মরুভূমি রমজান ইসলাম আরব

-মূর্শেদূল মেরাজ

রমজান: জাহের পর্ব

হিজরি নবম মাস ‘রমজান’। মুসলমান ধর্মালম্বীরা রমজান উপলক্ষ্যে পুরো মাস জুড়ে রোজা পালন করে থাকে। সাধারণভাবে বলতে গেলে, সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় পানাহার থেকে বিরত থাকাকে রোজা বলে। আর এই রোজা হচ্ছে ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ।

‘রোজা’ শব্দটি ফারসি। এর আরবি অর্থ হচ্ছে ‘সওম’, বহুবচনে ‘সিয়াম’। ‘সিয়াম’ শব্দের আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা, পরিত্যাগ করা, বর্জন করা বা বর্জনকৃত অবস্থায় স্থিত বা অটল থাকা।

‘রমজুন’ শব্দ থেকে রমজান শব্দের উৎপত্তি। আরবি ‘রমজান’ শব্দের আভিধানিক অর্থ উত্তাপ, দগ্ধ করা, জ্বলে যাওয়া বা পুড়ে যাওয়া। যেহেতু এই মাসে রোজা পালন করে মানুষ নিজের সমস্ত অশুদ্ধতাকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে শুদ্ধ করে তোলে তাই একে ‘রমজান’ বলা হয়।

দ্বিতীয় হিজরীর শাবান মাসে মদীনায় রোজা ফরজ সংক্রান্ত নাজিল হওয়া আয়াতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হলো, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা স্রষ্টাভীরু হও।’ (আল বাকারাহ : ১৮৩)

কোরানের এই আয়াত থেকে জানা যায়, মহানবী হজরত মোহাম্মদের পূর্বেও আরব অঞ্চলে অর্থাৎ সকল নবী-রাসুলের যুগেই রোজার বিধান ছিল; যা বর্তমানেও জারি আছে। রমজান মাসে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ, রোজা পালনে সক্ষম, গৃহে অবস্থানকারী, বিবেকবান ও পবিত্রচিত্তের মুসলমানের জন্য রোজ রাখা অবশ্য পালনীয়।

‘গণনার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাদ্যদান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার।’ (আল বাকারাহ : ১৮৪)

জানা যায়, ইসলামের পবিত্র গ্রস্থ কোরানসহ পূর্ববর্তী অন্যান্য গ্রস্থও এই মাসে নাজিল হয়েছে। তাই এটি পবিত্র মাস হিসেবে খ্যাত। হাদিসে বর্ণিত আছে এই মাসে হজরত ইব্রাহিমের ‘সহিফা’ ১ তারিখে, তাওরাত ৬ তারিখে, জাবুর ১২ তারিখে, ইঞ্জিল ১৮ তারিখে এবং পবিত্র কোরান কদরের রাত্রিতে নাজিল হয়েছে।

রমজান মাসের রোজা পালনকে ফরজ আখ্যায়িত করে আল্লাহ্ বলেন, রমজান মাস যাতে কোরান নাজিল করা হয়েছে আর এ কোরান মানবজাতির জন্য পথের দিশা ও সৎপথের সুস্পষ্ট নিদর্শন। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাসটি পাবে সে এতে রোজা রাখবে, যদি সে অসুস্থ হয়ে পড়ে কিংবা সফরে থাকে, সে পরবর্তী সময়ে গুনে গুনে সেই পরিমাণ দিন পূরণ করে দেবে। (আল বাকারাহ : ১৮৫)

হযরত সালমান ফারসী হতে বর্ণিত, “একবার মহানবী শাবান মাসের শেষ তারিখে বললেন, হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের প্রতি ছায়া বিস্তার করেছে এক মহান মাস, মোবারক মাস। এটি এমন মাস যাতে একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। আল্লাহ এই মাসে রোজাকে ফরজ করেছেন আর রাতে নামাজ পড়াকে করেছেন নফল।

এ মাসে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশে যদি কেউ একটি নফল আমল করে তবে তা অন্য মাসে আদায় করা একটি ফরজের সমতুল্য হবে। আর যদি এ মাসে কেউ একটি ফরজ আদায় করে তাহলে তা অন্যমাসে ৭০টি ফরজের সমতুল্য হবে।

