তথাগত গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ভগবান

গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই

৪১.
যদি আপনার দয়া আপনাকে সম্মিলিত করতে না পারে, তাহলে সেটা অসম্পূর্ণ হয়ে থাকে। – গৌতম বুদ্ধ

৪২.
ধৈর্য হলো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। মনে রাখবে, একটা কলসি বিন্দু বিন্দু জলের দ্বারাই ভর্তি হয়। – গৌতম বুদ্ধ

৪৩.
জগতে শত্রুতার দ্বারা কখনো শত্রুতার উপশম হয় না, মিত্রতার দ্বারাই শত্রুতার উপশম হয়। – গৌতম বুদ্ধ

৪৪.
রণক্ষেত্রে সহস্রযোদ্ধার ওপর বিজয়ীর চেয়ে রাগ-ক্রোধ বিজয়ী বা আত্মজয়ী বীরই বীরশ্রেষ্ঠ। – গৌতম বুদ্ধ

৪৫.
স্বাস্থ্য ছাড়া জীবন, সত্যিকারের জীবন নয়। এটা বেদনার একটা স্থিতি আর মৃত্যুর একটা রূপ। – গৌতম বুদ্ধ

৪৬.
অর্থহীন সহস্র বাক্য অপেক্ষা একটিমাত্র সার্থক বাক্য যা শুনে লোকে শান্তি লাভ করে তাই শ্রেয়। – গৌতম বুদ্ধ

৪৭.
তোমাকে তোমার রাগের জন্য শাস্তি দেওয়া হবে না বরং তুমি তোমার রাগের দ্বারাই শাস্তি পাবে। – গৌতম বুদ্ধ

৪৮.
তুমি যদি সত্যিই নিজেকে ভালোবাসো, তাহলে তুমি কখনোই অন্যকে আঘাত দিতে পারবে না। – গৌতম বুদ্ধ

৪৯.
পরের কৃত ও অকৃত কার্যের প্রতি লক্ষ্য না রেখে নিজের কৃত ও অকৃত কার্যের প্রতি লক্ষ্য রাখবে। – গৌতম বুদ্ধ

৫০.
পবিত্রতা কিংবা অপবিত্রতা নিজের উপর নির্ভর করে। কেউই অন্য কাউকে পবিত্র করতে পারে না। – গৌতম বুদ্ধ

৫১.
লক্ষ্য বা গন্তব্যে পৌঁছানোর থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেই যাত্রাকে ভালোভাবে পূরণ করা হয়ে থাকে। – গৌতম বুদ্ধ

৫২.
পাপী বন্ধু ও নিকৃষ্ট ব্যক্তির সংসর্গে থাকবে না। কল্যাণমিত্র ও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিরদের সান্নিধ্যে থাকবে। – গৌতম বুদ্ধ

৫৩.
মাতা পিতা, স্ত্রী পুত্রের ভরণপোষণ করবে। সত্য বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে। বিবিধ শিল্প শিক্ষা করবে। – গৌতম বুদ্ধ

৫৪.
বৃকী যেমন মেষ লইয়া পলায়ন করে, মৃত্যু তেমনই সঞ্চয় নিরত অতৃপ্তকাম ব্যক্তিদের নিয়ে প্রস্থান করে। – গৌতম বুদ্ধ

৫৫.
ঘৃণায় কখনও ঘৃণা দূর হয় না। অন্ধকারে আলো আনতে তোমাকে কোনো কিছুতে আগুন জ্বালতেই হবে। – গৌতম বুদ্ধ

৫৬.
কোনো পাপকেই ক্ষুদ্র মনে করো না। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাপই জমা হতে হতে মূর্খের পাপের ভাণ্ড পূর্ণ করে ফেলে। – গৌতম বুদ্ধ

৫৭.
যিনি অস্থিরচিত্ত, যিনি সত্যধর্ম অবগত নন, যার মানসিক প্রসন্নতা নেই, তিনি কখনো প্রাজ্ঞ হতে পারেন না। – গৌতম বুদ্ধ

৫৮.
ক্ষমাশীল, গুরুজনের আদেশ পালনে সুবাধ্যতা, শীলগুণসম্পন্ন ভিক্ষু- শ্রামণদের দর্শন ও ধর্মালোচনা করবে। – গৌতম বুদ্ধ

৫৯.
জীবনের প্রথমেই ভুল হওয়া মানেই এই নয় এটিই সবচেয়ে বড় ভুল। এর থেকে শিক্ষা নিয়েই এগিয়ে যাও। – গৌতম বুদ্ধ

৬০.
অতীতকে প্রাধান্য দিও না, ভবিষ্যত নিয়ে দিবাস্বপ্নও দেখবে না। তার চেয়ে বরং বর্তমান মুহূর্ত নিয়ে ভাবো। – গৌতম বুদ্ধ

৬১.
দুশ্চরিত্র ও অসমাহিত চিত্তে শত বছর বেঁচে থাকার চেয়ে সৎচরিত্রও ধ্যানী ব্যক্তির একদিনের জীবনও শ্রেয়। – গৌতম বুদ্ধ

৬২.
ভালো কাজ সবসময় কর। বারবার কর। মনকে সবসময় ভালো কাজে নিমগ্ন রাখো। সদাচরণই স্বর্গসুখের পথ। – গৌতম বুদ্ধ

