শ্রীকৃষ্ণ গোপাল কালা

মেরে তো গিরিধর গোপাল, দূসরো না কোঈ

জীব মানবদেহ লাভ করে ভগবানের কৃপায় এবং শুধুমাত্র ভগবানকে প্রাপ্তির জন্যই সে সেটি পায়। এইজন্য সব কর্ম ছেড়ে জীবের উচিত ভগবদ্-পরায়ণ হওয়া। যার অনেক বয়স হয়ে গেছে, তার তো ভগবন্নিষ্ঠ হওয়া উচিতই, কিন্তু যারা অল্পবয়স্ক তাদেরও উচিত পবিত্র হৃদয়ে ভগবানের শরণ নেওয়া। জাগতিক সব কাজ করে দাও কিন্তু অন্তরে প্রকৃত ধ্যেয়, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য রাখতে হবে পরমাত্মা প্রাপ্তিরই।

বস্তুত অস্তিত্ব আছে একমাত্র পরমাত্মারই। জাগতিক ব্যাপারে আমরা যা লক্ষ্য করি তা ক্ষয়িত হচ্ছে সর্বদাই। নিজেদের দিকে তাকালে দেখা যায় জীব যখন মাতৃগর্ভ থেকে জন্ম নেয়, সে সময় তার শরীরটি কীরূপ থাকে এবং পরবর্তীকালে তার চেহারাটি কেমন হয়!

জগৎ সর্বদাই পরিবর্তিত হচ্ছে আর পরমাত্মা হলেন চিরস্থায়ী। জগতের স্থায়িত্ব নেই আদৌ, কিন্তু পরমাত্মার নেই কোনোরকম পরিবর্তন। এই পরমাত্মা আমার, আমি পরমাত্মার, এই বোধে দৃঢ়তা চাই। একটি শিশু যখন বলে, ‘এই আমার মা’।

তাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় ‘মা তোমার কেন?’ সে তার উত্তর দিতে পারবে না। বস্তুত তার মনে তো এই নিয়ে কোন প্রশ্নই ওঠেনি যে, মা কেন তার। ‘মা আমার’ এটি তো নিশ্চিত ব্যাপার, এ নিয়ে তার মনে তাই কোনো সংশয়ই নেই।

এই রকমই, আমাদেরও উচিত কোন রূপ সংশয় না রাখা এবং এই কথা দৃঢ়ভাবে মেনে নেওয়া যে, ‘ভগবান আমার’। ভগবান ব্যতীত কেউই আমার নয়, কারণ বাকি সবই নশ্বর। যেসব বিষয়ে মানুষ অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করে সেই অর্থ, জমি, গৃহ ইত্যাদি সব বিনাশশীল।

এই গুলির কথা স্মৃতিতে পর্যন্ত টিকে থাকে না। যদি সবই স্মৃতিতে থাকতো তাহলে তো জীবমাত্রেই তার পূর্বজন্মের কথা বলতে পারত! সে বলতে পারত তার গত জন্মের মাতা-পিতার পরিচয়।

বলতে পারত আত্মীয় স্বজনের কথা, গৃহের কথা। কিন্তু পূর্বজন্মের কথা জীবের স্মরণে থাকে না, তেমনিই এই জন্মের বিবরণও তার স্মরণে থাকবে না। যা স্মরণে পর্যন্ত থাকবে না, সেই ব্যাপার নিয়ে জীব কেন অকারণে উদ্বেলিত হবে?

