মাদার তেরেসা

মাদার তেরেসার বাণী

১.
শান্তির শুরুই হয় হাসির মাধ্যমে।

২.
একটি হাসি দিয়ে শান্তি শুরু হয়।

৩.
ভালোবাসা ছাড়া কাজ করার অর্থ দাসত্ব।

৪.
আনন্দই প্রার্থনা, আনন্দই শক্তি, আনন্দই ভালোবাসা।

৫.
আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতের একটি কলমের সমান।

৬.
সরলতার সাথে বাঁচুন, যাতে অন্যরাও বাঁচতে পারেন।

৭.
আনন্দই প্রার্থনা, আনন্দই শক্তি, আনন্দই ভালোবাসা।

৮.
নিখুঁত ভালোবাসা পরিমাপ করা যায় না, এটি শুধু দেয়।

৯.
সর্বশ্রেষ্ঠ রোগগুলির মধ্যে অন্যতম হল কেউ কারো নয়।

১০.
শৃঙ্খলাই হলো লক্ষ্য আর উপলব্ধির মাঝখানের একটি সেতু।

১১.
নিখুঁত ভালোবাসা পরিমাপ করা যায় না, এটি শুধু দেওয়া যায়।

১২.
ভালো কাজগুলো পরষ্পর সংযুক্ত যা প্রেমের শৃঙ্খলা গঠন করে।

১৩.
ঈশ্বর আমাদের সফলতা চায় না, তিনি চান আমরা যেন চেষ্টা করি।

১৪.
আমি সাফল্যের জন্য প্রার্থনা করি না, আমি সত্যের জন্য প্রার্থনা করি।

১৫.
কাজের মধ্যে প্রার্থনার অর্থ প্রেম আর কাজের মধ্যে প্রেমের অর্থ সেবা।

১৬.
ছোট বিষয়ে বিশ্বস্ত হও, কারণ এর উপরেই তোমার শক্তি নির্ভর করে।

১৭.
আমরা ভবিষ্যত নিয়ে আশঙ্কা করি কারণ আমরা বর্তমানকে নষ্ট করছি।

১৮.
নেতার জন্য বসে থেকো না, একাই ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি শুরু করে দেও।

১৯.
যদি বেঁচে থাকার অর্থ অন্যের সাহায্য না হয়, তাহলে সেটি জীবনই নয়।

২০.
আমরা ভবিষ্যত নিয়ে আশংকা করি কারণ আমরা বর্তমানকে নষ্ট করছি।

২১.
যদি তুমি মানুষকে বিচার করতে যাও তাহলে ভালবাসার সময় পাবে না।

২২.
সত্যিকারের ভালোবাসার অর্থ হলো যতক্ষণ তা কষ্ট না দেয় ততক্ষন দেওয়া।

২৩.
আনন্দ ভালোবাসার একটি জাল যা দ্বারা আপনি আত্মার বন্ধন গড়তে পারেন।

২৪.
কিছু লোক তোমার জীবনে আশির্বাদ হয়ে আসে, কিছু লোক আসে শিক্ষা হয়ে।

২৫.
তুমি কী করলে তার চাইতে তুমি কতটা ভালোবাসা দিয়ে করলে সেটাই মুখ্য বিষয়।

২৬.
সুন্দর দেখতে মানুষ সবসময় ভালো হয়না, কিন্তু ভালো মানুষগুলি সর্বদা সুন্দরই হয়।

২৭.
তুমি যদি শতশত লোকের ক্ষুধা মিটাতে না পারো তাহলে শুধুমাত্র একজনকে খাওয়াও।

২৮.
সবচেয়ে বড় রোগ কুষ্ঠরোগ বা চর্মরোগ নয়, বরং অবাঞ্ছিত হওয়াই সবচেয়ে বড় রোগ।

২৯.
সবচেয়ে ভয়াবহ দারিদ্রতা হচ্ছে একাকীত্ব এবং প্রিয়জনের সহানুভূতি না পাওয়ার অনুভূতি।

৩০.
হৃদয়কে স্পর্শ করতে চায় নীরবতা। কলরবের আড়ালে নীরবেই পৌছাতে হয় আর্তের কাছে।

৩১.
তুমি দৃশ্যমান মানুষকে ভালোবাসতে না পারো তবে অদৃশ্য ঈশ্বরকে কি করে ভালোবাসবে?

