বুড়িমার সাধুসঙ্গে পাককোলা আনন্দধাম

‘বুড়িমার সাধুসঙ্গে’

-মূর্শেদূল মেরাজ

তারপরও কতরকম ভাবনাই তো ভাবনার জালে ধরা দেয়। এই যেমন এখন ভবনাতে নতুন প্রশ্ন দানা বাঁধতে শুরু করেছে। শাখা-প্রশাখা যুক্ত প্রশ্নটা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। ভাবনার সকল বিন্দু বিসর্গ গ্রাস করে নিয়েছে। প্রশ্নটা এমন রূপ নিয়েছে যে, আর কিছু ভাবতেই পারছি না। প্রশ্নটা ফিরে ফিরে আসছে-

“যে প্রেমের কথা হলোই না বলা; তা কি পৌঁছাবে? তা কি সেই চরণের দেখা পাবে আদৌ?”

বস্তুবাদের দৃষ্টিতে এসব প্রশ্ন কেবলই ছেলেখেলা মনভোলানো কল্পকাহিনী। কিন্তু ভাববাদের দৃষ্টিতে বিষয়টা ভাববার বিষয় তো বটেই। যদিও আমি নিজে বস্তুবাদী নাকি ভাববাদি ভাবনায় ডুবে আনন্দ পাই সেটা বলা শক্ত। লোকে বলে আমি সংশয়বাদী।

এতোক্ষণে আমরা চব্বিশ ঘণ্টার সাধুসঙ্গ পুণ্যসেবা নেয়ার মধ্য দিয়ে শেষ করেছি। এখন বিদায় নেয়ার পালা। লালন ঘরে শরিয়তি পন্থার যে বিষয়গুলো চেপে বসেছে তার মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে এখন এই চল্লিশা প্রথা। যার সাথে সরাসরি লালন মত-পথ-বোধের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

কোথাও নাকি সিদ্ধান্তে আসতে পারি না। সকল দ্বার উন্মুক্ত করে রাখি বা রাখতে চাই। সেটা নাকি আদৌতে কোনো ফলাফল দেয় না। তবে আমার তা মনে হয় না। বরং আমার মনে হয়, চিন্তার দুয়ার খোলা রাখলেই বরং ভাবনার গভীরতায় প্রবেশ করা যায়। কূপজল হতে হয় না।

আমি সমস্ত মত-পথে ভালো বা শুদ্ধ(আমার দৃষ্টি-জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেচনায়) বিষয়গুলো শুনতে বুঝতে-জানতে চিন্তনে-মননে-স্মরণে নিতে ভালো পাই। একটা মত গ্রহণ করে তাকে আকড়ে থাকার জন্য তর্কের পাহাড় ঠেলাই তো সম্ভবত কট্টরতাবাদী। তাই না? তাই তো!

তাতে চিন্তা-চেতনা-বোধ কোনো কিছুরই অগ্রগতি হওয়ার চূড়ান্ত পথ থাকে না। সব কিছুই স্থির হয়ে যায় বলেই আমার ধরণা। আমি ফকির লালন সাঁইজি যতটা বুঝি বা বুঝবার চেষ্টা করি। তাতে এমন ভাবনাই আমাকে ভাবায়, তাঁরই ধারায়।

আমি যার সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে আছি। তার সমাধিতে ভক্তরা সাধুসঙ্গ শেষে বিদায়ী ভক্তি দিচ্ছে। মা দেহ রেখেছে। অবোধ সন্তান আর কি করতে পারে। সন্তানরা অঝোরে কাঁদছে। কেঁদেই চলেছে। কারো কারো চোখে জল। কারো কারো মনে। কেউ কেউ উদাস। আর কেউ কেউ হাউমাউ করে কাঁদছে।

সিরিয়ালে আমিও ঠায় দাঁড়িয়ে আছি। মন ভরা জল টলমল করছে। চোখ বেয়ে কখন সে জল গড়াতে শুরু করেছে সে বুঝতে পাড়িনি। ঠিক সেই সময় আরো ভাবছিলাম- জীবদ্দশায় যাকে নতশিরে ভক্তি দিতে পারলাম না। বা হয়ে উঠলো না। দেহ রাখবার পর বিষয়টা কত সহজ হয়ে গেলো- কত স্বাভাবিক হয়ে গেলো!!