এটা ধৈর্য্যের মাস। আর ধৈর্য্যের সওয়াব হলো বেহেশত। এটা সহানুভূতি প্রদর্শনের মাস। এটা সেই মাস যে মাসে মুমিন বান্দার রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ মাসে যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে তা তার জন্য গুনাহ মাফের এবং দোযখের আগুন থেকে মুক্তির কারণ হবে। এছাড়া তার সওয়াব হবে রোজাদার ব্যক্তির সমান। অথচ রোজাদার ব্যক্তির সওয়াব কমবে না।

সাহাবীরা বললেন, হে রাসুল! আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তি তো এমন সামর্থ রাখে না যে রোজাদারকে ইফতার করাবে? মহানবী বললেন, আল্লাহ এই সওয়াব দান করবেন যে রোজাদারকে ইফতার করায় এক চুমুক দুধ দিয়ে বা একটি খেজুর দিয়ে, বা এক চুমুক পানি দিয়ে।

আর যে কোনো রোজাদারকে তৃপ্তির সঙ্গে খাওয়ায় আল্লাহ তাকে হাউজে কাউছার থেকে পানি পান করাবেন। যার পর সে পুনরায় তৃষ্ণার্ত হবে না জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত। এটা এমন পবিত্র মাসের প্রথম দিক রহমত, মাঝের দিক মাগফিরাত, আর শেষ দিক হচ্ছে দোযখ থেকে মুক্তির।

যে ব্যক্তি এই মাসে আপন দাস-দাসীদের কাজের বোঝা হালকা করে দেবে মহান আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন এবং তাকে দোযখ থেকে মুক্তি দান করবেন।” (বায়হাকী)

সাহাবী আবু হোরায়রা যখন বলেছিলেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে অতি উত্তম কোনো নেক আমলের নির্দেশ দিন। রাসুলাল্লাহ বললেন, ‘তুমি রোজা রাখো। কারণ এর সমমর্যাদার আর কোনো আমল নেই।’ (নাসায়ি-২৫৩৪)

রমজান মাসের রোজাকে দশ দিন দশ দিন করে তিনভাগে ভাগ করা হয়। হাদিসে আছে, ‘রমজানের প্রথম দশক হলো রহমতের, মধ্য দশক হলো মাগফিরাতের, শেষ দশক হলো নাজাতের।’ সাধারণভাবে বলতে গেলে, রমজানের প্রথম দশদিন স্রষ্টা তাঁর বান্দাদের প্রতি রহমত বা দয়া বর্ষণ করতে থাকেন। দ্বিতীয় দশদিন ক্ষমা করতে থাকবেন। তৃতীয় দশদিন জাহান্নাম থেকে নাজাত বা মুক্তি দিতে থাকবেন।

মুসলমান ধর্মলম্বীরা সুবহে সাদিকের আগে যে কোনো সময় দীর্ঘ উপবাসের প্রস্তুতির খাবার খেয়ে রোজা রাখার নিয়ত বা সংকল্প করে। আর ফজরের অর্থাৎ ভোরবেলার আযানের মধ্যদিয়ে এই রোজার শুরু হয়। রাতের এই শেষ খাবারকে বলা হয় ‘সেহেরি’। মহানবী বলেছেন, ‘আমাদের ও আহলে কিতাবদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি গ্রহণ ।’ (মুসলিম : ২৬০৪)

এই মাসে বিশেষ এক রজনীর কথাও উল্লেখ আছে। যা ‘শবে কদর’ নামে পরিচিত। এই রাতের মহিমা অতুলনীয়। হাজার রাতের থেকে এই রাতকে উত্তম বলা হয়ে থাকে। তবে সে রাতটি নির্দিষ্ট কবে তা নিয়ে মতভেদ আছে।

রোজদার ব্যক্তি সারাদিন পানাহার না করে সূর্যাস্তে মাগরিবের আজানের মধ্য দিয়ে রোজা ভঙ্গ করে। এই রোজা ভঙ্গ করার খাবার খাওয়াকে বলা হয় ‘ইফতার’। ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে তার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে, তাদের উভয়ের সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র হ্রাস করা হবে না ।’ (ইবনে মাজাহ : ১৭৪৬)

