শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব

১.
যত মত তত পথ।

২.
ঈশ্বর মন দেখেন।

৩.
টাকা মাটি, মাটি টাকা।

৪.
আর তিনি যে কি তাহা জানি না।

৫.
প্রাণে অদ্ভুত শক্তির সঞ্চার হইবে।

৬.
তাঁর চারিদিকে আমরা বাইরে ঘুরে বেড়াই।

৭.
মহান ব্যক্তিদের একটি শিশুর প্রকৃতি আছে।

৮.
বন্ধন ও মুক্তি কেবল একলা মনের চিন্তা মাত্র।

৯.
সব কষ্ট শেষ হয়ে যায় যখন অহঙ্কার মারা যায়।

১০.
যতদিন আমি বেঁচে থাকি, ততদিন আমি শিখব।

১১.
তুমি নাহি দিলে দেখা কে তোমায় দেখিতে পায়।

১২.
জ্ঞানের অর্থ হলো, কাম ও লোভের থেকে মুক্তি।

১৩.
একমাত্র ভগবানই বিশ্বের পথপ্রদর্শক এবং গুরু।

১৪.
ক্রমে তত্ত্ব স্ফূর্তি দ্বারা তোমার হৃদয় সমুদ্ভাসিত হইবে।

১৫.
যতদিন জীবন আছে আর তুমি জীবিত আছো, শিখে যাও।

১৬.
মন আনন্দময় হইয়া যাইবে ও তুমি আপনাকে কৃতার্থ মনে করিবে।

১৭.
ভগবানের ভক্তি বা প্রেম ছাড়া, কোনো কাজকে সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়।

১৮.
আমি তাঁহাকে সাকার, নিরাকার ও এতদুভয়ের অতীত, ইহা জানিয়াছি।

১৯.
তিনি যাকে নিজে থেকে এসে ধরা না দেন, এতো সহজ নয় তাঁকে ধরা।

২০.
এক হিসাবে লজ্জা, ঘৃণা বা ভয় আছে যতদিন আধ্যাত্মিক হতে পারবেন না।

২১.
যে মানুষ স্বার্থহীনভাবে কাজ করে, সে বাস্তবে নিজের ভালোই করে চলেছে।

২২.
অভিজ্ঞতা একটি কঠিন শিক্ষক, সে প্রথমে পরীক্ষা নেয় এবং পরে পাঠ দেয়।

২৩.
তাঁর নাম করলে সব পাপ কেটে যায়। কাম, ক্রোধ, শরীরের সুখ-ইচ্ছা সব পালিয়ে যায়।

২৪.
ব্যাকুল হয়ে তাঁকে প্রার্থনা কর, যাতে তাঁর নামে রুচি হয়। তিনি মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করবেন।

২৫.
তোমাদের এই লৌকিক জীবন, ঘরবাড়ি এসব তো ভাড়া বাড়ি। কোনটাই নিজের বাড়ি নয়।

২৬.
ভগবানের কখন ইতি করিও না। কেন কখন তাঁহার ইয়ত্তা করিতে সমর্থ হয় নাই, হইবেও না।

২৭.
আমার ন্যায় নগণ্য ক্ষুদ্র জীব তাঁহার অনন্ত শক্তির এক কণাও বিবৃত করিয়া বলিতে সমর্থ নয়।

২৮.
ভগবান মন দেখেন। কে কি কাজে আছে, কে কোথায় পড়ে আছে তা দেখেন না। ভাবগ্রাহী জনার্দন।

২৯.
সাংসারিক বিষয়ের উপর জ্ঞান, মানুষকে জেদী বানিয়ে তোলে। জ্ঞানের অভিমান হলো একটি বন্ধন।

৩০.
কাম, ক্রোধ, লোভ, হিংসা, অহং, নাম, যশ আগে কর বর্জন। ঈশ্বর কিন্তু সহজেই তোমায় দেবেন দর্শন।

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!