মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : তৃতীয় কিস্তি

সৃষ্টিতত্ত্ব রহস্য ব্রহ্মাণ্ড জগৎ মহাজগত মহাবিশ্ব

মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : তৃতীয় কিস্তি

-বার্ট্রান্ড রাসেল

সুতরাং এটা সম্ভাব্য মনে হয় যে, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়নবিদ্যা সর্বাংশে সর্বোচ্চ।

মনস্তাত্ত্বিক বিজ্ঞানের স্বাধীন সম্ভাবনা সম্পর্কে এই মুহূর্তে কমই বলা যাবে। কতক পরিমাণে মনোবিশ্লেষণ এই ধরনের বিজ্ঞান নির্মাণে চেষ্টা চালিয়েছে। এই প্রচেষ্টা শারীরবিদ্যাগত কার্য-কারণ এড়াতে চায় বলে এর সফলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়।

দ্বিধা নিয়েও আমি এই ধারণার পক্ষে যে, পদার্থবিজ্ঞান এবং মনস্তত্ত্বের মিলনে পরিশেষে এটা বিজ্ঞান হয়ে উঠবে, যদিও সেটা হবে এর বর্তমান বিকাশ থেকে পৃথক। পদার্থবিজ্ঞানের প্রকরণের বিকাশ ঘটেছে, ‘বস্তুর’ অধিবিদ্যক বাস্তবতায় বিশ্বাসের প্রভাবে।

এই বিশ্বাস কিন্তু আজ আর বেঁচে নেই। একটা নতুন কোয়ান্টাম বলবিদ্যা ভিন্নতর প্রকরণ তৈরি করেছে যেটা মিথ্যা অধিবিদ্যার সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়েছে। মনস্তত্ত্বের প্রকরণও কতক পরিমাণে মনের’ অধিবিদ্যক বাস্তবতায় বিশ্বাসের প্রভাবে বিকশিত হয়েছিল।

এটা সম্ভব বলেই মনে হয় যে, যখন পদার্থবিজ্ঞান এবং মনস্তত্ত্ব এইসব দীর্ঘস্থায়ী ক্রটি থেকে পুরোপুরি মুক্ত হবে, এরা তখন দুটোই মিলে গিয়ে একটা বিজ্ঞানে পরিণত হবে। এই বিজ্ঞানটা তখন মন অথবা পদার্থ কোনোটা নিয়েই কাজ করবে না, কাজ করবে একমাত্র ঘটনা নিয়ে।

এবং এই ঘটনাগুলোকে শারীরিক কিংবা মানসিক বলে লেবেল এঁটে দেবে না। ইতিমধ্যে মনস্তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক মর্যাদার প্রশ্নটা অবশ্যই খোলা থাকবে।

যাই হোক, মনস্তত্ত্ব বিষয়ে প্রফেসর হলডেনের ধারণা একটা সংকীর্ণতর বিষয় উত্থাপন করে। সেটা হলো, কোন ব্যাপারে অনেক বেশি নির্দিষ্ট বস্তুসমূহের কথা বলা যায়। তিনি মনে করেন যে, মনস্তত্ত্বের স্বাতন্ত্র্য নির্দেশক ধারণা হলো ব্যক্তিত্ব।

এই শব্দটাকে তিনি সংজ্ঞায়িত করেন না, কিন্তু আমরা এটার অর্থ এটা করতে পারি কিছু একীভূত নীতি, যা একটা মনের সংঘটক উপাদানগুলোকে একত্রে বেঁধে রাখে। এবং এগুলো একে অন্যকে পরিমার্জিত করে। ধারণাটা অস্পষ্ট।

এটার অর্থ আত্মা’ এখনও সমর্থনযোগ্য। নেহাৎ সত্ত্বা হিসাবে এটা আত্মা থেকে পৃথক নয় শুধু, কিন্তু সামাজিকতার এক ধরনের গুণ। যারা এটাতে বিশ্বাস করেন তাঁরা ভাবেন যে, জন স্মিথের মনের মধ্যে সব কিছুর জন্য স্মিথি গুণ রয়েছে যা অন্য যে-কোনো ব্যক্তির মনের কোনো কিছুর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়া অসম্ভব।

আপনি যদি জন স্মিথের মনের একটা বৈজ্ঞানিক বিবরণ দিতে চেষ্টা করেন, তাহলে আপনি সাধারণ নিয়ম নিয়ে সন্তুষ্ট হবেন না, যেমনটা সমস্ত বস্তুর অংশ নিয়ে, এলোমেলোভাবে দেওয়া সম্ভব। আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো ওই বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রেই ঘটছে এবং তার পূর্ণ ইতিহাস তো চরিত্রের কারণে সেসব যা,তাই রয়েছে।

