গফুর সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ

গফুর সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ ২০২১

সুধী,
আসছে ১লা পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৫ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রোজ বুধবার সন্ধ্যার প্রথম প্রহর থেকে ২লা পৌষ/১৬ ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার পূর্ণসেবা পর্যন্ত লালনপন্থি বাউল সাধক আবদুল গফুর সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালির নন্দলালপুরে আখড়াবাড়িতে অষ্টপ্রহরব্যাপী স্মরণোৎসব সাধুসঙ্গের আয়োজন করা হয়েছে।

সাধুসঙ্গে কুষ্টিয়া সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধু ও ভক্ত অনুরাগী উপস্থিত থাকবেন। অষ্টপ্রহরব্যাপী এই সাধুসঙ্গে আপনিও সবান্ধব আমন্ত্রিত। জয় হোক। জয়গুরু।।

বিনীত,
শরফুদ্দীন শাহ্
গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি
নন্দলালপুর, কুমারখালী
কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।

তারিখ:
১লা পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
১৫ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ।
রোজ বুধবার।

স্থান:
গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।
গ্রাম: নন্দলালপুর।
ডাকঘর: চড়াইখোলা।
উপজেলা: কুমারখালী।
জেলা: কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।

ভাবসংগীত পরিবেশন করবেন:
কুষ্টিয়া-মেহেরপুরসহ দেশের
প্রবীন সাধুগুরু ও শিল্পীবৃন্দ।

ব্যবস্থাপনায়:
সাধুর ভক্ত-আশেকানবৃন্দ।

: অনুষ্ঠান সূচি :

১লা পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
১৫ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ।
রোজ বুধবার।

বিকেল ৩:০০-৪:০০ – সাধু আগমন।
বিকেল ৪:০০-৪:৩০ – আসন গ্রহণ ও অধিবাস শুরু।
বিকেল ৫:৩০-৭:০০ – গুরুকর্ম।
সন্ধ্যা ৭:০০-৮:০০ – গুরুদৈন্য।
রাত ৮:০০-৮:৩০ – দীন ডাকা ও চা-মুড়ি সেবা।
রাত ৮:৩০-১২:৩০ – লালন সাঁইজির পদ।

২লা পৌষ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
১৬ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ।
রোজ বৃহস্পতিবার।

সকাল ৬:০০-৭:০০ – গোষ্ঠ গান।
সকাল ৭:০০-৭:৩০ – গুরুকর্ম।
সকাল ৭:৩০-৯:৩০ – বাল্য সেবা।
সকাল ৯:৩০- বিকেল ৩:০০ – লালনসংগীত।
বিকেল ৩:০০-৪:০০ – পূন্যসেবা।
বিকেল ৫:০০-৫:৩০ – বিদায় অনুষ্ঠান।

যোগাযোগ:
লিটন কর্মকার
০১৭২২১৯৯৪২২

যাতায়াত:

-ঢাকা থেকে-
বাস সার্ভিস

যমুনা সেতু
সড়কপথে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ার দূরত্ব ২৭৭কিমি। ঢাকা শহরের গাবতলী, কল্যাণপুর ও সায়দাবাদ থেকে শ্যামলী, এসবি, হানিফ ইত্যাদি বাসে করে সরাসরি যাওয়া যায় কুষ্টিয়া। এছাড়াও আরো বেশকিছু বাস এই লাইনে চলাচল করে। বাস থেকে কুষ্টিয়ার মজমপুর গেটে নেমে সেখান থেকে অটো করে আলাউদ্দিন নগর মোড়ে আসতে হবে। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে নন্দলালপুর ফকির গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।

পদ্মা পারাপার
ঢাকার যে কোনো বাস স্ট্যান্ড যেমন গুলিস্তান, সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ি, মহাখালী, উত্তরা থেকে থেকে গাবতলী হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়া যায়। আবার গুলিস্তান বিআরটিসি বাসে করে সরাসরি পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়া যায়। অবশ্য উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে নবীনগর এসেও পাটুরিয়ার বাস ধরা যায়।