এটি সকল জীবেরই অনুভবের কথা যে, প্রকৃতপক্ষে কেউই তার নয়। অন্যান্যদের সঙ্গে সংসারে মিলন যেমন হচ্ছে তেমনিই বিচ্ছেদও অবশ্যম্ভাবী। এই কারণে ‘মেরে তো গিরিধর গোপাল, দূসরো না কোঈ’ এই ভাব অবলম্বন করে মগ্ন হয়ে যেতে হয়।

জাগতিক কাজে যদি তাতে গোলমাল হয়ে যায় তো হোক না, ওই সব কাজে তো গোলমাল আছেই। আপাত ভাবে ওই কাজে সব ঠিকঠাক থাকলেও কোনো না কোনোভাবে গোলমাল এসেই পড়ে। সুতরাং তা নিয়ে চিন্তার প্রয়োজন নেই।

প্রথম দিকে কিছু কিছু অসুবিধা হতে পারে বটে, কিন্তু পরে সব ঠিক হয়ে যাবে। জগতের সব হারিয়ে গেলেও কিছু যাবে-আসবে না, আমি আর ভগবান- এই দুই ছাড়া তো আর কিছুই নেই-ই। ‘আমি শুধুমাত্র ভগবানের এবং শুধুমাত্র ভগবানই আমার’ -এই ভাব ছাড়া আর কোন দিকে নজরের বা বিচার-বিবেচনার প্রয়োজনই নেই।

এক পরমাত্মাই সর্বত্র পরিপূর্ণভাবে অবস্থিত। উনি ছাড়া আর কিছু নেই-ই, কেউ হয়ওনি, হবেও না, হতেও পারে না। এই পরমাত্মায়ই আমার -এই বোধসহ জীবের মগ্ন তথা প্রসন্ন হয়ে যাওয়া উচিত। ভগবান ভালো বা মন্দ -এ বিচারেরও প্রয়োজন নেই।

চিত্রকূট যাবার কালে ভরত যখন মা কৈকেয়ীর কথা ভাবছিলেন তখন তার চলার গতি কমে আসছিল আবার যখন নিজের দিকে দেখছিলেন তখন দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন, কিন্তু যখন রঘুনাথের দিকে তাকান তখন তীব্র গতিতে ছুটছিলেন।

এইরকমই জীবের উচিত নিজের ক্রিয়ার দিকে না দেখা, নিজের পাপের দিকে না দেখা, শুধুমাত্র ভগবানের দিকে দেখা। বিদুরের স্ত্রী ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে কলার খোসা খেতে দেওয়ায় তিনি সেটিই খেয়ে নিয়েছিলেন। ওই খাওয়ায় ভগবান যে তৃপ্তি পেয়েছিলেন অমন তৃপ্তি তিনি কলাটি খেলে পেতেন না।

কারণ বিদুরাণীর অন্তরে ছিল ভগবানের প্রতি একান্ত আপন ভাব। শিশুসন্তানকে ক্ষুধার্ত দেখলে তার মা যে ভাব নিয়ে তাকে খাওয়ান, তার থেকেও গভীর ভাব ছিল বিদুরাণীর মধ্যে। এইরকম ভাবেই ভগবানকে আপন করে নিতে হয়। সেজন্য বাঁচা মরার তোয়াক্কাও করতে নেই।

কাউকে ভয় করতে নেই। কাউকে খোশামোদ করারও দরকার নেই। শুধুমাত্র একটি ভাবই ধরে রাখা প্রয়োজন যে, ‘মেরে তো গিরিধর গোপাল, দুসরো ন কোঈ’’।

যদি এইটি কারোর ধারণা হয়ে যায় তো সে কৃতার্থ হয়ে যাবে। কিন্তু অনেক অর্থ রোজগার করলে বা বিলাসী শৌখিনতায় থাকলে কিংবা খুব নাম-যশ হলেও সে সব কোন কাজেই লাগবে না।

আজ এখনই ভগবানের হয়ে যেতে হবে। অন্য কে কোথায় কী করছে ভগবান জানেন, আমার কোন প্রয়োজন নেই। সমগ্র জগৎ যদি বিরুদ্ধে যায়, তাতেও পরোয়া করি না, কিন্তু ভগবান আমার -এই ভাবটি কিছুতেই ছাড়তে পারা যাবে না।