এটাকে এভাবে বলা যায় যে, বিদ্যুৎ-চমক–এটা হলো অতীত এবং বজ্রপাত–এটা ভবিষ্যৎ, উভয়ই আমাদের বর্তমান মানসিক অবস্থার মধ্যে প্রবেশ করে। কিন্তু পরোক্ষ উপমা দিয়ে এটাকে বিপথে চালিত করতে হয়। বিদ্যুতের স্মরণ বিদ্যুৎ নয় এবং বজ্রপাতের প্রত্যাশাও বজ্রপাত নয়।

এই ধারণার কতিপয় আকর্ষণীয় দিক রয়েছে কিন্তু আমি এটাকে সত্য বলার মতো কোনো কারণ দেখি না। এটা অবশ্যই বোধগম্য যে, তাদের অতীত ইতিহাসের পার্থক্যের জন্য দু’জন মানুষ একই পরিস্থিতিতে বিভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া করতে পারে।

দুই টুকরো লোহা যার একটিকে চুম্বকিত করা হয়েছে এবং অন্যটিকে করা হয়নি, এদের ক্ষেত্রেও এটা একইভাবে সত্য। কারোর ধারণায় স্মৃতিশক্তি মস্তিষ্কে খোদিত থাকে এবং শারীরিক গঠনের ভিন্নতার মাধ্যমে এটা আমাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

একই অবস্থা চরিত্রের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। একজন মানুষ যদি ক্রুদ্ধ এবং অন্যজন যদি স্বভাব-শীতল হন, এদের এই পার্থক্য গ্রন্থি থেকে নির্ণয়যোগ্য। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভেষজ প্রয়োগে এটা বিলুপ্ত করা সম্ভব। ব্যক্তিত্ব রহস্যময় এবং অরূপান্তরযোগ্য, এমন বিশ্বাসের কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

এই বিশ্বাসটা গ্রহণ করার প্রধান কারণ এটা আমাদের মানবীয় আত্মশ্লাঘার পক্ষে একটি স্তাবকতা।

পুনরায় দুটো বিবৃতি বিচার করুন। মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যার জন্য বর্তমানটা আর ক্ষণস্থায়ী মুহূর্ত নয়, এটা অতীত এবং ভবিষ্যৎ দুটোকেই নিজের মধ্যে ধারণ করে। এবং স্থান ও সময় ব্যক্তিত্বকে পৃথক করে না; এরা এর মধ্যে একটা ক্রমকে ব্যক্ত করে।

অতীত এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে, আমার মনে হয়, প্রফেসর হলডেনের মনে এমন বিষয় রয়েছে, যেটা আমাদের এমন একটা অবস্থা যখন আমরা বিদ্যুৎ চমকাতে দেখি এবং তখনই বজ্রপাতের প্রত্যাশা করি।

এটাকে এভাবে বলা যায় যে, বিদ্যুৎ-চমক–এটা হলো অতীত এবং বজ্রপাত–এটা ভবিষ্যৎ, উভয়ই আমাদের বর্তমান মানসিক অবস্থার মধ্যে প্রবেশ করে। কিন্তু পরোক্ষ উপমা দিয়ে এটাকে বিপথে চালিত করতে হয়। বিদ্যুতের স্মরণ বিদ্যুৎ নয় এবং বজ্রপাতের প্রত্যাশাও বজ্রপাত নয়।

আমি কেবল এটাই ভাবছি না যে, স্মরণ এবং প্রত্যাশার কোনো শারীরিক ফলশ্রুতি নেই, আসলে আমি আত্মগত অভিজ্ঞতার যথার্থ গুণের কথা চিন্তা করছি–দেখাটা এক জিনিস, স্মরণ করাটা অন্য, শোনাটা এক জিনিস, প্রত্যাশা করাটা অন্য।

এটা হলো আমার উপর নক্ষত্রদের ফলশ্রুতি। যেটা আমি দেখি সেটা আমারই মধ্যে, আমার দেহের বাইরে নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানের নক্ষত্রমণ্ডলী ভৌতিক স্থানে, যেগুলো আমার শরীরের বাইরে কিন্তু যেগুলোতে আমি পৌঁছই আমার ব্যক্তি অভিজ্ঞতার বিশ্লেষণে নয়, ওখানে পৌঁছই অবধারণের সাহায্যে।

মনস্তত্ত্ব কিংবা অন্যত্র অতীত এবং ভবিষ্যতের সঙ্গে বর্তমানের সম্পর্ক হলো কার্য-কারণগত সম্পক, এ সম্পর্কটা কিন্তু ব্যাখ্যাজাত সম্পর্ক নয়।

