ফকির লালন সাঁইজি

লালন কার? : দ্বিতীয় কিস্তি

-মূর্শেদূল মেরাজ

তবে সকল কিছুর পরও ভক্তকুলই গুরুবাদী মতাদর্শের প্রাণ। তাদের চিন্তা-চেতনা-জীবনধারা দেখেই সাধারণ মানুষ তাদের গুরু সম্পর্কে ধারণা নেয়ার চেষ্টা করে। কারণ মানুষের নিজের যেরূপ স্বভাব; হয় যদি সে ভুল করে না থাকে। তবে বেশিভাগ ক্ষেত্রেই নিজ চরিত্রের গুরুর কাছেই সে দীক্ষা নিয়ে থাকে।

তাই সাধুগুরুদের পরই মতাদর্শের এই গুরুভার বহনের অন্যতম দায়িত্ব হলো ভক্তকুলের। তাদের আচার-আচরণ-চলন-বলনে ভাষা-জ্ঞান-বিচার-বিবেচনায় অনেক কিছু নির্ভর করে। তাদের ভাষা-শব্দ-আচরণে ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে তা সমগ্র মতাদর্শের উপর প্রভাব পরে।

সেকারণে বেশিভাগ সাধুগুরুরা নিজ নিজ ভক্তকুলকে নিগূঢ় তত্ত্বের বা করণ-কারণের জ্ঞান দেয়ার আগে প্রথমে বিনয়-আদব শিক্ষা দিয়ে থাকেন। আর যে সকল ঘরে এভাবে প্রথমে বিনয়-আদব-ভক্তি-প্রেম শিক্ষা দেয়া হয় সেই ঘর বা ঘারানায় তত নির্মলতা পাওয়া যায়।

সেই ঘরের ভক্তরা ততটা নির্মল ও প্রশান্ত হয়। তাদের দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। নেমে যায় মনের সকল ভার। আর যারা কেবল তত্ত্বের গুপ্ত কৌশল জানার জন্য ছোঁক ছোঁক করে। কিন্তু স্বভাবে বিনয়-ভক্তি-প্রেম আনয়ন করে না বা চর্চা করে না তারা পরিবেশকে অস্থির করে তোলে।

অবশ্য এই শ্রেণীর ভক্তকুলের নিজেদের একশ্রেণীর ভুক্ত বা অনুরাগীকুল তৈরি হয়। শুদ্ধগুরুর যেমন ভক্তের অভাব হয় তেমনি শুদ্ধ ভক্তেরও পরিচিতজনের সংখ্যা দিন দিনই কমতে থাকে।

লালন ফকিরের অনুরাগীকুল-

লালন ফকিরের অনুরাগীকুলই সম্ভবত সবচেয়ে বড় শ্রেণী। কারণ শিল্প-সংস্কৃতিকে যারা ভালোবাসে, তার উপর যদি সে হয় বাংলা ভাষাভাষি তাহলে তো লালনকে অস্বীকার করার কোনো উপায়ই থাকে না। লালনের ‘গান’ সাধক ও ভক্তকুলের কাছে জ্ঞান হলেও; অনুরাগীদের অনেকের কাছেই তা কেবল বিনোদন মাধ্যম।

বিনোদনের জন্য হলেও তাদের অনেকে মনে প্রাণে ভালোবাসে ফকির লালন ও তাঁর গানকে। তাদের অনেকের কাছেই লালন একজন গীতিকার। অজো পাড়া গায়ে থাকা একজন বাউল সাধক যিনি অসামান্য সব গান লিখেছেন ও সুর করেছেন।

তাদের অনেকে লালনকে হাল আমলের ফ্যাশন হিসেবেও নেন। অনেকে লালনের গান শুনেন বা এর অর্থ জানেন এই ভাব নিয়ে নিজেকে মরমীবাদী বোদ্ধা হিসেবে ভাবতে ভালোবাসেন। এই শ্রেণীর অনেকেই সাঁইজির পদের নানারূপ ব্যাখ্যা করে থাকেন নিজের মতো করে।

