সমাজ সংস্কারক

গুরুচাঁদ ঠাকুর পরিচিতি

শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: তিন

বাংলার বিভিন্ন জেলায় ঘুরে নানা ধরনের সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে বাংলার কৃষক সমাজকে জাগাতে চেয়েছিলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। তাঁর এই মহান কর্মযজ্ঞ দেখে বর্ণবাদী তৎকালীন কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতারা তাদের আন্দোলনে শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরকে আহ্বান জানান।

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর পরিচিতি

শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: দুই

হরিচাঁদ ঠাকুরের অসমাপ্ত কর্মযজ্ঞকে সফল করতে গুরুচাঁদ ঠাকুর জীবন নিবেদন করেন। শিক্ষাবিস্তার এবং অত্যাচারমূলক পুরোহিত প্রথাও ও ব্রাহ্মণদের অনুচিত প্রাধান্যের কবল থেকে মুক্তি করার উদ্দেশ্যে কাজ করে যান। বাংলার ঘুমন্ত জাতিগুলোর নিদ্রাভঙ্গ করে প্রবল উদ্দীপনাময় এক কর্মযজ্ঞর সূচনা করেন।

বিস্তারিত পড়ুন
গুরুচাঁদ ঠাকুর পরিচিতি

শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: এক

সেই কান্না পৌঁছেছিল গুরুচাঁদ ঠাকুরের অন্তরে। তিনি দেশময় ছুটে বেড়িয়েছিলেন বৈষম্যের এই ব্যথা বুকে নিয়ে। জানা যায়, ১৯৩১ সাল পর্যন্ত তিনি ১৮১২টি বিদ্যালয় স্থাপন করেন। পৃথিবীর ইতিহাসে তিনি একমাত্র, যিনি একজন ধর্মপ্রচারক হয়েও পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী সমাজ সংস্কারক ছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর পরিচিতি

‘গুরুচাঁদ’ ইতিহাসের অজানা অধ্যায়

সামাজিক স্তরে স্তরে যখন এই বৈষম্য বিরাজ করছিল তখন গুরুচাঁদ ঠাকুর উপলব্ধি করেছিলেন যে, এদের মুক্তির উপায় শিক্ষা। তাই তিনি তার অনুসারীদের অর্থাৎ তৎকালীন মতুয়াদের শিক্ষার ব্যাপারে উৎসাহিত করেন। একটা ব্যাপার এখানে লক্ষণীয় যে, তখনও কিছু কিছু পণ্ডিতী শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল।

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!