হরিচাঁদ ঠাকুর

মহান ধর্মগুরু হরিচাঁদ নিয়ে প্রাথমিক পাঠ

-প্রণয় সেন

“জীবে দয়া নামে রুচি মানুষেতে নিষ্ঠা
ইহা ছাড়া আর যত সব ক্রিয়া ভ্রষ্টা”

কথাটি মহান ধর্মগুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের। শুনে যে কারোরই মনে হবে এতো বিবেকানন্দের সেই বিখ্যাত ‘জীবে প্রেম করে যেই জন…’ কথাটির প্রতিধ্বনি। বিবেকানন্দের কথাগুলো যখন ছেপে বেড়ুচ্ছে এই কথাগুলোও একই সময়ে ছেপে বেরিয়েছে। আছে তারকচন্দ্র সরকারের লেখা ‘শ্রী শ্রী হরিলীলামৃত’ বইতে।


বর্ণগত ভাবে তাদের বাঙালি দলিত নমঃশূদ্র সম্প্রদায় বলে চিহ্নিত করা হলেও, মতুয়া ধর্মে অন্যান্য বর্ণের লোকেরাও অনেকে দীক্ষা নিয়েছিলেন।

১৮১২ সালের ১১ মার্চ এখনকার বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার ওড়াকান্দির পাশে সাফলিডাঙ্গা গ্রামে জন্ম নেন হরিচাঁদ ঠাকুর। তাঁর বাবার নাম ছিল যশোবন্ত ঠাকুর, মা অন্নপূর্ণা। পাঁচ সন্তানের তিনি দ্বিতীয়।

তিনি ‘হরিনামে মুক্তি’ কথাটা বাকি বৈষ্ণবদের মতো প্রচার করলেন বটে কিন্তু সেই মুক্তি তত্ত্ব বাকি সহজিয়া বৈষ্ণবদের থেকেও সহজ। ‘গৌড়ীয় বৈষ্ণব’দের থেকে একেবারেই ভিন্ন। তাই এর নামও ভিন্ন। হরিনামে মাতোয়ারা-এমন এক ধারণার থেকে ধর্মসম্প্রদায়টির নাম হলো ‘মতুয়া’

বর্ণগত ভাবে তাদের বাঙালি দলিত নমঃশূদ্র সম্প্রদায় বলে চিহ্নিত করা হলেও, মতুয়া ধর্মে অন্যান্য বর্ণের লোকেরাও অনেকে দীক্ষা নিয়েছিলেন।

মতুয়া ধর্মের মূল কথাগুলো বোঝা খুব কঠিন নয়। বৌদ্ধধর্মের অষ্টাঙ্গিক মার্গের আদলে হরিচাঁদেরও ছিল দ্বাদশ আজ্ঞা-

১. সদা সত্য কথা বলা।
২. পরস্ত্রীকে মাতৃজ্ঞান করা।
৩. পিতা মাতাকে ভক্তি করা।
৪. জগতকে প্রেমদান করা।
৫. পবিত্র চরিত্র ব্যাক্তির প্রতি জাতিভেদ না করা।
৬. কারো ধর্ম নিন্দা না করা।
৭. বাহ্য অঙ্গে সাধু সাজ ত্যাগ করা।
৮. শ্রীহরি মন্দির প্রতিষ্ঠা করা।
৯. ষড়রিপুর থেকে সাবধান থাকা।
১০. হাতে কাজ মুখে নাম করা।
১১. দৈনিক প্রার্থনা করা।
১২. ঈশ্বরে আত্ম দান করা।

সম্প্রতি এই ধর্ম নিয়ে প্রচুর লেখালেখি হচ্ছে , তর্ক বিতর্কও হচ্ছে ‘মতুয়া’ সমাজের বাইরেও, ভেতরেতো বটেই। কিন্তু ধর্মগুরু হরিচাঁদের জীবৎকালে লিখিতভাবে কোন ধর্মাদেশ দাঁড় করাবার চেষ্টা ছিল না।

তারক সরকারের ‘শ্রীশ্রীহরিলীলামৃত’ বইটি লেখা হলেও প্রকাশের অনুমতি দেন নি ধর্মগুরু হরিচাঁদ । বস্তুত পছন্দও করেন নি। সুতরাং তাঁর ধর্মমত ছড়িয়েছিল লোকের মুখে মুখে, স্মৃতিতে, গানে, কীর্তন আসরে। বৈদিক অবতারতত্ত্ব, পাপ পুণ্য, স্বর্গ নরক, আচার বিচার কিছুতেই আস্থা রাখতেন না তারা।

