মাওলানা রুমির বাণী: দুই

মাওলানা রুমির বাণী: দুই

৩১.
হতাশ হয়ো না! তীব্র হতাশার মূহুর্তগুলোতেই আল্লাহ আশার আলো পাঠিয়ে দেন।

৩২.
তোমার ক্ষুদ্র জগৎ থেকে বের হয়ে আসো এবং স্রষ্টার অসীম জগতে প্রবেশ করো!

৩৩.
সৃষ্টিকর্তার প্রেমে আপন আত্মা খুইয়ে দাও, বিশ্বাস কর; এ ব্যতীত কোন পথ নেই।

৩৪.
শেখার জন্য তুমি পড়াশোনা করো, কিন্তু বুঝতে হলে তোমার প্রয়োজন ভালোবাসা।

৩৫.
মোমবাতি হওয়া সহজ কাজ নয়। আলো দেওয়ার জন্য প্রথম নিজেকেই পুড়তে হয়।

৩৬.
তোমার হৃদয়ে যদি আলো থাকে, তাহলে ঘরে ফেরার পথ তুমি অবশ্যই খুঁজে পাবে।

৩৭.
কেউ যখন কম্বলকে পেটাতে থাকে তখন সেটা কম্বলের বিরুদ্ধে নয়, ধুলোর বিরুদ্ধে।

৩৮.
যেই অনুপ্রেরণা তুমি খুঁজে চলেছ, সে তোমার মাঝেই বিদ্যমান; নিশ্চুপ হও আর শোনো।

৩৯.
তোমার হৃদয়ে আগে মধুরতা খোঁজ করো, তাহলে সব হৃদয়েই তুমি মধুরতা খুঁজে পাবে।

৪০.
পীরের হাত অদৃশ্য জগৎ হতে দূরে নয়। তার হাত আল্লাহ্‌র হাত ব্যতীত আর কিছুই না।

৪১.
তোমার অন্তরের চোঁখ খোল, চেয়ে দেখ এই দুনিয়া একটা মায়া স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই না।

৪২.
যখন আমি নিরব হই তখন আমি এমন স্থানে পৌঁছাই যে সেখানকার সকল কিছুই সঙ্গীত।

৪৩.
তুমি স্রষ্টার প্রেমে পাগল হয়ে যাও, সমস্ত সৃষ্টি তোমার সেবা করার জন্য পাগল হয়ে যাবে।

৪৪.
আমাদের চারপাশেই সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এটা বুঝতে হলে বাগানে হাঁটতে হবে।

৪৫.
সারাজীবন একই ভুল করলাম। নিজের চেহারার ধুলা না মুছে কেবল আয়না মুছে গেলাম।

৪৬.
শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করো, কণ্ঠ উঁচু করে নয়। মনে রাখবে ফুল ফোটে যত্নে, বজ্রপাতে নয়।

৪৬.
অন্যের জীবনের গল্প শুনে সন্তুষ্ট হয়ো না, নিজের পথ তৈরি করো, নিজের জীবন সাজাও।

৪৭.
আজন্ম সমুদ্রের লোনাজল পানকারীর কাছে সুপেয় মিঠা পানি পানের মজা বোঝানো দুষ্কর।

৪৮.
যে তোমাকে সত্যিই মন দিয়ে ভালোবাসবে সে তোমাকে সব রকম বন্ধন থেকে মুক্ত রাখবে।

৪৯.
আপন অন্তর-আত্মার সাথে পরিচিত হবার ক্ষুধা অন্য সকল কামনা, আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষান্ত করবে।

৫০.
তোমার মুর্শীদকে তোমার কালবে বসাও, দেখবে তুমি, ঐশ্বরিক আলোতে আলোকিত হয়েছ।

৫১.
তুমি জন্মেছিলো দু’টি ডানা নিয়ে। কেন তবে জীবনভর হামাগুড়ি দিতেই তোমার এত পছন্দ?

৫২.
ভালোবাসার জগতের পথিক হতে চাও? তবে নিজেকে ধুলো-ছাইয়ের মত নমনীয় করে ফেলো।

৫৩.
যে বাতাস গাছ উপড়ে ফেলে, সেই বাতাসেই ঘাসেরা দোলে। বড় হওয়ার দম্ভ কখনও করো না।

৫৪.
তোমার জন্ম হয়েছে পাখা নিয়ে, উড়ার ক্ষমতা তোমার আছে। তারপরও খোঁড়া হয়ে আছো কেন!

৫৫.
আমি কুরআনের মগজ (মূলবস্তু) তুলে নিয়েছি, আর অস্থিচর্ম শৃগাল-কুকুররের জন্য রেখে দিয়েছি।

৫৬.
তোমার সব চাইতে বড় শত্রু তোমার নিজের ভেতরই লুকিয়ে আছে-সে হচ্ছে তোমার মিথ্যা অহং।

৫৭.
যে অনুপ্রেরণা তুমি বাইরে খুঁজছো, তা তোমার নিজের ভেতরেই আছে। নীরব হও এবং তা শোন।

৫৮.
দুই ব্যক্তি কখনও সন্তুষ্ট নয়- বিশ্বকে যে ঘুরে দেখতে চায় আর যে আরও জ্ঞান আহরণ করতে চায়।

৫৯.
তোমার নিজের হৃদয়ের মাধুর্য খুঁজে বের করো, তখন সম্ভবত সবার হৃদয়ের মাধুর্য তুমি খুঁজে পাবে।

৬০.
কখনো আশা হারিয়ো না, হে আমার হৃদয়। অদেখার জগতে তো অনেক অলৌকিক ঘটনার বসবাস।

………………………
আরো পড়ুন:
মাওলানা রুমির বাণী: এক
মাওলানা রুমির বাণী: দুই
মাওলানা রুমির বাণী: তিন
মাওলানা রুমির বাণী: চার
মাওলানা রুমির বাণী: প্রসঙ্গ প্রেম

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!