মীরাবাঈ যখন দেখলেন যে তাঁর পক্ষে ভগবানের থেকে দূরে থাকা আর সম্ভব নয়- ‘মিল বিছুড়ন মত কীজৈ’ তখন তাঁর পার্থিব শরীর পর্যন্ত আলাদা থাকেনি, ভগবানের সঙ্গে মিশে গেছিল। একমাত্র ভগবান ব্যতীত কোন কিছুর প্রতিই তাঁর লক্ষ্য ছিল না।

‘অন্তিমকালে সবই তোমাকে ত্যাগ করে যাবে। তোমার কোন কিছুই থাকবে না, তাহলে আগে থেকেই সেগুলিকে ত্যাগ করো।’

পরে তো সবই বেঁকে বসবে, তাহলে নিজের কাজও নষ্ট হলো আর হাতেও কিছু ঠেকলো না, এতে কী লাভ? অতএব এখনই ভগবানের প্রতি শরণাগত হয়ে যাওয়া ভালো। তুমি তোমার, আমি আমার। আমার কেউ নেই। আমিও কারোর নয়, শুধুমাত্র ভগবানই আমার এবং আমি ভগবানের।

এইভাব নিয়ে ভগবানের চরণে শরণ নিয়ে মত্ত হয়ে যেতে হয়। কে খুশি হলো, কে অখুশি হলো, কে আপন, কে পর, এসব ভাবারই দরকার নেই। কেউ নিন্দা করল, না প্রশংসা করল, তিরস্কার করল, না পুরস্কার দিল সে তাদের মর্জি।

আমার নিন্দা-প্রশংসা, তিরস্কার-পুরস্কার এসবের কোন কিছু নিয়েই আগ্রহ নেই। সবাই খুশি হলেই বা আমার কী আবার বিরোধিতা করলেই বা আমার কী?

শুধুমাত্র ভগবান আমার -এর থেকে বড় কথা আর কিছুই নেই, তা সে যজ্ঞ, তপস্যা, দান, তীর্থ, বিদ্যা ইত্যাদি যাই হোক না কেন! এই জন্য ভগবানকেই একমাত্র আপন বলে মেনে নিয়ে সর্বদা প্রসন্ন থাকা উচিত। তখন আর না থাকবে জীবনধারণের ইচ্ছা, না মরণের ইচ্ছা, না জ্ঞান লাভের ইচ্ছা, না স্বাচ্ছন্দ্যের ইচ্ছা।

তখন থাকবে শুধুমাত্র এইভাবের তন্ময়তা- ‘এক ভগবান ছাড়া আমরা আর কেউ নেই-ই’। এই ব্রহ্মাণ্ডে সামান্যতম বস্তু পর্যন্ত আমার নিজের নয়। আমার কিছু নেই-ই, কিছু ছিলও না, হবেও না, আমার নিজের বলে কিছু হতেও পারে না।

এই কারণে একমাত্র ভগবানকেই আপন বলে স্বীকার করে নিলেই উদ্ধার হয়ে যাবে। ভগবান ব্যতীত অন্য কোন কিছুকে স্বপ্নে পর্যন্ত নিজের বলে ভাবতে নেই! কারোর দাসত্বও করার প্রয়োজন নেই। অন্য কোন কিছুর সঙ্গে আমার কিসের লেন-দেন? আমার যারা কুটুম্ব, তাদের সঙ্গে আমার সম্বন্ধ কতো দিনের?

‘সপনা-সা হো জাবসী, সুত কুটুম্ব ধন ধাম’ স্বপ্ন তো তবু স্মরণে থাকে, এদের কথা তো স্মরণেও থাকবে না। অপছন্দের স্বপ্নকে যেমন আমরা ভুলে যাই, সেই রকমই সংসারকেও যদি আমরা অপছন্দ করি, তাকে ভুলে যাব।

সংসারে এই ব্যক্তি ঠিক বা ওই ব্যক্তি বেঠিক, এইরকম হলে ভালো, বা ওই রকম হলে ভালো নয়- সবই হলো মোহের ভাব। সকল ব্যাধির মূল হলো এই মোহ। ঠিক বা বেঠিক যাই হোক আমার কী যায়-আসে।