রমজান মাসে মুসলমানদের জন্য প্রত্যহ অবশ্য পালনীয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি এশা অর্থাৎ দিনের শেষ নামাজের পর বিশেষ নামাজ আদায় করতে হয়। একে বলা হয় ‘তারাবীর’ নামাজ। ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াব হাসিলের আশায় রমজানে কিয়ামু রমজান (সালাতুত তারাবি) আদায় করবে, তার অতীতের সব গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে ।’ (বুখারী : ২০০৯)

এই মাসে বিশেষ এক রজনীর কথাও উল্লেখ আছে। যা ‘শবে কদর’ নামে পরিচিত। এই রাতের মহিমা অতুলনীয়। হাজার রাতের থেকে এই রাতকে উত্তম বলা হয়ে থাকে। তবে সে রাতটি নির্দিষ্ট কবে তা নিয়ে মতভেদ আছে। তবে তা শেষ দশদিনের যে কোনো বেজোর রজনী বলে বেশিভাগ মানুষ বিশ্বাস করে। ‘তোমরা রমজানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত খোঁজ ।’ (বুখারী : ২০২০)

মুসলমানরা ত্রিশ বা উনত্রিশ রোজা শেষে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা দিলে রোজা সমাপ্ত করে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে। এই শাওয়াল মাসের প্রথম দিনের চাঁদকে ঘিরে সেদিন রাতকে বলা হয় ‘চাঁদরাত’। এই চাঁদরাতের পরদিন পালন করা হয় খুশির দিন বা ঈদ। এক মাস রোজা রাখার পর ছোটবড় সকলে আনন্দে ঈদ উৎসব পালন করে।

তবে রোজা কেবল রমজান মাসেই না। ইসলাম ধর্মে পাঁচ ধরনের রোজার কথা জানা যায়। এরমধ্যে ফরজ বা অবশ্য পালনীয় রোজা চার প্রকার:

  • রমজান মাসের রোজা।
  • কোন কারণবশত রমজানের রোজা ভঙ্গ হয়ে গেলে তার কাযা আদায়ে রোজা।
  • শরীয়তে স্বীকৃত কারণ ব্যতিত রমজানের রোজা ছেড়ে দিলে কাফ্ফারা হিসেবে ৬০টি রোজা রাখা।
  • রোজার মানত করলে তা আদায় করা।

ওয়াজিব রোজা (যাও মুসলমানদের জন্য পালনীয়): নফল রোজা রেখে ভঙ্গ করলে পরবর্তীতে তা আদায় করা ওয়াজিব।

সুন্নত রোজা (যা মহানবী নিজে রাখতেন এমন রোজা): মহরম মাসের নয় ও দশ তারিখে রোজা রাখা।

মোস্তাহাব রোজা (যা পালন করলে সওয়াব পাওয়া যাবে, না পালনে শাস্তির বিধান নেই): প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে, প্রতি সাপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবারে, কোন কোন ইমামের মতে শাওয়াল মাসে পৃথক পৃথক প্রতি সপ্তাহে দুটি করে ছয়টি রোজা রাখা মোস্তাহাব।

নফল রোজা: মোস্তাহাব আর নফল খুব কাছাকাছির ইবাদত। সাধারণভাবে বলতে গেলে, সওয়াব বা পুণ্য প্রাপ্তির জন্য মানুষ নিজ ইচ্ছায় যে রোজা রাখে।

রমজান মাসের আরেক ইবাদতের নাম ‘ইতিকাফ’। ইতিকাফ শব্দের অর্থ নিজেকে আবদ্ধ রাখা। রমজানের শেষ দশক অর্থাৎ ২০ রমজান থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা পর্যন্ত ইতিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া।

মোটামুটিভাবে বলতে গেলে জাহেরি অর্থাৎ প্রকাশ্য অর্থে রমজান-রোজা বলতে একেই বোঝে বেশিভাগ মানুষ। সংযমের মধ্য দিয়ে স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের এই ইবাদত ক্রমে ক্রমে উৎসবে রূপ নিয়েছে। কালে কালে সাধারণ চিন্তার মানুষের কাছে পানাহার ত্যাগ করাই রোজার মুখ্য বৈশিষ্ট্য দাঁড়িয়েছে।

