ভবঘুরেকথা
অসীম মানুষ

মানুষের ভিতরে অসীম মানুষ বাস করে: চার

-ফিরোজ এহতেশাম

মানুষের ভিতরে অসীম মানুষ বাস করে শিরোনামে ফকিরকুলের শিরোমনি ফকির লালন সাঁইজির রওজার প্রধান খাদেম মোহাম্মদ আলী ফকিরের দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাংবাদিক ফিরোজ এহতেশাম। আজ প্রকাশিত হচ্ছে সাক্ষাৎকারটির চতুর্থ ও শেষ পর্ব-

[ফকির মো. আলী শাহর সাক্ষাৎকার]

মোহাম্মদ আলী ফকির: কাঠামো… আমি এর আগেও অবশ্য পেশ করেছি যে, এটা গুরুমুখী, গুরুবাদী ধর্ম। গুরু যেটা নির্দেশনা করেছেন বা আদেশ করেছেন সেই মোতাবেকে আমাকে চলতে হয়। তারপর বহিরাগত কী করি না করি সেটা আপনাকে স্বচক্ষে দেখতে হবে। আমি প্রকাশ করতে পরব না।

ফিরোজ: নিষেধও আছে?

আলী: নিষেধও আছে। কিন্তু বাহ্যিক যখন কাজকর্মগুলো করি তখন তো আর নিষেধ থাকে না, তখন তো প্রকাশই হয়ে যায়। ওটা আপনাকে সাধুসঙ্গে থেকে অবলোকন করতে হবে।

ফিরোজ: লালনের সময় তো বিভিন্ন ধর্ম, জাত-পাত ইত্যাদি ছিল সামাজিক সমস্যা?

আলী: হুঁ, ছিল।

ফিরোজ: লালন তাঁর জীবন ও গানের ভিতর দিয়ে সেসবের বিরোধিতা করছেন। এখন তো সমাজ পরিবর্তন হইছে…

আলী: হ্যাঁ, যে কথাটা আমি কিছুক্ষণ আগে বলেছি অবশ্য…

ফিরোজ: হ্যাঁ, নতুন নতুন মাত্রায় সামাজিক সমস্যাগুলো আমাদের সামনে উপস্থিত হচ্ছে। তো বর্তমানে বাউলদের রাজনৈতিক, সামাজিক করণীয়গুলো কী? বাউলরা এখন কী করতেছে?

আলী: বাউল, সাধুগুরুরা কোনোদিনও রাজনীতির সাথে জড়িত না। কিন্তু তারা সমাজেরও বাইরে না। সামাজিক অনেক বাঁধা-বিপত্তি আসে। সেই বাঁধা-বিপত্তিগুলোকে অতিক্রম করে আমাদের সাধনার জগতে পৌঁছতে হয়।

ভালো কাজ করতে গেলে মন্দ কাজের সম্মুখীন হতে হয়, বাধা আসে। তারপরেও সমস্ত বাধা অতিক্রম করে আমাদেরকে কাজ করতে হয়, এগিয়ে যেতে হয়।

ফিরোজ: আচ্ছা, সহজ মানুষ যে বলা হয়…

আলী: সহজ মানুষ ভজে দ্যাখ না রে মন দিব্যজ্ঞানে…

ফিরোজ: সহজ মানুষ কী?

এই সহজিয়া… মানে এখানে কোনো কঠিন কাজ-টাজ থাকবে না। সহজ মানুষ তো সহজই, নাকি? যে সহজ মানুষকে এখানে বোঝানো হচ্ছে সে লোভ, ক্রোধহীন একটা মানুষ। যার ভেতরে কোনো বাসনা নাই, লোভ, অহংকার নেই, মানুষকে গিবত করার কোনো আভাস নেই- এই ধরনের মানুষগুলোই সহজ মানুষ।

আলী: সহজ মানুষ… আপনার হয়ত জানা আছে কীনা আমার জানা নাই। বৌদ্ধ ধর্মের একটা সহজিয়া প্রভাব ছিল। সহজিয়া মত। তো এই বাউল সাধনা কিন্তু ওইখান থেকেই…

ফিরোজ: একটা অংশ পায়?

