ভবের ঘাট

নিজেকে জানি কথা

আপন স্বরূপ

বাহিরের লোকেদের কাছে সে বলিতে লাগিল, তাহাকে তাহার দলের বাকি সাধুরা সকলে মিলিয়া তাহার উপর অত্যাচার ও মানসিক নির্যাতন চালাইতেছে! তাহাকে তাহার ঐরূপ অবস্থা হইতে উদ্ধার করিবার তাহাদিগের নিকট আবেদন নিবেদন করিতে লাগিল।

বিস্তারিত পড়ুন
মুক্তির প্রত্যাশা কথা

আনন্দ বচনামৃতম: দুই

আমি একবার বলেছিলুম, কোন সদ্‌বিপ্র যদি মনে করেন যে এখন বিশ্বে সদ্‌বিপ্র-সমাজের প্রতিষ্ঠা হয়েছে, এইবার আমরা ভাল করে ঘুমোব, তবে তাঁরা ভুল করবেন। কোন কালেই ভালভাবে ঘুমোবার অবকাশ তাঁরা পাবেন না।

বিস্তারিত পড়ুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কথা

ক্রিয়াযোগ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আবার কবিগুরুর প্রতি সান্যাল মহাশয়ের শ্রদ্ধার কোনও ঘাটতি ছিল না। কেবলমাত্র সান্যাল মহাশয় নন তাঁর প্রধান শিষ‍্য শ্রীযুক্ত জ্বালাপ্রসাদ তেওয়ারী মহাশয়ের সহিত কবিগুরুর ছিল অতি অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। তিনি নিয়মিত খোঁজ খবর রাখতেন শ্রীযুক্ত জ্বালাপ্রসাদ তেওয়ারী মহাশয়ের।

বিস্তারিত পড়ুন
মানুষের আসল অভাব কথা

অমৃত বাণী

বহুজনের হিত না হোক, যদি তার নিজের মঙ্গল হয়- তাহলেও ভালো। কিন্তু যে সব আচার, যে সব সংস্কার তাকে দিনে দিনে আরও বন্ধনে আবদ্ধ করে ফেলছে, সংকীর্ণ করে তুলেছে- তা সে কেন গ্রহণ করবে?

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী বিবেকানন্দ কথা

গুরু ও শিষ্য

চুপ করে বসে থাকেন মানুষটি। গঙ্গার ধারেই তাঁর ছোট একখানা ঘর। জানলা থেকে চোখ রাখলে সদাসলিলা নদীর বহমানতা দেখা যায়।

বিস্তারিত পড়ুন
আত্মজ্ঞান কথা

প্রব্রাজিকা বিবেকপ্রাণা

গন্তব্য যদি পরিষ্কার না হয়, তাহলে আমি এগোবে না। এই গন্তব্য কিন্তু স্থূল জগতের পারে। সমস্যাটা হচ্ছে যে আমরা মেনে নিতে পারি না যে আমরা স্থূল জগতের পারের এক অতীন্দ্রিয় অস্তিত্ব। আমাদের নিজেদের ভেতরে উঁকি মারা উচিত।

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রীকৃষ্ণ কথা

শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতার রূপরেখা

শ্রীকৃষ্ণ সম্বন্ধে আমরা যেটুকু দেখতে পাই, তাতে বুঝতে পারি যে তিনি একজন প্রজ্ঞাবান পুরুষ ছিলেন এবং তাঁর আশেপাশের সকলে তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করে লক্ষ্য স্থির করতেন। তাই অর্জুন যে তাঁকে পথপ্রদর্শন করতে অনুরোধ করবেন তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই। আমি অনেকবার বলেছি, কৃষ্ণ সবসময় অনাসক্ত থাকতেন; সবকিছুর গভীরে অবস্থান করেও নিজের মনকে তার থেকে […]

বিস্তারিত পড়ুন
নিজেকে জানো কথা

ঈশ্বরের মন

সুতরাং অহম, বাসনা ও প্রতিক্রিয়া- এই তিনটি জিনিসকে পরিশোধন করলে বা নিয়ন্ত্রণ করলে, মানবিক গুণগুলো অর্জিত হলে ও দোষগুলো বর্জিত হলে মানুষ পরিপূর্ণতা অর্জন করে। আর সেটাই কামালিয়াত বা দিব্য জীবন।

বিস্তারিত পড়ুন
রবীন্দ্রনাথা ঠাকুর কথা

রবীন্দ্রনাথের অধ্যাত্মচেতনা ও শ্রীরামকৃষ্ণ-প্রসঙ্গ

শক্তিসন্ধানী মানুষের পক্ষে উপরোক্ত বৈরাগ্যের চর্চা পরিহার করা সম্ভব নয়। কারণ, শান্তিলাভের বিকল্প অন্য কোনও পথ নেই বললেই চলে। উপরোক্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথ সঙ্কীর্ণ অর্থে বৈরাগ্যের চর্চা না করলেও তাঁর ঈশ্বরপ্রেম ও অনাসক্তি সাধনার মধ্য দিয়ে বৈরাগ্যের অন্তরঙ্গ সাধনা করেছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব কথা

অমিয়বাণী

ঠাকুরকে পেতে হলে হৃদয়টি সম্পূর্ণ পবিত্র করতে হবে। ভয় কি? ডুব দাও তাঁর নামে। ধ্যান-জপ, নিষ্কাম কর্ম দ্বারা মন ক্রমশ সূক্ষ্ম হয়। সেই সূক্ষ্ম মনের দ্বারা মনের যে বিচার, তাকেই বলে- ঊর্ধ্বরেতাত্মনাত্মানম্‌।

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!