এবং যারা লালনকে নিয়ে কাজ করেন বা লালনকে ধারণ করেন তাদের কাছে ক্রমাগত গানের অর্থ জানতে চান। অনেকে আবার লালন ও তাঁর মতাদর্শকে -জানবার চাইতেও তাঁর কিছু গানের গুপ্ত রহস্য জেনে নেয়াকেই স্বার্থকতা মনে করেন।

অনুরাগীকুল হচ্ছে সেই শ্রেণী যারা প্রয়োজনে লালনের হয়ে তর্কযুদ্ধ করে। আবার তার বিপরীতে গিয়ে মতামত দিতেও ছাড় দেয় না। এক হিসেবে তাদের দেখবার দৃষ্টিটা অনেক বেশি উন্মুক্ত। তারা খুব গভীর থেকে দেখতে না পেলেও ভাসা ভাসা ভালোলাগার জায়গা থেকে দেখে।

লালন ফকিরের পণ্ডিতকুল-

পণ্ডিতকুল বাউল, সহজিয়া, বৈষ্ণব, তান্ত্রিক, সুফি ও বিভিন্ন তরিকা সহ নানার ধারার সাথে লালনের ধারাকে মিলিয়ে তুলনামূলক একটা ভিত্তি দাঁড় করানোর চেষ্টায় রত থাকেন। হাজার বছরের বাংলা সংস্কৃতিতে লালন কেনো গুরুত্বপূর্ণ সেটাও তাদের অন্যতম বিচার্য বিষয়।

লালনের ধারা কোথা কোথা থেকে এসে পুঞ্জীভূত হয়েছে। বা লালন কোন কোন ধর্মকে, কোন কোন দর্শন বা মতবাদকে তাঁর পদের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত করেছেন তার অনুসন্ধান তাদের মূল কাজ।

অনেকক্ষেত্রে তারা কোন শব্দটা কোন সময় থেকে, কোন ধর্ম থেকে, কোন সাধক থেকে আগত হয়েছে তার অনুসন্ধান করেন। আবার সেই শব্দের বুদৎপত্তি কোথা থেকে। বা তার অর্থ কি করে পাল্টে পাল্টে বর্তমান রূপ নিয়েছে তার পেছনের কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চালান।

তাই প্রকৃত জ্ঞানীজন আধ্যাত্মবাদের ভাব অর্থ কখনো প্রকাশ করেন না। যা মানুষের জ্ঞানের ধারা থমকে দিতে পারে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ করবার চেষ্টা করলেও শত-সহস্রবার ক্ষমা-ভিক্ষা করে পদটিকা দিয়ে দেন যে। এটি তার বর্তমান সময়ের ব্যক্তিগত উপলব্ধি মাত্র।

আবার পণ্ডিতশ্রেণীর অনেকে লালন ফকিরের গানের অর্থ করার চেষ্টা করেন। যার বেশিভাগই শাব্দিক বা সাহিত্যিক, ঐতিহাসিক, দার্শনিক অর্থ করে উপস্থাপন করেন। তবে তাদের দুই একজন ভাবার্থও প্রকাশ করেন। যদিও তারা ভালোই জানেন ভাব অর্থ কখনোই এক জায়গায় স্থির থাকে না।

তাই ভাবগানের সুনির্দিষ্ট করে সরাসরি কোনো অর্থে দাঁড় করানো কারো কাজ নয়। প্রতিটি মানুষ তার নিজ জ্ঞান বলে তার অর্থ করে নেবে। একটা চলমান প্রকৃয়ার মধ্যে দিয়ে প্রতিনিয়ত তা থেকে নিত্যনতুন অর্থের সন্ধান পাবে সেটাই ভাবগানের মূল বৈশিষ্ট্য।

তাই প্রকৃত জ্ঞানীজন আধ্যাত্মবাদের ভাব অর্থ কখনো প্রকাশ করেন না। যা মানুষের জ্ঞানের ধারা থমকে দিতে পারে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ করবার চেষ্টা করলেও শত-সহস্রবার ক্ষমা-ভিক্ষা করে পদটিকা দিয়ে দেন যে। এটি তার বর্তমান সময়ের ব্যক্তিগত উপলব্ধি মাত্র।

আবার অনেকে কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে সেই অর্থ করা হয়েছে তা উল্লেখ করেন। যাতে অর্থ সুনির্দিষ্ট হয়ে না দাঁড়ায়।

