গৌতম বুদ্ধ

গৌতম বুদ্ধের বাণী: তিন

৮১.
সকলেই দণ্ডকে ভয় করে, জীবন সকলের প্রিয়। সুতরাং নিজের সাথে তুলনা করে কাকেও প্রহার করবে না কিংবা আঘাত করবে না। – গৌতম বুদ্ধ

৮২.
মিথ্যা, লাগানো কথা, কটূক্তি, ব্রিথাবাক্য বলা থেকে বিরত হও। সত্য, প্রিয়, মিষ্টি ও অর্থপূর্ণ বাক্য বল। এগুলো স্ম্যক বাক্যের অন্তর্গত। – গৌতম বুদ্ধ

৮৩.
অতীত নিয়ে বিভ্রান্ত হয়ো না, ভবিষ্যতের স্বপ্নে হারিয়ে যেওনা, বর্তমানের দিকে মনোযোগ দেও। এটাই সুখী হওয়ার একমাত্র উপায়। – গৌতম বুদ্ধ

৮৪.
মূর্খরা ‘আমার পুত্র, আমার অর্থ, আমার ধন’ এই চিন্তায় যন্ত্রণাভোগ করে। যখন সে নিজেই নিজের না তখন পুত্র বা ধন তার হয় কিভাবে? – গৌতম বুদ্ধ

৮৫.
মৈত্রী দ্বারা ক্রোধকে জয় করবে, সাধুতার দ্বারা অসাধুকে জয় করবে, ত্যাগের দ্বারা ক্রোধকে জয় করবে ও সত্যের দ্বারা মিথ্যাকে জয় করবে। – গৌতম বুদ্ধ

৮৬.
খারাপটি সর্বদা তুমি নিজেই পছন্দ করছো। সুতরাং তোমার খারাপ কাজের জন্য তুমি নিজেই দায়ী। এর দায়ভার অন্য কারো নয়। – গৌতম বুদ্ধ

৮৭.
যেমনভাবে একটা মোমবাতি আগুন ছাড়া নিজে জ্বলতে পারে না, ঠিক সেই রকমই একটা মানুষ আধ্যাত্মিক জীবন ছাড়া বাঁচতে পারে না। – গৌতম বুদ্ধ

৮৮.
ঘৃণাকে ঘৃণা দিয়ে কখনোই শেষ করা যাবে না, ঘৃণাকে একমাত্র ভালোবাসার দ্বারাই শেষ করা যেতে পারে। আর এটা একটা প্রাকৃতিক সত্য। – গৌতম বুদ্ধ

৮৯.
সুখ কখনও আবিষ্কার করা যায় না। এটি সবসময় তোমার কাছে আছে এবং থাকবে। তোমাকে কেবল দেখার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। – গৌতম বুদ্ধ

৯০.
নিজেকে নিয়ন্ত্রণ কর। তারপর অন্যকে অনুশাসন কর। নিজে নিয়ন্ত্রিত হলে অন্যকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাই কঠিন। – গৌতম বুদ্ধ

৯১.
আমরা অনেকেই একটা কিছুর সন্ধানে পুরো জীবন কাটিয়ে দেই। কিন্তু তুমি যা চাও তা হয়তো এরই মধ্যে পেয়েছ। সুতরাং এবার থামো। – গৌতম বুদ্ধ

৯২.
তোমাদের সবাইকে সদয়, জ্ঞানী ও সঠিক মনের অধিকারী হতে হবে। যতই বিশুদ্ধ জীবনযাপন করবে, ততাই উপভোগ করতে পারবে জীবনকে। – গৌতম বুদ্ধ

৯৩.
রেগে যাওয়া, কোনো জ্বলন্ত কয়লাকে অন্যের গায়ে ছোঁড়ার জন্য সেটাকে ধরে থাকার মতোই সমান হয়ে থাকে। এটা সবার প্রথমে তোমাকে জ্বালাবে। – গৌতম বুদ্ধ

৯৪.
আলস্য ও অতিভোজের দরুণ স্থূলকায় নিদ্রালু হয়ে বিছানায় গড়াগড়ি দেয়া স্বভাবে পরিণত হলে সেই মূর্খের জীবনে দুঃখের পুনঃপুনরাবৃত্তি ঘটবে। – গৌতম বুদ্ধ

৯৫.
অনেক মোমবাতি জ্বালাতে আমরা কেবল একটি মোমবাতিই ব্যবহার করি। এর জন্য ওই মোমবাতিটির আলো মোটেও কমে না। সুখের বিষয়টিও এমনই। – গৌতম বুদ্ধ

৯৬.
প্রত্যেকটা দিনের গুরত্বকে বুঝুন, প্রত্যেকদিন একটা নতুন ব্যক্তির জন্ম একটা নতুন উদ্দেশ্যকে পূরণ করার জন্য হয়ে থাকে। এইজন্য একদিনের গুরত্বকে বুঝুন। – গৌতম বুদ্ধ

৯৭.
কাউকে কটু কথা বলবে না। কারণ সে-ও কটু প্রত্যুত্তর দিতে পারে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় তোমার জন্যেও কষ্টদায়ক হবে। দণ্ডের প্রতিদণ্ড তোমাকেও স্পর্শ করবে। – গৌতম বুদ্ধ

৯৮.
মন ও শরীরের পক্ষে সুস্থ থাকার রাস্তা হলো- অতীতের জন্য শোক না করা আর ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা না করা। বরং বুদ্ধি ও সৎভাবের দ্বারা বর্তমানে বাঁচার চেষ্টা করা। – গৌতম বুদ্ধ

৯৯.
আমরা যখন কথা বলি, তখন সেই সময় আমাদের শব্দগুলোকে ভালোভাবে নির্বাচন করা উচিত। কারণ এর ফলে শ্রোতার উপর ভালো কিংবা খারাপ প্রভাব পরতে পারে। – গৌতম বুদ্ধ

১০০.
যখন আমরা মনের রূপান্তর ঘটাই, আর চিন্তাগুলো বিশুদ্ধ করি, তখন আমরা অন্যায় কাজ থেকে জীবনকে পরিশুদ্ধ করি। এর মাধ্যমে খারাপ কাজের চিহ্নও মুছে যায়। – গৌতম বুদ্ধ

<<গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই ।। গৌতম বুদ্ধের বাণী: চার>>

…………………………………………
আরো পড়ুন:
গৌতম বুদ্ধের বাণী: এক
গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই
গৌতম বুদ্ধের বাণী: তিন
গৌতম বুদ্ধের বাণী: চার

ভগবান্ বুদ্ধ
মহাপ্রজ্ঞাপারমিতা মন্ত্র

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!