এমনকি যে ‘হরি’নামের কথা বলা হচ্ছে তিনিও বৈষ্ণব হরির থেকে ভিন্ন। অনেকের মতে মতুয়া ধর্ম আসলে বাংলাদেশের প্রাক-বৈদিক বৌদ্ধধর্মের পুনরুত্থিত, পুণর্নির্মিত রূপ। একত্রে অনেকে মিলে নাম করলে প্রেমবোধ জাগে তাই এই নাম নেয়া।

এমনকি দাসের বাজারে কেনাবেচাও করে দিত গরীব চাষাদের। ১৮৪৬ নাগাদ এই দাসব্যবসা বন্ধ করে ফেলা ছিল মতুয়াদের প্রথম বড় সাফল্য। ‘শাস্তিবিক্রি’ নামে একটি অদ্ভূৎ প্রথা চালু ছিল বাংলাদেশে ।

‘শ্রী শ্রী হরিলীলামৃতে’ও আছে-

‘বুদ্ধের কামনা তাহা পরিপূর্ণ জন্য
যশোবন্ত গৃহে হরি হৈল অবতীর্ণ।’

১৮৩৩ সাল নাগাদ প্রায় একুশ বছর বয়সে ধর্মগুরু হরিচাঁদ স্থানীয় জমিদার এবং ব্রাহ্মণ্য শাসকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে জন্মগ্রাম ছেড়ে ওড়াকান্দি চলে আসেন। জমিদারদের দরিদ্র কৃষক লুণ্ঠনের ব্যাপারটিতো তিনি জানতেনই।

কিন্তু এখানে এসেই তিনি উপলব্ধি করেন কলকাতার জমিদারদের বিলাস বৈভবের রহস্য। মাত্র তিনমাসের খোরাকি দিয়ে এরা গোটা বছর কৃষকের ঘাম ঝরিয়ে নিত। বেগার খাটাতো। এমনকি দাসের বাজারে কেনাবেচাও করে দিত গরীব চাষাদের।

১৮৪৬ সাল নাগাদ এই দাস ব্যবসা বন্ধ করে ফেলা ছিল মতুয়াদের প্রথম বড় সাফল্য। ‘শাস্তিবিক্রি’ নামে একটি অদ্ভুৎ প্রথা চালু ছিল বাংলাদেশে। বাবু জমিদারেররা খুন-রাহাজানির মামলাতে জড়ালে দলিত অন্ত্যজ লোকেদের লোভ কিম্বা ভয় দেখিয়ে নিজের কাঁধে দায় নিয়ে বাবুদের বাঁচিয়ে দিতে বাধ্য করা হতো।

ধর্মগুরু হরিচাঁদের নেতৃত্বে এই কুপ্রথা এবং সেই সঙ্গে নরবলির বিরুদ্ধে প্রচার আন্দোলন শুরু হয়। লেখাই বাহুল্য যে নরবলির শিকার হতেন নমশূদ্রদের মতো দলিতেরাই। ফলে আশপাশের বিভিন্ন জেলাতে মতুয়াদের কথা ছড়িয়ে পড়ে।

‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে’ –র মতো গানের মধ্যে জাতবর্ণ বিরোধিতার তত্ত্বকে সম্প্রসারিত করে ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ সন্ধানের মধ্যেও মিথ্যা কিছু নেই। কিন্তু এর মধ্যে আটকে থাকাটি হচ্ছে এক চূড়ান্ত মধ্যবিত্ত ভণ্ডামী। কেউ ব্যক্তিগত ভাবে জাত না মানাবার দাবি করলেই জাত সংসার থেকে বিদায় নেয় না।

ধর্ম থেকে রাজনীতিকে আলাদা করবার ব্যাপারটি একটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন এবং তা এর জন্যেই যে সামন্ত সমাজে দু’টিকে আলাদা করে দেখাই কঠিন। যে মধ্যবিত্তরা শরৎচন্দের ‘মহেশ’ গল্পটি পড়েছেন তারা দেখেছেন কীভাবে জমিদারের জমির লোভের প্রকাশ ব্রাহ্মণের শাস্ত্রের দোহাই হয়ে প্রকাশ পায়।

তাই একুশ শতকের কিছু শহুরে মধ্যবিত্ত যখন নির্বিচারের দলিতদের রাজনৈতিক আন্দোলন থেকে ধর্মের বিচ্ছেদ আশা করেন, তখন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসলেই তারা সামন্ত প্রভুদের স্বার্থকে সুরক্ষা দেন। তখন কারতো বটেই এখনো, বহু দলিত-আদিবাসী আন্দোলন থেকে তাই রাজনৈতিক কর্মসূচী এবং ধর্মের বিকাশকে স্বতন্ত্র করে দেখা এক কঠিন কাজ।