৩২.
একাকীত্ব আর অন্যের দ্বারা ভালোবাসা না পাওয়ার ভাবনা, ভয়ানক দুর্ভিক্ষের মতোই সমান।

৩৩.
আমি ঈশ্বরের হাতের একটি ছোট পেন্সিল যা দ্বারা ঈশ্বর পৃথিবীতে ভালোবাসার চিঠি লিকছেন।

৩৪.
ভালোবাসা হলো প্রত্যেক ঋতুতে পাওয়া ফলের মতো, যেটা প্রত্যেকের সান্নিধ্যেই সর্বদা থাকে।

৩৫.
যেইসব শব্দ ঈশ্বরের প্রকাশকে আলোকিত করতে অসমর্থ, সেইসব শব্দই অন্ধকার নিয়ে আসে।

৩৬.
আসুন সবসময় হাসিমুখ নিয়ে একে অপরের সাথে দেখা করি, কারণ হাসি থেকেই প্রেমের শুরু।

৩৭.
শুধু সেবা নয়, মানুষকে দাও তোমার হৃদয়। হৃদয়হীন সেবা নয়, তারা চায় তোমার অন্তরের স্পর্শ।

৩৮.
আমরা সবাই মহান কাজ করতে পারিনা কিন্তু আমরা সবাই সকল কাজকে প্রেমপূর্বক করতে পারি।

৩৯.
মানুষ অবাস্তব, অসঙ্গত এবং আত্মাকেন্দ্রিক হয়ে থাকে। তবুও তাদের প্রতি ভালবাসা প্রদান করো।

৪০.
আমার মতে, আমাদের প্রত্যেকের দুঃখী থাকা ভালো। আমার কাছে এটি যিশুর একটি চুম্বনের মতো।

৪১.
ভালোবাসার কথাগুলি হয়তো খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ হতে পারে কিন্তু এর প্রতিধ্বনী কখনো শেষ হয়না।

৪২.
কেবল সেবা নয়, মানুষকে দাও তোমার হৃদয়। হৃদয়হীন সেবা নয়, তারা চায় তোমার অন্তরের স্পর্শ।

৪৩.
ভালবাসার কথাগুলো হয়তো খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ হতে পারে কিন্তু এর প্রতিধ্বনী কখনো শেষ হয় না।

৪৪.
যদি আমাদের ভীতর শান্তি না থাকে, তাহলে আমরা এই কথাটি ভুলে গেছি যে, আমরা একে অপরের জন্য।

৪৫.
আমি চাই তুমি জানো নিজের প্রতিবেশীর ভালোর ব্যাপারে চিন্তিত হও। তুমি কি জানো তোমার প্রতিবেশী কে?

৪৬.
আশা করো না যে তোমার বন্ধু নির্ভুল ব্যাক্তি হবে বরং তোমার বন্ধুকে নির্ভুল হতে সহায়তা করো এটাই প্রকৃত বন্ধুত্ব।

৪৭.
গতকাল চলে গেছে, আগামীকাল এখনো আসেনি, আমাদের জন্য আছে আজকের দিন, তাই এখনই শুরু করা যাক।

৪৮.
যেখানেই যান শুধু ভালোবাসা ছড়ান যাতে যখনই কেউ আপনার সংস্পর্শে আসবে, সে জানো আরো খুশি হয়ে ফিরে যায়।

৪৯.
যিশু বলে গেছেন যে, একে অপরকে ভালোবাসো কিন্তু তিনি এটা কখনোই বলেননি যে, সমস্ত সংসারকে ভালোবাসো।

৫০.
তুমি দুনিয়ায় প্রেমের প্রসার করার জন্য কি করতে পারো? ঘরে যাও এবং নিজের পরিবারের সদ্যদের ভালোবাসো।

৫১.
তুমি যখন কারোর সঙ্গে দেখা করবে তখন হাসিমুখ নিয়েই তার সামনে যেও, কেননা হাস্যোজ্জ্বল মুখ হলো ভালোবাসার শুরু।

৫২.
ভগবান এর জন্য কখনোই অপেক্ষা করেননা যে আপনি কখন সফল হবেন বরং তিনি শুধু এটিই চান যে আমরা যাতে সর্বদা প্রয়াস করতে থাকি।

৫৩.
ঈশ্বর পৃথিবীকে ভালোবাসেন এবং তিনি আপনাকে ও আমাকে পাঠিয়েছেন তার ভালোবাসা এবং সহায়তা দরিদ্রদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

৫৪.
গাছ ও ফুল যেমন শান্তিতেই বিকশিত হয়, তেমনই নক্ষত্র, সূর্য এবং চন্দ্রও শান্তিতেই পরিক্রমণ করে। শান্তিই, আমাদের কাছে নতুন সম্ভবনার জন্ম দেয়।

৫৫.
বাইরের জগতে এখনি বেড়িয়ে পড়ো এবং ভালোবাসো প্রত্যেকটি মানুষকে। তোমার উপস্থিতি যেন হাজারো মানব হৃদয়ে নতুন আলোর সঞ্চার জাগায়।

