সৃষ্টিতত্ত্ব রহস্য ব্রহ্মাণ্ড জগৎ

-বার্ট্রান্ড রাসেল

আধুনিক বিজ্ঞানবিদগণ যদি ধর্মের প্রতি বিরুদ্ধভাবাপন্ন অথবা উদাসীন না হলেও, তাঁরা একটা বিশ্বাস আঁকড়ে থাকেন। তাঁদের মতে এই বিশ্বাস পূর্বতন গোঁড়ামির ধ্বংসের মধ্যেও বেঁচে থাকতে পারে। প্রধানত এই বিশ্বাসটা হলো মহাজাগতিক উদ্দেশ্যের প্রতি বিশ্বাসী।

উদার ধর্মতাত্ত্বিকেরা সমানভাবে এই বিশ্বাসকে তাদের ধর্মমতের কেন্দ্রীয় বিষয় করে তোলেন। এই মতবাদের কতিপয় প্রকরণ আছে। কিন্তু সব প্রকরণেরই সাধারণ বিষয়টা হলো বিবর্তনের ধারণা। এই ধারণার নির্দেশিকা হলো এমন কিছুর প্রতি যেটা নৈতিকভাবে মূল্যবান এবং যেটা সমগ্র দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণটা জানতে পারে।

আমরা যেমনটা দেখেছি, স্যার জে আর্থার টমসন মনে করতেন যে, বিজ্ঞান অসম্পূর্ণ কারণ ‘কেন এই প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞান দিতে পারে না। তার ভাবনায় ধর্ম এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। নক্ষত্র কেন সৃষ্টি করা হয়েছিল? সূর্য গ্রহদের সৃষ্টি করেছিল কেন?

পৃথিবী ঠাণ্ডা হলো কেন এবং অবশেষে জীবনের উদ্ভব ঘটল কেন? কারণ, পরিশেষে, প্রশংসনীয় কিছু ঘটতে চলেছে। সেটা কি আমি জানি না, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এরা সব বৈজ্ঞানিক ধর্মতাত্ত্বিক এবং ধর্মমনস্ক বিজ্ঞানী।

এই মতবাদের তিনটি প্রকরণ রয়েছে- ঈশ্বরবিশ্বাসী, সর্বেশ্বরবাদী এবং অন্যটিকে বলা যেতে পারে উত্থানশীল। প্রথমটি সহজতম এবং একান্তই গোঁড়া। এদের মতে, ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং প্রাকৃতিক নিয়মের বিধান দিয়েছেন কারণ তিনি পূর্বাহ্নে দেখাতে পেরেছেন কোনো এক সময়ে ভালো কিছু বিকশিত হবে।

অথবা আপনি চাইলে এভাবেও বলতে পারেন স্পেস-টাইমের অবচ্ছিন্নতা, এটা ছিল কোনো মহাজাগতিক উদ্দেশ্যে এবং যে-লক্ষ্যের দিকে ওই উদ্দেশ্য কাজ করেছিল সেটাকে অবশ্যই দেখতে হবে মানুষের স্বাতন্ত্র্যসূচক গুণাবলী এবং ক্ষমতার মধ্যে। বস্তুত, মানুষের সর্বোচ্চ নৈতিক এবং আধ্যাত্মিক সক্ষমতা মহাজাগতিক উদ্দেশ্যের প্রকৃতি দেখিয়ে দেয় যেটা হলো তার সত্ত্বার উৎস।

এই মতে, উদ্দেশ্যটা সচেতনভাবে স্রষ্টার মনে রয়েছে এবং এই স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টির বাইরে থাকেন। সর্বেশ্বরবাদীর প্রকরণে, ঈশ্বর ব্রহ্মাণ্ডের বাইরে থাকেন না, কিন্তু ব্রহ্মাণ্ডকে বিবেচনা করা হয় একটা সমগ্র হিসাবে। সুতরাং সৃষ্টিকার্য বলে কিছু থাকতে পারে না।

