সাধুগুরু

যশোদা মাঈ পরিচিতি

বৈষ্ণব সাধিকা যশোদা মাঈ

এই সময়ে বারবার ভারতের কথা উদিত হত তাঁর মনে। ভারতের অধ্যাত্মসাধনার কথা, তার সাধু সন্ন্যাসীদের খুব বেশী করে ভাবতে থাকেন তিনি। তিনি স্থির করেন ভারতীয় অধ্যাত্মসাধনার পরিচর্যা গ্রহণ করার জন্য ভারতে গিয়ে বসবাস করবেন।

বিস্তারিত পড়ুন
মা আনন্দময়ী পরিচিতি

মা আনন্দময়ীর কথা

অনেকেই খেয়াল করে নির্মলা মাঝমধ্যে একা একা গাছপালার সঙ্গে কথা বলে। গাছপালার সাথে এমনভাবে অন্তরঙ্গতার সাথে কথা বলতো যে দেখে-শুনে সকলেই আশ্চর্য হয়ে যেত।

বিস্তারিত পড়ুন
আচার্য শঙ্করাচার্য পরিচিতি

আচার্য্য শঙ্করাচার্য: পাঁচ

এদিকে একদল রাজার সৈন্য খুঁজতে খুঁজতে সেই বনের মধ্যে সন্ন্যাসীদের আস্তানা দেখে সন্দিগ্ধ হয়ে পড়ল। তারা সন্ন্যাসীদের সন্দেহের চোখে দেখতে লাগল। একসময় তারা সন্ন্যাসীদের গতিবিধি লক্ষ্য করে গুহায় এসে দাঁড়ালো। শঙ্করের শিষ্যরা দল বেঁধে গুহাদ্বারে দাঁড়িয়ে বলল, এখানে কোন মৃতদেহ নেই, তারা সৈন্যদের ভিতরে ঢুকতে দেবে না।

বিস্তারিত পড়ুন
তিনকড়ি মিয়া পরিচিতি

যবন তিনকড়ির উপাখ্যান

গুরুচাঁদ ঠাকুর অন্তরে সব জানতে পেরে বললেন, ‘ওহ্ তিনকড়ি তুই নিজ হাতেই ‘হরি বোল’ বলে এটা খুলে হরিকে ভোগ দে।’ তিনকড়ি মিয়া হাঁড়ি খুলে দেখেন সেই গোমাংস সত্যি গরম বাতাসা হয়ে গেছে। তিনকড়ি মিয়া তখন নিজের ভুল বুঝতে পেরে গুরুচাঁদ ঠাকুরের পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির লালন শাহ্ কথামালা

মহাত্মা ফকির লালন সাঁইজি: তিন

আত্মজ্ঞানীই সত্যপীর বা সদগুরু। তাই একজন আত্মজ্ঞানীকে ভালোবাসলেই- তাঁকে অনুসরণ করলেই আত্মজ্ঞান লাভ করা সম্ভব। লালন সিরাজ সাঁইয়ের শিষ্যত্ব গ্রহণ করে আত্মতত্ত্ব জেনে প্রভুকে চেনার পথ খুঁজে নিয়েছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন
শ্রীশ্রী ঠাকুর সত্যানন্দদেব পরিচিতি

শ্রীশ্রী ঠাকুর সত্যানন্দদেব

কিন্তু শ্রীশ্রী ঠাকুর দিব্য সাধনায় উদ্বুদ্ধ করে সকলকে নিয়মিত ধ্যান, জপ, তপস্যাদি, পূজাপাঠের উপদেশ দিতেন এবং শেষদিন পর্যন্ত নিজে কঠিন তপস্যা ও নিয়ম পালন করেছেন। আবার এরই মাধ্যমে সমস্ত ভক্ত শিষ্য ও সাধু সন্ন্যাসীদের মধ্যে একটি আত্মীয়তার সম্পর্ক গঠিত হয়।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির লালন শাহ্ কথামালা

মহাত্মা ফকির লালন সাঁইজি: দুই

ইংরেজ কবি অ্যালেন্স গিন্সবার্গ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, বিদ্রোহী কবি নজরুল, পল্লী কবি জসীম উদ্দীনসহ অনেকের মধ্যেই ফকির লালন সাঁইজির ব্যাপক প্রভাব লক্ষণীয়। তিনিই বাঙালির অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির পুরোধা। গিন্সবার্গ ‘আফটার লালন’ নামে একটি কবিতাও লিখেছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির মনোরঞ্জন গোঁসাই পরিচিতি

ফকির মনোরঞ্জন গোঁসাই

পেশাগত জীবনে মনোরঞ্জন বসু ছিলেন একজন আয়ুর্বেদতাঙ্গ পণ্ডিত ও চিকিৎসক। ১৯৬৭ সালে তৎকালীন ‘বোর্ড অফ ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অফ পাকিস্তান’ তাকে চিকিৎসক হিসাবে রেজিঃস্ট্রেশান প্রদান করে এবং তিনি ওই বছর থেকেই ঝিনাইদহে কবিরাজি চিকিৎসা শুরু করেন।

বিস্তারিত পড়ুন
আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে কথামালা

মহাত্মা ফকির লালন সাঁইজি: এক

মানুষের দেহ যেন একটি খাঁচা, আর প্রাণরুপ পরমেশ্বর হলেন সে খাঁচার পাখি। দেহ খাঁচার ভিতরে প্রাণপাখি দিনে চব্বিশ হাজার ছয়শ বার আসা-যাওয়া করে। কিন্তু সে অচিন পাখিকে ধরা যায় না, চিনা যায় না। তবু পায়ে মনবেরি পরিয়ে চিরদিনের অচিন পাখিকে লালন আপন করতে চায়।

বিস্তারিত পড়ুন
আচার্য শঙ্করাচার্য পরিচিতি

আচার্য শঙ্করাচার্য: চার

এদিকে আচার্যের এই মানসিক অবস্থা দেখে দুশ্চিন্তায় পড়ল পদ্মপাদ ও অন্যান্য শিষ্যরা। তারা ভাবল, আচার্যের বয়স তখন ষোল পূর্ণ হতে চলেছে। তারা শুনেছিল আচার্যের আয়ু খুবই কম। তবে কি তাঁর দেহরক্ষার কাল সমাগত? একথা ভেবে সকলেই বিষন্ন ও ম্রিয়মাণ হয়ে পড়ল।

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!