শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: দুই

শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: দুই

-গৌতম মিত্র

শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর শিক্ষা আন্দোলনের মাধ্যমে নিম্নবর্গের মানুষদের, বিশেষ করে নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষদের অধঃপতিত স্থান থেকে তুলে এনে এক উচ্চাসনে পৌঁছে দিয়েছেন-

বিশ্বের সভায় যারা পেয়েছে আসন।
তারা কি করেছে মনে সে চিন্তা কখন।।
কেন হেন হল, কেন জাগিয়াছি জাতি।
কে করেছে প্রান দান জেগে দিবা রাতি।।
আজ কেহ নাহি করে তাহার সন্ধান।
শুধু শুধু হল নাকি সবে মাণ্যবান।।

পতিত পাবন শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের অন্তরঙ্গ মতুয়া মত প্রচারক ভক্ত-গোঁসাই ছিল(বারো) ১২ জন। শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের নির্দেশ মতে তাঁরা বিভিন্ন জেলাতে নিম্নবর্ণের মানুষের মধ্যে মতুয়া মত প্রচারের সাথে সাথে শিক্ষা আন্দোলন ও সামাজিক সচেতনতা দানের কাজ করতেন। তাঁরা হলেন-

১. শ্রী দেবীচাঁদ গোসাঁই
২. শ্রী গোপাল সাধু ঠাকুর
৩. শ্রী যাদব গোসাঁই
৪. শ্রী যাদব বিশ্বাস
৫. শ্রী অশ্বীনি গোসাঁই
৬. শ্রী হরিবর সরকার।
৭. শ্রী রমনী গোসাঁই
৮. শ্রী নকুল গোঁসাই
৯. শ্রী বিপিন চাঁদ গোসাঁই
১০. শ্রী হরি পাল
১১. শ্রী রাধাক্ষ্যাপা
১২. শ্রী বিচরণ পাগল

বহু যুগের ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে নিমজ্জিত একটি জাতির বুকে আশা ও মুখে ভাষা জোগানের জন্য ঠাকুর গুরুচাঁদ দিনরাত বাংলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে উল্কার মত ছুটে বেড়িয়েছিলেন। অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসার জন্য পাগল, গোঁসাই, সাধুদের নিয়ে বাংলার গ্রামে গ্রামে সভাসমিতি করতে থাকেন।

এমনকি পারলৌকিক শ্রদ্ধানুষ্ঠান, মহোৎসবে বা অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানেও এ বিষয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করতেন। তাদের প্রাণে একটি মাত্র কথা মৃদঙ্গের মত বারবার বেজে উঠেছে-

বিদ্যার অভাবে অন্ধ হয়ে সবে
অন্ধকারে আছো পড়ে,
জ্বেলে দাও আল মোহ দূরে ফেলে
আঁধার ছুটিবে দূরে।।

ঠাকুর গুরুচাঁদ অন্ত্যজদের মনে আত্মসম্মান এবং আত্মনির্ভরতা জাগানোর জন্য বলেছিলেন-

আত্মোন্নতি অগ্রভাগে প্রয়োজন তাই।
বিদ্যা চাই,ধন চাই, রাজকার্য চাই।।

প্রকৃত শিক্ষা আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি জমায়েত করেছিলেন নমঃশূদ্র, তেলী, মালী, কুম্ভকার, মাহিষ্য, যাদব, দাস, চামার, কামার, পোঁদ, মালাকার, তাঁতী এমন কি মুসলমানদেরও-

শিক্ষা আন্দোলন যবে প্রভু করে দেশ দেশে।
ভক্ত সুজন যত তাঁর কাছে আসে।।
নমঃশূদ্র, তেলী, মালী আর কুম্ভকার।
কপালী,মাহিষ্য, দাস,চামার,কামার।।
পোঁদ আসে, তাঁতী আসে, আসে মালাকার।
কতই মুসলমান আসে ঠিক নাহি তার।।

মতুয়াদের এই শিক্ষা আন্দোলনের ফলে সারা বাংলার পতিত তথা অনুন্নত শ্রেণীর জনগণের মনে যখন এক আশার আলো সঞ্চারিত হতে থাকে, ঠিক সেই সন্ধিক্ষণে তাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য বঙ্গ নমঃশূদ্র মহাসম্মেলনে ঠাকুর বলেন-

