এপিজে আবদুল কালামের বাণী: দুই

এপিজে আবদুল কালামের বাণী: দুই

৩৪.
যারা অপেক্ষায় বসে থাকে তারা শুধুমাত্র সেই তলানি টুকুই পায়, যতটুকু চেষ্টার পর থেকে যায়।

৩৫.
আমাদের জেতার ইচ্ছা যদি দৃঢ় হয়, তবে কখনওই পরজয় আমাদেরকে ছাপিয়ে যেতে পারে না।

৩৬.
যে কোনো ধর্মকে; সেটাকে বানানোর জন্য আর প্রসার করার জন্য, অন্যের হত্যা করা অনিবার্য নয়।

৩৭.
আমি এই কথাটা স্বীকার করতে প্রস্তুত ছিলাম যে, আমি কিছু জিনিসকে কখনই বদলাতে পারবো না।

৩৮.
ব্যর্থতা কখনো আমায় টপকে যেতে পারবে না, যদি আমার মধ্যে সফল হওয়ার যথেষ্ট মনের জোর না থাকে।

৩৯.
অসাধারণ হওয়ার জন্য কঠিন যুদ্ধে নামার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে, যতক্ষণ না আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাচ্ছেন।

৪০.
জটিল কাজে বেশি আনন্দ পাওয়া যায়, তাই সফলতার আনন্দ পাওয়ার জন্য মানুষের কাজ জটিল হওয়া উচিত।

৪১.
ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যে বৈশিষ্ট্যটা থাকা দরকার তা হলো প্রশ্ন করার ক্ষমতা, তাদের প্রশ্ন করতে দিন।

৪২.
স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন হলো সেটাই যা পূরণের অদম্য ইচ্ছা তোমায় ঘুমাতে দেবে না।

৪৩.
সেই ভালো শিক্ষার্থী যে প্রশ্ন করে। প্রশ্ন না করলে কেউ শিখতে পারে না। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করার সুযোগ দিতে হবে।

৪৪.
যে অন্যদের জানে সে শিক্ষিত, কিন্তু জ্ঞানী হলো সেই ব্যক্তি যে নিজেকে জানে। জ্ঞান ছাড়া শিক্ষা কোনো কাজেই আসে না।

৪৫.
যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।

৪৬.
বৃষ্টির সময় প্রত্যেক পাখিই কোথাও না কোথাও আশ্রয় খোঁজে, কিন্তু ঈগল মেঘের উপর দিয়ে উড়ে বৃষ্টিকে এড়িয়ে যায়।

৪৭.
গোটা মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধু সুলভ, যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে তাদেরই শ্রেষ্ঠতা দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।

৪৮.
আমাদের সবার দক্ষতা সমান নয় ঠিকই, তবে আমাদের সবার কাছেই সেই দক্ষতাকে আরও বাড়ানোর সমান সুযোগ রয়েছে।

৪৯.
উদার ব্যক্তিরা ধর্মকে ব্যবহার করে বন্ধুত্বের হাত বাড়ান, কিন্তু সংকীর্ণ মনের মানুষরা ধর্মকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেন।

৫০.
চিনি আর লবণ একই রকম দেখতে পার্থক্য শুধু স্বাদে। তেমনি মানুষ আর অমানুষ দেখতে একই রকম পার্থক্য শুধু আচরণে।

৫১.
যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারেনা, তাদের সাফল্য অর্জন আনন্দহীন ও আকর্ষণহীন, এমন সাফল্যের থেকেই সৃষ্টি হয় তিক্ততা।

৫২.
আমি সুপুরুষ নই। কিন্তু যখন কেউ বিপদে পড়েন আমি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। সৌন্দর্য থাকে মানুষের মনে, চেহারায় নয়।

৫৩.
সফলতার গল্প পড়ো না, কারণ তা থেকে তুমি শুধু গল্পটাই পাবে। ব্যর্থতার গল্প পড়ো, তাহলে সফল হওয়ার কিছু উপায় পাবে।

৫৪.
জীবন ও সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। জীবন শেখায় সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে আর সময় শেখায় জীবনের মূল্য দিতে।

৫৫.
মানুষ তার ভবিষ্যত পরিবর্তন করতে পারে না, কিন্তু অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে। অভ্যাসই মানুষের ভবিষ্যত পরিবর্তন করে দেয়।

৫৬.
আমাদের কখনই হল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় এবং সর্বদা প্রস্তুত থাকা উচিত যাতে কোনো বাঁধা যেন আমাদের হারিয়ে না দিতে পারে।

৫৭.
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যতক্ষণ না একজন ব্যর্থতার স্বাদ অনুভব করছেন, তার মধ্যে কখনই সফল হওয়ার যথেষ্ট ইচ্ছা থাকবে না।

৫৮.
জীবন আর সময় হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। জীবন শেখায় সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে আর সময় শেখায় জীবনের মুল্য দিতে।

৫৯.
যে মানুষগুলো তোমাকে বলে, ‘তুমি পারো না’ বা ‘তুমি পারবেই না’, তারাই সম্ভবত সেই লোক যারা ভয় পায় এটা ভেবে যে; তুমি পারবে।

৬০.
তুমি তোমার ভবিষ্যত পরিবর্তন করতে পারবে না কিন্তু অভ্যাস পরিবর্তন করতে নিশ্চই পারবে, এবং অভ্যাসই তোমার ভবিষ্যত পরিবর্তন করে দেবে।

৬১.
প্রথম জয়ের পর কখনই বিশ্রাম নেওয়া উচিত নয়, তাহলে দ্বিতীয়বার যদি আমরা ব্যর্থ হই, তখন সবাই বলবে প্রথমটা তুমি ভাগ্যের জোরে পেয়েছিলে।

৬২.
নির্দিষ্ট লক্ষ্য, ক্রমাগত জ্ঞান সঞ্চয় করা, কঠোর পরিশ্রম ও হার না মানা মনোভাব -এই চারটি জিনিস মেনে চললে যেকোনো কিছুকেই লাভ করা যেতে পারে।

৬৩.
প্রতিদিন সকালবেলা এই ৫টি কথা নিজেকে বলবে আমি সেরা, আমি নিশ্চই পারবো, সৃষ্টিকর্তা সর্বদা আমার সঙ্গে আছেন এবং আজকের এই দিনটা শুধু আমার।

৬৪.
জীবনে কঠিন সব বাঁধা আসে, তোমায় ধ্বংস করতে নয় বরং তোমার ভেতরের লুকোনো শক্তিকে অনুধাবন করাতে। বাঁধাসমূহকে দেখাও যে তুমিও কম কঠিন নও।

৬৫.
বিজয়ী হওয়ার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে, বিজয়ী হওয়ার দরকার নেই এটা মনে করা। যখন তুমি স্বাভাবিক আর সন্দেহ মুক্ত থাকবে তখনই তুমি ভালো ফলাফল করতে পারবে।

৬৬.
যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।

৬৭.
নানারকমের চিন্তা ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে। আবিষ্কারের নেশা থাকতে হবে। যেই পথে কেউ যায় নি, সেই পথেই এগোতে হবে। অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করেই সফল হতে হবে।

………………………….
আরো পড়ুন:
এপিজে আবদুল কালামের বাণী: এক
এপিজে আবদুল কালামের বাণী: দুই

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!