ভবঘুরে কথা

কর্তাভজা

সতীমাতা কর্তাভজা

কর্তাভজা সত্যধর্মের ৩০ ধারা

ধারা : এক ঠাকুর আউল চাঁদ প্রবর্তিত কর্তাভজা সত্যধর্ম কোন ব্যক্তি গ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে তাকে এক বাক্যে সত্যনামে দীক্ষা দিবে না। সত্যনাম গ্রহণেচ্ছুককে প্রথমে কর্তাভজা সত্যধর্মের মূলস্তম্ভ, মূলনীতি, আদর্শ-উদ্দেশ্য বিষয়ে অবগত করাবে, এসব বিষয় অবগত হওয়ার পর যদি পূর্ণ শ্রদ্ধা-ভক্তি-বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নীতি-আদর্শ-বিধি-নিষেধ যথাযথভাবে পালনের অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়, তাহলে তাকে সত্যনামের আংশিক মূলতত্ত্ব […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

কর্তাভজা সত্যধর্মের আদর্শ ও উদ্দেশ্য

কর্তাভজা সত্যধর্মের আদর্শ ১. একেশ্বরবাদ: ভিন্ন ভিন্ন দেব-দেবীর অর্চনা করার পরিবর্তে মালিক এক অদ্বীতিয় এবং তিনিই সর্বশক্তিমান, সর্বমঙ্গলময় এই অটল বিশ্বাসে এক-মালিকের ভজনা করাই একেশ্বরবাদ। আমি একলা একেশ্বর দোসর তো কেউ নাই, পার করি বে-ওজরি যে জনারে পাই, (ভাবেরগীত নং- ২৭৬, কলি- ৩) বেদে ব্রহ্ম এক সারবস্তু নিরাকার, তবে পঞ্চ তত্ত্ব কি জন্যে প্রচার, আর […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

ভাবেরগীত এর মাহাত্ম্য

কর্তাভজন সত্যধর্মালম্বী ভক্তগণের কাছে ভাবেরগীত পবিত্র, পূজনীয় ধর্মীয়গ্রন্থ, এতে কর্তাভজা সত্যধর্মের নীতি আদর্শ, উপাসনা তত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, সাধন-ভজন, ব্রহ্মতত্ত্ব, মালিকতত্ত্ব, জীব-জগৎতত্ত্ব জ্ঞান কর্ম-ভক্তি যোগ, আত্মা-পরমাত্মা, আত্মজ্ঞান নির্ণয়, ও গুরুতত্ত্বসহ বিভিন্ন বিষয়ে গীত আকারে বিশদভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। দুলাল চাঁদ কর্তৃক রচিত ভাবেরগীত কর্তাভজা সত্যধর্মের একমাত্র অনুসরণযোগ্য গ্রন্থ। এ গ্রন্থ ছাড়া এই মতে কোনো ব্যক্তির নিজস্ব মতামত, […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

সাধন-ভজন ও তার রীতি নীতি

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হলেও যতক্ষণ পর্যন্ত সে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে না পারে ততক্ষণ পর্যন্ত তার মনুষ্য জনম বিফল। মানব জনমের প্রধান উদ্দেশ্য পরম বা মালিকের প্রাপ্তি, সেই প্রাপ্তির জন্য সাধন-ভজনও একমাত্র মানব জনমেই সম্ভব। মনুষ্যত্ব অর্জন ও মালিক প্রাপ্তির প্রথম স্তর ও শেষ স্তর হল ধর্ম পথ বা সত্যপথ অবলম্বন করা। ধর্মের মূল কথা […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

কর্তাভজা সত্যধর্মের পাঁচ স্তম্ভ

কর্তাভজা সত্যধর্মের মূল স্তম্ভ ৫টি। স্তম্ভগুলো- ১. প্রবর্তক: ঠাকুর আউল চাঁদ মহাপ্রভু মালিকের অবতার, এই বিশ্বাসে অটল থাকা। ২. বীজমন্ত্র: সত্যনাম মহামন্ত্র একমাত্র সত্য নামের মাহাত্ম্যেই মানবের পারমার্থিক মুক্তি লাভ হবে এই বিশ্বাসে অটল থাকা। ৩. ধারক: ঠাকুর আউলচাঁদ প্রবর্তিত কর্তাভজা সত্যধর্মে সর্বপ্রথম দীক্ষাগ্রহণ করেন সতীমা ও রামশরণ; তাই তারাই কর্তাভজার ধারক। ঠাকুর আউলচাঁদ ঐশ্বরিক […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