জাতির উন্নতি লাগি হও সবে সর্বত্যাগী
দিবারাত্রি চিন্তা করো তাই।।
জাতি ধর্ম জাতি মান জাতি মোর ভগবান
জাতি ছাড়া অন্য চিন্তা নাই।।

কিবা বিদ্যা কিবা ধনে কি শিল্পে কি বিজ্ঞানে
রাজনীতি ক্ষেত্রে রাজ কাজে।
সবখানে থাকা চাই তা ভিন্ন উপায় নাই
রাজ বেশে সাজ রাজ সাজে।।

ঠাকুর গুরুচাঁদ জানতেন, একটি গৃহের গৃহকর্ত্রী যদি শিক্ষিত হয় তাহলে সমগ্র পরিবারটা শিক্ষিত হতে বাধ্য। তাই তিনি নারী শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন এবং শ্রীধাম ওড়াকান্দিতে নারী শিক্ষার জন্য একটি বিদ্যালয়ও গড়ে তোলেন-

নারী শিক্ষা তরে প্রভু আপন আলয়।
শান্তি সত্যভামা নামে বিদ্যালয় গড়ে দেয়।।

এছাড়া ও ঠাকুর শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় গড়ে তুলছিলেন। মেয়েদের বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার জন্য তিনি নিজের টাকায় লোক রেখে নৌকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তিনি বহু বিধবা মহিলাকে বিবাহ দিয়ে নব যুগের সূচনা করেছিলেন।

জনশ্রুতি আছে, তার দর্শন পেতে এলে তিনি তাকে আগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে আসতে বলতেন। অনেকে গুরুচাঁদ ঠাকুরকে দলিতদের বিদ্যাসাগর বলেও অভিহিত করেন। ১৮৭৮ সালে শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর চলে যাবার পর শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর পিতার নির্দেশ মতে অনুন্নত সমাজে শিক্ষাবিস্তারের কাজকে অগ্রাধিকার দেন। শুরু হয় তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষা আন্দোলন-

মোর পিতা হরিচাঁদ বলে গেছে মোরে।
বিদ্যাশিক্ষা স্বজাতিকে দিতে ঘরে ঘরে।।

হরিচাঁদ ঠাকুরের অসমাপ্ত কর্মযজ্ঞকে সফল করতে গুরুচাঁদ ঠাকুর জীবন নিবেদন করেন। শিক্ষাবিস্তার এবং অত্যাচারমূলক পুরোহিত প্রথাও ও ব্রাহ্মণদের অনুচিত প্রাধান্যের কবল থেকে মুক্তি করার উদ্দেশ্যে কাজ করে যান। বাংলার ঘুমন্ত জাতিগুলোর নিদ্রাভঙ্গ করে প্রবল উদ্দীপনাময় এক কর্মযজ্ঞর সূচনা করেন।

প্যারি-কম্যুন ধ্বংসের পরের বছরই ১৮৭২ সালে বাংলার খুলনা, ফরিদপুরের অস্পৃশ্য কৃষকরা অত্যন্ত সার্থক কৃষিক্ষেত্রে strike বা কৃষি ধর্মঘট করেছিল। হিন্দুদের জাত্যভিমানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে লাঙ্গল তুলে ধরেছিল অস্পৃশ্য আর মুসলামান কৃষকরা।

পূর্বভারতের ইতিহাস আর কিছুই নয় লাগাতার ভয়ংকর আগুনজ্বালা, রক্তঢালা কৃষি বিদ্রোহের ইতিহাস। সিধু কানুতো তাদের নতুন রাজা বানানোর জন্য করেছিল বিদ্রোহ, অধিকার আদায়ে তিতুমীর করেছিল বিদ্রোহ, হয়েছিল বাগেরহাটের বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ, বিরসামুন্ডা বিদ্রোহ, সিরাজগঞ্জ বিদ্রোহ, পোলোওয়ালা বিদ্রোহ। লাগাতার কৃষি বিদ্রোহের মিছিলে হিমসিম খেয়ে উঠেছিল ইংরেজ ঔপনিবেশিক সরকার।