আর যেন কোনো বাধা নেই। নেই কোনো দ্বিধা-সংশয়। ততক্ষণে আমি জেনে গেছি আজ আমি নতশিরে ঠিক ঠিকই ভক্তি দিতে পারবো। কোনো সংস্কার আজ আমাকে আর আটকাতে পারবে না। বা আটকাবে না। হিসেবের অংশ বলে আজ বুড়ি ফকিরানী চলে যাবার চল্লিশ দিন পার করে এক চল্লিশ দিন হতে চলেছে।

এতোক্ষণে আমরা চব্বিশ ঘণ্টার সাধুসঙ্গ পুণ্যসেবা নেয়ার মধ্য দিয়ে শেষ করেছি। এখন বিদায় নেয়ার পালা। লালন ঘরে শরিয়তি পন্থার যে বিষয়গুলো চেপে বসেছে তার মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে এখন এই চল্লিশা প্রথা। যার সাথে সরাসরি লালন মত-পথ-বোধের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

এ নিয়ে আমারো ক্ষোভ আছে। কিন্তু সে সবকিছু ছাপিয়ে বুড়িমায়ের বিরোহ-বিচ্ছেদ বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে আমার কাছে। আমি ভক্তি দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি। তক্ষুণী আমাকে পাশ কাটিয়ে মায়ের এক ভক্ত ভক্তিতে নত হলো- অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হচ্ছে।

তাই এসব কি আদৌ আমার!!! এমন প্রশ্ন তো জাগা স্বাভাবিকই এই ভাবনার কালে। তাই না? যা কিছু আমার হলোই না, তা নিয়েই আমার নিত্য বসবাস। দেহ-ইন্দ্রিয়-মন-বুদ্ধি-বোধ-বিবেক-বিবেচনা কিছুই আমার অধীন নয় অথচ অহং আমাকে বলছে এ সবই নাকি আমার? আজব!!!

আমি ভাবছি। আচ্ছা আসলেই কি আমাদের মা-ছেলে সম্পর্ক ছিল? নাহ্ কোন দিন তো তেমনটা টের পাইনি। কিন্তু চলে যাওয়ার পর কেন তিনি মা হয়ে উঠছেন? এই ভেদ আমার জানা নেই। জানা সম্ভবও নয়। জানতে গেলেই বরং উল্টা-পাল্টা লেগে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আমার বোধের জায়গাটাই হয়তো এমন। না হারালে চিনতে পারি না। তবে এ কথাও সত্য, প্রাপ্তিতে আমি কোনো কিছুই প্রকাশ করতে পারি না। আরো পরিস্কার করে বলতে গেলে বলতে হয়- ‘প্রকাশ করতেও চাই না’। হয়তো আমি জানাতেই চাই না যে, তাকে ভালোবাসি।

ভালোবাসার কথা বলে ফেললেই সম্পর্ক সৃষ্টি হবে। আর সম্পর্ক সৃষ্টি হলেই যে জলে ডুবতে হবে। সেই জলের জালে আবিষ্ট হতে আমি তেমন সুখ পাই। অবশ্য একে জয় করাতেও আমার তেমন আগ্রহ নেই। আমি কেবল দ্রষ্টা রূপে দেখে যেতে চাই দূর থেকে। তাতেই আমার সুখ।

যদিও সাধুগুরুরা যে দ্রষ্টা রূপের কথা বলে তা আমি অর্জন করতে পারিনি। পরার কথাও না আমার পক্ষে। আমি কেবল দেখে যেতে শিখিনি। দেখতে গিয়ে আমি আমার সংস্কার – আমার আবেগে ডুবে যাই। ডুবে হাপুরহুপুর ডুব পারি। এমন সব ভাবতে গেলে আমার ভাবনারা একমুখি হতে চায় না। কেন্দ্রীভূতও হতে চায় না।

ভাবনারা তার শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে আমাকে আরো অধিক ভাবনায় ডুবায়। তাই আমার ভাবনাই আমাকে আমার নিজের ভাবনার কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। নতুন করে প্রশ্ন জাগে। আমি যা ভাবি তাই কি আমি ভাবতে চাই? নাকি আমার ভাবনাই আমাকে ভাবায়?

আমার মন যেমন আমার কথা শোনে না। শুনতে চায় না। আমার ইন্দ্রিয়-রিপুয়াদি যেমন আমার কথা শোনে না। শুনতে চায় না। তেমনই আচরণ করে আমার ভাব-ভাবনা। আমার ভাবের ভুবন চলে তার নিজ আচরণে। কোনো কিছুই যেন আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।

তাই এসব কি আদৌ আমার!!! এমন প্রশ্ন তো জাগা স্বাভাবিকই এই ভাবনার কালে। তাই না? যা কিছু আমার হলোই না, তা নিয়েই আমার নিত্য বসবাস। দেহ-ইন্দ্রিয়-মন-বুদ্ধি-বোধ-বিবেক-বিবেচনা কিছুই আমার অধীন নয় অথচ অহং আমাকে বলছে এ সবই নাকি আমার? আজব!!!

