স্বামী পরমানন্দের বাণী

স্বামী পরমানন্দ গুরুবাক্য

স্বামী পরমানন্দের বাণী: ছয়

‘কারুর দীর্ঘ জটা বা প্রলম্বিত দাড়ির অন্তরালে হয়ত একটা রাবণ রয়েছে, আর সাধারণ বস্ত্র এবং পঙ্গু দেহে কারুর হৃদয়ে হয়ত শ্রীরাম রয়েছেন। অতএব চেহারা বা পোশাকে কিছু যায় আসে না। ভগবান মন দেখেন। দেখ একসময় ব্রিটিশ অফিসারদের যা ইউনিফর্ম ছিল তা এখন ব্যান্ডপার্টির পোশাক হয়েছে।’ -স্বামী পরমানন্দ

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী পরমানন্দ গুরুবাক্য

স্বামী পরমানন্দের বাণী: পাঁচ

‘আবেগের আধিক্য যেন স্নায়বিক বিকারে পৌঁছে না দেয় মানবকে। কারণ স্নায়বিক বিকার একটি মানসিক রোগের লক্ষণ। যেটা মানবের চিত্তের বলিষ্ঠতা নষ্ট করে এবং যার ফলে অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি পেয়ে মননশক্তি ও বিচার শক্তি ক্ষুন্ন হয়।’ -স্বামী পরমানন্দ

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী পরমানন্দ গুরুবাক্য

স্বামী পরমানন্দের বাণী: চার

‘যার চরিত্র নাই, তার কিছুই নাই। সমস্ত শক্তির বুনিয়াদ হল চরিত্র। মানব ব্যক্তিত্বের এটাই চাবিকাঠি। চরিত্রকে কেন্দ্র করে মানবের সমস্ত সৎগুণ বিকশিত হয়ে ওঠে।’ -স্বামী পরমানন্দ

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী পরমানন্দ গুরুবাক্য

স্বামী পরমানন্দের বাণী: তিন

‘কেউ যদি কোথাও কখনো মানুষের মঙ্গলের জন্য কোনো কাজ করে থাকে, তাহলে সে ঈশ্বরের কাছ থেকে নিরাপত্তা এবং সাহায্য পায়।’ -স্বামী পরমানন্দ

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী পরমানন্দ গুরুবাক্য

স্বামী পরমানন্দের বাণী: দুই

‘কোন বোধি ব্যক্তির সন্ধান পেলে তাঁর সামনে কৃতাঞ্জলিপুটে অধ্যাত্ম জিজ্ঞাসার দ্বারা অজ্ঞান অন্ধকার দূর কর।’ -স্বাশী পরমানন্দ

বিস্তারিত পড়ুন
স্বামী পরমানন্দ গুরুবাক্য

স্বামী পরমানন্দের বাণী: এক

‘সাধুসঙ্গে বিবেক জাগে। সংসারে থেকে তাই সাধুসঙ্গ, সৎসঙ্গ করতে হয়।’ -স্বামী পরমানন্দ

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!