গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু চৈতন্য নিমাই বৈষ্ণব

হরি, কৃষ্ণ ও রাম নামের ফল

হরি নামের ফল
হ কারে হিঙ্গুলবর্ণ সর্ব্ববর্ণ বয়োসত:।
জ্ঞানাজ্ঞানং কৃত: পাপংহকারো দহতি ক্ষণাৎ।
রে কারে রক্তবর্ণ স্যাৎ গোপালেন নিরূপিত:।
গুর্ব্বাঙ্গন কৃতং পাপং রে কারে দহতি ক্ষণাৎ।।
হ কারে হিঙ্গুলবর্ণ হয় সর্ব্বশ্রেষ্ঠ।
জ্ঞানে বা অজ্ঞানে যত পাপ করে নষ্ট।
রে কারেতে রক্তবর্ণ গোপাল নির্ণয়।
গুর্ব্বঙ্গনা উপগত পাপ হয় ক্ষয়।।

‘কৃষ্ণ’ নামের ফল
কৃ কার: কজ্জলাবর্ণ: সংহরেদুপপাতকম।
গতি: শক্তি রতি প্রেম কৃ কারাজ্জয়তে ক্ষণাৎ।।
ষ্ণ কারো লোহিত বর্ণ: নরকাদুদ্ধরেন্নম্।
তত্ত্বজন্মার্জিতং পাপং ষ্ণ কারো দহতি ক্ষণাৎ।।

কৃ কার কজ্জল বর্ণ উপপাতক নাশে।
গতি, শক্তি, রতিপ্রেম ইহাতেই আসে।।
ষ্ণ কার লোহিত বর্ণ নরক হইতে।
মানবে উদ্ধার করে পাপ জন্মাজ্জিতে।।

‘রাম’ নামের ফল
রা কারে গৌরবর্ণশ্চ বরশক্তির্ভবেদধ্রুবা।
রবি সোম সমোবর্ণ সমোবর্ণ স্তমোরাশিং দহেৎ ক্ষণাৎ।।
ম কারো জ্যোতিরূপশ্চ নির্জ্জস সদাস্থিত।
মিথ্যা বাক্যকৃতং পাপং ম কারো দহতি ক্ষণাৎ।।

রা কার বর্ণ হয় চন্দ্র সূর্য্য জ্যোতি।
অজ্ঞান তমনাশক বর শক্তি ধৃতি।।
ম কার স্বরূপ জ্যোতি কলঙ্ক রহিত।
নিত্য স্থায়ী হয় মিথ্যা পাপ বিনাশিত।।
এরূপ প্রত্যেক বর্ণে আছে শক্তিচয়।
এই বর্ণগুলি যবে সম্মিলিত হয়।।
ধরয়ে অসীম শক্তি মন্ত্র নাম তার।
ষোল বত্রিশ অক্ষর জগতে প্রচার।।

পাপ তাপ ভীত জীব শূন উপদেশ।
হরে কৃষ্ণ রাম নামে দূর কর ক্লেশ।।
কলিকালে তরিবারে হরিনাম ভজ।
গুরুপাশে লও শিক্ষা লয়ে পদরেজ।।
ভক্তিতে ভজতে পূর্ণ হবে প্রেমভক্তি।
ভক্তি বলে অবশ্যই হইবেক মুক্তি।।
শ্রীচরণ দাসে কয় ইহা মিথ্যা নয়।
ভক্তি যথা মুক্তি তথা শাস্ত্রে হেন কয়।।

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!