কাজী নজরুল ইসলাম

২৬.
সর্বসহা কন্যা মোর! সর্বহারা মাতা! শূন্য নাহি রহে কভূ মাতা ও বিধাতা!’ (মা, সর্বহারা) -কাজী নজরুল ইসলাম

২৭.
আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে, সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে। -কাজী নজরুল ইসলাম 

২৮.
খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে। প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা নিরজনে প্রভু নিরজনে। -কাজী নজরুল ইসলাম

২৯.
হিন্দু না ওরা মুসলিম এই জিজ্ঞাসে কোন জন হে, কাণ্ডারি বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা’র। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩০.
কোনকালে একা হয়নিকো জয়ী, পুরুষের তরবারী; প্রেরণা দিয়েছে, শক্তি দিয়াছে, বিজয়ালক্ষী নারী।  -কাজী নজরুল ইসলাম

৩১.
পশুর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে আমাদের লাভ কী, যদি আমাদের গৌরব করার মতো কিছু না-ই থাকে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩২.
আমি বন্ধনহারা কুমারীর বেণী, তন্বী নয়নে বহ্নি, আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩৩.
আরতির থালা, তসবির মালা, আসিবে না কোন কাজে, মানুষ করিবে মানুষের সেবা, আর যত সব বাজে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩৪.
সত্য যদি লক্ষ্য হয়, সুন্দর ও মঙ্গলের সৃষ্টি সাধনা ব্রত হয়, তবে তাহার লেখা সম্মান লাভ করিবেই করিবে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩৫.
মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন, কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভুগিই অনুভব করতে পারে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩৬.
যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে বুঝবে সেদিন বুঝবে! -কাজী নজরুল ইসলাম

৩৭.
আমি এই দেশে, এই সমাজে জন্মেছি বলেই শুধু এই দেশের, এই সমাজেরই নই, আমি সকল দেশের সকল মানুষের। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩৮.
অন্ধের মতো কিছু না বুঝিয়া, না শুনিয়া, ভেড়ার মতো পেছন ধরিয়া চলিও না। নিজের বুদ্ধি, নিজের কার্যশক্তিকে জাগাইয়া তোলে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৩৯.
কামনা আর প্রেম দুটি হচ্ছে সম্পূর্ণ আলাদা। কামনা একটা প্রবল সাময়িক উত্তেজনা মাত্র আর প্রেম হচ্ছে ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪০.
অন্ধের মতো কিছু না বুঝিয়া, না শুনিয়া, ভেড়ার মতো পেছন ধরিয়া চলিও না। নিজের বুদ্ধি, নিজের কার্যশক্তিকে জাগাইয়া তোলে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪১.
কপালে সুখ লেখা না থাকলে সে কপাল পাথরে ঠুকেও লাভ নেই। এতে কপাল যথেষ্টই ফোলে, কিন্তু ভাগ্য একটুও ফোলে না। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪২.
ছবি আমার বুকে বেধে, পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে, ফিরবে মরু কানন গিরি, সাগর আকাশ বাতাশ চিরি, সেদিন আমায় খুজবে, বুঝবে সেদিন বুঝবে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪৩.
আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি, জবাবদিহির কেন এত ঘটা যদি দেবতাই হও, টুপি পড়ে টিকি রেখে সদা বলো যেন তুমি পাপী নও। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪৪.
গগনে কৃষ্ণ মেঘ দোলে- কিশোর কৃষ্ণ দোলে বৃন্দাবনে, থির সৌদামিনী রাধিকা দোলে নবীন ঘনশ্যাম সনে; দোলে রাধা শ্যাম ঝুলন-দোলায় দোলে আজি শাওনে। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪৫.
খোদার কি আশ্চর্য মহিমা। রাজা–যার অত ধন মালামাত্তা, অত প্রতাপ, সেও মরে মাটি হয়। আর যে ভিখারি খেতে না পেয়ে তালপাতার কুঁড়েতে কুঁকড়ে মরে পড়ে থাকে, সেও মাটি হয়। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪৬.
আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু, আমার ক্ষুদার অন্ন তা’বলে বন্ধ করোনি প্রভু, তব মসজিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী, মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী! -কাজী নজরুল ইসলাম

৪৭.
ও কারা কোরাণ বেদ বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি, ও মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে,যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে, পুজিছে গ্রন্থ ভণ্ডের দল! মূর্খরা সব শোন, মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনও। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪৮.
আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি, জবাবদিহির কেন এত ঘটা যদি দেবতাই হও, টুপি পড়ে টিকি রেখে সদা বলো যেন তুমি পাপী নও, পাপী নও যদি কেন এ ভড়ং ট্রেডমার্কার ধুম, পুলিশি পোশাক পরিয়া হয়েছ পাপের আসামী গুম। -কাজী নজরুল ইসলাম

৪৯.
মওলানা মৌলবি সাহেবকে সওয়া যায়, মোল্লাও চক্ষু কর্ণ বুজিয়া সহিতে পারি, কিন্তু কাঠমোল্লার অত্যাচার অসহ্য হইয়া উঠিয়াছে। ইসলামের কল্যাণের নামে ইহারা যে কওমের জাতির ধর্মের কি অনিষ্ট করিতেছেন তাহা বুঝিবার মত জ্ঞান নাই বলিয়াই ইহাদের ক্ষমা করা যায় না। ইহারা প্রায় প্রত্যেকেই ‘মনে মনে শাহ ফরীদ, বগল মে ইট’। ইহাদের নীতি ‘মুর্দা দোজখ মে যায় আওর বেহেশত মে যায়, মেরা হালুয়া রুটি সে কাম’। -কাজী নজরুল ইসলাম

<<কাজী নজরুল ইসলামের বাণী: এক

……………….
আরো পড়ুন:
কাজী নজরুল ইসলামের বাণী: এক

কাজী নজরুল ইসলামের বাণী: দুই

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!