গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু চৈতন্য নিমাই বৈষ্ণব

প্রাণেশ্বরি এইবার করুণা কর মোরে

[ তথা রাগ ]

প্রাণেশ্বরি এইবার করুণা কর মোরে।
দশনেতে তৃণ ধরি অঞ্জলি মস্তকে করি
এই জন নিবেদন করে।। ধ্রু।।
প্রিয় সহচরী সঙ্গে সেবন করিব রঙ্গে
তুয়া প্রিয় ললিতা-আদেশে।
তুয়া প্রিয় নিজ-সেবা দয়া করি মোরে দিবা
করি যেন মনের হরিষে।।

প্রিয় গিরিধর সঙ্গে অনঙ্গ খেলন রঙ্গে
ভঙ্গ-বেশ **ইতে সাজে।
রাখ এই সেবা কাজে নিজ পদ-পঙ্কজে
প্রিয় সহচরীগণ মাঝে।।
সুগন্ধিত চন্দন মণিময় অভরণ
কৌষিক বসন নানা রঙ্গে।
এই সব সেবা যার দাসী যেন হঙ তার
অনুক্ষণ থাকোঁ তার সঙ্গে।।

জল সুবাসিত করি, রতন-ভৃঙ্গারে ভরি
কর্পুর বাসিত গুয়া পান।
এ সব সাজাইয়া ডালা লবঙ্গ মালতী-মালা
ভক্ষ দ্রব্য নানা অনুপাম।।
সখীর ইঙ্গিত হবে এ সব আনি কবে
যোগাইব ললিতার কাছে।
নরোত্তম দাসে কয় এই যেন মোর হয়
দাঁড়াইয়া রহোঁ সখীর পাছে।।

**অপাঠ্য অক্ষর। সম্ভবত “করাইতে” হবে।

……………..
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০৬৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- [email protected]
……………………………….

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!