ভবঘুরে কথা

ব্রাহ্মসমাজ মত

ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

পূর্ণাঙ্গ উপাসনার আদর্শ (২)

প্রথম সঙ্গীতের পর উদ্বোধন যিনি সুখে দু:খে আমাদের একমাত্র সহায় ও আশ্রয়, যিনি নিয়ত জ্ঞান ও অজ্ঞাতসারে আমাদিগকে পুণ্যের দিকে লইয়া যাইতেছেন, সেই সর্ব্বশক্তিমান অনন্ত মঙ্গলের প্রস্রবন পরমেশ্বরের উপাসনাতে আমরা প্রবৃত্ত হই। এমন কল্যাণকর কার্য্যে প্রবৃত্ত হইবার পূর্ব্বে আমরা সকলে শান্ত ও সমাহিত চিত্তে সেই দীনবন্ধুর উপর আত্মসমর্পণ করি। শিথিলভাবে, অন্যমনষ্ক হইয়া, কোন কার্য্যই সম্পন্ন […]

বিস্তারিত পড়ুন
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরিচিতি

আদি ব্রাহ্ম সমাজ ও “নব হিন্দু সম্প্রদায়”

-বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায় বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রতি একটি বক্তৃতা করেন। তাহা অগ্রহায়ণের “ভারতী”তে প্রকাশিত হইয়াছে। প্রস্তাবটির শিরোনাম, “একটি পুরাতন কথা।” বক্তৃতাটি শুনি নাই, মুদ্রিত প্রবন্ধটি দেখিয়াছি। নিম্নস্বাক্ষরকারী লেখক তাহার লক্ষ্য। ইহা আমার পক্ষে কিছুই নূতন নহে। রবীন্দ্র বাবু যখন ক, খ, শিখেন নাই, তাহার পূর্ব হইতে এরূপ সুখ দুঃখ আমার কপালে অনেক ঘটিয়াছে। আমার বিরুদ্ধে কেহ […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

ব্রাহ্মোপসনা প্রচলন ও পদ্ধতি

ব্রাহ্মোপসনার প্রচলন: বৈদিকযুগের ঋষিদের উপলব্ধজ্ঞান কালে ঢাকা পরে যায়, ব্রহ্মধ্যান-সাধনা থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হয়। ঈশ্বর পূজার নামে, তন্ত্র, মন্ত্র, আচার-অনুষ্ঠানের বেড়াজালে, মানুষের মন আবদ্ধ হয়ে যায়। কুসংস্কারাচ্ছন্ন ভারতবর্ষের এক মহাদুর্গতির দিনে রাজা রামমোহন রায় এই হৃত ঐশ্বর্যকে ফিরিয়ে আনেন। ঋষিরা যে ব্রহ্মোপাসনা পর্বতশিখরে বা বনে-নির্জনে করতেন, সেই উপাসনা তিনি লোকালয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলন […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

সকলেই কি ব্রাহ্ম?

ব্রাহ্ম কে ব্রহ্ম যাঁহার লক্ষ্য ও উপাস্য তিনিই ব্রাহ্ম। উপরিলিখিত তিনটি মূল সত্যে প্রত্যেক ব্রাহ্ম বিশ্বাসী হন। যিনি এই সত্যে বিশ্বাস করেন ও নিজ জীবনে এই সত্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন তিনিই ব্রাহ্ম। আদর্শ ব্রাহ্ম হতে হলে সংসার থেকে দূরে যাবার প্রয়োজন হয় না। ব্রাহ্মধর্মে ‘ব্রহ্মনিষ্ঠ-গৃহস্থ’ হবার উপদেশ আছে। অর্থাৎ মন কে ঈশ্বরবিশ্বাসী করে, ন্যায়পথে, […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

ব্রাহ্মধর্ম

ব্রহ্মের যে স্বরূপের কথা আগে বলা হয়েছে, সেই নিরাকার, সর্বশক্তিমান, পরিপূর্ণ, আনন্দময় পরব্রহ্মের উপাসনা ও ধ্যান করাই ব্রাহ্মধর্মের মূল উপদেশ। যে ধর্ম ব্রহ্মের সহিত সাক্ষাৎভাবে (অর্থাৎ কোনও প্রতীক, প্রতিমা বা মধ্যবর্তী ছাড়াই) সংযোগের কথা বলে, তাকেই ব্রাহ্মধর্ম বলা হয়। ব্রাহ্মধর্মের মূলসত্য প্রথমসত্য: সমস্ত বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, পৃথিবী, বৃক্ষলতা প্রাণী ও মানুষেল সৃষ্টি ‘ব্রহ্ম’ হতে; তাঁর মধ্যেই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

