বিজয় সরকার

কে তোরে সাজালো রে কুমুদিনী

কে তোরে সাজালো রে কুমুদিনী এমন সুন্দর করিয়া।
কেন জলপরির ন্যায় জলের পরে এই সাজ পরিয়া।।

চাঁদের আলো মাখানো ওই কাজলা দিঘির জলে
সেই জলে স্নান করে এলি সোহাগে বিরলে;
তাই তোর রূপের মানিক জ্বলে-
আছিস সরোবরের বিজনতলে কারে স্মরিয়।।

নিশির শিশির ঝরে যেন তোর চোখের জল
ভিজায়ে দিয়ে গেলো তোর খোলা পাপড়ির দল;
পরান বিরহে বিহ্বল-
ও তুই কার লাগি জেগে কান্দিস বল নিশি ভরিয়া।।

ঘোমটা টানা বধু ছিলি পাপড়িঘেরা মুখে
পেয়ে মিলন মধুর লগ্ন এলি নগ্ন বুকে;
পেয়ে পরান বধুকে-
মধুর চাঁদের হাসি আজ তোর মুখে পড়ে ঝরিয়া।।

ফুলের দেশের কালো ভোমর আলোর পাখা মেলি
দিন মানে মধুর তানে করে ফুলকেলি;
তারে রাতে কিই পেলি-
তোর মধুর কৌটা খুলে দিলি কারে বরিয়া।।

পাগল বিজয় কয়, ঐ দূর গগনে ঘোরে নিশাকর
কুমিদিনীর মিলন লাগি সজল নিশাচর;
বাঁধে গোপন ফুলবাসর-
কবে প্রাণবন্ধু মোর গোপন অন্তর নিবে হরিয়া।।

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!