয়া বায়ুময় ব্রহ্মাণ্ডই থাকে।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির শাহ সুলতান আহম্মদ জালালী জালালী মত

স্বর্গ

তবে যাই বলা হউক না কেন! এই বায়ুময় ব্রহ্মাণ্ডেই সবাই বিরাজিত কীটপতঙ্গ, মানব-দানব, অতিমানব, হযরত মুহাম্মদ, পবিত্র যীশু, ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, মা তাঁরা সবই, স্বর্গ আর নরক সব এখানেই।

বিস্তারিত পড়ুন
মুক্তির প্রত্যাশা জালালী মত

সৃষ্টিতত্ত্ব

যদিও সাধারণত যে কোন পদার্থ অগ্নিতে ভস্মীভূত হইয়া যায়; যে কোন প্রজাতির মাঝেই পরিবেশকে মোকাবেলা করার জন্যে জীব তার শারীরিক পরিবর্তন ঘটাইয়া থাকে। ইহা বৈজ্ঞানিক সত্য। তেমনি তিনি ইহাও বলেছেন যে, মানুষের চেয়ে আরও অধিক উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে, জলের মধ্যে বসবাস করে এমন মানুষের মতই প্রাণী আছে।

বিস্তারিত পড়ুন
নিজেকে জানো কথা

পুনর্জন্ম

এক কোটির মধ্যে নিরানব্বই লাখ লোক মৃত্যুর পরে শব্দময় ব্রহ্মাণ্ডেই থাকে। ইহার ঊর্ধে উঠতে পারে না। এই আত্মা একটি শব্দময় শরীর নিয়ে চেতনা হীন হয়ে এই বায়ুময় ব্রহ্মাণ্ডেই থাকে। ইহার বিকাশের গতিরুদ্ধ হয়ে যায়। শব্দময় ব্রহ্মেই সে লীন হইয়া যায়।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির শাহ সুলতান আহম্মদ জালালী কথা

মৃত্যু ও পরকাল

সকল জীবিত সত্তাতেই অর্থাৎ গাছ-বৃক্ষ তরুলতা, পশু-পাখি, কিট-পতঙ্গের মাঝে মহাশক্তি বিলীন ইহা বিশ্বাস করে। ইহারা জ্ঞানময় ব্রহ্মাণ্ডের বসবাসকারী দুই জগতের বাদশাদের ভক্তি ও বিশ্বাস করে এবং তাঁহাদের নির্দেশ মত নিজেকে জানার জন্য জালালী বা সূক্ষ্ম জ্ঞানের উপাসনা করে।

বিস্তারিত পড়ুন
হরিচাঁদ ঠাকুর পরিচিতি

মতুয়া সপ্ত নিষেধাজ্ঞা

মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর প্রদত্ত ১২টি আজ্ঞা অর্থাৎ দ্বাদশ আজ্ঞা যেমন দিয়েছেন। তেমন দিয়েছেন কিছু নিষেধাজ্ঞা। এর প্রধান সাতটি নিষেধাজ্ঞা অবশ্য পালনীয়। এই সাতটি নিষেধাজ্ঞাই সপ্ত নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত-

বিস্তারিত পড়ুন
হরিচাঁদ ঠাকুর পরিচিতি

মতুয়া দ্বাদশ আজ্ঞা

মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর প্রদত্ত ১২টি আজ্ঞা বা আদেশকে বলা হয়ে থাকে মতুয়া দ্বাদশ আজ্ঞা। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের দ্বাদশ আজ্ঞা সাথে ছন্দে তা লিখেছেন শ্রীভগবান চন্দ্র বিশ্বাস-

বিস্তারিত পড়ুন
তিনকড়ি মিয়া পরিচিতি

যবন তিনকড়ির উপাখ্যান

গুরুচাঁদ ঠাকুর অন্তরে সব জানতে পেরে বললেন, ‘ওহ্ তিনকড়ি তুই নিজ হাতেই ‘হরি বোল’ বলে এটা খুলে হরিকে ভোগ দে।’ তিনকড়ি মিয়া হাঁড়ি খুলে দেখেন সেই গোমাংস সত্যি গরম বাতাসা হয়ে গেছে। তিনকড়ি মিয়া তখন নিজের ভুল বুঝতে পেরে গুরুচাঁদ ঠাকুরের পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন।

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!