ভবঘুরে কথা

সদাচার পদ্ধতিতত্ত্ব

চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

মলমূত্র ত্যাগ

গৃহ হইতে যতদূর সম্ভব দূরে যাইয়া মৌনভাবে (দিবাভাগে উত্তর মুখ কও রত্রিকালে দক্ষিণ মুখ) ইহয়া মলমূত্র ত্যাগ করিবে। যজ্ঞাসুত্রযারী অবশ্য যজ্ঞসূত্রকে দক্ষিণ কর্ণে (গঙ্গা আছে বলিয়া) রক্ষা করিবে। আত্ম ছায়ায়, তরু ছায়ায়, সূর্য, চন্দ্র, অগ্নি, মন্দির, গো, ব্রাহ্মণ, গুরু ও বায়ুর অভিমুখে, কর্ষিত ক্ষেত্রে, গোচারণ স্থানে, পথে, মনুষ্য সমাকুলস্থানে, নদীতে, জলমধ্যে, শ্মশানে, ভষ্মে, গর্তে এবং […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি

শয্যা ত্যাগ দীক্ষিত ব্যক্তি ব্রহ্মমুহূর্তে (সূর্যোদয়ের ৪ দণ্ড পূর্ব্বে), সাধারণ লোকে খুব ভোরে বিছানায় বসিয়াই- কৃষ্ণ কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, কৃষ্ণ, কৃষ্ণ, কৃষ্ণ হে। কৃষ্ণ কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, কৃষ্ণ, কৃষ্ণ, কৃষ্ণ হে। নদীয় রসে ভক্তবৃন্দ- গৌর গৌর, গৌর গৌর, গৌর, গৌর, গৌর হে। গৌর গৌর, গৌর গৌর, গৌর, গৌর, গৌর হে।। কীর্ত্তন করিয়া- সমুদ্রে মেখলে দেবী […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

ধাম পরিচিতি

চারি ধাম মথুরা, দ্বারকা, পুরী ও রামেশ্বর সেতুবন্ধ। এই চারি ধাম দর্শন ও পরিক্রমা শ্রীবৈষ্ণবগণের কর্ত্তব্য। একমাত্র কর্ত্তব্য স্মর্ত্তব্য: সততং বিষ্ণুবিস্মর্তব্যোন জাতুচিৎ। সর্ব্বোবিধি নিষেধ: স্যাদে তয়োরের কিঙ্কর।। (তথাহি পদ্মপুরাণে) কর সর্ব্বক্ষণ শ্রীবিষ্ণু স্মরণ। ক্ষণমাত্র তারে ভুলো না কখন।। এ বিধি নিষেধ সকলের রাজা। বিধি ও নিষেধ আর সব প্রজা।। [বৃহদ্ভক্তিতত্ত্বসার] …………………………………….. তত্ত্বরসামৃত জ্ঞানমঞ্জরী -শ্রীশ্রী চরণ […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর মত

আরাধ্য ভগবান ব্রজেশন্তনয়স্তদ্ধাম বৃন্দাবনং রম্যা কচিদুপাসনা ব্রজবধুবর্গেন যা কল্পিতা।। শাস্ত্রং ভাগবতং পুুরাণমলং প্রেমা পুমর্থো মহান। শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভোমত মিদং তত্রাদরো ন পর:।। ব্রজেন্দ্রনন্দন ভগবান শ্রীকৃষ্ণই আরাধ্য, শ্রীবৃন্দাবনই তাঁহার ধাম, ব্রজবধুবর্গের আচরিত মধুর ভাবে উপাসনাই তাঁহার উপাসনা, সাত্বিক পুরাণ শ্রীমদ্ভাগবতই তাঁহার শাস্ত্র। …………………………………….. তত্ত্বরসামৃত জ্ঞানমঞ্জরী -শ্রীশ্রী চরণ দাস

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

গীতা ও ভাগবত মাহাত্ম্যাদি

শ্রীমদ্ভাগবতগীতা মাহাত্ম্য স্বয়ং পদ্মনাভ শ্রীকৃষ্ণের মুখ-নি:সৃত গীতাপাঠ অবশ্য কর্ত্তব্য। গীতা সর্ব্বশাস্ত্রময়ী সর্ব্ববেদময়ী এবং সর্ব্বধর্ম্মময়ী, অতএব গীতাই অভ্যাস করিবে। গীতার শেষভাগে মাহাত্ম্য লিখা আছে, যিনি গীতার এক অধ্যায়, এক শ্লোক বা অর্দ্ধ শ্লোকও পাঠ করেন, তিনি-পাপমুক্ত হইয়া বিষ্ণুলোকে গমন করেন। শ্রীমদ্ভাগবত মাহাত্ম্য নদীর মধ্যে যেমন গঙ্গা শ্রেষ্ঠ, দেবতার মধ্যে যেমন বিষ্ণু শ্রেষ্ঠ, বিষ্ণুভক্তের মধ্যে যেমন মহাদেব […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

