শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব

শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : এক

আশীর্ব্বাদ ও পুরস্কার

ঢাকা ফরাসগঞ্জ-নিবাসী জনৈক পত্রলেখকের পত্রের উত্তরে শ্রীশ্রীবাবামণি বলিলেন,-

আশীর্ব্বাদ অনুক্ষণ করিতেছি যে, তোমার মন যেন অবিচ্ছেদে পরম মঙ্গলময় নামে ডুবিয়া থাকিতে পারে। কিন্তু আমি যেমন আশীর্ব্বাদ করিতেছি, তুমিও তেমন নিজের পুরুষকার প্রয়োগ করিও। আশীর্ব্বাদ যদি অকপট হয়, তাহা হইলে তাহা কখনও ব্যর্থ হয় না, কিন্তু সেই আশীর্ব্বাদকে নিজের জীবনে পরিপূর্ণরূপে সার্থক করিবার জন্য যদি থাকে একনিষ্ঠ শ্রম, তাহা হইলে উহা হয় চিরস্থায়ী।

তোমার নামে রুচি আশীর্ব্বাদ করিতেছি এবং তাহার ফলে রুচি তোমার হইবেও ; কিন্তু যাহাতে এই রুচি তোমার পরিপূর্ণরূপে লাভ হয়, তজ্জন্য সজ্জন-সঙ্গ, নামের রুচিবর্দ্ধক স্বাধ্যায় এবং নামের উদ্দীপনকারক কীর্ত্তন প্রভৃতির জন্য তোমার যথেষ্ট পুরুষকারেরও প্রয়োজন।

নামে যে লাগিয়া থাকে, তাহার জীবন কখনই বিফলে যাইতে পারে না। নামে যে নির্ভর করে, তাহার সকল অপূর্ণতা নামের মহিমায় দূরীভূত হয়। নাম দুর্ব্বলতাকে সবলতা দেয়, অবশকে স্ববশ করে। ভবিষ্যৎ ভাবিয়া মুখ ভার করিও না। নামে লাগিয়া থাক, নামই তোমার জন্য মঙ্গলময় ভবিষ্যৎ গড়িয়া দিবে।

অখণ্ড-সংহিতা ত্রয়োদশ খণ্ড
(পৃষ্ঠা নং ২২৭)

প্রতি অনুপলে নাম-সেবা

ঢাকা-বনগ্রাম-নিবাসী জনৈক পত্রলেখকের পত্রের উত্তরে শ্রীশ্রীবাবামণি লিখিলেন,-

প্রত্যেকটী বিগত দিন অপেক্ষা প্রত্যেকটী আগত দিনে তোমাদের নামে রুচি উত্তরোত্তর বর্দ্ধিত হউক, গত গত মুহূর্তগুলি অপেক্ষা প্রত্যেকটী আগামী মুহূর্ত্তে তোমরা অধিকতর অনুরাগের সহিত অমৃতময় অখণ্ডনামের সেবা করিতে সমর্থ হও।

প্রত্যেকটী পল, বিপল, অনুপলকে পরিপূর্ণ সার্থকতায় মণ্ডিত করিবার জন্য তোমরা বদ্ধপরিকর হও। একটী নিঃশ্বাসের বা একটি প্রশ্বাসের বায়ুকেও তোমরা নাম-গর্ভ না করিয়া বন্ধ্যা বহিতে দিও না।

আমি চাহি, তোমাদের একবার নামোচ্চারণের ফলে অন্য ব্যক্তিদের শত-সহস্র-লক্ষ-কোটি বার নামোচ্চারণের কাজ হইয়া যাউক এবং একটী দিনের নামের সেবায় শত শতাব্দীর সেবার ফল আয়ত্ত হউক। মনকে কেন্দ্রীভূত কর।

অতসী কাচের কেন্দ্রস্থলে সমীকৃত হইয়া যেমন সূর্য্যের বিক্ষিপ্ত কিরণ অনায়াসে অগ্নি সৃষ্টি করে, তেমনি তোমার বিক্ষিপ্ত মনের সহস্রমুখ যোগ এক স্থানে কেন্দ্রীকৃত হইয়া এমন ঘনীভূত অনুরাগের সৃষ্টি করুক, যাহাতে একটি দিবসের ভিতরে শত শতাব্দীর সাধনা, একটী নিমেষের ভিতরে লক্ষ যুগের তপস্যা আসিয়া স্থান লইতে পারে।