এর ফলে লর্ড রিপনের গণতান্ত্রিকতার আশ্বাস ঘোষণা এলো, এবার প্রজাগণই হবে রাজা। ১৭৮৯ সালে ফরাসী বিপ্লবের স্বপ্ন “government must depend on the will of the governed” এই অবাস্তব স্বপ্নপূরণ করতে সামনে এসে ধুমকেতুর মত দাঁড়ালেন শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর। শুরু করল রাজা হবার তাজা হবার গণতান্ত্রিক আন্দোলন।

শুরু হল গুরুচাঁদ ঠাকুরের শিক্ষা বিস্তারের আন্দোলন। পূর্বভারতের অস্পৃশ্যদের শিক্ষাবিস্তারের আন্দোলন সোনার ফসলে ভরে উঠল অচিরে। ১৯০০ সালে দক্ষিণবঙ্গের পৌন্ড্রনন্দন রাইচরণ সরদার। ১৯০২ সালে নমঃশূদ্র/চণ্ডাল শ্যামলাল সরকার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট হলেন। ভারতবর্ষে এরাই সর্বপ্রথম অস্পৃশ্য মানবগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রথম স্নাতক হয়েছিলেন।

১৯০২ সালে ঢাকায় গঠিত হয় “নমঃশূদ্র হিতৈষণী সমিতি”। এ সমিতির উদ্দেশ্যে ছিল নমঃশূদ্রদের আর্থসামাজিক সমস্যার আশু সমাধানের জন্য যৌথভাবে কাজ করা। এই ছিল গোটা আন্দোলনের সমন্বয় সাধক। এই সভাকে উত্তোলন সভা বলা হয়। এই সংগঠনের প্রথম সভার সভাপতি ছিলেন শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর।

১৩১৪ সালে মনিরামপুর সাড়ে পাঁচ মাইল দক্ষিণে পশ্চিম মনোহরপুর গ্রামে দলিত শ্রেণীর একটি বৃহৎ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে তেভাগা আন্দোলনের প্রস্তাব করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। ১৮৯৩ সালে গুরুচাঁদ ঠাকুর বলেন-

ভোট দিয়ে সব কাজ হইবে নির্ণয়।
ভোটে প্রজা রাজা হবে পৃথিবী ভরিয়া।।

অস্পৃশ্য তথা ডিপ্রেসড ক্লাসের যুবকদের জন্য চাকরি ক্ষেত্রে সব ডিপার্টমেন্টে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের দাবি করে করেন। এই দাবি মুসলমানদেরও ছিল। এই কাজ করার জন্য ১৯০৬ সালে গুরুচাঁদ ঠাকুর “নমঃশূদ্র সুহৃদ” নামক পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন।

১৯০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রশাসন যন্ত্রে প্রতিটি কমুনিটি বা সম্প্রদায়ের সংখ্যানুপাতে রিপ্রেজেন্টেশনের ঐতিহাসিক আইন ঘোষিত হল। অস্পৃশ্য ডিপ্রেডস আর স্লেচ্ছ মুসলমানদের বহু বছরের সাধনার, বহু মানুষের অশ্রুজলের স্বপ্ন সার্থক হল। জয় হল ঠাকুর গুরুচাঁদের গণতান্ত্রিকতার পথে শুভযাত্রার।

প্রজারাজ্যের বা প্রজাতান্ত্রিক গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করল। ১৯০৭ সালের আসামবেঙ্গল সরকারের দ্বারা ঘোষিত চাকরি বা প্রশাসনে Representation আইন। গণতন্ত্র Social democeacy অর্থ্যাৎ বহুজনতন্ত্র। সংখ্যাধিক্যের সহমত হবে সিদ্ধান্ত বহুজনের কল্যাণকে কেন্দ্র করে বহুজনের কল্যাণের লক্ষ্যে।

গণতান্ত্রিক পথে দৃঢ়তা পদক্ষেপে যাত্রা শুরু করে বঙ্গের অস্পৃশ্যরা ঠাকুর গুরুচাঁদের নেতৃত্বে। গুরুচাঁদ ঠাকুরের হস্তক্ষেপে ১৯০৭ সালেই ভারতবর্ষের প্রথম অস্পৃশ্য যিনি প্রথম সরকারী সিভিল ডিপার্টমেন্টে চাকরি পেলেন তিনি গুরুচাঁদ ঠাকুরের পুত্র শশিভূষণ ঠাকুর। সাবরেজিস্টার হলেন জলপাইগুড়িতে।