মালা জপবিধি

শুদ্ধাসনে পূর্ব্বাভিমুখে বসিয়া শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান করিবে। তৎপর শ্রীকৃষ্ণাদি চিন্তা করিতে করিতে মূলমন্ত্র বা হরিনাম সংখ্যা পূর্ব্বক জপ করিয়া সমর্পণ করিবে। সম্ভব হইলে দিবা ও রাত্রির মধ্যে সকল সময়েই হরিনাম জপ করা যায়। বিশেষত: প্রাতে, মধ্যাহ্নে আহারের পর ও রাত্রিতে অবশ্য হরিনাম জপ করিবে। মালা জপ আরম্ভে গোপীমণ্ডল মধ্যে শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ধ্যান কেহ বা প্রণাম মন্ত্র পাঠ […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

স্নান বিধি

গৃহী প্রাতে ও মধ্যাহ্নে দুইবার স্নান করিবে। যতি তিনবার স্নান করিবে ও ব্রহ্মচারী একবার স্নান করিবে। জলাশয়ে যাইয়া যে ব্যক্তি স্নান করিতে অক্ষম, তাহার পক্ষে গৃহস্নান করিতে হয়। অক্ষম পক্ষে ভিজা কাপড় বা ভিজা হাতে দেহ মার্জ্জনা করিলেও স্নান হয়। স্বগৃহে স্নান পূর্ব্বক হস্ত পদ মুখ ধৌত করিয়া প্রাণায়াম করত- নমো অপবিত্র: পবিত্রো বা সর্ব্বাবস্থাং […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

দন্তধাবন

ছয় গন্ডুষ জলে মুখ ধুইয়া পূর্ব্ব বা উত্তরমুখ হইয়া দ্বাদশ অঙ্গুলি পরিমিত সরলকাষ্ঠ মূলের দিক ধরিয়া-ৱ আয়ুর্ব্বলং যশোবর্চ্চ প্রজা: পমুসসূনি চ। ব্রহ্ম প্রজ্ঞাঞ্চ মেধাঞ্চ ত্বনো দেহি বনস্পতে।। এই মন্ত্রে দন্তকাষ্ঠ শোধন করিয়া অগ্রভাগ দ্বারা শান্ত ও মৌনভাবে দন্ত মাজন করিবে। (সাধারণ লোক নিজ রুচি অনুযায়ী ভালরূপে মাজনা করিবে) কেহ কেহ মাজন ব্যবহার করেন। দন্তধাবন না […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

ব্রত ও উপবাসাদি

শ্রীএকাদশী ব্রত যাবজ্জীবন একাদশীর উপবাস করিবে। হরিবাসরে সমাগত ব্রহ্মহত্যাদি সমস্ত পাতক অন্নে অধিষ্ঠিত হয়, এজন্য হরিবাসের অর্থাৎ একাদশীতে অন্ন বোজন করিলে ঐ সমস্ত পাতকই তাহার হয়। জল, মূল, ফল, দুগ্ধ , ঘৃত, ব্রাহ্মণ কামনা, গুরুবাক্য ও ঔষধ এই আটটিতে ব্রত নষ্ট হয় না। কিন্তু শয়নৈকাদশী, পাশ্বৈকাদর্শী ও উত্থানৈকাদশীতে নির্জ্জুল। বা কাষ্ঠ উপবাস করিতে হয়। অন্যান্য […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

চরণামৃত ধারণ ও ভোজন

চরণামৃত ধারণ শ্রীকৃষ্ণের চরণামৃত অগ্রে বৈষ্ণবদিগকে প্রদান করিয়া পরে প্রণামপূর্ব্বক পান করত: নিম্নলিখিত মন্ত্রে মস্তকে ধারণ করিবে। যথা- অকাল মৃত্যুহরণং সর্ব্বব্যাধি নিবাশনম্। বিষ্ণুপাদোদকং পীত্বা শিরসা ধারাযাম্যহম্। চরণামৃত ধারণে কোটি ব্রহ্মহত্যা পাপ বিনষ্ট হয়, কিন্তু উহা মাটিতে পড়িলে তাহার অষ্টগুণ পাপ হইবে। অনিবেদিত দ্রব্য ভোজন অন্ন, জল, ঔষধাদি যাহা কিছু নিজের আহারের জন্য গ্রহণ করা হইবে, […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!