আনন্দধাম সাধুসঙ্গ

আনন্দধাম সাধুসঙ্গ’২১

সুধি,
জ্ঞানাবতার প্রেমসুধাকর ফকির লালন সাঁইজির নামাশ্রয় জীবের ভরসা। তাঁরাই জ্ঞান সুধায় সিক্ত হওয়ার আশায় ‘পাককোলা আনন্দধাম’-এ আমরা প্রতি বছর লালনোৎসব করে আসছি। এই বছরেও দয়াল গুরুর অশেষ কৃপায় আমাদের দ্বীন প্রচেষ্টার ৪৫তম বছর অতিক্রান্ত হচ্ছে।

এই উপলক্ষ্যে পাককোলা আনন্দধামের ৪৫তম সাধুসঙ্গে আপনার পদধূলি আমরা কামনা করি। সেই দিন সাধুসেবার সুযোগ পেয়ে যেন আমরা ধন্য হতে পারি সেই আশায় আমরা আপনার দর্শনের অপেক্ষায় থাকব।

চব্বিশ ঘণ্টার অনুষ্ঠানে অধিবাস আরম্ভ ২৬শে পৌষ রোজ শনিবার, বিকাল ৪টায় এবং পরদিন পূন্যসেবা গ্রহণের পর ২৭শে পৌষ রোজ রবিবার বিকাল ৪টায় সাধুসঙ্গের প্রহর পরিসমাপ্ত হবে।

কৃপা করে সঙ্গের সম্পূর্ণ প্রহর আমাদের সঙ্গে থেকে আমাদের ধন্য করবেন, এই মিনতি রাখি। পত্রে আহ্বান ও নিমন্ত্রণ জানানোর জন্য ঘোর অপরাধী। তবে সাধু দয়াময়, মার্জনা ভিক্ষা।

বিশ্বব্যাপী করোনার মহামারীর জন্য সকল স্বাস্থবিধি মেনে সাধুসঙ্গ পরিচালনা করা হবে।

বিনয়াবনত-
ফকির সামসুল শাহ্ ও সহধর্মিণী রঞ্জনা ফকিরাণী (বুড়ি মা)
পাককোলা, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।

সময়:
রবিবার বিকাল ৪টা
১০ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
২৬ পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্থান:
আনন্দধাম আখড়া
পাককোলা, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।

আয়োজন ও আমন্ত্রণে:
ফকির সামসুল শাহ্ ও
সহধর্মিণী রঞ্জনা ফকিরাণী (বুড়ি মা)

অনুষ্ঠান সূচি:
২৬ পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ : ১০ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
রোজ রবিবার
বিকেল ৩:০০-৪:০০ – সাধু আগমন।
বিকেল ৪:০০-৪:৩০ – আসন গ্রহণ ও অধিবাস শুরু।
বিকেল ৪:৩০-৫:০০ – পাককোলা আনন্দধামের নামকরণ, ইতিহাস, কার্যাবলী ও বিধি বিধান জ্ঞাপন।
বিকেল ৫:০০-৫:৩০ – জ্ঞান রত্নাকর ফকির লালন সাঁইজির জীবনলীলা স্মরণ।
বিকেল ৫:৩০-৭:০০ – গুরুকর্ম।
সন্ধ্যা ৭:০০-৮:০০ – সমবেত কণ্ঠে গুরুদৈন্য (যন্ত্র ছাড়া খালি কণ্ঠে ভক্তের মিনতি)
রাত ৮:০০-৮:৩০ – দীন ডাকা ও চা-মুড়ি সেবা ও হালকা নাস্তা।
রাত ৮:৩০-৯:৩০ – দৈন্য গান।
রাত ৯:৩০-১১:৩০ – লালন সাঁইজির গীতজ্ঞানসুধা পরিবেশন (আমন্ত্রিত শিল্পী)।

২৭ পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ : ১১ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
রোজ সোমবার
সকাল ৬:০০-৭:০০ – গোষ্ঠ গান।
সকাল ৭:০০-৭:৩০ – গুরুকর্ম।
সকাল ৭:৩০-৯:৩০ – বাল্য সেবা।
সকাল ৯:৩০- বিকেল ৩:০০ – লালনগীতি
বিকেল ৩:০০-৪:০০ – পূন্যসেবা।
বিকেল ৫:০০-৫:৩০ – বিদায় অনুষ্ঠান।

সংগীত পরিবেশন করবেন:
কুষ্টিয়া-মেহেরপুরেসহ দেশের
প্রবীন সাধুগুরু ও বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দ

: যাতায়াত :

-ঢাকা থেকে-
বাস সার্ভিস

সরাসরি বাসে (যমুনা সেতু দিয়ে)
গাবতলী, কল্যাণপুর ও সায়দাবাদ থেকে বাসে করে সরাসরি যাওয়া যায় কুষ্টিয়া মজমপুর গেট। সেখান থেকে মিরপুরগামী বাসে করে আমলা নামতে হবে। সেখান থেকে ভ্যানে পাককোলা আনন্দধাম আশ্রম। মজমপুর গেট থেকে মিরপুরগামী সিএনজিতে করেও আমলা যাওয়া যায়।

আধঘণ্টার মতো সময় লাগবে। সেখান থেকে ভ্যানে করে যেতে হবে পাককোলা সামসুল ফকিরের আখড়ায়। আমলায় যে কোনো ভ্যান চালককে সামসুল ফকিরের আখড়ার কথা বললেই নিয়ে যাবে।

বাস (পদ্মা পারাপার)
গাবতলী থেকে পাটুরিয়া ঘাট। সেখান থেকে লঞ্চ, স্প্রীডবোর্ড বা ফেরীতে করে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঐপার থেকে বাসে করে কুষ্টিয়া মজমপুর গেট। ঢাকা একশত পঞ্চাশ টাকা। সেখান থেকে মিরপুরগামী বাসে করে আমলা নামতে হবে। সেখান থেকে ভ্যানে পাককোলা আনন্দধাম আশ্রম। মজমপুর গেট থেকে মিরপুরগামী সিএনজিতে করেও আমলা যাওয়া যায়।

গাবতলী থেকে সেলফী, পদ্মা লাইন, নীলাচল গাড়ি যায় সরাসরি আরিচা ঘাট আর ঐ পার থেকে পদ্মা গড়াই গাড়ি যায় কুষ্টিয়া। ভাড়া একশ টাকা।

ট্রেন সার্ভিস
পাটুরিয়া দিয়ে পদ্মা পাড়ি দিয়ে দুপুর দুইটার সময় ধরতে পারেন রাজশাহী গামী ট্রেন মধুমতি এক্সপ্রেস। মধুমতি এক্সপ্রেসে করে নামতে হবে মিরপুর স্টেশনে। ভাড়া একশ ছয় টাকা। সেখান থেকে ভ্যানে আমলা। আমলা থেকে পাককোলা।

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!