রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কথা

আশ্রমের রূপ ও বিকাশ : দুই

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  শিলাইদহে পদ্মাতীরে সাহিত্যচর্চা নিয়ে নিভৃতে বাস করতুম। একটা সৃষ্টির সংকল্প নিয়ে সেখান থেকে এলেম শান্তিনিকেতনের প্রান্তরে। তখন আশ্রমের পরিধি ছিল ছোটো। তার দক্ষিণ সীমানায় দীর্ঘ সার-বাঁধা শালগাছ। মাধবীলতা-বিতানে প্রবেশের দ্বার। পিছনে পুব দিকে আমবাগান, পশ্চিম দিকে কোথাও-বা তাল, কোথাও-বা জাম, কোথাও-বা ঝাউ, ইতস্তত গুটিকয়েক নারকেল। উত্তরপশ্চিম প্রান্তে প্রাচীন দুটি ছাতিমের তলায় মার্বেল […]

বিস্তারিত পড়ুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কথা

আশ্রমের রূপ ও বিকাশ : এক

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রাচীন ভারতের তপোবন জিনিসটির ঠিক বাস্তব রূপ কী তার স্পষ্ট ধারণা আজ অসম্ভব। মোটের উপর এই বুঝি যে আমরা যাঁদের ঋষিমুনি বলে থাকি অরণ্যে ছিল তাঁদের সাধনার স্থান। সেই সঙ্গেই ছিল স্ত্রী পরিজন নিয়ে তাঁদের গার্হস্থ্য। এই-সকল আশ্রমে কাম ক্রোধ রাগ দ্বেষের আলোড়ন যথেষ্ট ছিল, পুরাণের আখ্যায়িকায় তার বিবরণ মেলে। কিন্তু তপোবনের যে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কথা

শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠাদিবসের উপদেশ হে সৌম্য মানবকগণ, অনেককাল পূর্বে আমাদের এই দেশ, এই ভারতবর্ষ, সকল বিষয়ে যথার্থ বড়ো ছিল–তখন এখানকার লোকেরা বীর ছিলেন; তাঁরাই আমাদের পূর্বপুরুষ। যথার্থ বড়ো কাকে বলে? আমাদের পূর্বপুরুষেরা কী হলে আপনাদের বড়ো মনে করতেন? আজকাল আমাদের মনে তাঁদের সেই বড়ো ভাবটি নেই বলেই ধনকেই আমরা বড়ো হবার উপায় মনে করি, ধনীকেই […]

বিস্তারিত পড়ুন
রবীন্দ্রনাথা ঠাকুর আলাপচারিতা

রবীন্দ্রনাথের সাক্ষাৎকারের অংশবিশেষ

মিনিজেরোড : ‘আপনি কি আমেরিকাকে মহা ইউরোপীয় শক্তিগুলোর মতো সম্পূর্ণভাবে আধ্যাত্মিকতাশূন্য মনে করেন বা আপনি কী মনে করেন, অনাধ্যাত্মিকতার মশাল সেখানে এখনো প্রজ্বালমান? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: আমার বিশ্বাস আমেরিকা আদর্শের অনুসন্ধান করেছে, নিশ্চয় কিছু আমেরিকাবাসী অনুসন্ধান করছেন। আমার সেই ভবিষ্যদ্বাণী করার যোগ্যতা নেই। ভালো জিনিসের এই অনুসন্ধানকারীরা জেগে উঠবেন বিরুদ্ধবাদীদের ভারে আচ্ছন্ন হয়ে বা তাঁরা পৃথিবীর […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!