অবশেষে আমি ও আমার অহং নতশিরে ভক্তিতে যখন ডুবেছি। তখনই সেই খেয়াল- আমি কি আমার ভালোবাসার কথা-হারানোর বেদনার কথা তার কাছে পৌঁছাতে পেরেছি? পারছি বা পারবো? এভাবে কি প্রেম ভালোবাসা-ভক্তি পৌঁছানো যায়?

দেহ যদি হয় আত্মা বা রূহের উপস্থিতিতে। তবে দেহ খোলস ত্যাগ করলে সেই আত্মা বা রূহ কোথায় যায়? তার সন্ধান কে জানে? সে কি দেহের অংশ নয়! নাকি হাড়-মাংস-চামড়াই কেবল দেহ? ‘আত্মা’ তত্ত্ব মানা না মানা নিয়ে সংশয় থাকতেই পারে।

আমি আমার প্রেমের কথা… ভক্তির কথা… অনুরাগের কথা… এভাবেই পৌছাতে চাই। তবে কি এই বিলাপ-এই আলাপ কি কখনো পৌঁছাবে না? যার পদপাশে ভক্তিতে অবনত।

আমার বাক্য সহজ এবং একটাই। আমি মুখ ফুঁটে কিছুই বলবো নাকো। যদি তুমি সাধু হও। তবে বুঝে নাও কি বলতে চাই। কি ভাব আমার। রশিক তুমি, কেবল রস চুরি করলে হবে না কো। আগে আমার ভাব লও বুঝে। তবেই না তোমাতে মজবো। নইলে যে গো সাঁই ডুবতে পারি না সেই চরণে।

ভাব ভাবনা যাই হোক না কেনো, ‘জিন্দামরা’রে আর বুঝতে পারলাম কই? তাই হয়তো ‘মরাজিন্দা’রে বুঝি কিনা সেই চেষ্টায় পথ চলা। পাইলাম না দেখা জিন্দামরায় সেই প্রেম; তাই হয়তো ঘুরিফিরি মরাজিন্দার দেশে। যদিও দেহতত্ত্বে বলে, যা কিছু সবই দেহে। দেহ নাই তো কিছু নাই। তবে এখানে ছোট্ট একটা বিষয় থেকে যায়।

দেহ মানে কি? দেহ কি কেবলই দৃশ্যমান হাড়-মাংস-চামড়া? নাকি আরো বেশি কিছু? যেমন ‘চরণ’-এর সাধারণ অর্থ পদ, পাদ; কবিতাদির পাদ বা পঙতি ইত্যাদি। কিন্তু সাধক যখন চরণ শব্দ ব্যবহার করে। তখন কি এই অর্থ প্রকাশ পায় আদৌ?

আবার যে অর্থ সাধক ব্যবহার করে তা কি সর্বক্ষেত্রে একই থাকে? তাও কিন্তু নয়। কোনো ভাবের ভুবনে আর কোন দেশের পদে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার এর সাথে কোন শব্দ যুক্ত হয়েছে তাতেও নির্ভর করে তার অর্থ কি দাঁড়াবে?

ভাববাদে মূলত কোনো শব্দের অর্থই স্থির নয়। প্রচলিত-প্রকাশিত অভিধান মুখস্থ-কণ্ঠস্থ করলেই সাধকের ভাষা বুঝে ফেলা সহজ হয় না। সাধক তার শব্দের মাঝে সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডকে লুকিয়ে রাখার সাহস রাখে। তাই দেহ বলতেই যার মধ্যে আত্মা বিরাজমান শুধু কি তাই?

দেহ যদি হয় আত্মা বা রূহের উপস্থিতিতে। তবে দেহ খোলস ত্যাগ করলে সেই আত্মা বা রূহ কোথায় যায়? তার সন্ধান কে জানে? সে কি দেহের অংশ নয়! নাকি হাড়-মাংস-চামড়াই কেবল দেহ? ‘আত্মা’ তত্ত্ব মানা না মানা নিয়ে সংশয় থাকতেই পারে।

ভক্তি দিতে গিয়ে আমার ভাবনাটা অনেকটা এমন হলো যে, আমি কি প্রত্যাশা করি আপনি তা বুঝে নেন। আমি আমার দ্বার উন্মুক্ত করলাম। চাইলে আপনি প্রবেশ করে আমাকে পড়ে নিতে পারেন। আপনি প্রবেশ করুন। পথ উন্মুক্ত। দুয়ার খোলা।

তবে আত্মা যে অবিনশ্বর বেশিভাগ মানুষই মানে। আর এমনটা মেনে বা মনে নেয়া হয় তাহলে, যা অবিনশ্বর তা দেহত্যাগ করলেই সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে এমনটা ভাববার কারণ নাও থাকতে পারে। আর যদি যোগাযোগের পথ থেকেই যায় তবে তাতে প্রবেশে বাধা কোথায়?