লালন ফকিরকেও জমিদার শাসনের বিরুদ্ধে লাঠি নিতে হয়েছিল, তাও আবার যে সে নয়- একেবারে বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের বিরুদ্ধে। লালন ফকিরের গানগুলোতে সহজিয়া দেহতত্ত্ব আবিষ্কার করে আজকের বহু মধ্যবিত্ত মুগ্ধতার মধ্যে কিছু সত্য নিশ্চয় আছে, ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে’ –র মতো গানের মধ্যে জাতবর্ণ বিরোধিতার তত্ত্বকে সম্প্রসারিত করে ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ সন্ধানের মধ্যেও মিথ্যা কিছু নেই।

কিন্তু এর মধ্যে আটকে থাকাটি হচ্ছে এক চূড়ান্ত মধ্যবিত্ত ভণ্ডামী। কেউ ব্যক্তিগতভাবে জাত না মানাবার দাবি করলেই জাত সংসার থেকে বিদায় নেয় না।

কথা হলো তার বিরুদ্ধে কোন সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হচ্ছে কিনা। চাইলেই সেই প্রতিরোধের বাস্তবতা সর্বত্র নাও থাকতে পারে, তখন গ্রামীণ কৃষক সমাজে দেখা দেন লালনের মতো ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রতিবাদী, কিন্তু নিষ্ক্রিয় প্রতিবাদী। উল্টোদিক থেকে এমন প্রতিরোধ গড়ে উঠার সম্ভাবনা মাত্রকে নিরাকরণ করবার প্রয়াস চিরদিনই ছিল উচ্চবর্ণের দিক থেকে।

দলিতদের উত্থান বিবেকানন্দকেও বিচলিত করছিল, কিন্তু তাঁর সমস্যা ছিল অন্যদিক থেকে। একে তিনি সর্বভারতীয় জাতীয়তা নির্মাণের বাঁধা হিসেবে দেখছিলেন। তাই একদিকে যেমন উঁচু বর্ণের লোকদের ডেকে বলছেন, বলো চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই! অন্যদিক থেকে এই প্রশ্নও করছেন ব্রাহ্মণদের প্রতিষ্ঠা দেখে এতো ঈর্ষান্বিত হবার কি আছে?

কিন্তু এই কথাটি যে মৎসজীবির থেকে বেদান্তবাদী পণ্ডিত এবং তাঁদের অনুগামী শাসকশ্রেণির লোকেদের বেশি করে বোঝা দরকার, এবং না বুঝলে তার বিরুদ্ধে রীতিমত সংগঠিত প্রতিবাদটি দরকার এই সত্য বিবেকানন্দ বুঝতে চেয়েছেন বলে মনে হয় না।

সংস্কৃত গ্রন্থাদি পড়ে তাদের টেক্কা দিলেই হলো। তিনি আশা করছেন, মৎসজীবির কাছে গিয়ে কেউ বেদান্ত ব্যাখ্যা করলেই সবার ভেতরে একই ঈশ্বর দেখে মৎসজীবি মুগ্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু এই কথাটি যে মৎসজীবির থেকে বেদান্তবাদী পণ্ডিত এবং তাঁদের অনুগামী শাসকশ্রেণির লোকেদের বেশি করে বোঝা দরকার, এবং না বুঝলে তার বিরুদ্ধে রীতিমত সংগঠিত প্রতিবাদটি দরকার এই সত্য বিবেকানন্দ বুঝতে চেয়েছেন বলে মনে হয় না।

বরং এমন প্রতিবাদে কোন লাভ হবার নয় বলেই তিনি মত ব্যক্ত করেছেন, বৃটিশ ভারত বর্ণ ব্যবস্থাকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলেছে বলে প্রশংসাও করছেন। যখন কিনা, বিনয় ঘোষের মতো মার্ক্সবাদী সমাজ বিজ্ঞানীরা ১৯৭৮ সালে এসেও বৃটিশ ভারতে জাতবর্ণ ব্যবস্থা বিলীন হয়ে যাবে বলে। স্বয়ং কার্ল মার্ক্সের অনুমানকেও নাকচ করে এক নতুন অধ্যায় জুড়ছেন। তাঁর তিন দশক আগের লেখা ‘বাংলার নবজাগৃতি’ গ্রন্থে ।

ধর্মগুরু হরিচাঁদ এবং তাঁর পরে গুরুচাঁদ ঠাকুর সেই সংগঠিত প্রতিবাদের পথ ধরেছিলেন বলেই তাদের ধর্ম রাজনীতির চেহারা নিচ্ছিল, রাজনীতি ধর্মের। সেই প্রতিবাদের পথ ধরেছিলেন বলেই, বাকি বাঙালি সমাজ তাদের সম্পর্কে লালন করেছে এক আশ্চর্য নীরবতার নীতি।

সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন বলেই, হরিচাঁদ কাউকে সন্ন্যাস নিতে বা তীর্থে যেতে মানা করেন। ‘শ্রী শ্রী হরিলীলামৃতে’ লেখা হচ্ছে, ‘সংসারে থেকে যার হয় ভাবোদয়। সেই সে পরম সাধু জানিবে নিশ্চয়।’

সংসার এবং মানুষের বাইরে ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করে বলা হচ্ছে-

যে যাহারে ভক্তি করে সে তার ঈশ্বর
ভক্তিযোগে সেই তার স্বয়ং অবতার।।

কিম্বা

বিশ্বভরে এই নীতি দেখি পরস্পর।
যে যাহারে উদ্ধার করে সে তাহার ঈশ্বর।।

সুতরাং কোন দীক্ষাও নেই, নেই গুরু গোঁসাই-

দীক্ষা নাই করিবে না তীর্থ পর্যটন।
মুক্তি স্পৃহাশূণ্য নাই সাধন ভজন।।

গুরু গোঁসাই সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে হরিচাঁদের উক্তি-

কোথায় ব্রাহ্মণ দেখো কোথায় বৈষ্ণব।
স্বার্থবশে অর্থলোভী যত ভণ্ড সব।।

গুরু গোঁসাইদের শাস্ত্রানুশাসনকে অমান্য করে তাঁর চরম অবস্থান-

কুক্কুরের উচ্ছিষ্ট প্রসাদ পেলে খাই।
বেদাবিধি শৌচাচার নাহি মানি তাই।।

এগুলো শুধু ব্রাহ্মণেরাই সহ্য করবেন না এমনতো নয়, গোটা সামন্ত সমাজের শাসন মানিয়ে নেবার প্রাথমিক শর্ত এগুলো। স্বাভাবিক ভাবেই নিন্দা, অপপ্রচার, লাঠিয়াল দিয়ে পেটানো, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া, পুকুরে বিষ দেয়া, জোরে মাঠের ধান কেটে নিয়ে চলে যাওয়া এবং সর্বোপরি সামাজিক বয়কট হলো মতুয়াদের শায়েস্তা করবার জন্যে সামন্ত শ্রেণির হাতিয়ার।

বিপরীতে বাধ্য হয়ে লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তুলতে হয়েছিল মতুয়াদের। এর সঙ্গে ছিল নীলকর সাহেব এবং নায়েব গোমস্তাদের অত্যাচার। একবারতো এমন কিছু নায়েব এবং সাহেবদের নীলের কড়াইতে ফেলে সেদ্ধ করে ফেলেন এই লাঠিয়ালরা।

সংকটে দীর্ণ মতুয়াদের বিয়ে শ্রাদ্ধে ব্যয় কমাতে নির্দেশ দিলেন হরিচাঁদ-

বিবাহ শ্রাদ্ধেতে সবে কর ব্যয় হ্রাস।
শক্তির চালনা, সবে রাখো বারমাস।।

উৎপাদন ব্যবস্থার উপর চাষীদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা নিয়েও ভেবেছিলেন তিনি-

মন দিয়ে কৃষি কর, পূজ মাটি মায়।
মনে রেখো বেঁচে আছ মাটির কৃপায়।।

চাষাদের আত্মমর্যাদাবোধ এবং আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে বছরে তিনবার ফসল ফলাতে উদ্বুদ্ধ করলেন-

সর্বকার্য হতে শ্রেষ্ঠ কৃষি কার্য হয়।
ত্রিফলা না করা আমাদের ভাল নয়।।

উদবৃত্ত অর্থকে ব্যবসায়ে খাটিয়ে ধনলাভে উৎসাহিত করতে নিজে শিখে অন্যকে শেখাতে শুরু করলেন, দরকারে অনেককে টাকা ধার দিতেও শুরু করলেন-

নিজহাতে ব্যবসা করেন হরিচাঁদ
বাণিজ্য প্রণালী শিক্ষা সবে কৈল দান।।

……………………………
আরো পড়ুন:
শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: এক
শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: দুই
শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: তিন

তারকচাঁদের চরিত্রসুধা
অশ্বিনী চরিত্রসুধা
গুরুচাঁদ চরিত
মহান ধর্মগুরু হরিচাঁদ নিয়ে প্রাথমিক পাঠ
হরিলীলামৃত
গুরুচাঁদের বারো গোঁসাই
তিনকড়ি মিয়া গোস্বামী
শ্রী ব্রজমোহন ঠাকুর

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!