আলী: একটা অংশ পায়। বাউল সাধনা… যেটা মনে হয় গতকালকে আমি আপনার সঙ্গে আলাপ করেছিলাম যে, ইসলামী সুফি মতবাদ, হিন্দুদের বৈষ্ণব ধারা এবং বৌদ্ধদের সহজিয়া- এই তিন ধারা থেকেই বাউল সমাজের গঠন, উৎপত্তি বলতে পারেন আপনি।

এই সহজিয়া… মানে এখানে কোনো কঠিন কাজ-টাজ থাকবে না। সহজ মানুষ তো সহজই, নাকি? যে সহজ মানুষকে এখানে বোঝানো হচ্ছে সে লোভ, ক্রোধহীন একটা মানুষ। যার ভেতরে কোনো বাসনা নাই, লোভ, অহংকার নেই, মানুষকে গিবত করার কোনো আভাস নেই- এই ধরনের মানুষগুলোই সহজ মানুষ।

ফিরোজ: নেগেটিভ কোনো বিষয় নেই তার মধ্যে?

আলী: নেগেটিভ বিষয় নেই, সে কামের ঊর্ধ্বে, যার ভেতরে কোনো অস্বচ্ছতা থাকবে না, স্বচ্ছ জিনিস যার ভিতরে প্রতীয়মান, বিরাজমান, সেটাই সহজ মানুষ। এবং সেই মানুষকে ভজে আমাকে সহজ হতে হবে। আমাকেও সহজ হতে হবে।

সহজ মানুষকে ভজে আমি তো অসহজ কাজ করতে পারব না। তাই আমাকেও সহজই হতে হবে। তাই সাঁইজি বলছেন, একজন সহজ মানুষকে ভজে সে সহজ মানুষ হয়। এটা তার ধর্মের একটা বিধান বলতে পারেন। থিমও বলতে পারেন।

ফিরোজ: লালন যে নিজের ধর্মীয় বা সামাজিক পরিচয়টা গোপন করছিলেন, কেন করছিলেন? কী মনে হয় আপনার?

আলী: গোপন উনি করেননি। বাহ্যিক দৃষ্টিতে মনে হয় উনি গোপনের কথা বলছেন। এটা তো সম্পূর্ণ উচ্চমার্গের কথা। রাসুল কিন্তু সবই কিন্তু বলে দেননি। উনারও কিছু গোপন তত্ত্ব ছিল। রাসুল, আমাদের নবীজি।

তাই সাঁইজি একটা বাণীতে বলেছেন যে, অপরকে বুঝাতে তামাম, করেন রাসুল জাহেরা কাম, বাতুনে মশগুল মোদাম, কারও কারও জানাইলে। কারও কারও জানাইলে মানে, ওই তাঁর যে সাহাবা চারজন ছিলেন, সেই চারজনকে জানিয়েছিলেন।

ফিরোজ: মানে মারেফতি আর শরিয়তি…

আলী: এখানে ধরেন অন্ধকার আর আলো দুটো জিনিস আছে। অন্ধকার আছে বিধায় আলোর এত দাম, মূল্য। তাই না? আলো আছে বিধায় অন্ধকারের এত মূল্যায়ন করি আমরা। তো যা-ই হোক, সাঁইজি গোপন… গোপন না তো।

তিনি সহজ ভাষায়, বাংলা ভাষায় কোরআনের… এটা বাংলা কোরআন। আমরা যদি সেটা দুর্বোধ্য বা কঠিন ভেবে নিই, তাহলে সেটা বলতে হবে আমাদের অপারগতা।

