স্বামী পরমানন্দ

১.
সংকীর্ণতা ত্যাগ করে মুক্ত হও।

২.
মানবের সাধনা হোক মনুষ্যত্বলাভ।

৩.
অহংবোধ গেলেই ইশ্বরবোধ আসে।

৪.
আত্মবিস্মৃতিই বন্ধন। জ্ঞানেই মুক্তি।

৫.
মতবাদ ভুলে প্রেমসমুদ্রে ঝাঁপ দাও।

৬.
ত্যাগের বেদিতেই প্রেম প্রস্ফুটিত হয়।

৭.
মনকে সর্বদা আত্মবিচারে নিমগ্ন রাখ।

৮.
মনুষ্যত্বের বিকাশের জন্য চাই সংযম।

৯.
যাদের স্বভাব সুন্দর, তারাই প্রকৃত সুন্দর।

১০.
আত্মপ্রশংসায় সার অহংকার ও দম্ভ বর্ধিত হয়।

১১.
যে নিজের প্রতি বিশ্বাস হারায়, সে সবকিছু হারায়।

১২.
অন্যকে দু:খ দিলে দু:খ, আর সুখ দিলে সুখ পাবে।

১৩.
অশিক্ষা আর অজ্ঞতা থেকেই কুসংস্কারের জন্ম হয়।

১৪.
যাকে আশ্রয় করে বিকশিত হয়ে ওঠা যায় সে-ই ইষ্ট।

১৫.
অন্তরে যত সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, তত সামর্থ্য তৈরি হয়।

১৬.
বিধানের বন্ধনে তোমরা যেন বিধাতাকে ভুলে যেও না।

১৭.
মনুষ্যত্ববিহীন ব্যক্তিতে আধ্যাত্মচেতনার উন্মেষ হয় না।

১৮.
ত্যাগের মহিমায় প্রেম উজ্জ্বল। নি:স্বার্থ প্রেমই সহজ ধর্ম।

১৯.
যিনি সৎ বা সদাচারী নন, তাঁর জীবনে সত্য মূর্ত হয় না।

২০.
অন্যের অশান্তি ঘটালে নিজেকে অশান্তিতে ভুগতেই হবে।

২১.
সেবাধর্ম বা নি:স্বার্থ জীবসেবাই ভগবানের শ্রেষ্ঠ উপাসনা।

২২.
দু:খ থেকে মুক্রি জন্য অন্তরের প্রেম জাগাবার সাধনা কর।

২৩.
আত্মসংযম ও চারিত্রিক দৃঢ়তা হল মানব চরিত্রের বৈশিষ্ট্য।

২৪.
স্বরূপবোধ না হওয়া পর্যন্ত আনন্দে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায় না।

২৫.
মানব জীবনের উদ্দেশ্য হল পরম সত্যের বোধে বোধ করা।

২৬.
দোষ দর্শন ভালো নয়, অপরের দোষ নিয়ে মাথা ঘামিও না।

২৭.
স্বার্থভাবনা বিসর্জন দিয়ে সমষ্টির কল্যাণে আত্ম-নিয়োগ কর।

২৮.
নিজের বিবেককে কুসংস্কারে বন্ধক রেখ না। মুক্তবিবেক হও।

২৯.
ভালোবাসার অনুশীলনে মানব বিশুদ্ধ প্রেমিকে রূপান্তরিত হয়।

৩০.
মনকে বশীভূত করলে তবে মনের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায়।

৩১.
যিনি সমস্ত বন্ধনমুক্ত- তিনিই সহজ। সহজ জীবন হল বন্ধনহীন।

৩২.
আসক্তি এবং বিরক্তি দুই-ই চলে গেলে তবে আসে পূর্ণ বৈরাগ্য।

৩৩.
বিষয়কীটের পক্ষে ভগবান দর্পণ বা আত্মজ্ঞান প্রাপ্তি বড়ই দুরূহ।

৩৪.
যে বর্তমানে সচেতন সে জীবিত, আর যে বর্তমানে অবশ সে মৃত।

৩৫.
অপরের দৃষ্টিতে নিজেকে না দেখে আপন দৃষ্টিতে আপনাকে দেখ।

৩৬.
বিচারবিহীন আচারই হল ভ্রষ্টাচার। বিবেকপূর্ণ বিচারই যথার্থ বিচার।

৩৭.
নিজেকে ভুলে থেকো না, নিজেকে জানো-নিজেকে বোধে বোধ কর।

৩৮.
যা মানবতা বিরোধী তার পরিত্যজ্য, আর যা জীবনমুখী তাই গ্রহণীয়।

৩৯.
চেতনার উত্তরণ আর বিবেকের জাগরণই ধর্মরাজ্যে প্রবেশের সোপান।

৪০.
বক্তব্যে আদর্শবাদী কিন্তু আচরণে মূল্যবোধেল অভাব -ঐরূপ হয়ো না।

৪১.
সংসারে নিরাসক্ত থাকবে, নির্লিপ্তভাবে থাকাটাই সংসারে থাকার কলা।

৪২.
ভালোবাসা সম্রাট- ভালোবাসাই পারে মানুষের স্বভাবকে বদলে দিতে।

৪৩.
সেবা, বিশ্বাস এবং প্রেমের সঙ্গে নিরন্তর ভগবাবে যুক্ত থাকাই ভক্তিযোগ।

৪৪.
এমন কাজ করবে যাতে পক্ষপাতিত্ব না থাকে। সকলের যেন কল্যাণ হয়।

৪৫.
সাধুসঙ্গে বিবেক জাগে। সংসারে থেকে তাই সাধুসঙ্গ, সৎসঙ্গ করতে হয়।

………………………………………….
আরো পড়ুন:
স্বামী পরমানন্দের বাণী: এক
স্বামী পরমানন্দের বাণী: দুই
স্বামী পরমানন্দের বাণী: তিন
স্বামী পরমানন্দের বাণী: চার
স্বামী পরমানন্দের বাণী: পাঁচ
স্বামী পরমানন্দের বাণী: ছয়

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!