সাধারণ ভাষায় ইতিকাফ হলো, রমজানের শেষ দশদিন নিজেকে সকলের কাছ থেকে পৃথক করে-নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ রেখে; স্রষ্টার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের আশায় শর্তসাপেক্ষে নিয়তসহকারে রোজদার ব্যক্তি এই ইবাদত করে থাকে। এসময় ইতেকাফকারীরা বিনা প্রয়োজন ছাড়া অর্থাৎ গোসল, খাবার, মলমূত্রত্যাগ ব্যতীত অন্য কোনো অজুহাতে ইতিকাফের স্থান ত্যাগ করতে পারবে না।

এ সময় স্রষ্টার ধ্যান-জ্ঞানই ইতেকাফকারীর একমাত্র কাজ। সাধারণত মুসলমান পুরুষরা মসজিদে ও নারীরা গৃহেই ইতেকাফ করে থাকে। আল্লাহ্ বলেন, ‘ওয়া আনতুম আকিফুনা ফিল মাসজিদ’ ; তোমরা মসজিদে ইতিকাফ করো।

মোটামুটিভাবে বলতে গেলে জাহেরি অর্থাৎ প্রকাশ্য অর্থে রমজান-রোজা বলতে একেই বোঝে বেশিভাগ মানুষ। সংযমের মধ্য দিয়ে স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের এই ইবাদত ক্রমে ক্রমে উৎসবে রূপ নিয়েছে। কালে কালে সাধারণ চিন্তার মানুষের কাছে পানাহার ত্যাগ করাই রোজার মুখ্য বৈশিষ্ট্য দাঁড়িয়েছে।

সারাদিন না খেয়ে সন্ধ্যায় বাহারি ইফতারী করা। লোক দেখানো নামাজ পড়া-লোক দেখানো দান করা আর ঈদের জন্য দামী দামী পোষাক কেনাতেই ব্যস্ত এখন অধিকাংশ মানুষ। বেশিভাগ মানুষ যা ভাবলো-যা পালন করলো সেটাই শেষ কথা হতে পারে না।

কারণ প্রতিটা শব্দের যেমন অন্তনির্হিত অর্থ আছে। তেমনি প্রত্যেক অবতার তার অনুসারিদের যে ইবাদত বা প্রার্থনা দিয়ে গেছেন তার পেছনে রয়েছে গভীর ত্ত্ত্ব ও আত্মার মুক্তির পথ। যার মূল লক্ষ্য স্রষ্টাকে বা পরমে অনুধাবনের মধ্য দিয়ে নিজেকে চেনা-নিজেকে জানা। ফকির লালনের ভাষায় স্বরূপ দর্শন বা আত্মদর্শন।

আর এই রমজানের মধ্যে কোথায় সেই স্বরূপের সন্ধানের সাধন। কি এর অন্তনির্হিত অর্থ। মহানবী তাঁর বান্দাদের জন্য কি সাধন-ভজন দিয়ে গেছেন রমজানের মধ্য দিয়ে। তিনি কি বলতে চেয়েছেন আর কি আড়ালে রেখেছেন। সাধুগুরুরা এ বিষয়ে কি বিশ্লেষণ করেছেন তা নিয়ে পরবর্তী পর্বে আলোচনা করা হবে।

(চলবে…)

জয়গুরু
।। আলেকসাঁই ।।

………………………………….
আরো পড়ুন:

রমজান: সংযোমের সাধন:: এক
রমজান: সংযোমের সাধন:: দুই
রমজান: সংযোমের সাধন:: তিন
মানুষের জন্য সিয়াম: এক
মানুষের জন্য সিয়াম: দুই

শবে বরাত: নাজাতে ফিকির
শবে মেরাজ: ঊদ্ধলোকের রহস্যযাত্রা
মেরাজতত্ত্ব
মেরাজ

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- [email protected]
……………………………….

প্রাসঙ্গিক লেখা

1 Comment

  • কাজী রুপাই , শনিবার ২ মে ২০২০ @ ৩:৫৪ পূর্বাহ্ন

    ভালোবাসারইলোদরদ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!