না, সামাজিক কোনো পরিচয় উনি দেননি। উনার নিজের সম্বন্ধে বলতে গেলে সব সময় উনি নিজেকে ছোটই করেছেন। আমি অধম, আমি পামর, আমি পাপী, যেগুলো উনার গানের মধ্যেই প্রকট আকার ধারণ করেছে।

ফিরোজ: লালন হিন্দু নাকি মুসলমান- এই প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করাটা কী হাস্যকর কিংবা বোকামি নয়? যেখানে লালন নিজেই ছিলেন এসব ধর্মের ঊর্ধ্বে? তাঁর অসংখ্য গানে এসবের প্রমাণ আছে। তাঁর গানই তো তাঁর জীবনদর্শন।

আলী: হ্যাঁ, অনেকেই এসে আমাকে প্রশ্ন করেন লালন সাঁইজি হিন্দু ছিলেন, না মুসলিম ছিলেন? তখন আমাকেও তো একটা কিছু বলতে হবে। তখন আমি বলি যে, আমি কী করে বলব! উনি তো নিজেই বলতে পারেননি।

উনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এইসব প্রসঙ্গে। উনি সেই সময় বলেছিলেন যে, আমি এইসবের- হিন্দু, মুসলিম, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান- এসবের আমি কিছুই না। আমি মানুষ। আমি মানুষ রূপে এসছি, আমি মানুষ।

ফিরোজ: আলাদা কোনো সামাজিক পরিচয়…

আলী: না, সামাজিক কোনো পরিচয় উনি দেননি। উনার নিজের সম্বন্ধে বলতে গেলে সব সময় উনি নিজেকে ছোটই করেছেন। আমি অধম, আমি পামর, আমি পাপী, যেগুলো উনার গানের মধ্যেই প্রকট আকার ধারণ করেছে।

ফিরোজ: সিরাজ সাঁইকে তো উনি গুরু হিসেবে…

আলী: সিরাজ সাঁইয়ের কথা উত্থাপন করলেন। সিরাজ সাঁইকে নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি আছে। তবে সাধারণ দৃষ্টিতে মনে হয় যে, সিরাজ সাঁইকে উনি গুরু ভাবছেন। এখন আমার গুরু যদি আমি আল্লাহকে মানি, সেটাও মানা যায়। তাই না?

আমি যদি সেই পর্যায়ে পৌঁছাইতে পারি, তার কাছ থেকেই তো সব পেতে পারি। তাই না? এটা পর্যায়ে পৌঁছানোর ব্যাপার-স্যাপার আছে। হয়ত উনি সেই পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন। হয়ত তার কাছ থেকে তিনি লাভ করতেন সব।

ফিরোজ: ওহির মতো?

আলী: ওহির মতো লাভ করতেন। তারপরেও সাঁইজির ভাষাতে, বাণীতে একটা কথা আছে যে, ‘মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার, ভবে সর্ব সাধন সিদ্ধি হয় তার।’ এখানে আমাদের একটু খটকা লাগে। হয়ত সিরাজ সাঁইজি মানুষ রূপে ছিলেন। এ নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি আছে।

তো আমার মনে হয় যে, তারা মহামানব, সাধক ব্যক্তি, তাদের সম্বন্ধে আলোচনা না করাই ভালো। হয়ত মিথ্যা-সত্যি হয়ে যাবে। আমি অপরাধী হয়ে যাব। তবে উনি যেখানে থাকুন না কেন, আমার মাথার উপরে থাকবেন। আমি এইটুকুই বলব।

ফিরোজ: সিরাজ সাঁইয়ের অস্তিত্ব থাকতেও পারে, না থাকতেও পারে?

আলী: এটা মতভেদ রয়ে গেছে।

ফিরোজ: বাউলদের যে সন্তান না নেওয়ার বিষয়টা আছে, কী কারণে তাঁরা সন্তান নেয় না?