পরের বছর ১৯০৮ সালে স্নাতক হবার পরপরই কুমুদবিহারী মল্লিক ডেপুটি মেজিস্ট্রট হিসেবে হুগলির পানিত্রাস অঞ্চলে শাসকের কাজে যোগ দেন। ডাক্তার তারনী বল সরকারি ডাক্তার হিসেবে সিভিল সার্জনের উচ্চ পদে যোগদান করেন।

১৯০৭ সালের শুরুতেই ভারতবর্ষের সুদীর্ঘ ইতিহাসে গুরুচাঁদই ছিলেন প্রথম অস্পৃশ্য ব্যক্তি যিনি ব্রিটিশ মাস্টারের সামনে ডেপুটেশন দিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। স্যার ল্যান্সলট হেরকে অনেক বার্তার পরে আবেদন রেখেছিলেন।

আমি বলি রাজকার্য এ জাতিকে দাও।
সমদৃষ্টি রাখ রাজা এ নীতি দেখা ও।।

১৯০৮ সালে ঠাকুর গুরুচাঁদের নেতৃত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয় যশোরে। এতে প্রস্তাবিত হয় প্রত্যেক নমঃশূদ্র গ্রামে কমিটি গঠন হবে। ১৫টি গ্রাম নিয়ে তৈরি হবে একেকটি সম্মেলনী সভা।

১৯১০ সালে খুলনার অবস্থাপন্ন নমঃশূদ্র রামচরণ পোদ্দারের মাতৃশ্রাদ্ধ হয়েছিল এ মতুয়া সম্মেলন বা উত্তোলন সভা। ১৯১০ সালে ১৩ মার্চ মাস নাগাদ (বাংলা ১৩১৬) গুরুচাঁদ ঠাকুর পতিত জাতির মধ্যে বিধবা বিবাহ প্রচলন করেন ও বাল্যবিবাহ বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

১৯১১ সালে চণ্ডাল গালি মোচন, নমঃশূদ্র নাম সরকারি নথীতে অন্তর্ভুক্ত করান, লোক গণনায় বাংলায় চণ্ডালদের নমঃশূদ্র সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করেন ও চণ্ডাল গালি মোচন করেন।

ভারতবর্ষে অস্পৃশ্যদের রাজনীতির ভাগ্যাকাশে ঠাকুর গুরুচাঁদের বাহিনী প্রবলভাবে সংগ্রামরত। নেতৃত্বে তখন মুকুন্দবিহারী মল্লিক। মুকুন্দবিহারী মল্লিক ১৯১২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ এবং এলএলবি পাশ করে সমাজকল্যাণ ব্রত গ্রহণ করেন।

১৯১২ সালে গভর্নর জেনারেল লর্ড কারমাইকেলের দরবারে ৮ জন প্রতিনিধি নিয়ে ডেলিগেশন দিলেন। এই প্রথম একজন অস্পৃশ্য, গভর্নর জেনারেল পর্যায়ের ইংরেজি শাসকের সঙ্গে ইংরেজিতে আলোচনায় বসে। বিরামহীনভাবে এবং ছেদহীন চলে মুকুন্দবিহারীর সংগ্রাম।

১৯১৪ সালে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে এডভোকেটের কাজে যোগ দেন। মুকুন্দবিহারীর এই উচ্চ পর্যায়ে যাওয়ার মূল ভূমিকায় ছিল গুরুচাঁদ ঠাকুর।

(চলবে…)

……………………………
আরো পড়ুন:
শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: এক
শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: দুই
শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও নবযুগের যাত্রা: তিন

তারকচাঁদের চরিত্রসুধা
অশ্বিনী চরিত্রসুধা
গুরুচাঁদ চরিত
মহান ধর্মগুরু হরিচাঁদ নিয়ে প্রাথমিক পাঠ
হরিলীলামৃত
গুরুচাঁদের বারো গোঁসাই
তিনকড়ি মিয়া গোস্বামী
শ্রী ব্রজমোহন ঠাকুর
‘গুরুচাঁদ’ ইতিহাসের অজানা অধ্যায়

……………………………
তথ্যসূত্র:
শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ চরিত।
শিক্ষা আন্দোলনে গুরুচাঁদ ঠাকুর।
সরকারি চাকুরীতে গুরুচাঁদ ঠাকুরের অবদান।
শ্রী ব্রজমোহন ঠাকুর।

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!