অনুকুল ঠাকুর

১.
যতই পরের দোষ দিবি
তুই নিজের যা দোষ এড়াতে,
পেয়ে বসবে সে দোষ তোমায়
দেবে না পা বাড়াতে।।

২.
মাটির শরীর মাটিই হবে
মাটি ছাড়া নয় বিধান,
মাটিরে তুই কররে খাঁটি
অমৃতেরই এনে নিদান।।

৩.
তোদের লক্ষ্য ভগবান।

৪.
সাধু সেজো না, সাধু হও।

৫.
যা পার ভগবানের জন্য কর।

৬.
কৃষ্ণ ভিন্ন উপাই নাই আর সংসারে।

৭.
সংকীর্তন কর, সংকীর্তন প্রচার কর।

৮.
উদাত্ত কণ্ঠে বল- বন্দে পুরুষোত্তম।

৯.
দিতে যে পারে না, পাওয়া তার ঘটে না।

১০.
বাসুদেবই (কৃষ্ণ) সব হলে একগ্রতা সহজ হয়।

১১.
ভগবানকে জানা মানেই সমস্তটাকে বুঝা বা জানা।

১২.
কেবল দিবি, বলবি কৃষ্ণ নাম করতে, সব দূর হবে।

১৩.
ভক্তি যদি থাকে, সে ভগবানকে আপন করে ফেলে।

১৪.
ভগবানকে পেতে গেলে সদগুরুর শরণাপন্ন হতে হয়।

১৫.
যেখান থেকে নেও (দীক্ষা), সদগুরুর কাছে থেকে নিও।

১৬.
কপট হয়ো না, নিজে ঠক না, আর অপরকেও ঠকিও না।

১৭.
ভগবান ব্যতিরেকে উপাস্য নাই। ঋষিগণ তাহারই বার্ত্তিক।

১৮.
কৃষ্ণ নামে বিপদ থাকে না। বিপদ আপদ আসতে পারে না।

১৯.
যদি সাধনায় উন্নতি লাভ করতে চাও, তবে কপটতা ত্যাগ কর।

২০.
ভগবানের চাকর যে হয়, সে যে কার চাকর না, তা ভাবাই কঠিন।

২১.
কেবল কীর্তন! ভাবা চিন্তার সময় নাইরে। কীর্তন করবি আর সব করবি।

২২.
কীর্তনটা প্রত্যেক দিন করতে হয়। যদি লোক না থাকে তবে একলা করবি।

২৩.
গীতা সবাইকে পড়াবি। বুঝুক, না বুঝুক, শুনুক, পড়ুক, একদিন বুঝতে পারবে।

২৪.
মন ওখান থেকেই ঠিক হবে।ও তোর আধার ঘরে জ্বলবে আলো, হরেকৃষ্ণ বল।

২৫.
অমৃতময় বারি কপটের নিকট তিক্ত লবণ-ময়, তীরে যাইয়াও তার তৃষ্ণা নিবারিত হয় না।

২৬.
সেই বিবেকের আকুল আহ্বান শুনে হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ বলে ডাকায় তার সব দুঃখ ঘুচে যায়।

২৭.
কাউকে যদি বলিস কিছু সংশোধনের তরে, গোপনে তাকে বুঝিয়ে বলিস সমবেদনা ভোরে।

২৮.
বসুদেবের ছেলে শ্রীকৃষ্ণ, রক্ত মাংস সঙ্কুল এই প্রতীকই যা কিছু সব, এই বোধই চরম বোধ।

২৯.
তোরা কতকগুলি গীতার শ্লোক ঠিক করে ফেলবি। গীতা ওঠস্থ হওয়া চাই। গীতাতে সব পাবি।

৩০.
মাটির শরীর মাটি হবে মাটি ছাড়া নাই বিধান, মাটিরে তুই কররে খাঁটি অমৃতেরই এনে নিদান।

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!