ভবঘুরে কথা

তিলক

চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

তুলসীতত্ত্ব বর্ণন

ফকির লালন বলেই খালাস ‘আমি একদিনও না দেখিলাম তারে’। এই তার মাঝে যে আমি’টা আছে সেই আমি’টাকে যে কে। বিষয়বাসনার এই যাপিতজীবনে তার দর্শন কি আদৌ সম্ভব? সর্বক্ষণ সঙ্গে থাকলেও যাকে ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না। আবার অস্বীকারও করা যায় না।

এই যে জন্মের ভেতর দিয়ে ব্রহ্মাণ্ডে গমনাগমনের যে যাত্রা। এই সব দেখাশোনা, কিছু অহেতুক ভাবনা, শব্দে-কথায় ধরে রাখার জন্যই এই ভবঘুরে কথা। এরবেশি কিছু নয়।

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

তিলকের বিন্দুতত্ত্ব

শুন শুন ভক্তগণ হয়ে একমন। তিলকের বিন্দুতত্ত্ব করহ শ্রবণ।। বিদ্যানিধি সূবিজ্ঞ পণ্ডিত গৌরীদাস। মহাভাগ্যবান তিনি কালনাতে বাস।। তার শিষ্য গোস্বামী হৃদয়ানন্দ ছিল। কৃষ্ণদাস তাঁর কাছে দীক্ষামন্ত্র লৈল।। গুরু বলে কৃষ্ণদাস শুন দিয়া মন। শ্রীজীব গোস্বামী কাছে করহ গমন।। বৃন্দাবনধামে করে গোস্বামী বসতি। তাঁহার নিকটে শিখ শিক্ষাধর্ম্ম নীতি। কৃষ্ণদাস বন্দিলেন গুরুর চরণ। বৃন্দাবন অভিমুখে করিল গমন।। […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

পঞ্চ অঙ্গে তিলক বিধি

১. ললাটে যুগল মূর্তি নাসায় গোবিন্দ। গোপীনাথ কণ্ঠস্থানে করয়ে আনন্দ।। মদনগোপাল বাহুদ্বয়ে বক্ষে গিরিধারী। পঞ্চ ফোঁটা পঞ্চস্থানে দিবে সারি সারি।। এইমত পঞ্চ ফোঁটা তিলক রচিবে। হস্ত ধৌত তিলক সব মস্তকে মুছিবে। ২. গোলকেশ্বর ললাটেতে করিয়াছে স্থিতি। আহ্বাদিনী কণ্ঠদেশে করিছে বসতি। বলরাম দক্ষিণ বাহুতে অধিষ্ঠিত। বাম বাহুতে বাসুদেব আছে বিরাজিত।। শ্রীমঞ্জরী হৃদে রহে এই তত্ত্ব জানি। […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

গোপীচন্দন ব্যবহারের ফল

ত্রিয়াবিহীনং যদি মন্ত্রহীনং শ্রদ্ধাবিহীনং যদি কালবর্জিতাং। কৃত্বা ললাটে যদি গোপীচন্দনং প্রাপ্নোতি তৎকর্ম্মফলং সদাক্ষণম।। অঙ্গহীন মন্ত্রহীন কিংবা শ্রদ্ধাহীন।। গোপীচন্দন ব্যবহারী ক্রিয়াবিহীন।। অনিয়মে কার্য্য যদি কভূ হই করয়। গোপীচন্দনের ফলে কার্যসিদ্ধি হয়।।

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

দ্বাদশাঙ্গ তিলক বিধি

ললাটে কেশবং ধ্যায়েন্নারায়ণ মণোদরে। বক্ষ:স্থলে মাধবস্তু গোবিন্দং কণ্ঠকুপকে।। বিষ্ণুঞ্চ দক্ষিণ কুক্ষৌ বাহৌ চ মধুসূদনং। ত্রিবিক্রমং কন্দরে তু বামনং বামপার্শ্বকে।। শ্রীধরং বামবাহৌ চ হৃষীকেশস্তু কন্দরে। পৃষ্ঠেতু পদ্মনাভঞ্চ কট্যাং দামোদর ন্যস্যেৎ। তৎ প্রক্ষালন তোয়ম্ভু বসুবতি মুর্দ্ধানি।। ললাটে কেশবায় নম:, উদরে নারায়ণায় নম: বক্ষস্থলে মাধবায় নম: কণ্ঠদেশে গোবিন্দায় সম:, দক্ষিণ কুক্ষিতে বিষ্ণবে নম:, ডান বাহুতে মধুসুদনায় নম:, ডান […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

তিলকতত্ত্ব

পর্ব্বতাগ্রে নদীতীরে বিলম্বমূলে জলাশয়ে। সিন্ধুতীরে চ বল্মীকে হরিক্ষেত্রে বিশেষত:।। বিষ্ণোৎস্নানোদকং যত্র প্রবাহিয়তি নিত্যশ:। পুন্ড্রাণাং ধারণার্থায় গৃহ্নীয়াতত্র মৃত্তিকাম্।। (ইতি পদ্মপুরাণে) পর্বত চূড়ায় কিম্বা নদীতট হতে। বিল্ববৃক্ষমূলে আর সমুদ্র সৈকতে। জলাশয় তীর্থ স্থানে লইবে মৃত্তিকা। বিষ্ণুস্নান জল যথা হয় প্রবাহিকা। উর্দ্ধপুন্ড্রু যে তিলক কর সে মাটিতে। এইরূপ বিধি আছে পদ্মপুরাণেতে।

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

জপমালা ও বহুমালা সংস্কার বিধি-

(শ্রীহরিভক্তি-বলিাস, স্কন্ধপুরাণাদি মতে) প্রথমত: মালা পঞ্চগব্য দ্বারা উত্তমরূপে মার্জ্জন করিবে। (গো-মুত্র, গো-ময়, গো-দুগ্ধ, গো-দধি, গো-ঘৃত এই পাঁচটি একত্রে করিলে পঞ্চগব্য হয়)। তারপর ধৌত করিয়া তদুপরি মুলমন্ত্র দশবার এবং গায়ত্রী আটবার জপ করিবে। পরে গুলগুলাদি ধূপের ধূম স্পর্শ করিয়া চন্দন পুষ্প দ্বারা সজ্জ্বিত করিয়া ‘ওঁ সদ্যোজাতং প্রপদ্যামি সদ্যজাতায় বৈ নম:। ভবে ভবে নাদি তবে ভজস্বেমাং ভবোদ্ভাবায় […]

বিস্তারিত পড়ুন
চৈতন্য মহাপ্রভু পরিচিতি

মালা গ্রন্থন

মালা গ্রন্থন মোট একশত আটটি তুলসী কাষ্ঠের মালা ও একটি যগিল সুমেরু লইয়া নয় লহরযুক্ত সূত্রে মালা গাঁথিবার পর প্রত্যেক মালার পর একটি গ্রন্থি দিতে হইবে, যেন মালার সঙ্গে মালা সংযোগ না হয়। প্রথমে বড় মালা গ্রন্থন আরম্ভ করিয়া ক্রমে ক্রমে ছোটর পর ছোট মালা গাঁথিবে। গোপুচ্ছসদৃশ মালার লহর প্রস্তুত করিবে। সমস্ত মালার মুখ উর্দ্ধমুখী […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!