আলী: বাউলদের সন্তান না নেওয়ার কারণ এতে আত্মার খণ্ডন হয়ে যায়। আত্মা খণ্ডন করেই তো একজনকে সৃষ্টি করা হয়, একজনকে আনা হয়। তাই না? সাঁইজি একটা বাণী বলেছেন যে, ‘পিতার বীজে পুত্রের সৃজন, তাইতে পিতার পুনর্জনম।’

এই আত্মা খণ্ডন হয় বিধায় আমার আবার পুনর্জনমও হয়। যদি আত্মা আমার খণ্ডন না হতো তাইলে আমার পুনর্জনম হতো না। তো আত্মা খণ্ডন করে একজনকে তৈরি করা হয়, সৃষ্টি করা হয়। তো, আত্মাটা তো কে? আত্মা কে? আত্মা তো সে-ই। তো তাকে আমি ভেঙে ফেললাম না?

ফিরোজ: আত্মা কে?

আমি যখন তরিকায় এসেছিলাম তারপর থেকে আমার কোনো সন্তান-সন্ততি নেই। তরিকায় আসার আগে আমার বিয়ে হয়েছে, তিনটা সন্তানও হয়েছে। আমি তিন সন্তানের জনক। তরিকায় আসার পরে আমার আর কোনো সন্তানাদি হয়নি।

আলী: পরমেশ্বর। তাকে ভেঙে ফেললাম না? তো ভেঙে ফেলা… তার কাছে আমি কী জবাবদিহি করব? তাই সাঁইজি আরেকটা বাণীতে বলেছেন যে, ‘মহাজনের ধন এনে ছিটালি রে উলুবনে।’ ওইটাই ছিটানো হলো। সন্তান জন্ম দেয়া যেটা।

তারপরও সাঁইজি বলেছেন যে, যারা আত্মার খণ্ডন করে পুত্র বা কন্যার জন্মদান করে তারা পরমেশ্বরের নৈকট্য লাভ করতে পারে না। ঠিক এই বিশ্বাসে সাধারণত বাউলরা সন্তান নেন না বা তারা সৃষ্টির জগতে যেতে চান না।

ফিরোজ: আপনার তো কোনো সন্তান নাই?

আলী: আমি যখন তরিকায় এসেছিলাম তারপর থেকে আমার কোনো সন্তান-সন্ততি নেই। তরিকায় আসার আগে আমার বিয়ে হয়েছে, তিনটা সন্তানও হয়েছে। আমি তিন সন্তানের জনক। তরিকায় আসার পরে আমার আর কোনো সন্তানাদি হয়নি।

ফিরোজ: আপনার সন্তানরা কী বাউল ধর্মে বিশ্বাস করে?

আলী: হ্যাঁ, আমার সন্তানাদি লালন সাঁইজির থিমে বিশ্বাসী। আমার এক মেয়ে, দুই ছেলে।

ফিরোজ: আপনার সন্তানদের সম্পর্কে জানতে চাই।

আলী: আমার মেয়ে গ্রাজুয়েট। একটা সরকারি জব করে। জামাই পলিটিকাল সায়েন্সে মাস্টার্স। একটা স্কুলের হেড মাস্টার। আমার বড় ছেলে এখানে একটা ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করে, বিবাহিত। বৌমা গৃহিনী। ছোট ছেলে ম্যানেজমেন্টে অনার্স এবং মাস্টার্স। ঢাকাতে অবস্থান করে। একটা ভালো চাকরি করে। বিবাহিত।

ছোট বৌমা ইংরেজিতে অনার্স এবং মাস্টার্স। একটা ইংরেজি স্কুলে চাকরি করে ঢাকাতেই। তারা ঢাকাতেই বাসা নিয়ে থাকে। এতে আমার কোনো কৃতিত্ব নেই। আমার মনে হয় এটা আমার সাঁইজির কৃতিত্ব। সাঁইজিরই দান এটা। আমি এইটুকুই ভাবি। আমার নিজের কোনো কৃতিত্ব নাই।

ফিরোজ: আসলে প্রশ্ন করতে গেলেও তো অনেক কিছু জানতে হয়। আমি তো তেমন কিছু জানি না। আপনার কী মনে হয় আমি আপনাকে প্রশ্ন করতে পারছি?