গাবতলীও থেকে পাটুরিয়া যাওয়া সবচেয়ে সহজতর। সেক্ষেত্রে গাবতলী থেকে সেলফী, পদ্মালাইন বা নীলাচল বাসে করে সরাসারি পাটুরিয়া যাওয়া যায়। এছাড়া অসংখ্য লোকাল বাসও এই পথে পাটুরিয়া ঘাটে যায়। লোকাল বাসে সময় অনেক বেশি লাগে। সরাসরি বাসে ১০০-১২০ টাকায় ঘাট পর্যন্ত যাওয়া যায় পাটুরিয়া পর্যন্ত। সময় লাগে আনুমানিক সোয়া দুই ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা।

পাটুরিয়া ঘাটে নেমে কয়েক মিনিটের হাঁটা পথেই পৌঁছে যাওয়া যায় লঞ্চঘাটে। সেখান থেকে লঞ্চ, স্প্রীডবোর্ড বা ফেরীতে করে পদ্মা পাড়ি দেওয়া যায়। লঞ্চে ২৫ টাকার বিনিময়ে আনুমানিক ২০-২৫ মিনিটে পদ্মা পাড়ি দেয়া যায়। স্প্রীড বোর্ডে ১০ মিনিটের অনেক কম সময়ে পাড়ি দেয়া যায় ; এরজন্য বাড়িতে ভাড়া গুণতে হয়। আর ফেরীতে কম ভাড়ায় পাড়ি দেয়া গেলেও এতে সময় লাগে অনেক অনেক বেশি। তবে ঝড়-বৃষ্টির দিনে ছোট ছোট লঞ্চ বা স্প্রিড বোর্ডের চাইতে ফেরী তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।

পদ্মা পাড়ি দিয়ে দৌলতদিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে পদ্মাগড়াই ছাড়াও আরো কয়েকটা বাস আছে তাতে করে কুষ্টিয়া যাওয়া যায়। সময় লাগে ২:২০-৩:০০ ঘণ্টা। ভাড়া ১৩০-১৫০টাকা। নামতে হবে আলাউদ্দিন নগর মোড়ে। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে নন্দলালপুর ফকির গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।

পদ্মা পাড়ি দিয়ে ট্রেন ধরেও যাওয়া যায় কুষ্টিয়া
সেক্ষেত্রে দুপুর ১টা, ৩টা ও ৪টায় ট্রেন ছেড়ে যায় ঘাট থেকে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে। তবে ট্রেনের সিডিউল পাল্টে যাওয়ায় বর্তমানে সময় পরিবর্তন হয়ে গেছে। লোকাল ট্রেনের ভাড়া ৩৭ টাকা আর মেইল ট্রেন মধুমতির শোভন চেয়ারের ভাড়া ৮৪টাকা। মধুমতি কোর্ট স্টেশনে থামে আর লোকাল ট্রেন বড় স্টেশনেও থামে। সেক্ষেত্রে একই পথ ধরতে হবে। প্রথমে আলাউদ্দিন নগর মোড়। সেখান থেকে নন্দলালপুর।

আকাশপথে
ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমানে আসলে যশোর বিমান বন্দর আসতে হবে। অবশ্য বেসরকারি বিমান হলে নামা যাবে যশোর ছাড়াও ঈশ্বরদী বিমানবন্দরে। যশোর ও ঈশ্বরদী হতে সড়ক পথে বাস বা ট্রেন যোগে আসা যাবে কুষ্টিয়া। এছাড়া এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ভাড়া পাওয়া যায়। তা দিয়েও সরাসরি আসার ব্যবস্থা আছে।

-নারায়ণগঞ্জ থেকে-

বাস সার্ভিস
নারায়ণগঞ্জ থেকে সরাসরি শ্যামলী পরিবহন ছাড়াও আরো কয়েকটা বাস সার্ভিস আছে কুষ্টিয়াগামী। প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যাতেই নারায়ণগঞ্জ থেকে কুষ্টিয়ার পথে ছেড়ে যায় বাস। আগে বুকিং করে রাখলে বাস চলার পথে যে কোনো স্টপিজ থেকেই বাসে চেপে কুষ্টিয়া যাওয়া যায়। বাস থেকে কুষ্টিয়ার মজমপুর গেটে নেমে সেখান থেকে অটো করে আলাউদ্দিন নগর মোড়ে আসতে হবে। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে নন্দলালপুর ফকির গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।

