শ্রীশ্রী ঠাকুর সত্যানন্দদেব

-সমর মুখার্জি

শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম ও তার বিভিন্ন শাখা এবং কর্মকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সঙ্ঘপিতা শ্রীশ্রী ঠাকুর সত্যানন্দদেব। তিনি কলিকাতা তদানীন্তন এ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার ধর্মপ্রাণ মহেন্দ্রনাথ ও কাশীশ্বরী দেবীর ঘরে ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯০২ সালে (১১ ফাল্গুন ১৩০৮ বঙ্গাব্দের কৃষ্ণা দ্বিতীয়া তিথিতে) ১৮নং লালবাজার স্ট্রিটের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

কমার্স বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করার বহু পূর্বে হিন্দু স্কুলে পড়ার সময় থেকেই তাঁর আধ্যাত্মিক ক্ষুধা জাগ্রত হয়। এন্ট্রাস ও বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে আইএ পাস করার পরই স্কটিস চার্জ কলেজে অর্থনীতিতে অনার্স সহ বিএ পড়ার সময় ১৯২১ সালে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের অন্যতম প্রধান সন্ন্যাসী সন্তান যুগাচার্য স্বামী অভেদানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষাভিলাষী সত্যব্রত (ঠাকুর সত্যানন্দ দেবের পূর্বাশ্রমের নাম) যাতায়াত শুরু করেন।

দীক্ষাগ্রহণ করে সত্যানন্দদেব সম্পূর্ণ ধর্ম সাধনায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তাঁর তপস্যা, ধর্মপরায়ণতা ও অন্তর্মুখিতায় বাড়ির সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন।

প্রথমে বেদান্ত সাধনায় ও রাজযোগ সাধনায় দীর্ঘদিন নিজেকে নিয়োজিত করেন। সে সময় থেকেই প্রায় ১৪ বছর পিতা মহেন্দ্রনাথের বীরভূমের সিউড়ীস্থিত ভবনে নির্জনে সাধনায় রত থাকেন। পরে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের জীবনের আলোকে মাতৃ সাধনায় নিজেকে নিয়োগ করেন। মা ভবতারিণীর দেখা পেয়ে, মা ভবতারিণীর কাছে সন্ন্যাস দীক্ষাগ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে শ্রীরামকৃষ্ণের গদাধর গোপাল মূর্তিতে সেবা করেন।

১৯৩৮ সাল থেকে কলকাতা বা সিউড়ীর বাড়িতে থাকাকালীন তিনি জনসমক্ষে প্রকট হন। সেসময় থেকেই তার ভক্ত সমাগম শুরু হয়। ১৯৩৯ সাল থেকে ধর্ম সাধনায় ও স্বামী বিবেকানন্দ প্রবর্তিত কর্মযোগের সাধনার জন্য সিউড়ীর ঐ বাড়িতেই ‘শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম’ নামে সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।

ধীরে ধীরে ভক্ত-শিষ্যরা দীক্ষা, ব্রহ্মচর্য ও সন্ন্যাস ও ব্রত লাভ করেন ও সংঘটির কর্ম কেন্দ্রের সংখ্যা ও কল্যাণকর পরিধি বাড়াতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে ঋষি জীবনের মতো বেশ কয়েকটি পরিবারের সকলেই সন্ন্যাস গ্রহণ করায় একটি মাতৃবিভাগও গঠিত হয়। ১৯৪৪ সালে সংঘটি রেজিস্ট্রি হয়।

ওই সময় ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের শেষ স্মৃতিপুত কাশীপুর উদ্যানবাটী শূকরের মাংসের কারখানার মালিক সাহেবের কাছ থেকে বহুকষ্টে ও অর্থব্যয়ে উদ্ধার করা হয় এবং পরে বেলুড় শ্রী রামকৃষ্ণ মিশন সেটি ক্রয় করেন।

কামারপুকুরে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের জীর্ণদশা পিতৃভিটা উদ্ধারের চেষ্টা, তাঁর প্রেরণায় শ্রীশ্রী মায়ের স্মৃতি বিজড়িত দক্ষিণেশ্বরের নহবতখানার সংস্কার এবং বর্তমানে স্বামীজিদের তপস্যা ভূমি আলমবাজার মঠের ভগ্নপ্রায় বাড়িটির একাংশ ক্রয় করে সেটিকে একটি স্মৃতি মন্দির ও জনহিতকর প্রতিষ্ঠানে রূপায়িত করার প্রচেষ্টা শ্রীশ্রী ঠাকুর সত্যানন্দদেবের জীবনে বিশেষ লক্ষণীয় ঘটনা।