অন্যেরাই আমাকে গরজ করবে, আমার কার কাছে কীসের গরজ? সংসারের লোকজনের সঙ্গে আমার কীসের প্রয়োজন? শুধুমাত্র একটি কথাই স্মরণে রাখা প্রয়োজন- ‘মেরে তো গিরিধর গোপাল, দূসরো ন কোঈ’।

তৃষ্ণা হলে জলপান করো, ক্ষুধা হলে অন্নভোজন করো, ঠাণ্ডা লাগলে উষ্ণ বস্ত্র পরিধান করো, যদি এসব না পাওয়া যায় তো তাই সহ্য করো। শরীর রইল কী গেল একই কথা, তা নিয়ে কোন ভাবনা নেই। না শরীর থাকা নিয়ে চিন্তা, না শরীর যাওয়া (মরা) নিয়ে চিন্তা।

আমার চিন্তা শুধু ভগবানকে নিয়েই। শুধুমাত্র ভগবানই আমার, আমি ভগবানের -এইরকম ভাবনা করে নিশ্চিন্ত হয়ে যেতে হয়, স্ফূর্তিতে থাকতে হয়। আহা! এবার আপন-জনকে জানতে পারলাম! আর চিন্তা নেই। আর আমি কারোর দাসত্ব করবো না- ঊর্ধ্বে-নিম্নে, বাইরে-ভেতরে সর্বত্র পরমাত্মা বিরাজমান।

এই পরমাত্মা নিকটের থেকেও নিকটে, দূরের থেকেও দূরে, বাইরের থেকেও বাইরে এবং ভেতরের থেকেও ভেতরে বিদ্যমান। একমাত্র পরমাত্মাই আছেন এবং তিনিই নিজের- এইরকম ধারণা করে নিশ্চিন্ত, প্রসন্ন থাকতে হয়। যে আসে সেও পরমাত্মা, যে যায় সেও পরমাত্মা।

যে ভালোবাসে সে পরমাত্মা, যে শত্রুতা করে সেও পরমাত্মা। যে যাই করুক সে পরমাত্মাই। সেই পরমাত্মাকে ব্যাকুল হয়ে ডাকতে হয়, ‘হে নাথ! হে আমার প্রভু! আমি যেন তোমাকে কখনো ভুলে না যাই।’ তাহলে জীবন সার্থক হয়ে যাবে।

এটা কত বড় কথা। কত দামী কথা! কত খাঁটি কথা। কত নির্মল কথা! কে কী করছে দেখতে নেই, ও সব দেখে লাভ কী?

আমার লক্ষ্য শুধু ভগবান। আমি ভালো হলেও তাঁর, মন্দ হলেও তাঁর। জগতে তো এক টুকরো খড় পর্যন্ত আমার থাকবে না, থাকতে পারে না, থাকারও নয়। আমার নিজেরই নয়, তাহলে আমার থাকবে কী করে? জগৎ তো প্রতিক্ষণেই আমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

জন্মগ্রহণের পর যত বছর কেটে গেছে, তত বছর তো আমি মরেই গেছি অর্থাৎ আমার আয়ুর সেই জীবনকাল শেষ হয়ে গেছে। বাকি যা বেঁচে আছে তাও একদিন শেষ হয়ে যাবে। এক ভগবান ব্যতীত আমার কেউ নেই। এইজন্য ভগবানকে ব্যাকুল হয়ে ডাকতে হয়- ‘হে প্রভু! হে আমার ঠাকুর! আমার কেউ নেই, শুধুমাত্র তুমিই আমার, আর কেউই আমার নয়।’