লালন ফকিরের গবেষককুল-

গবেষকদের অনেক কাজ থাকলেও এখন পর্যন্ত ফকির লালন সাঁইজিকে নিয়ে সেভাবে কোনো গবেষণা হয়নি বললেই চলে। প্রচারিত গবেষকদের মধ্যে বেশিভাগই লালন কোন ধর্মের কোন জাতের তা নিয়েই মত্ত থেকেছেন বহুকাল।

তারপর যে বিষয়টি তারা গুরুত্বসহ প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন তা হলো লালন ফকিরের সাথে ঠাকুর বাড়ির মধ্যমণি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে তার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়েছি, কি হয়নি।

তারপর যে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে তা হলো লালন ফকিরের গানের খাতা রবীন্দ্রনাথের হাতে কি করে গেলো। তিনি কেনো তা ফেরত দেন নি।

এরপর গুরুত্ব পেয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি লালনের গান চুরি করেছে কিনা? শব্দটিকে চুরি, অনুপ্রেরণা নাকি প্রেরণা নাকি ভালোবাসা বলা হবে তা নিয়েও সময় নষ্ট হয়েছে বহুকাল।

এরপর যা হয়েছে তা হলো- কোন গবেষক লালনকে নিয়ে কি বলেছেন তা নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা-সমালোচনা। আর হাল আমালের গবেষকদের প্রধান কাজ হয়েছে কে কি ভুল বলেছে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করা।

আরেকটি কাজ শুরু থেকেই অনেক গবেষক করে চলছেন, তা হলো লালনের প্রকাশিত গানের সংখ্যা বাড়ানোর। অনেকে আবার এ নিয়ে আছেন যে কোনটা লালনের গান আর কোনটা লালনের গান নয়। আবার কেউ কেউ আছেন যারা সারাজীবন ধরে লালন গানের শব্দ নিয়ে আছেন।

সেই শব্দ কে পরিবর্তন করেছে। কোনো গবেষকের হাত ধরে সেই শব্দের পরিবর্তন হয়েছে। আসলে শব্দটি কি হবে তা নিয়ে।

আরেক নবীন শ্রেণীর গবেষক সাঁইজির ভাবগানের অর্থ নির্দিষ্ট করে দেয়ার চেষ্টার রত আছেন। তারা অনেক সময় সাঁইজির গানের অর্থ করে পদটিকায় এটাও লিখে দেন যে এই গানের অর্থ তিনিই একমাত্র আবিষ্কার করতে পেরেছেন। এরপূর্বে যারা এর অর্থ বলেছেন তার কিছুই হয়নি।

অনেকে আবার সত্যি সত্যি মূল লালন সাঁইজিকে অনুসন্ধানেরই গবেষণা করেছেন এবং করে চলেছেন বা করবেন। চটকদার নয় বলে সেই সব গবেষণা অনেকসময়ই আলোর মুখ দেখে না। আবার জনপ্রিয়তার স্রোতে ভাসতে না পারায় সেই সব অনেক গবেষণাপত্র আড়ালেই থেকে যায়।

অনেকে নিজের করে দেয়া অর্থ সম্বন্ধে এমনটাও উল্লেখ করেছেন যে, এই পদের অর্থ এর বাইরে আর কিছুই হতে পারে না। অনেকে আবার অনেক গুপ্ত রহস্য প্রকাশ্যে এনেছেন কোনো রাখঢাক না করেই। যার কোনো প্রয়োজনীয়তা ছিল কিনা তা হয়তো ভিন্ন আলোচনা।

আবার গবেষকদের অনেকে ফকিরদের সাথে সরাসরি আলাপচারিতা বা তাদের জীবনযাপন সম্পর্কে অবগত না হয়েও বইপত্র থেকেই গবেষণাপত্র তৈরি করেন। যা বাস্তবের সাথে মিল পাওয়া যায় না। আবার অনেকে ভারতের বীরভূম-মালদা-শান্তিনিকেতনের বাউলদের নিয়ে গবেষণা করে ফকির লালনকে তুলনামূলক বিচার করেন।