-টাঙ্গাইল থেকে-

বাস সার্ভিস
টাঙ্গাইল থেকে হানিফ, শ্যামলী করে সরাসরি কুষ্টিয়া যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ৩৫০ টাকার মতো। আর এসকে সহ অন্য বাসে গেলে লাগবে ২০০-৩০০ টাকার মতো। তবে এসব বাসে বলে উঠতে হবে কুষ্টিয়া মজমপুর নামিয়ে দিতে হবে। কারণ অনেক বাস আবার ভেড়ামারা পর্যন্ত যায়। তাই সেগুলোতে না চড়াই উত্তম। বাসে গেলে টাঙ্গাইল এলেংগা থেকে যাওয়া উত্তম।

বাসে সরাসরি না গিয়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গেও যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে লোকাল বাসে টাঙ্গাইল থেকে বনপাড়া ৭০-১০০ টাকায়। বনপাড়া পর্যন্ত ট্রাকে করেও যাওয়া যায় ভাড়া ৫০ টাকা। বনপাড়া থেকে কুষ্টিয়ার বাসভাড়া ৭০ টাকার মতো। সকল গাড়ির ভাড়া মিটিয়ে উঠাই ভালো। নইলে ভাড়া অনেক বেশি চাইতে পারে। এভাবে গেলে স্বল্প টাকায় পৌঁছানো যায়। আবার টাঙ্গাইল থেকে বাসে করে পাবনা গিয়ে সেখান থেকে কুষ্টিয়া যাওয়া যায় বাসে করে। এতেও ভাড়া অনেকটাই কম লাগে।

টেন সার্ভিস:
ট্রেন আছে ২টা; সকাল ৮টার দিকে আর ৯টার দিকে ভাড়া ২৫০ টাকার মতো। স্টেশন দুইটি টাঙ্গাইল ও যমুনা পূর্বপার। ট্র্রেনে ভেঙ্গে ভেঙ্গেও যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে টাঙ্গাইল থেকে ট্রেনে করেই ঈশ্বরদী বাইপাসে নেমে সেখানে থেকে ট্রেনে কুষ্টিয়া। কম ভাড়ায় যারা যেতে চান তারা এই পথে যেতে পারেন।

-বগুড়া থেকে-

বাস সার্ভিস
বগুড়ার ‘শাকপালা’ বাস স্ট্যান্ডে সারাদিনই কুষ্টিয়াগামী বাস পাওয়া যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা দক্ষিণবঙ্গগামী প্রায় সকল বাসই কুষ্টিয়ার উপর দিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে কথা বলে উঠে পরলেই হলো। সেক্ষেত্রে ভাড়া ২০০-২২০ টাকার মধ্যে। সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টার মতো।

-রাজশাহী থেকে-

ট্রেন সার্ভিস
রাজশাহী থেকে মধুমতি ট্রেনে সরাসরি কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে হবে। সেখান থেকে অটো বা রিক্সায় সাঁইজির মাজার। বৃহস্পতিবার রাজশাহীর মধুমতি ট্রেন বন্ধ থাকে। সময় লাগে তিন ঘণ্টার মতো। ভাড়া সাধারণ শ্রেণী ২০৫টাকা। ৮টার সময় রাজশাহী থেকে ছেড়ে এসে ১১টায় কুষ্টিয়ার কোর্ট স্টেশনে থামে। আবার বিকেল ৫টায় কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন থেকে ছেড়ে যায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে।

-খুলনা থেকে-

বাস সার্ভিস
খুলনা থেকে সরাসরি বাসে করে আসা যায় কুষ্টিয়া। সেক্ষেত্রে খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে রুপসা বা গড়াই বাসে করে কুষ্টিয়ার মজমপুরে নামতে হয়। বিকাল ৫টা পর্যন্ত বাস পাওয়া যায়। ভাড়া ২৫০-৩০০ টাকার মত। রাস্তা সংস্কারের কাজ চলায় সময় লাগে প্রায় ৫-৬ ঘণ্টার মতো।