আলী: না-না, আপনি প্রশ্ন করতে পেরেছেন। আমার মনে হয় সাঁইজিকে নিয়ে আপনি যে আমাকে প্রশ্নগুলো করলেন সেগুলো ছিল গঠনমূলক। আমি প্রশ্নের উত্তর দিতেও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছি। সব নিয়ে আপনি আমাকে সাঁইজি সম্পর্কে খুব সুন্দর সুন্দর প্রশ্ন রাখছেন।

আমি নিজেকে কৃতার্থ বোধ করছি। আমি মনে করি সম্পূর্ণ জবাব দিতে পেরেছি। তারপরও আমি বলব হয়ত পারিনি। এটা আপনার বিবেচ্য বিষয়।

ফিরোজ: যেসব ক্ষেত্রে পারেননি সেসব তো ওই যে গোপন যেহেতু…

আলী: হ্যাঁ, ওইটাকে আমি অমিট রেখেছি, আমি হয়ত পারিনি।

ফিরোজ: এর বাইরে আপনি আর কিছু বলতে চান কিনা?

আলী: না, আমি এর বাইরে আর কিছু বলতে চাই না। এর বাইরে কিছু বলতে গেলে আরও গভীরে যেতে হবে।

ফিরোজ: আচ্ছা। গভীরের কথা শুনতে হইলে দীক্ষা ছাড়া গতি নাই?

আলী: গভীরের কথা শুনতে গেলে মোটামুটি দীক্ষা নিতে হবে।

ফিরোজ: খেলাফতের কথাটা একটু বলেন না। খেলাফত যে নেয় সে তো জীবন্মৃত?

আলী: হ্যাঁ, ওটা মরণের আগে মরে যায় সে।

ফিরোজ: জ্যান্তে মরা?

আলী: হ্যাঁ, জ্যান্তে মরা। সাঁইজি বলেছেন, মরো জীন্দেগির আগে, দেখে সমন যাক ভেগে। মৃত্যু যন্ত্রণা কিন্তু একটা আছে। যদি আমি খেলাফত বরণ করে মৃত্যুবরণ করি তখন মৃত্যুর স্বাদ আমাকে অত কঠিনভাবে নিতে হবে না। এটা আমার সাঁইজির বিশ্বাস।

ফিরোজ: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক সুন্দর করে আপনি কথা বলছেন।

আলী: আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।

(সমাপ্ত)

<<মানুষের ভিতরে অসীম মানুষ বাস করে: এক

………………
সাক্ষাৎকারটি ফিরোজ এহতেশামের ‘সাধুকথা: ১৩ বাউল-ফকিরের সাথে কথাবার্তা’ বই থেকে পুনর্মুদ্রিত

……………………….
আরো পড়ুন:
মানুষের ভিতরে অসীম মানুষ বাস করে: এক
মানুষের ভিতরে অসীম মানুষ বাস করে: দুই
মানুষের ভিতরে অসীম মানুষ বাস করে: তিন
মানুষের ভিতরে অসীম মানুষ বাস করে: চার

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- voboghurekotha@gmail.com
……………………………….

……………….
আরও পড়ুন-
দর্শনের ইতিহাস বিচার
আইয়োনীয় দর্শন
টোটেম বিশ্বাস
নির্ধারণবাদ
বিতণ্ডাবাদী
অতীন্দ্রিয় রহস্যবাদ
জনগণের দর্শন ও বস্তুবাদী দর্শন
লোকায়ত ও সাংখ্য
লোকায়ত, বৈষ্ণব, সহজিয়া
প্রকৃতিবাদী দার্শনিকবৃন্দ

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!