৬৩.
সবকিছুর জন্য মনই আসল। সবার আগে মনকে উপযুক্ত করো, চিন্তাশীল হও। আগে ভাবো তুমি কী হতে চাও। – গৌতম বুদ্ধ

৬৪.
যে ব্যক্তি জেগে থাকে তার রাত্রি দীর্ঘ হয়; ক্লান্ত ব্যক্তির পথ দীর্ঘ হয়; সদ্ধর্মানভিজ্ঞ ব্যক্তির সংসার ভ্রমণ দীর্ঘ হয়। – গৌতম বুদ্ধ

৬৫.
যিনি উপদেশ দেন, অনুশাসন করেন এবং অসভ্যতা নিবারণ করেন তিনি অসতের অপ্রিয় এবং সৎলোকের প্রিয় হন। – গৌতম বুদ্ধ

৬৬.
প্রতিদিন সকালে আমাদের নতুন করে জন্ম হয়। তাই আজ আমরা কি করছি, সেটাই সবথেকে বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। – গৌতম বুদ্ধ

৬৭.
প্রত্যেক অভিজ্ঞতা কিছু না কিছু শেখায়। প্রত্যেক অভিজ্ঞতাই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা আমাদের ভুল থেকেই শিখি। – গৌতম বুদ্ধ

৬৮.
মা যেমন তাঁর নিজ পুত্রকে নিজের জীবন দিয়ে রক্ষা করে, তেমনি সকল প্রাণীর প্রতি অপরিমেয় মৈত্রীভাব পোষণ করবে। – গৌতম বুদ্ধ

৬৯.
যে ব্যক্তি মানুষকে ভালোবাসে, সে দুঃখের দ্বারা ঘিরে থাকে এবং যে কাউকে ভালোবাসে না, তার কোনো সংকট নেই। – গৌতম বুদ্ধ

৭০.
তোমার চিন্তাই তোমার শক্তির উৎস। নেতিবাচক চিন্তা তোমাকে অনেক বেশি আঘাত করে যা তোমার ধারণায় নেই। – গৌতম বুদ্ধ

৭১.
অনিয়ন্ত্রিত মন মানুষকে বিভ্রান্তিতে ফেলে। মনকে প্রশিক্ষিত করতে পারলে চিন্তাগুলোও তোমার দাসত্ব মেনে নেবে। – গৌতম বুদ্ধ

৭২.
আনন্দ হলো বিশুদ্ধ মনের সহচর। বিশুদ্ধ চিন্তাগুলো খুঁজে খুঁজে আলাদা করতে হবে। তাহলে সুখের দিশা তুমি পাবেই। – গৌতম বুদ্ধ

৭৩.
আমরা প্রত্যেকেই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। একজন আরেকজনের পরিপূরক। অর্থাৎ সমাজে আমরা কেউ একা নই। – গৌতম বুদ্ধ

৭৪.
রাগের বশে হাজারও শব্দকে খারাপভাবে বলার থেকে ভালো মৌনতা হচ্ছে এমন একটা শব্দ, যেটা জীবনে শান্তি নিয়ে আসে। – গৌতম বুদ্ধ

৭৫.
একটা শুদ্ধ এবং নিস্বার্থ জীবনযাপন করার জন্য একটা ব্যক্তিকে, সবকিছুর মধ্যেও কিছুই নিজের না; এই ভাবনা রাখতে হবে। – গৌতম বুদ্ধ

৭৬.
সত্য বলিও, ক্রোধ করিও না; প্রার্থীত হইয়া সামান্য কিছু দান করিও। এই ত্রিবিধ উপায়ে দেবগণের সান্নিধ্যে গমন করিবে। – গৌতম বুদ্ধ

৭৭.
বর্ষাকালে এখানে, শীত-গ্রীষ্মে ওখানে বাস করবো-মূর্খরাএভাবেই চিন্তা করে। শুধু জানে না জীবন কখন কোথায় শেষ হয়ে যাবে। – গৌতম বুদ্ধ

৭৮.
নিজের কথার মূল্য দিতে হবে নিজেকেই। কেননা, তোমার নিজের কথার ওপর নির্ভর করবে অন্যের ভালো কাজ কিংবা মন্দ কাজ। – গৌতম বুদ্ধ

৭৯.
সন্দেহের অভ্যাস সবচেয়ে ক্ষতিকারক, এটা মানুষকে দূষিত করে। সন্দেহ একটা ভালো বন্ধুত্ব ও ভালো সম্পর্কে ধ্বংস করে দেয়। – গৌতম বুদ্ধ

৮০.
জ্ঞানগর্ভ জীবনের জন্য মুহূর্তের ইতিবাচক ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এই জন্য ভয়কে তুচ্ছ করতে হবে, এমনকি মৃত্যুকেও। – গৌতম বুদ্ধ

<<গৌতম বুদ্ধের বাণী: এক ।। গৌতম বুদ্ধের বাণী: তিন>>

…………………………………………
আরো পড়ুন:
গৌতম বুদ্ধের বাণী: এক
গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই
গৌতম বুদ্ধের বাণী: তিন
গৌতম বুদ্ধের বাণী: চার

ভগবান্ বুদ্ধ
মহাপ্রজ্ঞাপারমিতা মন্ত্র

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!