ব্রহ্ম ধ্যান

সকল আত্মাতেই ব্রহ্মের অনন্ত মঙ্গলভাব বিভাসিত হয়ে আছে। ঈশ্বর মানুষকে জ্ঞান ও ধ্যানশক্তি দিয়েছেন। আকাশে, বাতাসে, জলে, স্থলে, সমস্ত বিশ্বপ্রকৃতিতে, আমাদের জীবনধারণের জন্য আয়োজন করেছেন। প্রথমে জড়জগতে ঈশ্বরের এই অকৃপণদানের মধ্যে ঈশ্বরের মহিমাকে ধ্যান করতে পারি। ক্রমে জ্ঞানচর্চার দ্বারা আমরা নিজের জীবনে, আত্মীয় বন্ধুর জীবনে, সমগ্র মানব সমাজের ক্রিয়াকলাপের মধ্যে, সুখ-দু:খের ঘটনার মধ্যে ঈশ্বরের মহিমা […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

ব্রহ্ম ও ব্রহ্মের স্বরূপ

ব্রহ্ম কি এক মহান শক্তিবলে সমস্ত জগৎ সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থাবর, অবস্থাব, দৃশ্য, অদৃশ্য সবকিছুর মধ্যেই সেই মহান শক্তির প্রকাশ। মানুষ জীবজন্তু, বৃক্ষলতা সকল প্রাণীর মধ্যেও সেই মহান শক্তি কাজ করে চলেছে। এই শক্তি হতেই সবকিছুর সৃষ্টি, এরই মধ্যে সবকিছুর লয় ও পরিসমাপ্তি। এই মহান শক্তিকেই ঋষিরা বলেছেন ‘ব্রহ্ম’। উপাসনাকালে অনেক ভক্ত এই ব্রহ্মকে ঈশ্বর […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

গৃহ প্রবেশ

গৃহস্থের নিজস্ব নূতন গৃহ নির্ম্মিত হইলে বন্ধুগণসহ তাহাতে বসিয়া ঈশ্বরকে ধন্যবাদ করা স্বাভাবিক। গৃহ প্রবেশের দিন সম্ভব হইলে সর্ব্বাগ্রে গৃহের চতুর্দ্দিক প্রদক্ষিণ পূর্ব্বক ঈশ্বরের নাম কীর্ত্তন করা এবং দ্বারে প্রবেশের সময় গৃহস্বামীর একটু ধন্যবাদসূচক প্রার্থনা করা বাঞ্ছনীয়। বাসগৃহের একটি প্রকোষ্ঠ নিত্য উপাসনার জন্য নির্দ্দিষ্ট থাকিলে গৃহে ধর্ম্ম শ্রী রক্ষা করিবার সহায়তা হয়। গৃহ প্রবেশের দিন […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

শ্রাদ্ধ

মৃত্যুর পরে শ্রাদ্ধের দিন পর্য্যন্ত প্রতিদিন গৃহে ঈশ্বরের উপাসনা হওয়া উচিত। মৃত্যুর কতদিন পরে শ্রাদ্ধ ক্রিয়া সম্পন্ন করিতে হইবে তাহার কোন নির্দ্দিষ্ট নিয়ম নাই। কিন্তু শোকের স্বাভাবিক প্রবলতার মধ্যেই শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হইলে ভাল হয়। শোকের অবস্থায় স্বভাবতই লোকের আমোদস্পৃহা হ্রাস হইয়া যায় এবং শান্ত ও সংযতভাবে থাকিতে ইচ্ছা হয়। শোকার্ত্ত ব্যক্তিগত যদি কোন শোকচিহ্ন ধারণ করিতে […]

বিস্তারিত পড়ুন
ব্রাহ্মসামাজ পরিচিতি

মৃত্যু ও অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া

মৃত্যু শয্যায় ঈশ্বরের নাম অপেক্ষা শান্তিপ্রদ ও মধুর কোন বস্তু নাই। পরলোকগমনোদ্যত আত্মীয়ের সম্মুখে তাঁহার আত্মীয়গণ ভক্তি ও ব্যাকুলতার সহিত ঈশ্বরের নাম উচ্চারণ করিবেন ও গান করিবেন। আত্মীয়দের হৃদয় সে সময় দু:খে শোকে অধীর হইবে, সন্দেহ নাই ; কিন্তু পরলোকগামী আত্মার শান্তির দিকে দৃষ্টি রাখিয়া তাঁহার শোকোচ্ছাস দমন করিবেন এবং অনন্তধামের যাত্রীকে দয়াময়ের নাম শুনাইবেন। […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!