কিন্তু ব্রহ্মাণ্ডের অভ্যন্তরে এক ধরনের সৃষ্টিশীল শক্তি রয়েছে যা একটা পরিকল্পনা অনুসারে এটাকে বিকশিত করে। এটা করার গোটা প্রক্রিয়ার সময় সৃষ্টিশীল শক্তির মনে আগে থেকে এই পরিকল্পনাটা থাকতে পারে বলে বলা যায়। উত্থানশীল মতবাদের প্রকরণে উদ্দেশ্যটা অধিকতর দৃষ্টিহীন।

পূর্বতন স্তরে ব্রহ্মাণ্ডের কিছুই পরবর্তী স্তরকে আগে থেকে দেখতে পারে না। কিন্তু এক ধরনের অন্ধ মানসিক ঝেকে ওইসব পরিবর্তনের দিকে চালিত করে, যা আরও বিকশিত প্রকরণ বাস্তবে নিয়ে আসে যাতে অন্য কোনো অজ্ঞাত ধারণার শুরুতেই পদ্ধতিটা অন্তর্নিহিত থাকে।

এই তিন ধরনের প্রকরণই বিবিসি আলোচনায় প্রতিনিধিত্ব করেছে যেটা নিয়ে আগেই আমি আলোচনা করেছি। বিরমিংহামের বিশপ ঈশ্বরবিশ্বাসী প্রকরণের পক্ষে বলেন। প্রফেসর জেএস হলডেন সর্বেশ্বরবাদী প্রকরণের পক্ষে এবং প্রফেসর আলেকজান্ডার বলেন উত্থানশীল প্রকরণের সপক্ষে।

যদিও সম্ভবত এই শেষতম প্রকরণের অধিকতর প্রতিভূস্থানীয় প্রতিনিধি হলেন বার্গসন এবং প্রফেসর লয়েড মর্গান। এইসব মতবাদ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে মতাবলম্বীদের নিজেদের বক্তব্যে।

বিরমিংহামের বিশপ মনে করেন, মানুষের মনের সমধর্মী একটি বিচারবুদ্ধি এই ব্রহ্মাণ্ডে রয়েছে এবং এটা আমাদের সংশয়ী করে তোলে এই ধারণায় যে, মহাজাগতিক প্রক্রিয়া একটি মন দ্বারা পরিচালত নয়। এই সংশয়টা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

তৎক্ষণাৎই আমরা জেনে যাই যে, এই বিশাল দৃশ্যপটে স্পষ্টতই একটা অগ্রগতি রয়েছে, যেটা সভ্য মানুষের সৃষ্টির সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছে। ওই অগ্রগতি কি দৃষ্টিহীন শক্তির পরিণাম? আমার কাছে অদ্ভুত লাগছে এটা বলতে যে, এই প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ…।

বস্তুত, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে লব্ধ আধুনিক জ্ঞান থেকে যে-স্বাভাবিক সিদ্ধান্তে আসতে হয় তা হল, ব্রহ্মাণ্ড চিন্তার প্রভাবের অধীন-চিন্তা যা সুনির্দিষ্ট পরিণামের দিকে ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত। এইরূপে, মানুষের সৃষ্টি ইলেকট্রন এবং প্রোটনের উপাদানের সম্পূর্ণ অজ্ঞেয় এবং পুরোপুরি অসম্ভব পরিণতি ছিল না।

অথবা আপনি চাইলে এভাবেও বলতে পারেন স্পেস-টাইমের অবচ্ছিন্নতা, এটা ছিল কোনো মহাজাগতিক উদ্দেশ্যে এবং যে-লক্ষ্যের দিকে ওই উদ্দেশ্য কাজ করেছিল সেটাকে অবশ্যই দেখতে হবে মানুষের স্বাতন্ত্র্যসূচক গুণাবলী এবং ক্ষমতার মধ্যে। বস্তুত, মানুষের সর্বোচ্চ নৈতিক এবং আধ্যাত্মিক সক্ষমতা মহাজাগতিক উদ্দেশ্যের প্রকৃতি দেখিয়ে দেয় যেটা হলো তার সত্ত্বার উৎস।

পাপের কারণে যে অমঙ্গল সেটাকে আমাদের মুক্ত ইচ্ছার ফল হিসাবে ব্যাখ্যা করা যায়, কিন্তু মানব পূর্ব পৃথিবীতে অমঙ্গলের সমস্যা থেকেই যায়। আমার মনে হয় না উইলিয়াম গিলেসৃপির সমাধান বার্নেস গ্রহণ করবেন। গিলেসৃপির সমাধানের কথা, শিকারী পশুদের দেহে শয়তান বাস করত, যাদের প্রথম পাপ পশুসৃষ্টির পূর্বতন সময়ের।