প্রেমের গভীরতার মহিমায় তোমার একটী নিঃশ্বাসের ভিতর দিয়া যেন নিখিল জগতের কোটিবার সৃষ্টির বৈচিত্র্য এবং একটী প্রশ্বাসের ভিতর দিয়া যেন নিখিল জগতের কোটিবার প্রলয়ের আলেখ্য অনায়াসে পরিদৃষ্ট হয়।

ভগবানে শুদ্ধা ভক্তিই নামের সর্ব্বাপেক্ষা বাঞ্ছনীয় শুভফল। তাঁহাকে অকপটে ভালবাসিতে পারাই জীবনের সর্ব্বোত্তম সার্থকতা। নামের সেবায় অনিত্যাভিনিবেশ হ্রাস পায়, নিত্যে রুচি বর্দ্ধিত হয়। নাম বহির্ম্মুখ মনকে অন্তর্ম্মুখ করিয়া তোমার প্রকৃত স্বরূপের সহিত তোমার পরিচয় স্থাপন করাইয়া দেয়। এই জন্যই নামের মত বন্ধু নাই, নামের মতন আপন নাই।

অখণ্ড-সংহিতা ত্রয়োদশ খণ্ড
(পৃষ্ঠা নং ২২৫ – ২২৭)

সংসারাশ্রমী হও, সংসারী হইও না

ত্রিপুরা-আকুবপুর-নিবাসী জনৈক ভক্তকে শ্রীশ্রীবাবামণি লিখিলেন,-

তুমি বৃথা চিন্তা করিতেছ। এমন কোনও বিপদ তোমার আসিতেছে না, যাহার আতঙ্কে একেবারে মুহ্যমান হইয়া পড়িতে হইবে, যুবতী ভার্য্যার পাণিগ্রহণ করিয়া যুবক স্বামীকে সাধারণতঃ যে সকল মনোধারার সম্মুখীন হইতে হয়, তোমার বিপদ ততটুকুই।

সাধনের বলে তুমি এই বিঘ্ন বিদূরিত করিতে সমর্থ হইবে। নামে গভীর অভিনিবেশ দাও,-যৌবনের তারল্য তোমার পক্ষে বালকের সারল্যে পরিণত হইবে।

তরুণীর সংস্পর্শে বাস করিবে, চিত্তবিকার আসিবে না, এমন ঘটনা সাধারণ প্রকৃতির বাহিরে। যতক্ষণ তুমি সাধারণ প্রকৃতির দাস, ততক্ষণই তোমার পক্ষে যুবতী-স্ত্রী-সান্নিধ্য বিপদের কারণ। কিন্তু সাধন-বলে নিত্যা প্রকৃতিকে লাভ কর,-স্বামি-স্ত্রীতে মিলিয়া নিত্যানন্দময় ধামে বাস কর।

সহস্র চাঞ্চল্য ও অধীরতার মধ্য দিয়াই জীবন গড়িয়া চল। সহধর্ম্মিনী-মূর্ত্তিতে তোমার পরমারাধ্যের মূর্ত্তিটী চিন্তা করিও, -ইহাই ক্রমে শত অসাফল্যের মধ্য দিয়া স্থিতিপ্রজ্ঞতা প্রতিষ্ঠিত করিবে। দেহের প্রতি দেহের আকর্ষণ ত’ থাকিবেই, -জগতের একটী পরমাণুও অপর পরমাণু হইতে এই আকর্ষণের দাবী এড়াইয়া চলিতে পারে না।

কিন্তু মনকে দেহাতীত পরব্রহ্ম-সত্তায় ডুবাইয়া রাখিলে দেহধর্ম্মের মধ্য দিয়াও দিব্য-জ্যোতিরই বিকাশ ঘটিতে থাকে। অথবা অন্য ভাষায়, পরমাত্মচিন্তা দেহকে বিদেহ-তত্ত্বে পরিণত করিয়া লৌকিক আকর্ষণকে অসম্ভব করিয়া তোলে।

আশ্রম তোমার সংসারীর, কিন্তু তাই বলিয়া তুমি কেন সংসারীই রহিয়া যাইবে? স্ত্রীকে বুকে ধরিয়াও তুমি প্রাণময় প্রভুর পবিত্র সঙ্গের স্পর্শ ধ্যানযোগে আস্বাদন কর। দেখিও, রিপুকুল স্তব্ধ হইয়া যোজন দূরে দাঁড়াইয়া রহিবে, তাহাদের শস্ত্রসঙ্কুল উদ্যত বাহু পক্ষাঘাতগ্রস্ত হইয়া পড়িবে।
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব

অখণ্ড-সংহিতা নবম খণ্ড
(পৃষ্ঠা নং ৩১৯ – ৩২০)

নূতন পৃথিবী গড়িব

শ্রীশ্রীবাবামণি বলিলেন,- ব্রহ্মচর্য্য ভারতীয় সভ্যতার শুদ্ধতম আদর্শ বা মেরুদণ্ড। ভারতীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতির শাশ্বত স্তম্ভ হইতেছে ব্রহ্মচর্য্য। নিজ নিজ আশ্রম ও পরিবেশ অনুযায়ী ব্রহ্মচর্য্য পালিবার ভঙ্গী এক এক জনের পৃথক্ হ’তে পারে, কিন্তু পালনকারীর পক্ষে মহাশক্তির-উৎস হচ্ছে ব্রহ্মচর্য্য।

কায়িক সংযম, বাচিক সংযম, দৃষ্টি-সংযম, শ্রুতি-সংযম, মনঃসংযম প্রভৃতি সর্ব্বপ্রকারসংযমই ব্রহ্মচর্য্যের উপাঙ্গ। নারীমাত্রের প্রতি মাতৃবুদ্ধি, পরদ্রব্যের প্রতি নির্লোভতা ক্রোধের উত্তেজক কারণ থাকা সত্ত্বেও ক্রোধদমন সম্যক্ ব্রহ্মচর্য্য রক্ষার সহায়ক।

একটা মানুষও যদি ব্রহ্মচর্য্য পালন করবার চেষ্টা করে, তবে তার অজ্ঞাতসারে চতুর্দ্দিকস্থ দশটা লোক ইচ্ছায় অনিচ্ছায় আপনা আপনি সেই মহাদাদর্শের পানে আকৃষ্ট হবেই হবে। ব্রহ্মচর্য্য স্পর্শমণির স্বরূপ।

যার জীবনে যে অপূর্ণতাই থেকে থাকুক, সে যদি ব্রহ্মচর্য্যের প্রতি অকপট ভাবে অনুরাগী হবার চেষ্টা করে, তাহ’লে একদা তার শূন্য ভাণ্ডার নানা আধ্যাত্মিক সম্পদে ভ’রে উঠবেই উঠবে। ব্রহ্মচর্য্যের প্রতি অন্তরের অনুরাগই তার সব শূন্যতা দূর ক’রে দেবে। নিয়ত ঈশ্বর-স্মরণ ব্রহ্মচর্য্যের ধ্রুবনক্ষত্র।

আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস ব্রহ্মচর্য্যের রাজবর্ত্ম। নিজ শরীরের প্রতি অণু-পরমাণুকে জগৎ-কল্যাণকর্ম্মে বিনিয়োজনের আমূল আগ্রহ ব্রহ্মচর্য্য-সাধনার প্রারম্ভ-বেদী। শুধু ব্যক্তিগত হিতসাধনের জন্য নয়, শুধু নিজেরই উৎকর্ষটুকুর জন্য নয়, পরন্তু জগদ্বাসী অগণিত নরনারীর পরম কুশলার্থে আত্মগঠনের আবেগ থেকে ব্রহ্মচর্য্য-রুচির সার্থক সৃষ্টি।

ব্রহ্মচর্য্য কথাটা ভারতের অতীতের এক কীর্ত্তি আর জগন্মঙ্গল-সাধনার তত্ত্ববিদ্যা ভারতে অতীতের এক কৃষ্টি। সেই কীর্ত্তিকে সেই কৃষ্টির সাথে সংযুক্ত ক’রে নূতন ক’রে আমরা পৃথিবী গড়ব, এইটীই আমাদের সাধনা হউক।

অখণ্ড-সংহিতা চতুর্ব্বিংশ খণ্ড
(পৃষ্ঠা নং ৩৯ – ৪০)

মানব-জীবনের উদ্দেশ্য কি?