আর সেই পথে প্রবেশ করতে চাওয়া সীমা থেকে অসীমে বা অসীম থেকে সীমার প্রবেশ। হয়তো এটি অনেক বেশি ঘুরপথ বা ভুল পথ। তারপরও পথ তো! তাই কেউ না কেউ তো সেই পথে হাঁটা দিবেই। আর যে পথে প্রতিবন্ধকতা বেশি সেই পথেই মানুষের আগ্রহ বেশি।

আমি হয়তো সেই কানাপথেরই যাত্রী আপাতত। তারপরও আমি নিজের বুঝ নিজেই বুঝতে চাই। অন্যের শোনা কথায় মোহিত হয়ে চিলে কান নিয়েছে বলে দৌড়ে বেড়াতে চাই না। নিজের বিশ্বাস বা ভক্তিকে নিজের মতো করে বুঝে নিতে চাই প্রতিনিয়ত নিজেকে সংস্কারের মধ্য দিয়ে।

এবার ফিরতে হবে বিদায় ভক্তির সময় এগিয়ে এসেছে। আমরা যে কয়জন বেড়িয়ে আসবো তারা পরপর দাঁড়িয়েছি সাধুসঙ্গের প্রধান সাধুর সম্মুখে। একে একে ভক্তিপর্ব চলছে। বিদায়ের বিচ্ছেদ যাতনায় আমাদেরও মন ভেজা। সাধুরও চোখ ভেজা।

আমার সম্মুখে যিনি আগে ভক্তিতে অবনত তিনি সেই সাধুগুরুর দীক্ষাধারী ভক্ত। আমি বিদায় বিচ্ছেদ ভক্তির মাঝেও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবছি সাধু কি অন্যান্যদের মতো আমাকেও মাথায় হাত রেখে আর্শিবাদ করবেন? নাকি নতশিরে এই যাত্রাকেও ভক্তি দিয়ে উঠতে না পারায় সাধু মাথায় হাত দেবেন না?

সত্যি বলছি ভীষণ ইচ্ছে করছিল সাধু আমার মাথায় হাত রাখুক একটিবার। তবে তার সাথে সাথে মনে মনে বেজায় সন্দেহ ছিল সাধু হয়তো তার চিরায়ত খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসতে পারবেন না। সাধু কি আমার মনের ভাব-ভাবের ভুবনে প্রবেশ করতে পারবে? বা চাইবে?

ভক্তি দিতে গিয়ে আমার ভাবনাটা অনেকটা এমন হলো যে, আমি কি প্রত্যাশা করি আপনি তা বুঝে নেন। আমি আমার দ্বার উন্মুক্ত করলাম। চাইলে আপনি প্রবেশ করে আমাকে পড়ে নিতে পারেন। আপনি প্রবেশ করুন। পথ উন্মুক্ত। দুয়ার খোলা।

(চলবে…)

<<গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব দুই  ।। গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব চার>>

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- voboghurekotha@gmail.com
……………………………….

………………………….
আরও পড়ুন-
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব এক
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব দুই
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব তিন
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব চার
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব পাঁচ
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব ছয়
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব সাত
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব আট
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব নয়
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব দশ
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব এগারো
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব বারো
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব তেরো
গাবতলী টু গুলিস্তান ৬০০ কিলোমিটার : পর্ব চোদ্দ

………………………..
আরও পড়ুন-
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব এক
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব দুই
মনোমোহনের পথে : প্রথম কিস্তি
মনোমোহনের পথে : দ্বিতীয় কিস্তি
মনোমোহনের পথে : তৃতীয় কিস্তি
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি এক
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি দুই
শাহান শাহ্’র দরবারে : পর্ব এক
শাহান শাহ্’র দরবারে – পর্ব দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : এক
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- এক
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- দুই
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : চার
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- এক
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- এক
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- দুই
টকিমোল্লায় গানে আসর
ফর্সা হাজীতে আরেক দফা
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-এক
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-তিন
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-চার
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-পাঁচ

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

error: Content is protected !!