ট্রেন সার্ভিস
খুলনা থেকে সরাসরি কুষ্টিয়ার পোড়াদহ স্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন চলাচল করে। কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস, নকশীকাঁথা এক্সপ্রেস, মহানন্দা এক্সপ্রেস, রকেট এক্সপ্রেস, রূপসা এক্সপ্রেস, সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস, সীমান্ত এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস চলাচল করে এই পথে। এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া ১৮৫ টাকা। সময় ৩-৪ঘণ্টার মতো লাগে। পোড়াদহ নেমে সেখান থেকে আলাউদ্দিন নগর মোড়ে আসতে হবে। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে নন্দলালপুর ফকির গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।

-সিলেট থেকে-

বাস সার্ভিস
সিলেট থেকে সরাসরি বাসে করে কুষ্টিয়া যাওয়া যায়। শ্যামলী পরিবহন, পাবনা এক্সপ্রেস, মামুন এন্টারপ্রাইজ বাসে করে সরাসরি কুষ্টিয়া পৌঁছানো যায়। ভাড়া ৬৫০-৭০০টাকার মধ্যে। অন্যথায় ঢাকায় এসে কুষ্টিয়া যেতে হবে।

-চুয়াডাঙ্গা থেকে-

বাস সার্ভিস
চুয়াডাঙ্গা একাডেমি মোড় থেকে যেকোন বাসে করে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই যাওয়া যায় কুষ্টিয়া। ভাড়া ৭০ টাকা।

ট্রেন সার্ভিস
সকালে চুয়াডাঙ্গা থেকে নকশিকাথা মেইল ট্রেন বা গোয়ালন্দ মেইল ধরে সরাসরি কুষ্টিয়া যাওয়া যায়। কুষ্টিয়া বড় স্টেশনে বা কোর্ট স্টেশনে নেমে সেখান থেকে অটো/ভ্যান/রিক্সায় করে লালন সাঁইজির মাজার। আবার অন্য যেকোন ট্রেনে পোড়াদহ পর্যন্ত গিয়ে ওখান থেকে সিএনজি বা অটোতে করে আলাউদ্দিন নগর মোড়ে আসতে হবে। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে নন্দলালপুর ফকির গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।

-যশোর থেকে-

বাস সার্ভিস
খুলনা থেকে যশোর হয়ে কুষ্টিয়া মজমপুর বা টার্মিনাল পর্যন্ত যথাক্রমে গড়াই ও রুপসা নামে দুটি বাস চলাচল করে। যশোর টার্মিনাল থেকে সারাদিনই ২০-৪০ মিনিট পরপর বাস ছেড়ে যায় এই পথে। ভাড়া ১২০ টাকা। যশোরের চাচড়া, ধর্মতলা, পালবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকেও বাসে উঠা যায়।

ট্রেন সার্ভিস
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস শনিবার ব্যাতিত প্রতিদিন সকাল ৭-৪১মিনিটে যশোর স্টেশন থেকে পোড়াদহমুখী যাত্রা করে আর বিকাল দুপুর ২-২০ মিনিটে পোড়াদহ থেকে যশোরমুখী যাত্রা করে।

রুপসা এক্সপ্রেস বৃহষ্পতিবার ব্যাতিত প্রতিদিন সকাল সকাল ৮-২১মিনিটে যশোর স্টেশন থেকে পোড়াদহমুখী যাত্রা করে আর বিকাল ৪-২৮ মিনিটে পোড়াদহ থেকে যশোরমুখী যাত্রা করে।

সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস সোমবার ব্যাতিত প্রতিদিন সকাল বিকাল ৫-২৮ যশোর স্টেশন থেকে পোড়াদহমুখী যাত্রা করে আর সকাল ৮-৫৩ মিনিটে পোড়াদহ থেকে যশোরমুখী যাত্রা করে।