শ্রীশ্রীবাবামণি বলিলেন,-

জীবনটা আমাদের কি, তা’ আমরা জানি কি? নিজের মৃত্যু নিজে কখনও দেখিনি, তাই মৃত্যুটা যে কি, তা’ অপরের মৃত্যু দেখে আমরা অনুমান কত্তে চেষ্টা করি মাত্র। যুক্তি টানি, রাম মরেছে, শ্যামও মরেছে, যদুও মরেছে, মধুও মরেছে, সুতরাং হয়ত যাদবও একদিন মরবে, মাধবও একদিন মরবে, রাঘবও একদিন মরবে।

শুনতে পাওয়া যায়, জ্ঞানীরা বলেছেন, জীবমাত্রই মরণশীল, জন্মগ্রহণ করলেই মরতেও হয়, জীবের পক্ষে মৃত্যু একটী শাশ্বত সত্য। মরা মানুষ আবার জন্মগ্রহণ করতে নাও পারে, কিন্তু জীবিত মানুষকে একদিন মরতে হবেই হবে। মৃত্যুর হাত থেকে কারও রেহাই নাই।

তবে কি জন্মগ্রহণ করা আর মরে যাওয়া, এটাই কি জীবনের সম্পর্কে শেষ কথা? মানবজীবন সম্পর্কে এর চাইতে বেশী কিছু কি বলবার বা ভাববার নেই? জন্মালাম আর মরে গেলাম, ব্যস? না, এটাই শেষ কথা নয়। যে সময়টুকু জীবিত রইলাম, সেই সময়টুকু আমি কিভাবে ব্যবহার করলাম, সেটাই হ’ল আসল কথা।

পশুপক্ষী কীটপতঙ্গেরও জীবন আছে, মৃত্যু আছে। কিন্তু তারা জীবন সম্পর্কে এভাবে চিন্তা করে কিনা, আমাদের তা’ জানা নেই। আমরা মানুষ হ’য়ে জন্মেছি। মানুষ মাত্রেই কখনও না কখনও এভাবে চিন্তা করতে বাধ্য হয়।

তার প্রধান কারণ এই যে, দর্শন, স্পর্শন, শ্রবণ, মনন প্রভৃতি কার্য্য সাধনের অন্তরেন্দ্রিয় ও বহিরিন্দ্রিয়গুলি ব্যবহার ক’রে ক’রে সে ইন্দ্রিয়গুলির পৃথক অস্তিত্ব সম্বন্ধে সজাগ হয়। এর ফলে সে বস্তুর এবং তত্ত্বের পার্থক্যবোধ ও একত্ববোধ নানা ভাবে আস্বাদন করে।

আর, পূর্ব্বপুরুষেরা যে বিষয়ে জ্ঞান বা নৈপুণ্য সঞ্চয় করেছেন, তা’ বংশানুক্রমে আস্তে আস্তে পরবর্ত্তী পুরুষ-সমূহে সঞ্চারিত হ’তে থাকার ফলে তাদের বহু-শতাব্দী-সঞ্চিত জ্ঞানের কণাগুলি আমরা বাল্য, কৈশোর ও যৌবনের কয়েকটা বৎসরের মধ্যে আয়ত্ত ক’রে ফেলতে পারি।

অর্থাৎ পূর্ব্বপুরুষদের অর্জ্জিত সম্পদ আমরা প্রায় অনায়াসে যৎসামান্য অভিনিবেশের ফলে একসঙ্গে পেয়ে যাই। এ যেন কয়েকবার পথ হাটাহাটি ক’রে লটারী অফিসের লক্ষ্য মুদ্রা পুরস্কার পেয়ে যাওয়া। মানুষের এই সুযোগ, এই সৌভাগ্য, এই সামর্থ্য আছে। ভগবানের সৃষ্ট এই জগতে মানুষ সব চাইতে সৌভাগ্যশালী প্রাণী। সুতরাং একথা ভাবাই স্বাভাবিক, মানুষের জীবন আমরা হেলায়-খেলায় কাটিয়ে দেবার জন্য পাই নাই।

অখণ্ড-সংহিতা চতুর্ব্বিংশ খণ্ড
(পৃষ্ঠা নং ২১ – ২২)

শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : দুই>>

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- voboghurekotha@gmail.com
……………………………….

……………….
আরও পড়ুন-
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : এক
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : দুই
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : তিন
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : চার
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : পাঁচ
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : ছয়
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : সাত
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : আট
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : নয়
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : দশ
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : এগারো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : বারো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : তেরো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : চোদ্দ
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : পনেরো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : ষোল
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : সতেরো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : আঠারো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : উনিশ

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

error: Content is protected !!