দুলালচাঁদ

১১৮২-১২৩৯ বঙ্গাব্দ (১৭৭৬-১৮৩৩ খ্রি:) ঠাকুর আউল চাঁদ মহাপ্রভুর প্রথম ও প্রধান ভক্ত সতীমা ও রামশরণের একমাত্র পুত্র সন্তান দুলালচাঁদ ঠাকুর ওরফে লালশশী ওরফে রামদুলাল। এ মতের অনুসারিরা বিশ্বাস করেন সতীমার ভক্তিতে বাঁধা পড়ে ঠাকুর আউলচাঁদ মহাপ্রভু সতীমার গর্ভে দুলালচাঁদ রূপে জন্মগ্রহণ করেন। দুলালচাঁদ ছিলেন অতিশয় তীক্ষ্ম ধারণশক্তি ও অসাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন এক ব্যক্তিত্ব, শৈশবেই তিনি প্রচলিত […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

কর্তা

যিনি এই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের যাবতীয় ঘটন অঘটন, সকল কার্য-কারণের কারণ ও সর্বময় কর্তা, তাকেই কর্তাভজন সত্যধর্মে কর্তা বলা হয়েছে। যিনি জগৎকর্তা তিনি নিরাকার-নিরঞ্জন, অব্যয়, অক্ষয়, অনন্ত-অসীম, তাঁর জন্ম-মৃত্যু নেই, তাঁর পিতা-মাতা নেই, তিনি নারী-পুরুষ, হিজড়ে-খোজা নন, তাঁর স্বামী কিম্বা স্ত্রী নেই এবং নির্দিষ্ট সংখ্যায়-পুত্র কন্যাও নেই। তিনি সুখ-দুঃখ, জ্বরা-ব্যধি, ভাল-মন্দ, সত্য-মিথ্যা, সদাচার-কদাচার, সর্বপ্রকার-বিচার-বুদ্ধি ও যুক্তিতর্কের অতীত। […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

বাইশ ফকিরের নাম

অল্পকিছু দিনের মধ্যেই আউলচাঁদ মহাপ্রভুর মহিমার কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পরেছিল এবং তাঁর প্রবর্তিত কর্তাভজন সত্যধর্মের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল স্তরের বহু মানুষ তার ভক্ত হয়েছিল, তার মধ্যে একান্ত অনুগতভক্ত ছিল বাইশ জন, এরাই বাইশ ফকির নামে পরিচিত। বলাবাহুল্য এই বাইশ জনই সাধক ছিলেন এবং সাধনা ও গুরুর প্রতি অটল ভক্তি বিশ্বাস থাকায় গুরুর […]

বিস্তারিত পড়ুন
সতীমাতা কর্তাভজা

ডালিম তলার মাহাত্ম্য

সতীমা ও রামশরণ ঠাকুর আউলচাঁদ মহাপ্রভুর অমৃতময় উপদেশ বাণী গভীর মনযোগ দিয়ে শ্রবণ করলেন এবং যাতে ঐ গুরুবাক্য যথাযথভাবে পালন করতে পারে তার জন্য ঠাকুরের আশির্বাদ কামনা করলেন। রামশরণের কঠিন দুরারোগ্য (শূল বেদনা) মরণ ব্যধি ছিল, ঠাকুরের কৃপায় ঐ কঠিন ব্যাধি থেকে চিরতরে মুক্তি পেলেন। ঠাকুর সতীমাকে বললেন এই স্থানে একটি ডালিম গাছ রোপন কর […]

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু কর্তাভজা

গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাব

গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাবকাল ১৪৮৬ খ্রীঃ। গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাবকালে ভারতবর্ষ জাত-গোত্রের নামে ধর্মীয় বৈষম্য চরমে ছিল। ঠিক সেই সময় গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর প্রচারিত বর্ণ-বৈষম্যহীন প্রেম-ভক্তি পূর্ণ বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হয়ে সাধারণ মানুষ পেয়ে ছিল নূতন জীবন ও ধর্মে-কর্মে অধিকার আর মহাপ্রভু তার ভক্তদের কাছে হয়েছিলেন কলিযুগে ভগবানের অবতার, শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভু, মহাপ্রভুর বর্ণ-বৈষম্যহীন বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের ফলে […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!