আধ্যাত্মিকতা সাধনার সাথে সাথে মানুষের জন্য সেবাব্রত তিনি দিকে দিকে ছড়িয়ে দিতে থাকেন। ক্রমান্বয়ে ১৬/১৭টি স্কুল, দুটি কলেজ ও কয়েকটি ডিসপেনসারী, একটি হাসপাতাল, বেশ কয়েখটা লাইব্রেরী, রিলিফ কেন্দ্র স্থাপন করে কল্যাণ ব্রতে শ্রীশ্রী ঠাকুর সাধুবৃন্দকে নিয়োজিত করেন।

কিন্তু শ্রীশ্রী ঠাকুর দিব্য সাধনায় উদ্বুদ্ধ করে সকলকে নিয়মিত ধ্যান, জপ, তপস্যাদি, পূজাপাঠের উপদেশ দিতেন এবং শেষদিন পর্যন্ত নিজে কঠিন তপস্যা ও নিয়ম পালন করেছেন। আবার এরই মাধ্যমে সমস্ত ভক্ত শিষ্য ও সাধু সন্ন্যাসীদের মধ্যে একটি আত্মীয়তার সম্পর্ক গঠিত হয়।

নিজের জীবনে শ্রীশ্রী ঠাকুর সত্য থেকে কখনো চুল পরিমাণও স্থানচূত্য হননি। তাঁর দর্শন, সংগীত, জীবনী, নাটক, সাহিত্য ও ধর্মপুস্তকগুলির মধ্যে World philosophy, World Ethics, World Psychology, যুগাচার্য্য, যুগে যুগে যার আসা, কালীকীর্তন প্রভৃতি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

দর্শনের পুস্তকগুলি ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ প্রমুখ বিখ্যাত সুধীবৃন্দের দ্বারা উচ্চ প্রশংসিত হয়েছে ও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়াও ঠাকুর আমাদের অজস্র গান উপহার দিয়ে গেছেন। ঠাকুরের রচিত বহুল প্রচারিত একটি গান-

জীবন পদ্মে স্পন্দিত হোক
রামকৃষ্ণ সারদা নাম,
করুণ কান্ত রূপ অধরা
অশ্রু সরস করুক প্রাণ।।

ক্লান্ত তৃষিত দূরের পন্থ
তৃপ্ত হোক এ কর আশিস্,
অন্ধকারের ভীতি হরণ
জাগাও তোমার মোহন ঠাম।।

জীবন পদ্মে স্পন্দিত হোক
রামকৃষ্ণ সারদা নাম,
করুণ কান্ত রূপ অধরা
অশ্রু সরস করুক প্রাণ।।

মর্ত্য মাটিতে স্বর্গ আসুক
তোমার কৃপায় যুগাবতার,
গুণ্ঠিত করি লুণ্ঠিত হিয়া
দাও হে দু:খ শোকে ত্রাণ।।

জীবন পদ্মে স্পন্দিত হোক
রামকৃষ্ণ সারদা নাম,
করুণ কান্ত রূপ অধরা
অশ্রু সরস করুক প্রাণ।।

শ্রীঠাকুর সত্যানন্দদেবের জীবনের সাধনার মূলভাবগুলি ছিল ভালোবাসা, পবিত্রতা, তপস্যা, সেবা ও শ্রীরামকৃষ্ণের সমন্বয় ভাবপ্রচার। শুধু বাংলাদেশ বা ভারতবর্ষের নয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অগণিত মানুষ, ধর্মগুরু, সুধী ও সাহিত্যিক, সংগীতজ্ঞ, কল্যাণকর্মী ও ধর্মপিপাসুরা তাঁর কাছে এসেছেন ও তাঁর পুত স্পর্শ পেয়েছেন।

সাধু সম্প্রদায়সমূহের সন্ন্যাসীবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সংগঠিত সমাজকল্যাণ শক্তিতে সংহত করবার জন্য তিনি বারবার সাধু সম্মেলন আহ্বান করেছেন; এটা বিশেষ লক্ষণীয়। আবার কর্মজীবনের সঙ্গে বিজ্ঞানের মিতালী করবার জন্য বৈজ্ঞানিক কয়েকটি যন্ত্রকে নিজস্ব প্রবণতা অনুযায়ী জীবন সাধনার নির্দেশ লাভ করেছেন।