চিত্রা এক্সপ্রেস সোমবার ব্যাতিত প্রতিদিন সকাল সকাল ৯-৪১ মিনিটে যশোর স্টেশন থেকে পোড়াদহমুখী যাত্রা করে আর রাত ১২-২৮ মিনিটে পোড়াদহ থেকে যশোরমুখী যাত্রা করে।

ট্রেন থেকে নামতে হবে পোড়াদহ স্টেশনে। ট্রেনের ভাড়া ১২০ টাকা। পোড়াদহ থেকে সিএনজি ধরে যেতে হবে কুষ্টিয়া মজমপুর। অটো বা সিএনজি ভাড়া ৩০/৪০ টাকা। সেখান থেকে আলাউদ্দিন নগর মোড়ে আসতে হবে। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে নন্দলালপুর ফকির গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।

কুষ্টিয়া থেকে বাসে যশোর ফেরত
কুষ্টিয়া মজমপুর মোড় থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত গড়াই বাস ছেড়ে যায়। গড়াই মিস হয়ে গেলে টার্মিনাল অথবা চৌড়হাস মোড় থেকে রুপসা ধরতে হবে।

-কলকাতা থেকে-

বাস/ট্রেন সার্ভিস
কলকাতা থেকে সোজা মৈত্রি ট্রেনে বা বাসে করে খুলনা। আর খুলনা থেকে কুষ্টিয়া। আবার শেয়ালদহ থেকে বোনগাও এসে হরিদাসপুর বর্ডার হয়ে যশোর হয়ে কুষ্টিয়া(ট্রেন/বাস)। আর কুষ্টি রেলস্টেশন বা বাস স্ট্যান্ড যেখানেই নামুন। সেখান থেকে অটো করে আলাউদ্দিন নগর মোড়ে আসতে হবে। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে নন্দলালপুর ফকির গফুর সাঁইয়ের আখড়াবাড়ি।

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- voboghurekotha@gmail.com
……………………………….

…………………………..
আরো পড়ুন:
মাই ডিভাইন জার্নি : এক :: মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার
মাই ডিভাইন জার্নি : দুই :: কবে সাধুর চরণ ধুলি মোর লাগবে গায়
মাই ডিভাইন জার্নি : তিন :: কোন মানুষের বাস কোন দলে
মাই ডিভাইন জার্নি : চার :: গুরু পদে মতি আমার কৈ হল
মাই ডিভাইন জার্নি : পাঁচ :: পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে
মাই ডিভাইন জার্নি : ছয় :: সোনার মানুষ ভাসছে রসে
মাই ডিভাইন জার্নি : সাত :: ডুবে দেখ দেখি মন কীরূপ লীলাময়
মাই ডিভাইন জার্নি : আট :: আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে
মাই ডিভাইন জার্নি : নয় :: কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে
মাই ডিভাইন জার্নি : দশ :: যে নাম স্মরণে যাবে জঠর যন্ত্রণা
মাই ডিভাইন জার্নি : এগারো :: ত্বরাও গুরু নিজগুণে
মাই ডিভাইন জার্নি : বারো :: তোমার দয়া বিনে চরণ সাধবো কি মতে
মাই ডিভাইন জার্নি : তেরো :: দাসের যোগ্য নই চরণে
মাই ডিভাইন জার্নি :চৌদ্দ :: ভক্তি দাও হে যেন চরণ পাই

মাই ডিভাইন জার্নি: পনের:: ভক্তের দ্বারে বাঁধা আছেন সাঁই
মাই ডিভাইন জার্নি : ষোল:: ধর মানুষ রূপ নেহারে
মাই ডিভাইন জার্নি : সতের:: গুরুপদে ভক্তিহীন হয়ে
মাই ডিভাইন জার্নি : আঠার:: রাখিলেন সাঁই কূপজল করে
মাই ডিভাইন জার্নি :উনিশ :: আমি দাসের দাস যোগ্য নই
মাই ডিভাইন জার্নি : বিশ :: কোন মানুষের করি ভজনা
মাই ডিভাইন জার্নি : একুশ :: এসব দেখি কানার হাটবাজার

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!