(অবশ্যই আমি এটা বলতে চাইছি না যে, আমার প্রত্যাশাই বজ্রপাত ঘটায়। কিন্তু বিদ্যুৎ-চমকের পরেই বজ্রপাতের অতীত ঘটনা এবং বর্তমানের বিদ্যুৎ চমক মিলে বজ্রপাতের প্রত্যাশা জাগায়। স্মৃতি অতীতের অস্তিত্বকে দীর্ঘায়িত করে না, এটা কেবল একটা উপায় যার মধ্যে দিয়ে অতীতের ফলোদয় ঘটে।)

স্থান বিষয়ে বলার, বস্তু একই ধরনের কিন্তু অধিকতর জটিল। দু’ধরনের স্থানের ধারণা রয়েছে। এর একটার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাসমূহ এবং সেটা পদার্থবিদ্যা, যার মধ্যে আছে অন্য ব্যক্তিদের শরীর, চেয়ার-টেবিল, সূর্য চন্দ্র এবং নক্ষত্র।

এগুলো সব কেবলমাত্র আমাদের ব্যক্তিগত অনুভবের মধ্যেই নয়, কিন্তু এগুলো ওইসব জিনিসের মধ্যে বিদ্যমান যেমনটা আমরা ধরে নেই। দ্বিতীয় প্রকার হচ্ছে প্রকল্পিত এবং যথার্থ তর্কবিদ্যায় যে-কোনো ব্যক্তি এটা অস্বীকার করতে পারে, যে-ব্যক্তি এমনটা ধরে নিতে ইচ্ছুক যে, পৃথিবীতে তার নিজের অভিজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই নেই।

প্রফেসর হলডেন এমনটা বলতে ইচ্ছুক নন, সুতরাং তিনি অবশ্যই স্বীকার করেন যে, স্থান যা বস্তুকে ধারণ করে সেটা তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে পৃথক। স্থানের ব্যক্তিগত ধরন সম্পর্কে বলার, দৃশ্যগত স্থান আমার সমুদয় দৃশ্যগত অভিজ্ঞতা ধারণ করে।

এছাড়া স্পর্শগত স্থান রয়েছে, যেমনটা উইলিয়াম জেমস নির্দেশ করেছিলেন। অসংখ্যা বস্তুনিচয়ের মধ্যে একটি বস্তু হিসাবে যখন আমি বিবেচিত হই তখন আত্মগত স্থানের প্রতিটি ধরন আমার মধ্যেই থাকে। নক্ষত্রখচিত যে আকাশ আমি দেখি সেটা জ্যোতির্বিজ্ঞানের নক্ষত্রখচিত দূরতম আকাশ নয়।

এটা হলো আমার উপর নক্ষত্রদের ফলশ্রুতি। যেটা আমি দেখি সেটা আমারই মধ্যে, আমার দেহের বাইরে নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানের নক্ষত্রমণ্ডলী ভৌতিক স্থানে, যেগুলো আমার শরীরের বাইরে কিন্তু যেগুলোতে আমি পৌঁছই আমার ব্যক্তি অভিজ্ঞতার বিশ্লেষণে নয়, ওখানে পৌঁছই অবধারণের সাহায্যে।

আমি তো আমার মতো করে দেখতে পাচ্ছি যে, অসত্য, অন্যায়, অদানশীলতা এবং কদর্যতা প্রভৃতি অনুসৃত হচ্ছে, কেবলমাত্র ঘটনায় নয়, আদর্শ হিসাবেও। তিনি কী সত্যি সত্যি ভাবেন যে, হিটলার এবং আইনস্টাইনের ‘একই আদর্শ যদিও এর দৃষ্টিকোণ পৃথক?

প্রফেসর হলডেনের বিবৃতি, স্থান ব্যক্তিত্বের মধ্যে একটা ক্রম নির্দেশ করে। একথাটা ঠিক আমার ব্যক্তিগত স্থান সম্পর্কে কিন্তু ভৌত স্থান সম্পর্কে নয়। এই প্রসঙ্গে তার অন্য বিবৃতিটি স্থান ব্যক্তিত্বকে বিচ্ছিন্ন করে না– এটা কেবলমাত্র তখনই সত্য হবে যদি ভৌত স্থানটাও আমার মধ্যেই থাকে।

যে-মুহূর্তে এই বিভ্রান্তি দূরীভূত হয়, তখনই তার অবস্থান গ্রহণযোগ্যতা হারায়। যারা হেগেলকে অনুসরণ করেন, তাঁদের সকলের মতো হলডেনও এটা দেখাতে উদগ্রীব যে, সত্যি সত্যি কোনো কিছুই অন্য কিছু থেকে পৃথক নয়।

কেউ যদি তাঁর যুক্তি গ্রহণ করেন, তিনি এখন এটা দেখিয়েছেন যে, প্রতিটি মানুষের অতীত এবং ভবিষ্যৎ তার বর্তমানের সঙ্গে সহাবস্থান করে এবং যে-স্থানের মধ্যে আমরা সবাই বাস করি সেটাও আমাদের মধ্যেই বর্তমান। কিন্তু প্রমাণস্বরূপ তাঁকে আর একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়েছে, ব্যক্তিত্বসমূহের একটি অন্যটিকে বর্জন করে না।

