তথাগত গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ভগবান

গৌতম বুদ্ধের বাণী: এক

১.
করুণাই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি। – গৌতম বুদ্ধ

২.
সবচেয়ে অন্ধকার রাতের অর্থ অজ্ঞানতা। – গৌতম বুদ্ধ

৩.
রেগে যাওয়া মানে নিজেকেই শাস্তি দেওয়া। – গৌতম বুদ্ধ

৪.
যা আপনি চিন্তা করবেন, তাই আপনি হবেন। – গৌতম বুদ্ধ

৫.
সত্যিকারের ভালোবাসা, বোঝার থেকেই হয়। – গৌতম বুদ্ধ

৬.
তুমিই কেবল তোমার রক্ষাকর্তা, অন্য কেউ নয়। – গৌতম বুদ্ধ

৭.
মন ধর্মের পূর্বগামী, মনই শ্রেষ্ঠ, সকলই মনোময়। – গৌতম বুদ্ধ

৮.
এই তিনটি সর্বদা দেখা দেবেই: চাঁদ, সূর্য এবং সত্য। – গৌতম বুদ্ধ

৯.
সবকিছুকে বোঝার অর্থ সবকিছুকে ক্ষমা করে দেওয়া। – গৌতম বুদ্ধ

১০.
সত্যিকারভাবে ক্ষমতা নিয়ে বাঁচতে হলে নির্ভয়ে বাঁচো। – গৌতম বুদ্ধ

১১.
প্রচুর সম্পদের মাঝে সুখ নেই, মনের সুখই আসল সুখ। – গৌতম বুদ্ধ

১২.
প্রাজ্ঞবান ব্যক্তি কখনো নিন্দা বা প্রশংসায় প্রভাবিত হয় না। – গৌতম বুদ্ধ

১৩.
একটি মানুষের মন তার প্রকৃত বন্ধু কিংবা শত্রু হয়ে থাকে। – গৌতম বুদ্ধ

১৪.
কোনো খারাপ জিনিস, কোনো খারাপ চিন্তা থেকেই আসে। – গৌতম বুদ্ধ

১৫.
জীবনে ব্যাথা থাকবেই, কিন্তু কষ্টকেই ভালোবাসতে শেখো। – গৌতম বুদ্ধ

১৬.
আলোকিত হতে চাইলে প্রথমে নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করো। – গৌতম বুদ্ধ

১৭.
যে ভালোভাবে জীবন কাটিয়েছে, সে মৃত্যুকেও ভয় পায় না। – গৌতম বুদ্ধ

১৮.
আত্মনির্ভরশীল হও। আত্মপ্রত্যয়ী হও। আত্মশরণই শ্রেষ্ঠ শরণ। – গৌতম বুদ্ধ

১৯.
পা তখনই অন্য পাকে অনুভব করে, যখন সেটা মাটিকে ছোঁয়। – গৌতম বুদ্ধ

২০.
প্রত্যেক মানুষ, তার স্বাস্থের কিংবা রোগের সৃষ্টিকর্তা হয়ে থাকে। – গৌতম বুদ্ধ

২১.
তিনটি জিনিস দীর্ঘসময় লুকিয়ে রাখা যাবে না- সূর্য, চাঁদ এবং সত্য। – গৌতম বুদ্ধ

২২.
সুখের কোনো উপায় নেই, সুখীতে থাকাই হচ্ছে এর একমাত্র উপায়। – গৌতম বুদ্ধ

২৩.
হাজারও খালি শব্দের থেকে ভালো সেই শব্দ, যেটা শান্তি নিয়ে আসে। – গৌতম বুদ্ধ

২৪.
তুমি মুখে কী বলছো সেটি কোনো বিষয় নয়, বিষয় হলো তোমার কাজ। – গৌতম বুদ্ধ

২৫.
অন্যকে কখনও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করো না, নিয়ন্ত্রণ করো কেবল নিজেকে। – গৌতম বুদ্ধ

২৬.
শান্তি মনের ভিতর থেকে আসে, তাই সেটা ছাড়া শান্তির অনুসন্ধান করোনা। – গৌতম বুদ্ধ

২৭.
প্রত্যেক মানুষের অধিকার আছে, তার নিজের দুনিয়াকে স্বয়ং নিজে খোঁজার। – গৌতম বুদ্ধ

২৮.
শুভর সূচনা করতে প্রত্যেক নতুন সকালই তোমার জন্য এক একটি সুযোগ। – গৌতম বুদ্ধ

২৯.
বাস্তব জীবনের সবচেয়ে বড় বিফলতা হলো, আমাদের অসত্যবাদী হয়ে থাকা। – গৌতম বুদ্ধ

৩০.
তোমার রাগের জন্য তুমি শাস্তি পাবে না, তোমার রাগ দ্বারা তোমার শাস্তি হবে। – গৌতম বুদ্ধ

৩১.
মূর্খের সেবা করবে না। পণ্ডিতের সান্নিধ্যে যাবে। পূজনীয় ব্যক্তিকে পূজা করবে। – গৌতম বুদ্ধ

৩২.
নিশ্চিতভাবে যে ব্যক্তি বিরক্তিপূর্ণ চিন্তার থেকে মুক্ত থাকে, সেই শান্তি পেয়ে থাকে। – গৌতম বুদ্ধ

৩৩.
অন্যের জন্য ভালো কিছু করতে পারাটাও তোমার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। – গৌতম বুদ্ধ

৩৪.
সুখের জন্ম হয় মনের গভীরে। এটি কখনও বাইরের কোনো উৎস থেকে আসে না। – গৌতম বুদ্ধ

৩৫.
নিজেকে বিজয়প্রাপ্ত করা, অন্যের উপর বিজয়প্রাপ্ত করার থেকে বড় কাজ হয়ে থাকে। – গৌতম বুদ্ধ

৩৬.
পরমাত্মা প্রত্যেকেই একই রকম করেছেন, পার্থক্য তো শুধু আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরে। – গৌতম বুদ্ধ

৩৭
ইহ-পরকাল ও কর্মফলের প্রতি গভীর বিশ্বাস রেখে স্বধর্মের পথে চলার নাম সম্যক দৃষ্টি। – গৌতম বুদ্ধ

৩৮.
নির্বোধ বন্ধু আদৌ কোনো বন্ধু নয়। নির্বোধ বন্ধু থাকার চেয়ে একা হওয়া অনেক ভালো। – গৌতম বুদ্ধ

৩৯.
আমি কখনোই দেখি না যে কি কি চলে গেছে, আমি সর্বদা দেখি আর কি করা বাকি আছে। – গৌতম বুদ্ধ

৪০.
অস্ত্র, প্রাণী, মাংস, নেশা, বিষ- বাণিজ্য করবে না। এগুলো মিথ্যাজীবিকা। ধর্মের পরিপন্থী। – গৌতম বুদ্ধ

গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই>>

…………………………………………
আরো পড়ুন:
গৌতম বুদ্ধের বাণী: এক
গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই
গৌতম বুদ্ধের বাণী: তিন
গৌতম বুদ্ধের বাণী: চার

ভগবান্ বুদ্ধ
মহাপ্রজ্ঞাপারমিতা মন্ত্র

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!