অনেকে আবার গুরুবাদী বিষয়টি যথার্থ অনুধাবন না করে কেবল সাহিত্যের বা লোক দৃষ্টিতে লালনকে তুলে ধরার চেষ্টায় রত থাকেন। গবেষণার অর্থ কোথা থেকে আসছে গবেষণায় সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। অর্থের সংস্থান যেখান থেকে হচ্ছে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীর উপরও অনেক কিছু অনেকক্ষেত্রে নির্ভর করে থাকে।

অনেকে আবার সত্যি সত্যি মূল লালন সাঁইজিকে অনুসন্ধানেরই গবেষণা করেছেন এবং করে চলেছেন বা করবেন। চটকদার নয় বলে সেই সব গবেষণা অনেকসময়ই আলোর মুখ দেখে না। আবার জনপ্রিয়তার স্রোতে ভাসতে না পারায় সেই সব অনেক গবেষণাপত্র আড়ালেই থেকে যায়।

লালন ফকিরের শিল্পী ও যন্ত্রীকুল-

এই আলাপচারিতায় প্রথম আর শেষ অর্থাৎ সাধককুল ও শিল্পী-যন্ত্রীকুল শ্রেণী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল শ্রেণী। যদিও নবীন শিল্পীদের মধ্যে সেই দায়িত্বজ্ঞান সর্বত্র দেখতে পাওয়া যায় না। এর একটা বড় কারণ হলো সকলে লালনকে ভালোবেসে সাঁইজির পদ করেন না।

লালন গানের বাজার দর ভালো বলেই বেশিভাগ শিল্পী নিছক বিনোদন দেয়ার জন্যই লালন পদ পরিবেশন করে থাকেন। রক-পপ গান করার জন্য যেমন সেই ভাবের জীবনযাপনও করতে হয়। তেমনি লালন গান করতে গেলে তার ভাবও ধারণ করতে হয়।

কেবল মঞ্চ মাতাবার জন্য বা মঞ্চে উঠবার সময় পোশাক পাল্টে নিলেই হয় না। আবার সুর-তাল-লয় ঠিক থাকলেও হয় না। আবার গভীর ভাব কণ্ঠে থাকলেও হয় না। লালনকে ধারণ করলে তবেই তার পূর্ণ প্রকাশ পায়। আর সেই ভাব ধারণ করা সহজ নয়তো মোটেও। বরঞ্চ সময় সাপেক্ষ ও তপস্যার বিষয়।

সেই কঠিন পথে না গিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে অর্থ উপার্জনই সহজ। তাই অনেকেই সেই কঠিন পথে পা বাড়ান না। অনেকে আবার নামের সাথে নিজে নিজেই বসিয়ে নেন- বাউল, খ্যাপা, সাধক, সাধু, সাঁই, শাহ্, সাঁইজি ইত্যাদি পদবী।

অনেকে আরেকটু সুবিধা হবে ভেবে লালন ঘরের একজন গুরুর কাছ থেকে দীক্ষার কাজটিও সেরে রাখেন। তারা বিভিন্ন পোশাক-আশাক বেশভূষা করে নেচে-গেয়ে মানুষকে বিনোদিত করে। বিনোদন দেয়াই তাদের একমাত্র কাজ। লালন গান তার একটা সহায়ক মাত্র। এর বেশি কিছু নয়।

তবে শিল্পীদের মাঝে কেউ কেউ হন সাধক শিল্পী। তাদের সংখ্যা খুবই কম হলেও তাদেরও দেখা পাওয়া যায়। তারা ফকির লালনকে ভালোবেসে… সাঁইজির মতাদর্শকে ভালোবেসে… বিনয়-ভক্তি-প্রেম দিয়ে সেই জ্ঞানপদ প্রচার করেন। এই জন্যই কি সাঁইজি লিখে গেছেন-

বেদ বিধির পর শাস্ত্র কানা।
আর এক কানা মন আমার
এসব দেখি কানার হাটবাজার।।

এক কানা কয় আর এক কানারে
চল এবার ভব পারে,
নিজে কানা পথ চেনে না
পরকে ডাকে বারং বার।।

