একতারা ভাবাশ্রম সাধুসঙ্গ

একতারা ভাবাশ্রম এ সাধুসঙ্গ

জয় গুরু
সর্ব সাধুগুরুর চরণে পাপীর মস্তক দন্ডপাত। মর্ম এই যে, আসছে ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ (১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০) রোজ মঙ্গলবার, সদ্য প্রতিষ্ঠিত “একতারা ভাবাশ্রম” এ সাধক সাত্তার ফকিরের আজ্ঞাক্রমে সাধুসঙ্গের আয়োজন করা হয়েছে।

অষ্টপ্রহর ব্যাপী উক্ত সাধুসঙ্গে আপনার চরণধূলি দিতে মর্জি হয়। আপনি সবান্ধবে আমন্ত্রিত।

সহযোগীতায়
টুটুল ভেঁড়ো সহচরবৃন্দ
ও তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিকী

নিবেদক
টুটুল ভেঁড়ো

সময়:
মঙ্গলবার
৫ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
১৮ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

স্থান:
লাহীনীপাড়া, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।
(মীর মোশাররফ হোসেন বাস্তুভিটা অন্তর্গত)

আয়োজন ও আমন্ত্রণে:
টুটুল ভেঁড়ো সহচরবৃন্দ
ও তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিকী
লাহীনীপাড়া, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।

“ফকির লালন সাঁইজির আইন অনুযায়ী সাধুসঙ্গে যে সকল গুরুকর্ম আছে তা সকলই পালন করা হবে সাধুসঙ্গে। লালন ফকির সাধুসঙ্গে যে আইন রেখে গেছে সেই আইন অনুযায়ী সকল কিছু পালন করা হবে।”

: যাতায়াত :

-ঢাকা থেকে-
বাস সার্ভিস

যমুনা সেতু
সড়কপথে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ার দূরত্ব ২৭৭কিমি। ঢাকা শহরের গাবতলী, কল্যাণপুর ও সায়দাবাদ থেকে শ্যামলী, এসবি, হানিফ ইত্যাদি বাসে করে সরাসরি যাওয়া যায় কুষ্টিয়া। এছাড়াও আরো বেশকিছু বাস এই লাইনে চলাচল করে। বাস থেকে কুষ্টিয়ার মজমপুর গেটে নেমে সেখান থেকে অটোরিকশা লাহীনীপাড়া মীর মোশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা কমপ্লেক্সে আসা যাবে।

পদ্মা পারাপার
ঢাকার যে কোনো বাস স্ট্যান্ড যেমন গুলিস্তান, সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ি, মহাখালী, উত্তরা থেকে থেকে গাবতলী হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়া যায়। আবার গুলিস্তান বিআরটিসি বাসে করে সরাসরি পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়া যায়। অবশ্য উত্তরা আব্দুল্লাপুর থেকে নবীনগর এসেও পাটুরিয়ার বাস ধরা যায়।

গাবতলীও থেকে পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে গাবতলী থেকে সেলফী, পদ্মালাইন বা নীলাচল বাসে করে সরাসারি পাটুরিয়া যাওয়া যায়। এছাড়া অসংখ্য লোকাল বাসও এই পথে পাটুরিয়া ঘাটে যায়। তবে লোকাল বাসে সময় অনেক বেশি লাগে। সরাসরি বাসে ৯০-১০০ টাকায় ঘাট পর্যন্ত যাওয়া যায় পাটুরিয়া পর্যন্ত। সময় লাগে আনুমানিক আড়াই ঘণ্টা।

পাটুরিয়া ঘাটে নেমে কয়েক মিনিটের হাটা পথেই পৌঁছে যাওয়া যায় লঞ্চঘাটে। সেখান থেকে লঞ্চ, স্প্রীডবোর্ড বা ফেরীতে করে পদ্মা পাড়ি দেওয়া যায়। লঞ্চে ২৫ টাকার বিনিময়ে আনুমানিক ২০-২৫ মিনিটে পদ্মা পাড়ি দেয়া যায়।

স্প্রীড বোর্ডে ১০ মিনিটের অনেক কম সময়ে পাড়ি দেয়া যায় ; তবে এরজন্য বাড়িতে ভাড়া গুণতে হয়। আর ফেরীতে কম ভাড়ায় পাড়ি দেয়া গেলেও এতে সময় লাগে অনেক অনেক বেশি। তবে ঝড়-বৃষ্টির দিনে ছোট ছোট লঞ্চ বা স্প্রিড বোর্ডের চাইতে ফেরী তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।

পদ্মা পাড়ি দিয়ে দৌলতদিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে পদ্মাগড়াই ছাড়াও আরো কয়েকটা বাস আছে তাতে করে কুষ্টিয়া যাওয়া যায়। সময় লাগে ২:৫০-৩:০০ ঘণ্টা। ভাড়া ১৩০-১৫০টাকা। একতারা ভাবাশ্রমে যেতে হলে নামতে হবে লাহীনীপাড়া (মীর মোশাররফ হোসেস সেতু পার হয়ে)।

পদ্মা পাড়ি দিয়ে ট্রেন ধরেও যাওয়া যায় কুষ্টিয়া
সেক্ষেত্রে দুপুর ১টা, ৩টা ও ৪টায় ট্রেন ছেড়ে যায় ঘাট থেকে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে। ট্রেন থেকে কুষ্টিয়া কোট স্টেশন বা বড় স্টেশনে নেমে রিক্সা বা অটোতে করে সরাসরি ফকির লালন সাঁইজির আখড়ায় যাওয়া যায়। লোকাল ট্রেনের ভাড়া ৩৭ টাকা আর মেইল ট্রেন মধুমতির শোভন চেয়ারের ভাড়া ৮৪টাকা। মধুমতি কোর্ট স্টেশনে থাকে আর লোকাল ট্রেন বড় স্টেশনেও থামে।

-কলকাতা থেকে-

বাস/ট্রেন সার্ভিস
কলকাতা থেকে সোজা মৈত্রি ট্রেনে বা বাসে করে খুলনা। আর খুলনা থেকে কুষ্টিয়া। আবার শিয়ালদা থেকে গেদে লোকাল ধরে, গেদে-দর্শনা বর্ডার হয়ে সবচেয়ে কম সময়ে কুষ্টিয়াতে পৌঁছানো যাবে।

নির্মাতা
ভবঘুরে কথা'র নির্মাতা

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!