হযরত ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু

ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু’র বাণী : এক


একদিন আমি বড় হবো,
নইলে কি আর তাঁরে পাবো!


এত খাই! তবু খাই মিটে না।
খা-না। খাইতেও কইছে, না খাইতেও কইছে।


নিজ গুনে, করন দোষে; সব হারাইয়া;
দৈব কান্দে -মাথায় হাত দিয়া।


বাদী-বিবাদী নিষ্পত্তি হইয়া গেলে,
বিচারকের বিচার করার কিছু থাকে না।


বাদশাহী খাওন, কুত্তারে খাওয়ান যায় না।
তাইলে, কুত্তার কামড়ে বাদশা’র পরমাদ (প্রমাদ) ঘটব।


অসময় কালের পোলা,
বাপেরে কয় হালা।


তলে দিয়া সব মাল আইয়া পড়তাছে।
দেশটা উন্নতা অইয়া যাইবো-সুন্দর অইয়া যাইবো।


অগ্র (উগ্র) মেজাজ ফল বিনাশের
মূল। শান্ত মেজাজে ফল বাড়ে।


দোয়া দিলে-ধুইয়া যায়।

১০
স্বামী মারলে,
নালিশ দেওন যায় না।

১১
আউয়ালের রবি-রবিউল আউয়াল।

১২
আজর ব্রাহ্মণের ঘরে ইব্রাহীম
আলাইহিসসালাম এর পয়দা।

১৩
সত্য-নিকিঝিকি বাইয়া উঠবই।

১৪
দুঃখজনক হলেও, কোন ঘটনা বা বিষয়কে বাদ দেয়া যায় না।
প্রতিটি ঘটনা বা বিষয়, ব্যাক্তি জীবনে একেকটা ‘যোগ’।

১৫
পরীস্থান-পরিপূর্ণ স্থান।

১৬
অভিশাপ দেওয়া নিষেধ আছে।

১৭
যা অইয়্যা আহে, তা-ই হয়।

১৮
নিষ্কামে নিজ কাম।

১৯
উচিৎ কথা-
কইলে জ্বালা, না কইলে ভালা।
আবার,
বুইঝ্যা যে না কয়, অয় হালার পো হালা।

২০
আমি, যার-তার হাতে খাই না।
যারে-তারে খাওয়াই না।

২১
আমি যার, আমি তার।
আমি যার-তার নই।

২২
নিয়তের ফাঁক না থাকলে, কর্মের ফাঁক মিট্যা যায়।

২৩
বেলায়েত মানে-নিজের মুক্তি নিজে নিয়া নেওয়া।

২৪
তুমি সুন্দর বইল্যাই, -সুন্দর দেখ।

২৫
আমি-ই আমার-মুশকিল।
আমি-ই আমার-আসান

২৬
রাগী মুরগীর এক বাইচ্যা বাঁচে।

২৭
যে চাঁন-দেখতে ভালো, জগত আলো;
সে চাঁন-আব-এ ঘিরা রইলো।

২৮
আঁখি নড়ে তো পাখি নড়ে।

২৯
খুচরা হিসাব না মিলাইলে,
পুরা হিসাব কখনও মিলব না।

৩০
যখনই বলিলাম কবুল, তখনই হইল ভুল।
(ছেলেরা ভাবে, তারা বিয়ে করে।
আসলে, তারা বিয়ে বসে। কেননা,
মেয়েরা এজিন না দিলে বিয়ে হয় না।)

৩১
হিসাব না করলে, -নিকাশ।

৩২
ললিতা বিশখা’র সামনে,
দাসখত লিখিলেন আপন হাতে;
কি দায় ছিল কৃষ্ণে’র
রাধা’র কাছে?

৩৩
এক নামে যত পাপ সারে,
জীবের কি সাধ্য আছে এত পাপ করে!

৩৪
‘ঢাকা শহর’, ঢাকনির তলে ঢাকা।
মারেফতের (গুপ্তজ্ঞানের) দেশ।
ঢাকনি’টা উল্টাইয়া দেখতে অয়।

৩৫
সকল মান যে ধারন করছে, সে-ই ‘মুসলমান।
ধন-সম্পদে বেড়া দিয়া দিছে যে, ও-ই ‘মালাউন’।

৩৬
সর্বময় হেফাজত কইরা রাখতে অয়।

৩৭
দুঃখের কথার বেসাতি করলে,
দুঃখ আরো বাইড়া যায়।

৩৮
কোটি জন্মের থাকলে ভাগ্য,
বিষয় ছেড়ে হয় বৈরাগ্য।

৩৯
দয়াল-ই দয়ালরে চিনে।

৪০
গেজ ভাঙ্গলে, গাছ অয় না।

৪১
সীমা লংঘন করা যায় না।
সীমা মেনে, সীমা অতিক্রম করতে হয়।

৪২
করব না আর ডাকা ডাকি,
চাইব না আর মেলে আঁখি;
যে দিন ঘটবে সুদিন;
দেখব তোমায় বর্তমান।

৪৩
গাছ-বৃক্ষ-তরু-লতা,
সময় মত নোয়ায় মাথা;
ভক্তি করে নিরাঞ্জনে।

৪৪
ফ্রি কিন্তু ফাও না।

৪৫
কত বুঝা আইলো-গেলো,
অবুঝা না বুঝ লইলো রে।

৪৬
কাউয়ার কা কা শুনে কেডায়!
ব্যাঙের নাচন দেখে কেডায়!

৪৭
কাউরে ভক্ত বানানো যায় না।
ভক্ত নিজে নিজে অইতে অয়।

৪৮
কা’বা অর্থ সুন্দর বস্তু।
দূরের বস্তু, সামনে কর।
সুন্দর বস্তু সামনে কইরা,
দিল হুজুরি নামাজ পড়।

৪৯
যদিও থাকে সংগতি,
তা-ও লাগে যুগতি।

৫০
অদ্দা কইলে, মদ্দা’য় বোঝে।
পুরা কইলে, মাতারিও বোঝে।
অন বিচারে সাধু মরে।
নারী মরে নির্বিচারে।

ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু’র বাণী : এক>>

………………………
আরো পড়ুন-
ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু’র বাণী : এক
ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু’র বাণী : দুই
ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু’র বাণী : তিন
ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু’র বাণী : চার
ফকির কাশেম আলী চিশতী কাদ্দসাল্লাহ সের্রুহু’র বাণী : অন্যান্য

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!