৫৬.
আমাদের মধ্যে সবাই সব বড় কাজ গুলো করতে পারবে তা না, কিন্তু আমরা অনেক ছোট কাজ গুলো করতে পারি আমাদের অনেক বেশী ভালবাসা দিয়ে।

৫৭.
আপনি যেটা বহু বছর পরিশ্রম করে গড়ে তুলেছেন, সেটা চাইলে রাতারাতি নষ্টও হয়ে যেতে পারে। তাতে কি হয়েছে? আগে এগিয়ে আসুন এবং আবার সেটাকে বানাতে থাকুন।

৫৮.
আসুন আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি। প্রভু, আমাদের যোগ্য করো যেন আমরা সারা পৃথিবীতে যেসব মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে, ক্ষুধার মধ্যে জীবন যাপন করেন এবং মৃত্যুমুখে পতিত হন, তাদের সেবা করতে পারি।

৫৯.
আমার শরীরজুড়ে প্রবাহিত আলবেনিয়ান রক্ত, নাগরিকত্বে একজন ভারতীয় আর ধর্মীয় পরিচয়ে আমি একজন ক্যাথলিক নান। তবে নিজের অন্তর্নিহিত অনুভূতি দিয়ে আমি অবগাহন করি বিশ্বময় এবং মনে-প্রাণে আমার অবস্থান যিশুর হৃদয়ে।

৬০.
যেই ব্যক্তিকে কেউ ভালোবাসার মতো থাকেনা, কেউ খেয়াল রাখার মতো থাকেনা, যাকে প্রত্যেকে ভুলে গেছে, আমার মতে সে এমন ব্যক্তির তুলনায় অনেক বড় দুর্ভিক্ষ গ্রস্ত মানুষ যার কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই, থাকার মতো কিছুই নেই।

৬১.
শান্তির জন্য কাজ করলে তাতেই যুদ্ধ কমে যায় কিন্তু রাজনীতির মধ্যে আমি যাবো না। রাজনীতি থেকেই যুদ্ধের উদ্ভব হয়, সেজন্য রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পরতে আমি চাই না। রাজনীতির মধ্যে যদি আমি বাঁধা পড়ে যাই, তাহলে আর ভালোবাসতে পারবো না। কেননা, তখন সকলের পক্ষে আর নয়, আমাকে দাঁড়াতে হবে একজনের পক্ষে।

…………………….
আপনার গুরুবাড়ির সাধুসঙ্গ, আখড়া, আশ্রম, দরবার শরীফ, অসাম্প্রদায়িক ওরশের তথ্য প্রদান করে এই দিনপঞ্জিকে আরো সমৃদ্ধ করুন- voboghurekotha@gmail.com

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- voboghurekotha@gmail.com
……………………………….

……………….
আরও পড়ুন-
মহানবীর বাণী: এক
মহানবীর বাণী: দুই
মহানবীর বাণী: তিন
মহানবীর বাণী: চার
ইমাম গাজ্জালীর বাণী: এক
ইমাম গাজ্জালীর বাণী: দুই
গৌতম বুদ্ধের বাণী: এক
গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই
গৌতম বুদ্ধের বাণী: তিন
গৌতম বুদ্ধের বাণী: চার

গুরু নানকের বাণী: এক
গুরু নানকের বাণী: দুই
চৈতন্য মহাপ্রভুর বাণী
কনফুসিয়াসের বাণী: এক
কনফুসিয়াসের বাণী: দুই
জগদ্বন্ধু সুন্দরের বাণী: এক
জগদ্বন্ধু সুন্দরের বাণী: দুই
স্বামী পরমানন্দের বাণী: এক
স্বামী পরমানন্দের বাণী: দুই
স্বামী পরমানন্দের বাণী: তিন
স্বামী পরমানন্দের বাণী: চার
স্বামী পরমানন্দের বাণী: পাঁচ
স্বামী পরমানন্দের বাণী: ছয়
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: এক
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: দুই
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: তিন
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: চার
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: পাঁচ
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: ছয়
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: সাত
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: আট
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: নয়
শ্রী শ্রী কৈবল্যধাম সম্পর্কে
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বাণী
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী : ১ম খন্ড
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী : ২য় খন্ড
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী : ৩য় খন্ড
সদগুরু জাগ্গি‌ বাসুদেবের বাণী: এক
সদগুরু জাগ্গি‌ বাসুদেবের বাণী: দুই
সদগুরু জাগ্গি‌ বাসুদেবের বাণী: তিন
সদগুরু জাগ্গি‌ বাসুদেবের বাণী: চার

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

error: Content is protected !!