যেমনটা আমরা দেখলাম যে, বিশপ সর্বেশ্বরবাদ প্রত্যাখ্যান করছেন, কারণ বিশ্বই যদি ঈশ্বর হন তাহলে বিশ্বের অশুভ সবকিছু ঈশ্বরের মধ্যে রয়েছে। এবং আরও এই কারণে যে, আমাদের অবশ্যই বলতে হবে ঈশ্বর তার ব্রহ্মাণ্ডের মতো সৃষ্টিতে নেই।

তিনি স্পষ্টভাবে পৃথিবীর অমঙ্গল স্বীকার করেন এবং বলেন, আমরা বিমূঢ় যে, এত অমঙ্গল থাকবে এবং এই বিভ্রান্তি খ্রিস্টীয় আস্তিক্যবাদের বিরুদ্ধে প্রধান যুক্তি।’ প্রশংসনীয় সততায় তিনি এটা দেখানোর চেষ্টা করেননি যে, আমাদের বিভ্রান্তি অযৌক্তিক।

ড. বার্নেসের বিবরণ দু’ধরনের সমস্যা তৈরি করে। একদল যারা সাধারণভাবে মহাজাগতিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং অন্যদল যারা ঈশ্বরবিশ্বাসী প্রকরণের সঙ্গে বিশেষভাবে সংশ্লিষ্ট। প্রথম দলের বিষয়ে আমি পরে বলব। পরের দলের বিষয়ে এখনই অবশ্যই কিছু বলতে হবে আমাকে।

উদ্দেশ্যের ধারণা হলো একটি স্বাভাবিক ধারণা যেটা সুদক্ষ কারিগরী মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আরব্য উপন্যাস ছাড়া একজন মানুষ একটি গৃহ পেতে চাইলে এটা তার বাসনা থেকেই পাওয়া যায় না। তার বাসনা চরিতার্থ করতে সময় ও শ্রম ব্যয় করতে হয়।

কিন্তু সর্বশক্তিমান এ-ধরনের কোনো সীমাবদ্ধতার অধীন নন। ঈশ্বর যদি মানবজাতি সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করেন–আমার কাছে এটা একটি আপাতদৃষ্টিতে অসঙ্গত প্রকল্প কেন তিনি, যেমনটা সৃষ্টিতত্ত্বে রয়েছে, তৎক্ষণাৎ মানুষ সৃষ্টি করতে উদ্যেগী হলেন না? ইসথাইসারস, ডাইনোসারস, ডিপলোডোসি, ম্যাস্টোডনস এবং অন্যান্য প্রাণীদের বিষয়েই-বা কী বলার?

কোথাও ড. বার্নেস নিজে স্বীকার করেছেন যে, ফিতে-কৃমির উদ্দেশ্যটাই একটা রহস্য। র‍্যাবিস এবং জলাতঙ্ক রোগে কী উদ্দেশ্য সাধিত হচ্ছে? বলার মতো এটা কোনো উত্তর নয় যে, প্রাকৃতিক নিয়ম অপরিহার্যভাবে শুভ এবং অশুভ সৃষ্টি করে কারণ ঈশ্বরই প্রাকৃতিক নিয়মের বিধান দিয়েছেন।

পাপের কারণে যে অমঙ্গল সেটাকে আমাদের মুক্ত ইচ্ছার ফল হিসাবে ব্যাখ্যা করা যায়, কিন্তু মানব পূর্ব পৃথিবীতে অমঙ্গলের সমস্যা থেকেই যায়। আমার মনে হয় না উইলিয়াম গিলেসৃপির সমাধান বার্নেস গ্রহণ করবেন। গিলেসৃপির সমাধানের কথা, শিকারী পশুদের দেহে শয়তান বাস করত, যাদের প্রথম পাপ পশুসৃষ্টির পূর্বতন সময়ের।

তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের জীবনদর্শনের একমাত্র ভিত্তিকে অধিযান্ত্রিক হিসাবে ব্যাখ্যা করতে সচেষ্ট হই, তাহলে ঐতিহ্যগত ধর্মীয় বিশ্বাস এবং অন্যান্য অনেক সাধারণ বিশ্বাসকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।’ সৌভাগ্যবশত তিনি ভাবেন যে, সবকিছু অধিযান্ত্রিকভাবে অর্থাৎ রসায়নবিদ্যা এবং পদার্থবিদ্যার সাহায্যে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই।

তবুও এটা বোঝা অসুবিধাজনক যে, অন্যান্য যৌক্তিকভাবে সন্তোষজনক উত্তর কী হতে পারে। এ-অসুবিধাটা প্রাচীন কিন্তু তা সত্ত্বেও বাস্তব। সর্বশক্তিমান এক সত্ত্বা যিনি পাপ থেকে উদ্ভূত নয়, এমন একটা পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি তো নিজেও অন্ততপক্ষে আংশিক অমঙ্গল।*

এই আপত্তিতে মহাজাগতিক উদ্দেশ্যের সর্বেশ্বরবাদী এবং উত্থানশীল মতবাদের প্রকরণ কম উন্মোচিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সর্বেশ্বরবাদের নির্দিষ্ট স্থান অনুসারে সর্বেশ্বরবাদী বিবর্তনের বৈচিত্র্য রয়েছে। আমাদের বিবেচনায় জে এস হলডেনের এই মতবাদটা হেগেলের সঙ্গে সংযুক্ত এবং হেগেলের সব কিছুর মতোই এটা বোঝাও খুব সহজ নয়। কিন্তু এই ধারণাটা এমনই যে, গত একশো বছরের বেশি সময় ধরে এটার যথেষ্ট প্রভাব ছিল এবং সে-কারণেই এটা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

অধিকন্তু, প্রফেসর হলডেন নানাবিধ বিশেষ ক্ষেত্রে তাঁর কাজের জন্য প্রখ্যাত। তিনি তাঁর সাধারণ দর্শনকেও বিশদ অনুসন্ধানে দৃষ্টান্তের সাহায্যে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এটা তিনি বিশেষভাবে করেছেন শারীরবিজ্ঞানে।

যুক্তির সাহায্যে এটা দেখানো তার কাছে প্রয়োজনীয় মনে হয়েছিল যে, রসায়নবিদ্যা এবং পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম ছাড়াও জীবন্ত দেহের বিজ্ঞানের জন্য অন্য নিয়মও দরকার। এই ঘটনা তার সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গিতে গুরুত্ব বাড়িয়েছে।

এই দর্শন অনুযায়ী বিশেষভাবে বলতে গেলে, মৃত বস্তু বলে কোনো দ্রব্য নেই, এমন কোনো জীবন্ত দ্রব্য নেই যার মধ্যে অন্তত কিছুটা পরিমাণে চৈতন্যের প্রকৃতি নেই। এবং এক পা এগিয়ে বলতে হয়, এমন কোনো চৈতন্য নেই যা অন্তত কিছু পরিমাণে ঐশ্বরিক নয়।

দৃষ্টিগোচরতা এবং বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য যা আমরা এর আগের অধ্যায়ে সংক্ষেপে আলোচনা করেছি, সেটা প্রফেসর হলডেনের দৃষ্টিতে সংশ্লিষ্ট, যদিও তিনি এটার উল্লেখ করেন না। কিন্তু এখন, হেগেলের প্রসঙ্গে এটা প্রকারের পার্থক্য নয়, পরিমাণের পার্থক্য হয়ে উঠেছে।

মৃত বস্তু কম বাস্তব, জীবন্ত বস্তু আর একটু বেশি পরিমাণে বাস্তব, মানবীয় চৈতন্য আরও একটু বেশি। কিন্তু কেবলমাত্র সম্পূর্ণ বাস্তবতা হলো ঈশ্বর অর্থাৎব্রহ্মাণ্ড যাকে ঈশ্বরীয় বলে ধারণা করা হয়।

