বড় পীর আবদুল কাদের জিলানী

কেরামতে গাউছুল আযম

-নূর মোহাম্মদ মিলু

বাগদাদের এক বিধবার সন্তান সায়্যিদ কবির ওরফে শাহ্‌দুলা বিবাহ শেষে নববধূসহ বরযাত্রী নিয়ে নদীপথে ফিরছিলেন। মাঝপথে ঝড়ে কবলিত হয়ে নৌকাডুবিতে সবাই নিহত হন। পুত্র বিরহে বিধবার শোক আর কিছুতেই কাটে না।

প্রতিদিন নদীর পাড়ে বসে কেবল কাঁদেন। এভাবে কেটে যায় বার বছর। একদিন ওই পথ দিয়ে যেতে গাউসে পাক বিধবার মনোকষ্টে খুবই মর্মাহত হন। তিনি আল্লাহর দরবারে আব্দার করে হাত উঠালেন।

অবাক পৃথিবী। সাথে সাথে নদীর পানিতে ভেসে ওঠে একযুগ আগে নিমজ্জিত বর, নববধূসহ সকল বরযাত্রী। মহিলার আনন্দের সীমা রইল না। তিনি আল্লাহর শোকর করলেন।

মায়ের মৃত্যুর পর শাহদুলা বিবিসহ গাউসে পাকের দরবারে এসে স্থায়ী আশ্রয় নেন এবং গাউসে পাকের খেদমতে নিয়োজিত হন। একদিন গভীররাতে গাউসে পাক অজু করার সময় শাহদুলা পরম ভক্তি নিয়ে পানি ঢালেন।

এক পর্যায়ে হযরতের পা মুবারক হতে গড়িয়ে পড়া পাঁচ ফোঁটা পানি শ্রদ্ধার সাথে পান করে ফেলেন। তাঁর ভক্তি দৃষ্টে গাউসে পাক দু’আ করলেন প্রতি ফোঁটার বরকতে আল্লাহ যেন তাকে একশ’ বছর করে হায়াত দেন। সে দুআ শাহদুলা পাঁচশ বছর হায়াত পেয়ে ১০৬১ হি. সনে বহু দেশঘুরে গুজরাট এসে ওফাত প্রাপ্ত হন। সেখানে তিনি সমাহিত হন।
……………………………………..
সূত্র : তাফ, নঈমীর বরাতে প্রাগুক্ত

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!