সকল স্তরের মানুষ, ছাত্র-শিক্ষক, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, শিল্পী, কর্মী ও সাধু প্রভৃতি সকল মানুষ যারা এসেছেন বা তাঁর রচনা পরেছেন, সকলের কাছে জীবনের সমস্ত শুভদিনের প্রেরণার উৎস ছিলেন এই দেবমানব। ঠাকুর বলেছিলেন, ‘আমিই মহাকাল’। আবার জীবনের শেষ লগ্নে এসে বললেন, ‘ত্রিনয়নী এবং আমি এক’।

তাই ঠাকুর আমাদের কাছে সর্বদেবময়। স্বয়ং ভগবান। বরানগর শ্রী রামকৃষ্ণ সেবায়তনে গত ১৯৬৯ সালের ৫ আগস্ট মঙ্গলবার বিকাল ৫:২৫ মিনিটের সময় এই দেবমানব ৬৮ বছর বয়সে নরলীলা সম্বরণ করেন।

মহাসমাধির কিছু পূর্বে তাঁর শেষ বাণীটি ছিল- ‘আমি ঠাকুরের কাছে, প্রার্থনা করছি, সকলে শান্তিতে ও কুশলে থেকো।’

শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের বারোজন লীলা পার্ষদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন স্বামী অভেদানন্দ। তাঁরই সুযোগ্য শিষ্য হলেন শ্রীমৎ স্বামী সত্যানন্দদেব। ভক্তদের কাছে যিনি ‘শ্রী ঠাকুর’ নামে পরিচিত। ১৯৩৯ সালে লীলাপ্রকাশের পর ১৯৪৬ সালে শ্রী ঠাকুর প্রথমবার কলকাতার বরানগরে আসেন।

তাঁর পূর্বাশ্রমের ভগ্নিপতি শ্রী রামচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজস্ব বাগানবাড়ি ‘নিরাশ্রয়’ শ্রী ঠাকুরের নামে উৎসর্গ করেন। এটিই বর্তমানে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম বা ‘কাঁচের মন্দির’ নামে সমধিক প্রসিদ্ধ।

ভারত তথা সমগ্র এশিয়ার মধ্যে অদ্বিতীয় সম্পূর্ণ কাঁচের তৈরি এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ঠাকুর শ্রী সত্যানন্দদেবের কাঁচ বা স্ফটিক প্রীতির কারণ হিসেবে একটি কাহিনী শোনা যায়। একবার শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের শারীরিক অসুস্থতার সময় শ্রী কেশবচন্দ্র সেন মন্তব্য করেছিলেন, ‘এই রকম পবিত্র শরীরকে কাঁচের ঘরে রাখা দরকার…।’

এই কথাটিই শ্রী ঠাকুর সত্যানন্দদেবের মনে এক সুপ্ত ইচ্ছার সঞ্চার করে। পরবর্তীকালে শ্রী ঠাকুর তাঁর ভক্তদের বলতেন, ‘দেখবি, গঙ্গার ধারে একটা নীলচে কাঁচের মন্দির হবে। আকাশের রঙে মন্দিরের রং একাকার হয়ে কত সুন্দর দেখতে হবে।’

আর শ্রী ঠাকুরের এই কল্পনাকেই বাস্তব রূপ দান করেছিলেন হিন্দুস্থান সেফটি গ্লাস কোম্পানির মালিক দেবানন্দ আগারওয়াল। ১৯৬২ সালে তিনি একবার অসুস্থ থাকার সময় তাঁর স্ত্রী সত্যানন্দ দেবের কাছে এসে স্বামীর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেন। ঠাকুর তাঁর তৎকালীন আশ্রমে প্রতিষ্ঠিত নিত্য পূজিত গোপালজী ও দধিবামনজীর চরণামৃত দেন দেবনন্দজীর স্ত্রী শকুন্তলা দেবীকে।

শকুন্তলাদেবী নিয়মিত হোমের ভস্ম, চরণ তুলসী ও চরণামৃত নিয়ে যেতেন অসুস্থ স্বামীর জন্য। শোনা যায়, এরপরই গ্লাস ফ্যাক্টরির মালিক সুস্থ হয়ে ওঠেন। সুস্থতা লাভের পর আগরওয়ালজী দক্ষিণা স্বরূপ যখন শ্রী ঠাকুরকে কিছু দিতে চাইলেন তখন ঠাকুর সত্যানন্দদেব তাঁর বহুদিনের সাধের কাঁচের তৈরি মন্দিরের সুপ্ত ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন।