এটা দেখা যায় যে, একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব তাঁর আদর্শ দ্বারা গঠিত এবং আমাদের আদর্শসমূহ সবই সমান। আমি আর একবার তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করছি, সত্যের সক্রিয় আদর্শ, ন্যায়, দানশীলতা এবং সৌন্দর্য সর্বদা আমাদের কাছে উপস্থিত…।

অধিকন্তু, আদর্শটা হলো, এক আদর্শ, যদিও এর বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ রয়েছে। এসব সাধারণ আদর্শ এবং যে-সৌহার্দ তারা তৈরি করে তা থেকেই ঈশ্বরের প্রকাশ ঘটে।

আমাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, এই ধরনের বিবৃতি আমাকে খাবি খাওয়ায় এবং আমি বুঝতেই পারি না, কোথা থেকে শুরু করতে হবে। আমি প্রফেসর হলডেনের কথায় সংশয় প্রকাশ করি না যখন তিনি বলেন যে, সত্যের একটা সক্রিয় আদর্শ, ন্যায়, দানশীলতা এবং সৌন্দর্য, সর্বদা তাঁর মধ্যে বর্তমান।

আমি নিশ্চিত, অবশ্যই এমনটা হবে কারণ তিনিই এটা বলেছেন। কিন্তু যখন এই সদাচারের অসাধারণ পরিমাণ সাধারণভাবে মানবজাতির কল্যাণে আরোপ করা হয়, তখন আমার মনে হয় আমার মতবাদে আমার সন্নিষ্ঠ থাকার অধিকার আছে, যেমনটা রয়েছে তার নিজের।

আমি তো আমার মতো করে দেখতে পাচ্ছি যে, অসত্য, অন্যায়, অদানশীলতা এবং কদর্যতা প্রভৃতি অনুসৃত হচ্ছে, কেবলমাত্র ঘটনায় নয়, আদর্শ হিসাবেও। তিনি কী সত্যি সত্যি ভাবেন যে, হিটলার এবং আইনস্টাইনের ‘একই আদর্শ যদিও এর দৃষ্টিকোণ পৃথক?

আমার মনে হয় যে, এ-ধরনের বিবৃতির জন্য প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ আনা যেতে পারে। অবশ্যই এমনটা বলা যায় যে, এদের একজন খলনায়ক এবং নিজের অন্তরে থাকা যে আদর্শে তিনি বিশ্বাস করেন সেটা তিনি অনুসরণ করছেন না।

(চলবে…)

<<মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : দ্বিতীয় কিস্তি ।। মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : চতুর্থ কিস্তি>>

…………………….
অশেষ কৃতজ্ঞতা
ধর্ম ও বিজ্ঞান : বার্ট্রান্ড রাসেল
অনুবাদক- আতা-ই-রাব্বি

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- [email protected]
……………………………….

……………………
আরও পড়ুন-
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : প্রথম কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : দ্বিতীয় কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : তৃতীয় কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : চতুর্থ কিস্তি
মহাজাগতিক উদ্দেশ্য : পঞ্চম কিস্তি

……………………………..
আরও পড়ুন-
মহাবিশ্বের উৎপত্তি : প্রথম কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি : দ্বিতীয় কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : প্রথম কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : দ্বিতীয় কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : তৃতীয় কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : চতুর্থ কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : পঞ্চম কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : ষষ্ঠ কিস্তি
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি : সপ্তম কিস্তি
সৃষ্টিরহস্য সম্পর্কে প্লাতনের মতবাদ
মহাবিশ্বের সৃষ্টি কাহিনী
পবিত্র কোরানে সৃষ্টিতত্ত্ব
আরশ ও কুরসী সৃষ্টির বিবরণ
সাত যমীন প্রসঙ্গ
সাগর ও নদ-নদী
পরিচ্ছেদ : আকাশমণ্ডলী
ফেরেশতা সৃষ্টি ও তাঁদের গুণাবলীর আলোচনা
পরিচ্ছেদ : ফেরেশতাগণ
জিন সৃষ্টি ও শয়তানের কাহিনী
সীরাত বিশ্বকোষে বিশ্ব সৃষ্টির বিবরণ
আদম (আ) পৃথিবীর আদি মানব
আদম সৃষ্টির উদ্দেশ্য
আদম (আ)-এর সালাম
আদম (আ)-এর অধস্তন বংশধরগণ
হাদীসে আদম (আ)-এর সৃষ্টি প্রসঙ্গ
আদম (আ)-এর সৃষ্টি

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!