পণ্ডিত কানা অহংকারে
মোড়ল কানা চুগলখোরে,
আন্দাজে এক খুঁটি গেড়ে
জানে না সীমানা কার।।

কানায় কানায় ওলামেলা
বোবাতে খায় রসগোল্লা,
তেমনি লালন মদনা কানা
ঘুমের ঘোরে দেয় বাহার।।

মোটাদাগের এই ছয় শ্রেণী ছাড়াও সবশেষে আছে আমাদের মতো শ্রেণীহীন মানুষ। যাদের কোনো শ্রেণীতেই ঠিকঠাক মতো ফেলা যায় না। না তাদের আছে সাধন-ভজন। না আছে গায়কির কণ্ঠ-সুর। না আছে যন্ত্রের জ্ঞান। যা আছে ভাব। না অর্জিত হয়েছে গুরুর প্রতি সমর্পনের পূর্ণ আস্থা।

না হয়েছে জ্ঞানী। না হয়েছে গবেষক। না হয়েছে ভক্ত। না হয়েছে অনুরাগী। যারা কেবলই ফকির লালন সাঁইজিকে বুঝতে চায়-জানতে চায়। যাদের পুঁজি কেবলই সাঁইজির প্রতি প্রেম। সাঁইজির প্রতি ভক্তি। সাঁইজির প্রতি বিনয়। তাদের মতো গৃহহারা-গুরুহারা-দিশেহারাদের পথ কোনটি?

তাদের জন্য অর্থাৎ আমাদের জন্য কি ফকিরকুলের শিরোমণি লালন সাঁইজি কোনো পথই রেখে যাননি তার মতাদর্শে? বাতলে দিয়ে যানকি কোন মত?? নাকি আমরা কেবলই বাতিলের খাতার সংখ্যা মাত্র???

জয়গুরু।।

(সমাপ্ত)

<<লালন কার? : প্রথম কিস্তি

…………………………..
আরো পড়ুন:
লালন কার? : প্রথম কিস্তি
লালন কার? : দ্বিতীয় কিস্তি

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- [email protected]
……………………………….

…………………………..
আরো পড়ুন:
মাই ডিভাইন জার্নি : এক :: মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার
মাই ডিভাইন জার্নি : দুই :: কবে সাধুর চরণ ধুলি মোর লাগবে গায়
মাই ডিভাইন জার্নি : তিন :: কোন মানুষের বাস কোন দলে
মাই ডিভাইন জার্নি : চার :: গুরু পদে মতি আমার কৈ হল
মাই ডিভাইন জার্নি : পাঁচ :: পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে
মাই ডিভাইন জার্নি : ছয় :: সোনার মানুষ ভাসছে রসে
মাই ডিভাইন জার্নি : সাত :: ডুবে দেখ দেখি মন কীরূপ লীলাময়
মাই ডিভাইন জার্নি : আট :: আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে
মাই ডিভাইন জার্নি : নয় :: কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে
মাই ডিভাইন জার্নি : দশ :: যে নাম স্মরণে যাবে জঠর যন্ত্রণা
মাই ডিভাইন জার্নি : এগারো :: ত্বরাও গুরু নিজগুণে
মাই ডিভাইন জার্নি : বারো :: তোমার দয়া বিনে চরণ সাধবো কি মতে
মাই ডিভাইন জার্নি : তেরো :: দাসের যোগ্য নই চরণে
মাই ডিভাইন জার্নি :চৌদ্দ :: ভক্তি দাও হে যেন চরণ পাই

মাই ডিভাইন জার্নি: পনের:: ভক্তের দ্বারে বাঁধা আছেন সাঁই
মাই ডিভাইন জার্নি : ষোল:: ধর মানুষ রূপ নেহারে
মাই ডিভাইন জার্নি : সতের:: গুরুপদে ভক্তিহীন হয়ে
মাই ডিভাইন জার্নি : আঠার:: রাখিলেন সাঁই কূপজল করে
মাই ডিভাইন জার্নি :উনিশ :: আমি দাসের দাস যোগ্য নই
মাই ডিভাইন জার্নি : বিশ :: কোন মানুষের করি ভজনা
মাই ডিভাইন জার্নি : একুশ :: এসব দেখি কানার হাটবাজার

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!