সে সময় কলকাতার টালা পার্কে এক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে দেবানন্দ আগারওয়ালজীর গ্লাস ফ্যাক্টরির আনব্রেকেবল গ্লাসের দোতলা ঘর সিঁড়ি, বারান্দা, চেয়ার, বেঞ্চ ইত্যাদি প্রদর্শিত হয়। ভক্তমুখে এর প্রশংসা শুনে শ্রী ঠাকুর তাঁর আকাঙ্খার কথা আগারওয়ালজীকে জানান। এরপর দেবানন্দ আগারওয়াল সানন্দে শ্রী ঠাকুরের এই সুপ্ত ইচ্ছেকে বাস্তবায়নের কাজে ব্রতী হন।

ঠাকুরের কাছে ভুবনেশ্বর মন্দিরের একটি মডেল ছিল। সেই মডেলটির অনুরূপেই তৈরি হয়েছিল এই মন্দিরটি। যেহেতু নদীর পাড়ে তৈরি হয়েছিল তাই এই মন্দিরকে আটকোনা আকৃতির তৈরি করা হয়েছিল। বরানগরের বিস্ময়কর এই মণি-মন্দির ও কাঁচের মন্দিরটি প্রবীণদের মুখে ‘মণিমন্দির’ নামেও প্রচলিত আছে।

১৯৬৪ সালের ৩০ এপ্রিল ভিত খননের কাজ শুরু হয়েছিল। সত্যানন্দদেব এই ভিতের মধ্যে সমস্ত তীর্থমন্দিরের দেবতার চরণধূলি, পুষ্প, শ্রীশ্রী সারদা মায়ের কেশ, পানের ডিবে, শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ দেবের কেশ, কামার পুকুর বাড়ির সিঁড়ির ইঁট দিলেন।

দেয়ালগুলি সব হার্সাড গ্লাস দিয়ে তৈরি করা হল যা খানিকটা নীলাভ দেখায়। এই মন্দির নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন ক্যানেল ইঞ্জিনিয়ার হরিসাধন ভার্মা এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়র সুবোধ বন্দোপাধ্যায়।

বর্ষার হাত থেকে ভক্তদের রক্ষা করার জন্য শ্রী ঠাকুরের ইচ্ছায়, মন্দিরের সামনে একটি নাটমন্দির তৈরি করে দেন তার ভক্তসন্তান জগদীশ চন্দ্র ভাগা, পুনমচাঁদ ও লাল চাঁদ ভুতরিয়া। অপর এক ভক্ত কাশীনাথ ঘুটঘুটিয়া মন্দিরটিকে মোজাইক করে দেন ও দক্ষিণাত্যের মিনাক্ষিদেবীর মন্দিরের অনুকরণে ছোটদের আনন্দ দানের জন্য ছোট্ট চিড়িয়াখানা বানানোর ব্যাবস্থা করেন।

তৎকালীন আনন্দবাজার, অমৃতবাজার, যুগান্তর, বসুমতী, জনসেবক, লোকসেবক ইত্যাদি সংবাদপত্রে মণি মন্দিরের ছবি সমেত প্রকাশ করা হয়, ‘সমগ্র এশিয়ার বিস্ময়, সম্পূর্ণ কাঁচ নির্মিত এমন মন্দির আর কোথাও নেই।’

শ্রী ঠাকুর সত্যানন্দ দেবের ভ্রাতুষ্পুত্র শ্রী সম্বুদ্ধ মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সমাধি মন্দিরটিকে সম্পূর্ণ মার্বেল পাথর দিয়ে মোড় হয়েছে এবং পবিত্র স্বারকগুলো রক্ষার জন্য একটি শতবর্ষ ভবন তৈরি হয়েছে। বর্তমানেও এই আশ্রম নানা সমাজ সেবামূলক কাজ তথা বিদ্যালয় স্থাপন, ছাত্রাবাস, গ্রন্থাগার স্থাপন ইত্যাদির মধ্য দিয়ে শিক্ষাপ্রসারে কাজ করে চলেছে।

শ্রী ঠাকুর বলেছিলেন, ‘আমি এমন দীপ জেলে গেলাম যে দীপ কোনোদিনও নিভবে না। মণি মন্দিরে মাকে দেখবি, শ্রদ্ধায় ভক্তিতে বল, বিপদে আপদে বল, ভয়ে ও বুক নিঙরে প্রার্থনা করতে ও বিপদে আপদে ভক্তদের ছুটে আসতে হবে’

তাঁর কথা যে অক্ষরে অক্ষরে সত্য হয়েছে এখনোও বিভিন্ন উৎসবে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয় ও মণি মন্দির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।

নির্মাতা
ভবঘুরে কথা'র নির্মাতা

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!