তারপর তন্ময় হয়ে মত্ত হয়ে যাও, পরম তৃপ্তিতে থাকতে পারবে। ‘আমার তো ভগবান আছেন’- এই কথাটিকে নিয়ে নিশ্চিন্তে নৃত্য করো, লাফাতে থাক, এইভাব নিয়ে যে, আর আমার কিছু করার নেই, কাজ নেই। ভগবানের চরণে সব অর্পণ করে দাও। স্বপ্নেও আর কারোর দাসত্ব কোরো না। অন্তর থেকেই দাসত্বের ভাব দূর করে দাও।

আজ আমার আসল কাজ সম্পন্ন হলো এই বলে নৃত্য করো। কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে, ‘আরে তুমি কী এমন পেয়েছ?’ তাহলে তাকে উত্তর দাও যে, ‘যা পাওয়ার তাই পেয়েছি।’ এই পরমাত্মা তো স্বাভাবিক ভাবেই সবারই প্রাপ্ত আছেন, সকলের অন্তরে তিনি বিরাজমান। তিনিই আমার আপন।

আর কাউকে নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই, প্রয়োজনও নেই, কারোরই জন্য কোন গরজ নেই। কেউ খুশি হলে ভালো কথা, অসন্তুষ্ট হলেও ভালো কথা। আমি কাউকে দুঃখ দিই না, কারোর বিরুদ্ধে কিছু করি না, স্বপ্নেও কারোর অকল্যাণ চাই না, তবুও কেউ যদি খুশি বা অসন্তুষ্ট হয় তবে সেটি তার নিজের ব্যাপার। এতে আমার কিছু যায়-আসে না।

ভগবান আমার -এর সমান কথা আর হয়নি, হবে না, হতেও পারে না -এই ভাবটি যদি কেউ ঠিক ঠিক বুঝতে পারে তো সে নিশ্চিন্ত হয়ে যাবে।

এতকাল অন্যের দাসত্ব করে শুধু দুঃখই পেয়েছি। তাই আমি সবাইকে প্রণাম করি। সবাই ভালো, কিন্তু আজ আমার তাদের কোন প্রয়োজন নেই। আমার শুধু ভগবানকেই প্রয়োজন। কিন্তু তাঁর কাছ থেকেও আমি কিছু চাই না, কোন আর্জি করি না।

ঢূণ্ডা সব জহা মে, পায়া পতা তেরা নহী।
জব পতা তেরা লগা, অব পতা মেরা নহী।।

বস্তুত আমি তো নেই-ই, কেবল তুমিই আছো। ছোট বড়, ভালো-মন্দ সবই তুমি, শুধু তুমি। এখন আমার প্রকৃত বস্তুর প্রাপ্তি হয়েছে। আজ বুঝেছি যে শুধু তুমিই আছো, আমি নেই-ই। না আছি আমি, না আমার কিছু আছে। তুমিই আছো, সবই তোমার। এখন শুধু আনন্দ আর আনন্দ!

‘পূর্ণ আনন্দ, অপার আনন্দ, সম আনন্দ, শান্ত আনন্দ, ঘন আনন্দ, অচল আনন্দ, অন্তরে আনন্দ, বাইরে আনন্দে, সর্বত্র শুধু আনন্দ আর আনন্দ।’

‘মেরে তো গিরিধর গোপাল,
দূসরো না কোঈ।।’

-সন্ত স্বামী রামসুখদাসজী।

এই নিবন্ধতে স্বামী রামসুখদাসজী গীতার আলোকে জীবনদর্শনের কথাই বলেছেন। বস্তুত স্বামীজীর জীবন গীতাময়। তাঁর সমস্ত চিন্তাই গীতার তাত্ত্বিক রসে সিঞ্চিত। এই সংকলিত নিবন্ধতে সাধক এবং অবশ্যই সাধারণ পাঠকও সেই রসাস্বাদন করে প্রকৃত কল্যাণের পথে একটা সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত পাবেন।

…………………………………
আরও আধ্যাত্মিক তথ্য পেতে ও জানতে: ভারতের সকল সাধক ও সাধিকা
পুণঃপ্রচারে বিনীত- প্রণয় সেন

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!