হেগেল এসব ধারণার যৌক্তিক প্রমাণ প্রদানের প্রয়াস করেন, কিন্তু আমরা এখানে এসব আলোচনা এড়িয়ে যাব কারণ এসব আলোচনা একটা মহাভারত হয়ে যাবে। আমরা বরঞ্চ প্রফেসর হলডেনের ধারণার বিশদ আলোচনা করব বিবিসি আলোচনা থেকে কতিপয় উদ্ধৃতি সহকারে।

তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের জীবনদর্শনের একমাত্র ভিত্তিকে অধিযান্ত্রিক হিসাবে ব্যাখ্যা করতে সচেষ্ট হই, তাহলে ঐতিহ্যগত ধর্মীয় বিশ্বাস এবং অন্যান্য অনেক সাধারণ বিশ্বাসকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।’ সৌভাগ্যবশত তিনি ভাবেন যে, সবকিছু অধিযান্ত্রিকভাবে অর্থাৎ রসায়নবিদ্যা এবং পদার্থবিদ্যার সাহায্যে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই।

বাস্তবিকপক্ষে এটা সম্ভবও নয়, কারণ জীববিদ্যায় জীবসত্ত্বার ধারণা প্রয়োজন। ভৌত দৃষ্টিকোণ থেকে জীবন চলমান অলৌকিকতা থেকে কিছু কম নয়। উত্তরাধিকারমূলক সঞ্চার…নিজেই সূচিত করে জীবনের পৃথকীকরণ বৈশিষ্ট্য, যেমন সুসংহত ঐক্য সর্বদা নিজেকে রক্ষা ও পুনরুৎপাদনে সচেষ্ট।

(চলবে…)

<<মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : পঞ্চম কিস্তি ।। মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : দ্বিতীয় কিস্তি>>

………………..
* ডিন ইনৃগে বলেছেন, আমরা আমাদের সংকীর্ণ নৈতিকতা দিয়ে অমঙ্গলের সমস্যাটা বড়ো করে দেখি, যেটা আমরা অভ্যাসগত ভাবে স্রষ্টার উপর চাপিয়ে দেই। এই তত্ত্বের সপক্ষে কোনো সাক্ষ্য নেই যে, ঈশ্বর কেবলমাত্র একজন নৈতিক সত্ত্বা এবং আমরা তার বিধান এবং প্রয়োগ সম্পর্কে যা পর্যবেক্ষণ করি সেসব বলিষ্ঠভাবে এটা নির্দেশ করে, যে তিনি তেমনটা নন।’ Outspoken Essays, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৪।

…………………….
অশেষ কৃতজ্ঞতা
ধর্ম ও বিজ্ঞান : বার্ট্রান্ড রাসেল
অনুবাদক- আতা-ই-রাব্বি

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- [email protected]
……………………………….

……………………
আরও পড়ুন-
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : প্রথম কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : দ্বিতীয় কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : তৃতীয় কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : চতুর্থ কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : পঞ্চম কিস্তি

……………………………..
আরও পড়ুন-
মহাবিশ্বের উৎপত্তি : প্রথম কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি : দ্বিতীয় কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : প্রথম কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : দ্বিতীয় কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : তৃতীয় কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : চতুর্থ কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : পঞ্চম কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : ষষ্ঠ কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : সপ্তম কিস্তি
সৃষ্টিরহস্য সম্পর্কে প্লাতনের মতবাদ
মহাবিশ্বের সৃষ্টি কাহিনী
পবিত্র কোরানে সৃষ্টিতত্ত্ব
আরশ ও কুরসী সৃষ্টির বিবরণ
সাত যমীন প্রসঙ্গ
সাগর ও নদ-নদী
পরিচ্ছেদ : আকাশমণ্ডলী
ফেরেশতা সৃষ্টি ও তাঁদের গুণাবলীর আলোচনা
পরিচ্ছেদ : ফেরেশতাগণ
জিন সৃষ্টি ও শয়তানের কাহিনী
সীরাত বিশ্বকোষে বিশ্ব সৃষ্টির বিবরণ
আদম (আ) পৃথিবীর আদি মানব
আদম সৃষ্টির উদ্দেশ্য
আদম (আ)-এর সালাম
আদম (আ)-এর অধস্তন বংশধরগণ
হাদীসে আদম (আ)-এর সৃষ্টি প্রসঙ্গ
আদম (আ)-এর সৃষ্টি

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!